আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সম্প্রতি অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় ধরনের রাজনৈতিক ধাক্কার মুখে পড়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টি। কংগ্রেসের দুই কক্ষ—প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট উভয়েরই নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি। বিপরীতে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে পর্যাপ্ত আসন বাড়িয়ে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা সফলভাবে ফিরিয়ে এনেছে ডেমোক্র্যাটরা। তাছাড়া ৩৬টি অঙ্গরাজ্যে অনুষ্ঠিত গভর্নর নির্বাচনেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটারদের এই রায় মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম দুই বছরের কার্যক্রমের প্রতি তাদের গভীর অনাস্থার বহিঃপ্রকাশ।
নির্বাচনের পর প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, ১০০ সদস্যের সিনেটে ডেমোক্র্যাট ও তাদের সমর্থিত স্বতন্ত্রদের আসন সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪টিতে এবং রিপাবলিকানদের আসন কমে ৪৪টিতে নেমে এসেছে। এর ফলে অন্তত সাতটি আসন রিপাবলিকানদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বিরোধী দল। এদিকে ৪৩৫ সদস্যবিশিষ্ট প্রতিনিধি পরিষদেও ডেমোক্র্যাটরা বড় জয় নিশ্চিত করেছে। ৩৬৭টি আসনের প্রকাশিত ফলে ডেমোক্র্যাটরা পেয়েছে ২২৮টি এবং রিপাবলিকানরা পেয়েছে ১৩৯টি আসন। তবে বেশ কিছু আসনের ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা এখনো বাকি থাকায় চূড়ান্ত ব্যবধানে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।
নির্বাচনী ফলাফলে বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক মাইলফলকও যুক্ত হয়েছে। জর্জিয়ায় জয়লাভ করে কিশা ল্যান্স বটমস যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া নিউ মেক্সিকো ও টেক্সাসেও নারী প্রার্থীরা অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। তবে এই ফলাফল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সরাসরি ক্ষমতা হারানোর ইঙ্গিত না দিলেও, তাঁর বাকি মেয়াদে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে। কংগ্রেসের উভয় কক্ষে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ আসায় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের তদন্ত, শুনানি এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার পথ সুগম হয়েছে।
নির্বাচন পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফরিস এই জয়কে দলের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন হিসেবে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফলাফলকে নিজের ওপর কোনো বড় আঘাত বলে মনে করছেন না। বিশ্লেषকরা মনে করছেন, মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের আসন হারানোর এটি একটি পুনরাবৃত্তি। হোয়াইট হাউজ রিপাবলিকানদের হাতে থাকলেও কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ বিরোধীদের যাওয়ায় আগামী দিনগুলোতে ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও ক্ষমতার ভারসাম্যের লড়াই আরও তীব্রতর হবে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে পাল্টে গেল রাজনীতির সমীকরণ
মধ্যবর্তী নির্বাচনে পাল্টে গেল রাজনীতির সমীকরণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সম্প্রতি অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় ধরনের রাজনৈতিক ধাক্কার মুখে পড়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টি। কংগ্রেসের দুই কক্ষ—প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট উভয়েরই নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি। বিপরীতে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে পর্যাপ্ত আসন বাড়িয়ে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা সফলভাবে ফিরিয়ে এনেছে ডেমোক্র্যাটরা। তাছাড়া ৩৬টি অঙ্গরাজ্যে অনুষ্ঠিত গভর্নর নির্বাচনেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটারদের এই রায় মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম দুই বছরের কার্যক্রমের প্রতি তাদের গভীর অনাস্থার বহিঃপ্রকাশ।নির্বাচনের পর প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, ১০০ সদস্যের সিনেটে ডেমোক্র্যাট ও তাদের সমর্থিত স্বতন্ত্রদের আসন সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪টিতে এবং রিপাবলিকানদের আসন কমে ৪৪টিতে
নেমে এসেছে। এর ফলে অন্তত সাতটি আসন রিপাবলিকানদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বিরোধী দল। এদিকে ৪৩৫ সদস্যবিশিষ্ট প্রতিনিধি পরিষদেও ডেমোক্র্যাটরা বড় জয় নিশ্চিত করেছে। ৩৬৭টি আসনের প্রকাশিত ফলে ডেমোক্র্যাটরা পেয়েছে ২২৮টি এবং রিপাবলিকানরা পেয়েছে ১৩৯টি আসন। তবে বেশ কিছু আসনের ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা এখনো বাকি থাকায় চূড়ান্ত ব্যবধানে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।নির্বাচনী ফলাফলে বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক মাইলফলকও যুক্ত হয়েছে। জর্জিয়ায় জয়লাভ করে কিশা ল্যান্স বটমস যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া নিউ মেক্সিকো ও টেক্সাসেও নারী প্রার্থীরা অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। তবে এই ফলাফল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সরাসরি ক্ষমতা হারানোর ইঙ্গিত
না দিলেও, তাঁর বাকি মেয়াদে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে। কংগ্রেসের উভয় কক্ষে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ আসায় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের তদন্ত, শুনানি এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার পথ সুগম হয়েছে।নির্বাচন পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফরিস এই জয়কে দলের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন হিসেবে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফলাফলকে নিজের ওপর কোনো বড় আঘাত বলে মনে করছেন না। বিশ্লেषকরা মনে করছেন, মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের আসন হারানোর এটি একটি পুনরাবৃত্তি। হোয়াইট হাউজ রিপাবলিকানদের হাতে থাকলেও কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ বিরোধীদের যাওয়ায় আগামী দিনগুলোতে ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও ক্ষমতার ভারসাম্যের লড়াই আরও তীব্রতর হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত