প্রবাস ডেস্ক: সার্বিয়া, জাপান ও লিবিয়াসহ মোট ১২টি দেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নির্দিষ্ট দেশগুলোতে যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের জন্য মন্ত্রণালয় থেকে ছাড়পত্র ইস্যু না করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা একটি দাপ্তরিক চিঠির মাধ্যমে এই নতুন নির্দেশনাটি প্রদান করা হয়। অভিবাসন খাতের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং কর্মী সুরক্ষার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনা পাওয়ার পর বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ বা বায়রাও তাদের সকল সদস্য রিক্রুটিং সংস্থাকে বিষয়টি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছে। মলদোভা, বেলারুশ, কসোভো, বসনিয়া, ইরাক, লাওস, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ইউক্রেন এই ১২টি দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে এখন থেকে সরকারি অনুমোদন ছাড়া এসব গন্তব্যের বিপরীতে কোনো ধরনের ছাড়পত্র না পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত থাকতে হবে। সরকারি এই কড়াকড়ির ফলে মধ্যস্বত্বভোগী ও অনিবন্ধিত এজেন্সির দৌরাত্ম্য কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই নির্দেশনা জারির প্রেক্ষাপটে অভিবাসন বিষয়ক সংগঠন অনির্বাণ সারভাইভার ফাউন্ডেশনের সভাপতি আল আমিন নয়ন গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ প্রদান করেছেন। তিনি জানান, সরকারি অনুমোদন ও ছাড়পত্র নিশ্চিত হওয়ার আগে কর্মীদের কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। শুধু ভিসা হাতে পাওয়া কিংবা চাকরির প্রস্তাব থাকলেই নিরাপদ অভিবাসনের নিশ্চয়তা মেলে না বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাই চাকরির চুক্তি, বেতন-ভাতা এবং নিয়োগকর্তার সঠিক পরিচয় যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।
কম্বোডিয়া, লাওস ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন প্রতারণা চক্রে কর্মীদের জিম্মি করার আন্তর্জাতিক উদ্বেগের বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন। এসব দেশে গিয়ে বহু বাংলাদেশি নাগরিক মানবপাচার, শোষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে তথ্য রয়েছে। তাই প্রলোভনে পড়ে এসব ঝুঁকিপূর্ণ গন্তব্যে যাওয়ার আগে কর্মী ও তাদের পরিবারকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া ছাড়পত্র না দেওয়ার নির্দেশ
১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া ছাড়পত্র না দেওয়ার নির্দেশ
প্রবাস ডেস্ক: সার্বিয়া, জাপান ও লিবিয়াসহ মোট ১২টি দেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নির্দিষ্ট দেশগুলোতে যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের জন্য মন্ত্রণালয় থেকে ছাড়পত্র ইস্যু না করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা একটি দাপ্তরিক চিঠির মাধ্যমে এই নতুন নির্দেশনাটি প্রদান করা হয়। অভিবাসন খাতের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং কর্মী সুরক্ষার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনা পাওয়ার পর বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ বা বায়রাও তাদের সকল সদস্য রিক্রুটিং সংস্থাকে বিষয়টি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে
অবহিত করেছে। মলদোভা, বেলারুশ, কসোভো, বসনিয়া, ইরাক, লাওস, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ইউক্রেন এই ১২টি দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে এখন থেকে সরকারি অনুমোদন ছাড়া এসব গন্তব্যের বিপরীতে কোনো ধরনের ছাড়পত্র না পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত থাকতে হবে। সরকারি এই কড়াকড়ির ফলে মধ্যস্বত্বভোগী ও অনিবন্ধিত এজেন্সির দৌরাত্ম্য কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।এই নির্দেশনা জারির প্রেক্ষাপটে অভিবাসন বিষয়ক সংগঠন অনির্বাণ সারভাইভার ফাউন্ডেশনের সভাপতি আল আমিন নয়ন গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ প্রদান করেছেন। তিনি জানান, সরকারি অনুমোদন ও ছাড়পত্র নিশ্চিত হওয়ার আগে কর্মীদের কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত থেকে
বিরত থাকা আবশ্যক। শুধু ভিসা হাতে পাওয়া কিংবা চাকরির প্রস্তাব থাকলেই নিরাপদ অভিবাসনের নিশ্চয়তা মেলে না বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাই চাকরির চুক্তি, বেতন-ভাতা এবং নিয়োগকর্তার সঠিক পরিচয় যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।কম্বোডিয়া, লাওস ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন প্রতারণা চক্রে কর্মীদের জিম্মি করার আন্তর্জাতিক উদ্বেগের বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন। এসব দেশে গিয়ে বহু বাংলাদেশি নাগরিক মানবপাচার, শোষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে তথ্য রয়েছে। তাই প্রলোভনে পড়ে এসব ঝুঁকিপূর্ণ গন্তব্যে যাওয়ার আগে কর্মী ও তাদের পরিবারকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত