সারাদেশ ডেস্ক: পরিবারের চরম অভাব অনটন ও মায়ের মৃত্যুর পর ছোট ভাইয়ের ভবিষ্যৎ বাঁচাতে কুলির পেশা বেছে নিয়েছে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর। কমলাপুর রেলস্টেশনে ভারী বোঝা টেনে জীবিকা নির্বাহ করা রহমান নিজের কষ্টের কথা না ভেবে ছোট ভাইয়ের পড়াশোনা ও দেখভালের বিষয়টিকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। জীবনের এই পর্যায়ে এসে তার একমাত্র লক্ষ্য হলো ভাইকে মানুষ করা।
কিশোর রহমান জানায়, তাদের মা মারা যাওয়ার পর বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করে পরিবারের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এমন পরিস্থিতিতে অভিভাবকহীন হয়ে পড়া দুই ভাইয়ের জীবনে নেমে আসে চরম দুর্দিন। কোনো উপায় না পেয়ে কিশোর বয়সেই পেটের টানে এবং ছোট ভাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে রাজধনীর কমলাপুর স্টেশনে ট্রেনের যাত্রীদের মালামাল বহনের কাজ শুরু করে সে।
রেলস্টেশনের কংক্রিটের ওপরেই কাটে এই দুই ভাইয়ের কঠিন জীবন সংগ্রাম, যা গত তিন বছর ধরে তাদের স্থায়ী ঠিকানায় পরিণত হয়েছে। বাবাকে হারিয়ে ও অভাবের তাড়নায় জহিরুল নামের ওই শিশুর শৈশবের সমস্ত স্বপ্ন চিরতরে বদলে গেছে। পড়াশোনা ও দুবেলা ডাল-ভাতের নিশ্চয়তা পেতে তাকে এখন প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করতে হচ্ছে।
নিজের চরম কষ্টের কথা প্রকাশ করতে গিয়ে রহমান দৃঢ়তার সঙ্গে বলে যে ভাইয়ের মঙ্গলের জন্য সে যেকোনো কষ্ট সহ্য করতে রাজি আছে। তার এই আত্মত্যাগ ও ছোট ভাইয়ের প্রতি গভীর ভালোবাসা সমাজের অন্য দশটি সাধারণ মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকা এই দুই ভাইয়ের গল্প যেন এক নির্মম বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি।
‘আমার কষ্ট নাই, ছোট ভাইটা ভালো থাকুক'
‘আমার কষ্ট নাই, ছোট ভাইটা ভালো থাকুক'
সারাদেশ ডেস্ক: পরিবারের চরম অভাব অনটন ও মায়ের মৃত্যুর পর ছোট ভাইয়ের ভবিষ্যৎ বাঁচাতে কুলির পেশা বেছে নিয়েছে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর। কমলাপুর রেলস্টেশনে ভারী বোঝা টেনে জীবিকা নির্বাহ করা রহমান নিজের কষ্টের কথা না ভেবে ছোট ভাইয়ের পড়াশোনা ও দেখভালের বিষয়টিকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। জীবনের এই পর্যায়ে এসে তার একমাত্র লক্ষ্য হলো ভাইকে মানুষ করা।কিশোর রহমান জানায়, তাদের মা মারা যাওয়ার পর বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করে পরিবারের সঙ্গে সব ধরনের
যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এমন পরিস্থিতিতে অভিভাবকহীন হয়ে পড়া দুই ভাইয়ের জীবনে নেমে আসে চরম দুর্দিন। কোনো উপায় না পেয়ে কিশোর বয়সেই পেটের টানে এবং ছোট ভাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে রাজধনীর কমলাপুর স্টেশনে ট্রেনের যাত্রীদের মালামাল বহনের কাজ শুরু করে সে।রেলস্টেশনের কংক্রিটের ওপরেই কাটে এই দুই ভাইয়ের কঠিন জীবন সংগ্রাম, যা গত তিন বছর ধরে তাদের স্থায়ী ঠিকানায় পরিণত হয়েছে। বাবাকে হারিয়ে ও অভাবের তাড়নায় জহিরুল নামের ওই শিশুর শৈশবের সমস্ত স্বপ্ন
চিরতরে বদলে গেছে। পড়াশোনা ও দুবেলা ডাল-ভাতের নিশ্চয়তা পেতে তাকে এখন প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করতে হচ্ছে।নিজের চরম কষ্টের কথা প্রকাশ করতে গিয়ে রহমান দৃঢ়তার সঙ্গে বলে যে ভাইয়ের মঙ্গলের জন্য সে যেকোনো কষ্ট সহ্য করতে রাজি আছে। তার এই আত্মত্যাগ ও ছোট ভাইয়ের প্রতি গভীর ভালোবাসা সমাজের অন্য দশটি সাধারণ মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকা এই দুই ভাইয়ের গল্প যেন এক নির্মম বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত