সামনে জিব্রাইল নিজেই ধরা - আমি জ্ঞানের শহর, আলী তার দরজা
১। ঘটনাটা কি? আগে সঠিক তত্ত্ব বোঝো
একদিন হযরত জিব্রাইল (আঃ) - যিনি ২৪ হাজার বার নবীজির কাছে ওহী নিয়ে এসেছেন - তিনি মানুষের সুরত ধরে মাওলা আলী (আঃ) এর কাছে আসলেন।
এসে পরীক্ষা করতে লাগলেন - হে আলী, তুমি নাকি জ্ঞানের শহরের দরজা? নবী বলেছেন - **"আনা মাদিনাতুল এলমে ওয়া আলীয়ুন বাবুহা - আমি জ্ঞানের শহর, আলী তার দরজা"** - তিরমিজি। তাহলে একটু বলো দেখি, এই মুহূর্তে জিব্রাইল কোথায় আছে?
মাওলা আলী কি করলেন?
তিনি প্রথমে ডানে দেখলেন - না, জিব্রাইল নাই।
বামে দেখলেন - না, নাই।
জমিনে দেখলেন - না, নাই।
আসমানে দেখলেন - না, নাই।
আসমানেও নাই, জমিনেও নাই - তাহলে আছে কোথায়? মাওলা আলী হেসে বললেন - **"অতএব তুমিই জিব্রাইল"**।
সূত্র - নুজহাতুল মাজালিস - পৃষ্ঠা ৩৫২।
এটা কি গল্প? না, এটা বেলায়েতের পাওয়ার।
২। জিব্রাইল আসমানে নাই, জমিনে নাই - মানে কি? আলী কিভাবে দেখলেন?
দরদী, জিব্রাইল ফেরেশতা - তার আসল বাড়ি সিদরাতুল মুনতাহা - ৭ আসমানের উপরে। তার ডানা ৬০০ টা। তার গতি - এক সেকেন্ডে আসমান থেকে জমিন।
কিন্তু মাওলা আলী যখন আসমানে তাকালেন - তিনি কি চোখে দেখলেন? না। তিনি **কাশফের চোখে** দেখলেন। কাশফ মানে - পর্দা উঠে যাওয়া।
ফকিররা বলে - মানুষের ২ টা চোখ - বাইরের চোখ, ভেতরের চোখ। বাইরের চোখে দেয়াল দেখে, ভেতরের চোখে দেয়ালের পেছন দেখে।
মাওলা আলীর ভেতরের চোখ খোলা ছিল - তাই তিনি আসমানের ৭ স্তর, জমিনের ৭ স্তর - এক নজরে দেখে ফেললেন। দেখলেন - জিব্রাইল কোথাও নাই - কারণ জিব্রাইল তো তার সামনেই দাঁড়িয়ে মানুষের রূপে।
এটাকে বলে - **এলমে হুজুরি - উপস্থিত জ্ঞান**। আলীকে কিতাব পড়তে হয় না, আলীকে জিব্রাইল খুঁজতে হয় না - আলী যেখানে তাকান, সেখানেই হাজির।
আর আজকের কিছু মোল্লা বলে - নবীজি দেয়ালের পেছনের খবর জানেন না - নাউজুবিল্লাহ! আরে বোকা, নবীর দরজা আলী যদি আসমান-জমিন এক নজরে দেখতে পারে, তাহলে শহর - নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - কত দেখেন? চিন্তা কর!
নবী যদি দেয়ালের পেছন না জানেন, তাহলে জিব্রাইল ওহী নিয়ে আসতেন কিভাবে? জিব্রাইল আসার আগেই নবী জানতেন - জিব্রাইল আসছে। তাই তো নবী মেরাজে গেছেন জিব্রাইল ছাড়াই - সিদরাতুল মুনতাহা থেকে - "লা মাকান" - এ - যেখানে জিব্রাইল বলে - "আমি আর এক কদম গেলে জ্বলে যাবো, ইয়া রাসুলাল্লাহ, আপনি যান।"
জিব্রাইলের শেষ, নবীর শুরু। আলীর শুরু, নবীর ভেতর।
৩। আমি জ্ঞানের শহর, আলী তার দরজা - এই হাদিসের মারফতি ভেদ
এই হাদিসটা সবচেয়ে গভীর।
শহর মানে কি? শহরে সব আছে - বাজার, খাজানা, মহল, গোপন ঘর। শহরের ভেতর কি আছে, বাইরে থেকে বোঝা যায় না - ভেতরে ঢুকতে হয়।
নবীজি হলেন - জ্ঞানের শহর - **মাদিনাতুল এলম**। তার ভেতর - শরীয়ত, তরিকত, হাকিকত, মারফত - সব খাজানা। আল্লাহর ৯৯ নামের তাজাল্লি, ১৮ হাজার আলমের রহস্য - সব নবীর সিনায়।
কিন্তু শহরে ঢুকবে কিভাবে? দেয়াল টপকে? না - দরজা দিয়ে। দরজা কে? **মাওলা আলী**।
দরজা ছাড়া শহরে ঢোকা যায় না - চোর হয়ে ঢুকলে পুলিশ ধরবে। তাই যে নবীকে পেতে চায়, তাকে আলীকে ধরতে হবে। আলীকে বাদ দিয়ে নবীকে পাওয়া - চোরের মতো দেয়াল টপকানো।
তাই নবীজি বলেন - "যে আলীকে ভালোবাসে, সে আমাকে ভালোবাসে, যে আলীকে ঘৃণা করে, সে আমাকে ঘৃণা করে।"
আলী হলেন - **বেলায়েতের সম্রাট**। নবুয়ত শেষ - নবীজির পর আর নবী নাই। কিন্তু বেলায়েত শুরু - আলী থেকে - কেয়ামত পর্যন্ত ওলি, গাউস, কুতুব - সব আলীর দরজা থেকেই ফয়েজ নেয়।
তাই ফকিররা বলে - **শরীয়ত নবীর কাছে, মারফত আলীর কাছে**। নামাজ নবী শিখিয়েছেন, নামাজের ভেতরের - মেরাজ - আলী শিখিয়েছেন।
৪। জিব্রাইল কেন আলীর কাছে পরীক্ষা দিতে আসলো?
এটাই আসল ভেদ।
জিব্রাইল হলো - ওহীর ফেরেশতা - তার কাজ - খবর আনা-নেওয়া। সে ভাবতো - আমি সবচেয়ে বড় - কারণ আমি আল্লাহ আর নবীর মাঝে - ওসিলা।
আল্লাহ বললেন - যাও, আমার আলীর কাছে যাও, দেখো - সে তোমাকেও চেনে কিনা।
জিব্রাইল মানুষের রূপে এসে পরীক্ষা করলো - আমি লুকিয়ে আছি, আলী আমাকে খুঁজে পায় কিনা।
আলী খুঁজে পেলেন - কারণ আলী তো **"আনা বাবুহা"** - দরজা। দরজা দিয়ে কে ঢুকছে, কে বের হচ্ছে - দরজা জানে। জিব্রাইল শহরে - নবীর দরবারে - কতবার ঢুকেছে, বের হয়েছে - দরজা - আলী - সব জানে।
তাই জিব্রাইল ধরা খেলো।
এটা থেকে শিক্ষা কি? - ফেরেশতাও ওলির কাছে ছোট। জিব্রাইলের এলেম - ওহীর এলেম - সীমিত - সে শুধু খবর আনে। আর আলীর এলেম - **লাদুন্নি এলেম** - সরাসরি আল্লাহ থেকে - বিনা ওসিলায়।
কোরআনে খিজির (আঃ) এর কথা আছে - যাকে আল্লাহ নিজে থেকে এলেম দিয়েছেন - "আতাইনাহু রাহমাতাম মিন ইনদিনা ওয়া আল্লামনাহু মিন লাদুন্না এলমা" - সুরা কাহাফ ৬৫। সেই লাদুন্নি এলেমের সম্রাট হলেন মাওলা আলী।
#### ৫। যারা বলে - নবী দেয়ালের পেছনের খবর জানেন না - তারা কত বড় জাহেল?
দরদী, আমি শেষে যে কথাটা লিখছি - এটাই আগুনের কথা।
আজ কিছু মূর্খ মোল্লা - ইউটিউবে, মাহফিলে - বলে - নবী গায়েব জানেন না, নবী আমাদের মতো মানুষ, নবীর কাছে দেয়ালের পেছনের খবর নাই - নাউজুবিল্লাহ।
তাদেরকে এই ঘটনা দিয়ে থাপ্পড় মারো -
আরে জাহেল, মাওলা আলী - যিনি নবীর ছাত্র, নবীর ভাই, নবীর জামাই - তিনি যদি আসমান-জমিন এক নজরে দেখতে পারেন, জিব্রাইলকে চিনতে পারেন - তাহলে তার ওস্তাদ - মুহাম্মদ (সাঃ) - যিনি - "মা কানা ওয়া মা ইয়াকুন" - আগে যা হয়েছে, পরে যা হবে - সব জানেন - তিনি দেয়ালের পেছন জানবেন না?
নবীজি তো মসজিদে নববীতে বসে - কাবা ঘরের ভেতর কি হচ্ছে, বাইতুল মোকাদ্দাসে কি হচ্ছে, কার মনে কি - সব বলতেন। হাদিস - "ইন্নি আরাকুম মিন ওয়ারায়ি জাহরি - আমি তোমাদেরকে আমার পেছন থেকেও দেখি" - বুখারি।
পেছন থেকে দেখেন, আর দেয়ালের পেছন দেখেন না - এটা কি মানা যায়?
আসলে এরা নবীকে ছোট করে, নিজেকে বড় করতে চায়। এরা জিব্রাইলের মতো - নিজেকে বড় ভাবে - কিন্তু আলীর দরজায় এসে ধরা খায়।
নবী হলেন - **নূরে মুজাসসাম, হাজির-নাজির, শাহেদ-মাশহুদ**। তিনি সব দেখেন, সব শোনেন - রওজায় শুয়েও - উম্মতের দরুদ শোনেন।
তাই ফকিররা বলে - **যার অন্তরে আলীর দরজা নাই, তার অন্তরে নবীর শহর নাই, যার অন্তরে নবীর শহর নাই, তার অন্তরে আল্লাহ নাই।**
আমি জ্ঞানের শহর, আলী তার দরজা
আমি জ্ঞানের শহর, আলী তার দরজা
সামনে জিব্রাইল নিজেই ধরা - আমি জ্ঞানের শহর, আলী তার দরজা ১। ঘটনাটা কি? আগে সঠিক তত্ত্ব বোঝো একদিন হযরত জিব্রাইল (আঃ) - যিনি ২৪ হাজার বার নবীজির কাছে ওহী নিয়ে এসেছেন - তিনি মানুষের সুরত ধরে মাওলা আলী (আঃ) এর কাছে আসলেন। এসে পরীক্ষা করতে লাগলেন - হে আলী, তুমি নাকি জ্ঞানের শহরের দরজা? নবী বলেছেন - **"আনা মাদিনাতুল এলমে ওয়া আলীয়ুন বাবুহা - আমি জ্ঞানের শহর, আলী তার দরজা"** - তিরমিজি। তাহলে একটু বলো দেখি, এই মুহূর্তে জিব্রাইল কোথায় আছে? মাওলা আলী কি করলেন? তিনি প্রথমে ডানে দেখলেন - না, জিব্রাইল নাই।বামে দেখলেন - না, নাই।জমিনে দেখলেন - না, নাই।আসমানে দেখলেন - না, নাই। আসমানেও নাই, জমিনেও নাই - তাহলে আছে কোথায়? মাওলা আলী হেসে বললেন - **"অতএব তুমিই জিব্রাইল"**। সূত্র - নুজহাতুল মাজালিস - পৃষ্ঠা ৩৫২। এটা কি গল্প? না, এটা বেলায়েতের পাওয়ার। ২। জিব্রাইল আসমানে নাই, জমিনে নাই - মানে কি? আলী কিভাবে দেখলেন? দরদী, জিব্রাইল ফেরেশতা - তার আসল বাড়ি সিদরাতুল মুনতাহা - ৭ আসমানের উপরে। তার ডানা ৬০০ টা। তার গতি - এক সেকেন্ডে আসমান থেকে জমিন। কিন্তু মাওলা আলী যখন আসমানে তাকালেন - তিনি কি চোখে দেখলেন? না। তিনি **কাশফের চোখে** দেখলেন। কাশফ মানে - পর্দা উঠে যাওয়া। ফকিররা বলে - মানুষের ২ টা চোখ - বাইরের চোখ, ভেতরের চোখ। বাইরের চোখে দেয়াল দেখে, ভেতরের চোখে দেয়ালের পেছন দেখে। মাওলা আলীর ভেতরের চোখ খোলা ছিল - তাই তিনি আসমানের ৭ স্তর, জমিনের ৭ স্তর - এক নজরে দেখে ফেললেন। দেখলেন - জিব্রাইল কোথাও নাই - কারণ জিব্রাইল তো তার সামনেই দাঁড়িয়ে মানুষের রূপে। এটাকে বলে - **এলমে হুজুরি - উপস্থিত জ্ঞান**। আলীকে কিতাব পড়তে হয় না, আলীকে জিব্রাইল খুঁজতে হয় না - আলী যেখানে তাকান, সেখানেই হাজির। আর আজকের কিছু মোল্লা বলে - নবীজি দেয়ালের পেছনের খবর জানেন না - নাউজুবিল্লাহ! আরে বোকা, নবীর দরজা আলী যদি আসমান-জমিন এক নজরে দেখতে পারে, তাহলে শহর - নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - কত দেখেন? চিন্তা কর! নবী যদি দেয়ালের পেছন না জানেন, তাহলে জিব্রাইল ওহী নিয়ে আসতেন কিভাবে? জিব্রাইল আসার আগেই নবী
জানতেন - জিব্রাইল আসছে। তাই তো নবী মেরাজে গেছেন জিব্রাইল ছাড়াই - সিদরাতুল মুনতাহা থেকে - "লা মাকান" - এ - যেখানে জিব্রাইল বলে - "আমি আর এক কদম গেলে জ্বলে যাবো, ইয়া রাসুলাল্লাহ, আপনি যান।" জিব্রাইলের শেষ, নবীর শুরু। আলীর শুরু, নবীর ভেতর। ৩। আমি জ্ঞানের শহর, আলী তার দরজা - এই হাদিসের মারফতি ভেদ এই হাদিসটা সবচেয়ে গভীর। শহর মানে কি? শহরে সব আছে - বাজার, খাজানা, মহল, গোপন ঘর। শহরের ভেতর কি আছে, বাইরে থেকে বোঝা যায় না - ভেতরে ঢুকতে হয়। নবীজি হলেন - জ্ঞানের শহর - **মাদিনাতুল এলম**। তার ভেতর - শরীয়ত, তরিকত, হাকিকত, মারফত - সব খাজানা। আল্লাহর ৯৯ নামের তাজাল্লি, ১৮ হাজার আলমের রহস্য - সব নবীর সিনায়। কিন্তু শহরে ঢুকবে কিভাবে? দেয়াল টপকে? না - দরজা দিয়ে। দরজা কে? **মাওলা আলী**। দরজা ছাড়া শহরে ঢোকা যায় না - চোর হয়ে ঢুকলে পুলিশ ধরবে। তাই যে নবীকে পেতে চায়, তাকে আলীকে ধরতে হবে। আলীকে বাদ দিয়ে নবীকে পাওয়া - চোরের মতো দেয়াল টপকানো। তাই নবীজি বলেন - "যে আলীকে ভালোবাসে, সে আমাকে ভালোবাসে, যে আলীকে ঘৃণা করে, সে আমাকে ঘৃণা করে।" আলী হলেন - **বেলায়েতের সম্রাট**। নবুয়ত শেষ - নবীজির পর আর নবী নাই। কিন্তু বেলায়েত শুরু - আলী থেকে - কেয়ামত পর্যন্ত ওলি, গাউস, কুতুব - সব আলীর দরজা থেকেই ফয়েজ নেয়। তাই ফকিররা বলে - **শরীয়ত নবীর কাছে, মারফত আলীর কাছে**। নামাজ নবী শিখিয়েছেন, নামাজের ভেতরের - মেরাজ - আলী শিখিয়েছেন। ৪। জিব্রাইল কেন আলীর কাছে পরীক্ষা দিতে আসলো? এটাই আসল ভেদ। জিব্রাইল হলো - ওহীর ফেরেশতা - তার কাজ - খবর আনা-নেওয়া। সে ভাবতো - আমি সবচেয়ে বড় - কারণ আমি আল্লাহ আর নবীর মাঝে - ওসিলা। আল্লাহ বললেন - যাও, আমার আলীর কাছে যাও, দেখো - সে তোমাকেও চেনে কিনা। জিব্রাইল মানুষের রূপে এসে পরীক্ষা করলো - আমি লুকিয়ে আছি, আলী আমাকে খুঁজে পায় কিনা। আলী খুঁজে পেলেন - কারণ আলী তো **"আনা বাবুহা"** - দরজা। দরজা দিয়ে কে ঢুকছে, কে বের হচ্ছে - দরজা জানে। জিব্রাইল শহরে - নবীর দরবারে - কতবার ঢুকেছে, বের
হয়েছে - দরজা - আলী - সব জানে। তাই জিব্রাইল ধরা খেলো। এটা থেকে শিক্ষা কি? - ফেরেশতাও ওলির কাছে ছোট। জিব্রাইলের এলেম - ওহীর এলেম - সীমিত - সে শুধু খবর আনে। আর আলীর এলেম - **লাদুন্নি এলেম** - সরাসরি আল্লাহ থেকে - বিনা ওসিলায়। কোরআনে খিজির (আঃ) এর কথা আছে - যাকে আল্লাহ নিজে থেকে এলেম দিয়েছেন - "আতাইনাহু রাহমাতাম মিন ইনদিনা ওয়া আল্লামনাহু মিন লাদুন্না এলমা" - সুরা কাহাফ ৬৫। সেই লাদুন্নি এলেমের সম্রাট হলেন মাওলা আলী। #### ৫। যারা বলে - নবী দেয়ালের পেছনের খবর জানেন না - তারা কত বড় জাহেল? দরদী, আমি শেষে যে কথাটা লিখছি - এটাই আগুনের কথা। আজ কিছু মূর্খ মোল্লা - ইউটিউবে, মাহফিলে - বলে - নবী গায়েব জানেন না, নবী আমাদের মতো মানুষ, নবীর কাছে দেয়ালের পেছনের খবর নাই - নাউজুবিল্লাহ। তাদেরকে এই ঘটনা দিয়ে থাপ্পড় মারো - আরে জাহেল, মাওলা আলী - যিনি নবীর ছাত্র, নবীর ভাই, নবীর জামাই - তিনি যদি আসমান-জমিন এক নজরে দেখতে পারেন, জিব্রাইলকে চিনতে পারেন - তাহলে তার ওস্তাদ - মুহাম্মদ (সাঃ) - যিনি - "মা কানা ওয়া মা ইয়াকুন" - আগে যা হয়েছে, পরে যা হবে - সব জানেন - তিনি দেয়ালের পেছন জানবেন না? নবীজি তো মসজিদে নববীতে বসে - কাবা ঘরের ভেতর কি হচ্ছে, বাইতুল মোকাদ্দাসে কি হচ্ছে, কার মনে কি - সব বলতেন। হাদিস - "ইন্নি আরাকুম মিন ওয়ারায়ি জাহরি - আমি তোমাদেরকে আমার পেছন থেকেও দেখি" - বুখারি। পেছন থেকে দেখেন, আর দেয়ালের পেছন দেখেন না - এটা কি মানা যায়? আসলে এরা নবীকে ছোট করে, নিজেকে বড় করতে চায়। এরা জিব্রাইলের মতো - নিজেকে বড় ভাবে - কিন্তু আলীর দরজায় এসে ধরা খায়। নবী হলেন - **নূরে মুজাসসাম, হাজির-নাজির, শাহেদ-মাশহুদ**। তিনি সব দেখেন, সব শোনেন - রওজায় শুয়েও - উম্মতের দরুদ শোনেন। তাই ফকিররা বলে - **যার অন্তরে আলীর দরজা নাই, তার অন্তরে নবীর শহর নাই, যার অন্তরে নবীর শহর নাই, তার অন্তরে আল্লাহ নাই।**
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত