সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে • অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে "ট-র্চা-র সেল"! • রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার দাবি • বিশ্ব ডিম দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএলআরআইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন • ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ • সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ • বিএনপি সরকারের সাত মাসে ৩২ কূপ খনন, যুক্ত হচ্ছে প্রায় ১৪৮ এমএমসিএফ গ্যাস • ঢাকার বস্তিতে যক্ষ্মা স্ক্রিনিংয়ে ১ লাখ ৪৫ হাজার ডলার দেবে জাপান • আবেগ, অশ্রুতে আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে মেসির বিদায়
আন্তর্জাতিক বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা চাইলেন ইমরান খান

বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা চাইলেন ইমরান খান

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এদেশের মানুষের ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী অত্যাচার করেছিলো বলে স্বীকার করেছেন, দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তিনি বলেন, এখন পাকিস্তানিদের সঙ্গে যা হচ্ছে, ৫০ বছর আগে পূর্ব পাকিস্তানিদের সাথেও তাই হয়েছে। নির্যাতন চালিয়ে বাংলাদেশের জন্ম যেমন ঠেকানো যায়নি, তেমনি দমনপীড়ন চলমান বিক্ষোভ ঠেকাতে পারবে না ।

মঙ্গলবার দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তার এ গ্রেপ্তারের সঙ্গে ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গ্রেপ্তারের ঘটনার মিল খুঁজছেন পাকিস্তানীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশীদের কাছে ক্ষমা চাইছেন তারা, বঙ্গবন্ধুকে আখ্যা দিচ্ছেন পাকিস্তানের সত্যিকারের নায়ক।

সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপের প্রোফাইলে বঙ্গবন্ধুর ছবি দেয়া হচ্ছে। কেউ কেউ নিজের প্রোফাইলেও দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধুর ছবি। পাকিস্তানের পাঠ্যবইয়ে শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্বাসঘাতক হিসাবে তুলে ধরা হলেও নিজেদের ভুল শোধরে নিচ্ছেন তারা। বলছেন, গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের কারণে ১৯৭১ সাল সম্পর্কে ভুল তথ্য পেয়ছিলেন তারা।

শুক্রবার মুক্তি পান ইমরান খান। পরদিন জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে আবারো প্রসঙ্গ টানেন বাংলাদেশের। বলেন, ১৯৭১ সালেও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। ইংল্যান্ডে পড়াশোনা করতে গিয়ে জানতে পারেন পূর্ব পাকিস্তানে কী ঘটছে।

আবারো পূর্ব পাকিস্তানের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। আমার জীবদ্দশায় হয়েছে পূর্ব পাকিস্তান। ১৯৭১ সালের মার্চে সেখানে আমি পূর্ব পাকিস্তান অনুর্ধ্ব ১৯ দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলতে গিয়েছিলাম। আমাদের নিয়ে যে জাহাজ ফিরেছিলো এটাই ছিলো শেষ জাহাজ। আমার এখনো মনে আছে, আমাদের জন্য তাদের মনে কি পরিমাণ ঘৃণা ছড়ানো হয়েছিলো। অমরা এসব জানতামই না। আজকে যেভাবে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে তখনো তারা গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। বক্ত্যব্যে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের সঙ্গে ভয়াবহ অন্যায় করা হয়েছে বলে স্বীকার করেন ইমরান খান।

আমাদের বোঝা উচিৎ যে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের সঙ্গে কতো বড় অন্যায় হয়েছে। তাদের দল নির্বাচনে জয়ী হয়েছে। তাদের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কথা ছিলো...। দেশ ধ্বংস করে দিয়েছে, ৯০ হাজার সৈন্য আত্মসমপর্ণ করেছে। দেশের কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে আপনারা ধারণাও করতে পারবেন না। আপনাদের বোঝা উচিৎ লাঠি দিয়ে পিটিয়ে কিছু হবে না। এটা কাজে দিলে পূর্ব পাকিস্তানেও কাজে আসতো। লাঠি পেটা কোরে, জেলে পুরে কোনো রাজনৈতিক দলকে শেষ করা যায় না।

এসময় পাকিস্তানের বর্তমান নীতিনির্ধারকদের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। বলেন, বন্ধ ঘরে অল্প লোক বসে সিদ্ধান্ত নেয়। যাদের বাকি দুনিয়া সম্পর্কে ধারণা নাই।

খুঁজুন