ক্যাম্পাস ডেস্ক: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসকে একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রচিন্তার সূচনাবিন্দু হিসেবে অভিহিত করেছেন। সম্প্রতি তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সামনে এই মন্তব্য করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যবৃন্দ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টর, বিভাগীয় সভাপতিসহ শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ১৯৭৫ সালের নভেম্বরের শুরুতে রাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা এবং জনগণের আস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছিল। সেই সংকটময় মুহূর্তে সিপাহি-জনতার সম্মিলিত উত্থানের মাধ্যমে দেশ একটি বড় শূন্যতা পূরণ করে। এর ফলে সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরে আসে এবং প্রশাসন সচল হওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্র একটি দৃঢ় ও দূরদর্শী নেতৃত্ব লাভ করে। সদ্য স্বাধীন দেশটি সেদিন প্রমাণ করেছিল যে, এর ভাগ্য কোনো আধিপত্যবাদী শক্তি নয় বরং জনগণই নির্ধারণ করবে।
জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে উপাচার্য জানান যে, তাঁর দর্শনে স্থিতিশীলতার অর্থ স্থবিরতা ছিল না বরং শৃঙ্খলার মাধ্যমে গতিশীলতা নিশ্চিত করা হয়েছিল। রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি তিনি কৃষি, উৎপাদন এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নেও বিশেষ মনোযোগ দিয়েছিলেন। উপাচার্যের মতে, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতির চেتনার মূল শিক্ষা হলো স্থিতিশীলতা কেবল ক্ষমতার জোরে অর্জিত হয় না, বরং তা জনগণ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক আস্থার ওপর নির্ভর করে।
তিনি আরও বলেন যে, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্য, স্থিতিশীলতার জন্য শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং অগ্রগতির জন্য গণতন্ত্র—এই তিনটি স্তম্ভের ওপরই একটি আত্মমর্যাদাশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। ৭ নভেম্বরের এই সংহতির চেতনাকে যথাযথভাবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় কাজ বলে তিনি মন্তব্য করেন। প্রসঙ্গত, দিনটি উপলক্ষে ওই দিন বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এক বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়।
৭ নভেম্বর পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রচিন্তার সূচনাবিন্দু: জাবি উপাচার্য
৭ নভেম্বর পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রচিন্তার সূচনাবিন্দু: জাবি উপাচার্য
ক্যাম্পাস ডেস্ক: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসকে একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রচিন্তার সূচনাবিন্দু হিসেবে অভিহিত করেছেন। সম্প্রতি তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সামনে এই মন্তব্য করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যবৃন্দ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টর, বিভাগীয় সভাপতিসহ শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ১৯৭৫ সালের নভেম্বরের শুরুতে রাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা এবং জনগণের আস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছিল। সেই সংকটময় মুহূর্তে সিপাহি-জনতার সম্মিলিত উত্থানের মাধ্যমে
দেশ একটি বড় শূন্যতা পূরণ করে। এর ফলে সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরে আসে এবং প্রশাসন সচল হওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্র একটি দৃঢ় ও দূরদর্শী নেতৃত্ব লাভ করে। সদ্য স্বাধীন দেশটি সেদিন প্রমাণ করেছিল যে, এর ভাগ্য কোনো আধিপত্যবাদী শক্তি নয় বরং জনগণই নির্ধারণ করবে।জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে উপাচার্য জানান যে, তাঁর দর্শনে স্থিতিশীলতার অর্থ স্থবিরতা ছিল না বরং শৃঙ্খলার মাধ্যমে গতিশীলতা নিশ্চিত করা হয়েছিল। রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি তিনি কৃষি, উৎপাদন এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নেও বিশেষ মনোযোগ দিয়েছিলেন। উপাচার্যের মতে, জাতীয় বিপ্লব ও
সংহতির চেتনার মূল শিক্ষা হলো স্থিতিশীলতা কেবল ক্ষমতার জোরে অর্জিত হয় না, বরং তা জনগণ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক আস্থার ওপর নির্ভর করে।তিনি আরও বলেন যে, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্য, স্থিতিশীলতার জন্য শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং অগ্রগতির জন্য গণতন্ত্র—এই তিনটি স্তম্ভের ওপরই একটি আত্মমর্যাদাশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। ৭ নভেম্বরের এই সংহতির চেতনাকে যথাযথভাবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় কাজ বলে তিনি মন্তব্য করেন। প্রসঙ্গত, দিনটি উপলক্ষে ওই দিন বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এক বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত