জাতীয় ডেস্ক: ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের শত্রু ও মিত্র চিহ্নিত করার বিশেষ দিন হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশপ্রেমিক, স্বাধীনতাপ্রিয় এবং গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের কাছে এই বিশেষ দিনটির অত্যন্ত গভীর তাৎপর্য ও গৌরব রয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর বনানী আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বিশেষ প্রদর্শনীতে যোগ দিয়ে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই অনুষ্ঠানটির সফল আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ছাড়াও সেনাপ্রধান, বিমানবাহিনী প্রধান এবং মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংসদ সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও রাষ্ট্রদূতরা অংশ নেন। এই বিশেষ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের তিন হাজার ক্যাডেট এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের পাঁচশ সদস্য অংশ নেন। অনুষ্ঠানে যোগদানের পূর্বে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান।
১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি ও জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থান ঘটেছিল যার মাধ্যমে তৎকালীন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে ১৯৭৫ সালের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে দেশের বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্ত চরম আকার ধারণ করেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি করা হয়েছিল। স্বাধীনতার ঘোষককে বন্দি করে দেশের স্বার্থবিরোধী যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল, তা সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করেছিল।
তিনি আরও বলেন যে ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ দিনটি জাতীয় ঐক্যের চেতনার বাতিঘর হিসেবে কাজ করে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এই দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীতে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রারও আয়োজন করা হয়েছে। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ও ঐতিহাসিক ঘটনার তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা হয়।
৭ নভেম্বর শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন
৭ নভেম্বর শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন
জাতীয় ডেস্ক: ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের শত্রু ও মিত্র চিহ্নিত করার বিশেষ দিন হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশপ্রেমিক, স্বাধীনতাপ্রিয় এবং গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের কাছে এই বিশেষ দিনটির অত্যন্ত গভীর তাৎপর্য ও গৌরব রয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর বনানী আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বিশেষ প্রদর্শনীতে যোগ দিয়ে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই অনুষ্ঠানটির সফল আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ছাড়াও সেনাপ্রধান, বিমানবাহিনী প্রধান এবং মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংসদ সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন
দেশের কূটনীতিক ও রাষ্ট্রদূতরা অংশ নেন। এই বিশেষ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের তিন হাজার ক্যাডেট এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের পাঁচশ সদস্য অংশ নেন। অনুষ্ঠানে যোগদানের পূর্বে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান।১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি ও জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থান ঘটেছিল যার মাধ্যমে তৎকালীন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে ১৯৭৫ সালের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে দেশের বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্ত চরম আকার ধারণ করেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে তৎকালীন
সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি করা হয়েছিল। স্বাধীনতার ঘোষককে বন্দি করে দেশের স্বার্থবিরোধী যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল, তা সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করেছিল।তিনি আরও বলেন যে ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ দিনটি জাতীয় ঐক্যের চেতনার বাতিঘর হিসেবে কাজ করে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এই দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীতে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রারও আয়োজন করা হয়েছে। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ও ঐতিহাসিক ঘটনার তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা হয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত