বাংলার আধ্যাত্মিক ইতিহাস, সুফি সাধনা এবং লোকজ ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য সাধক ও দরবেশের নাম। তাঁদের মধ্যে চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার বেলতলী বদরপুর এলাকার হযরত শাহ্ সুফি সোলেমান লেংটা (রহ.) একটি বহুল পরিচিত নাম।
তাঁকে কেন্দ্র করে আজও মানুষের মধ্যে রয়েছে নানা স্মৃতি, বিশ্বাস, জনশ্রুতি ও আধ্যাত্মিক আবেগ।
কে ছিলেন এই সোলেমান শাহ? কোথায় তাঁর জন্ম? কীভাবে কেটেছিল তাঁর জীবন? কে ছিলেন তাঁর গুরু? আর কী ছিল তাঁর সাধনার মূল উদ্দেশ্য?
আজকের এই আয়োজনে জানার চেষ্টা করব তাঁর জীবনের প্রচলিত ইতিহাস।
প্রচলিত জীবনী ও স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হযরত শাহ্ সুফি সোলেমান লেংটা বাংলা ১২৩০ সালে তৎকালীন কুমিল্লা জেলার বর্তমান মেঘনা উপজেলার আলীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
কিছু জীবনীমূলক লেখায় তাঁর পিতার নাম আলা বক্স ভূঁইয়া বলে উল্লেখ পাওয়া যায়।
ছোটবেলা থেকেই তিনি সাধারণ জীবনযাপন করতেন বলে প্রচলিত রয়েছে। জীবনের পরবর্তী সময়ে তিনি সংসার ও পার্থিব জীবনের স্বাভাবিক আকর্ষণ থেকে দূরে থেকে আধ্যাত্মিক জীবনযাপনে মনোনিবেশ করেন বলে স্থানীয় জনশ্রুতি রয়েছে।
তাঁর জীবনের অধিকাংশ সময় কেটেছে চাঁদপুরের মতলব অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে বেলতলী বদরপুরে।
তাঁর ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে বিস্তারিত নির্ভরযোগ্য দলিল পাওয়া যায় না। তাই তাঁর জীবনের অনেক তথ্য স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত রয়েছে।
একজন সাধকের জীবনে পীর-মুর্শিদ বা আধ্যাত্মিক শিক্ষকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সোলেমান লেংটা (রহ.)-এর গুরু কে ছিলেন, সে বিষয়ে বিভিন্ন প্রচলিত আলোচনা থাকলেও নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক দলিল বা নিশ্চিত জীবনীতে তাঁর গুরুর নাম স্পষ্টভাবে পাওয়া যায় না।
কিছু বর্ণনায় মাওলানা আব্দুর রব জৌনপুরী সিদ্দিকী (রহ.)-এর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের প্রসঙ্গ পাওয়া যায়। তবে তাঁকে সোলেমান শাহের পীর বা গুরু হিসেবে নিশ্চিত করার মতো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তাই ইতিহাসের প্রতি সম্মান রেখে বলা প্রয়োজন, তাঁর প্রকৃত পীর-মুর্শিদের পরিচয় এখনো গবেষণার বিষয়।
ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা হলো, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা, নিয়মিত ইবাদত করা, মানুষের প্রতি দয়া প্রদর্শন করা এবং অহংকার থেকে নিজেকে দূরে রাখা।
প্রচলিত জনশ্রুতি অনুযায়ী, সোলেমান শাহ দীর্ঘ সময় নির্জন পরিবেশে কাটাতেন। বেলতলী ও মতলবের বিভিন্ন স্থানে তিনি অবস্থান করতেন এবং আল্লাহর স্মরণে সময় অতিবাহিত করতেন বলে স্থানীয়ভাবে প্রচলিত রয়েছে।
তাঁর জীবনযাপন ছিল প্রচলিত সামাজিক রীতির চেয়ে আলাদা। পোশাক-পরিচ্ছদের ব্যতিক্রমী জীবনধারার কারণে মানুষের কাছে তিনি লেংটা বাবা নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
তবে ইসলামে পোশাক ও শালীনতার গুরুত্ব রয়েছে। তাই কোনো ব্যক্তির ব্যতিক্রমী জীবনযাপনকে শরিয়তের বিধানের ঊর্ধ্বে মনে করা যাবে না।
ইসলাম আমাদের শিক্ষা দেয়, প্রকৃত মর্যাদা পোশাক, বাহ্যিক পরিচয় কিংবা মানুষের প্রশংসায় নয়; বরং আল্লাহভীতি, সৎকর্ম এবং সুন্দর চরিত্রে।
আশেকানদের মধ্যে বহু কেরামতের কাহিনি প্রচলিত রয়েছে।
তাঁর ভক্তদের কেউ কেউ তাঁকে আল্লাহওয়ালা ও উচ্চস্তরের আধ্যাত্মিক সাধক হিসেবে বিশ্বাস করেন। তাঁর জীবনকে কেন্দ্র করে নানা অলৌকিক ঘটনার কথাও লোকমুখে শোনা যায়।
ইসলামের পরিভাষায় আল্লাহর কোনো নেক বান্দার মাধ্যমে প্রকাশিত অলৌকিক ঘটনাকে কারামত বলা হয়।
কিন্তু মনে রাখতে হবে, কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা সত্যিই কারামত ছিল কি না, তা প্রমাণ ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।
কারণ সব ক্ষমতা, রহমত ও সাহায্যের একমাত্র মালিক মহান আল্লাহ তাআলা।
কোনো ওলি-আউলিয়া নিজ ক্ষমতায় অলৌকিক কিছু করতে পারেন না। আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কোনো কিছুই সম্ভব নয়।
তাই একজন সাধকের প্রকৃত মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর ঈমান, আমল, তাকওয়া ও ইসলামি আদর্শকে গুরুত্ব দিতে হবে।
প্রচলিত ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, বাংলা ১৩২৫ সালের ১৭ চৈত্র হযরত শাহ্ সুফি সোলেমান লেংটা (রহ.) ইন্তেকাল করেন।
ইংরেজি সাল হিসেবে তাঁর মৃত্যুর সময় ১৯১৮ সালের কথা উল্লেখ পাওয়া যায়।
বলা হয়ে থাকে, চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার বেলতলী বদরপুরে তাঁর বোনের বাড়িতে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। সেখানেই তাঁকে সমাহিত করা হয়।
পরবর্তী সময়ে তাঁর সমাধিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে পরিচিত বেলতলী সোলেমান লেংটার মাজার।
প্রতি বছর ১৭ চৈত্র তাঁর ওফাত দিবসকে কেন্দ্র করে ওরস ও মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বহু মানুষ এই এলাকায় সমবেত হন।
এই স্থানটি আজও স্থানীয় ইতিহাস, লোকজ সংস্কৃতি ও মানুষের স্মৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে।
প্রিয় দর্শক, মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী। পৃথিবীতে কেউ চিরদিন বেঁচে থাকেন না। কিন্তু মানুষের ভালো কাজ, সুন্দর চরিত্র এবং মানবকল্যাণের স্মৃতি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকে।
হযরত শাহ্ সুফি সোলেমান লেংটা (রহ.)-কে ঘিরে বেলতলী বদরপুরের যে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জনশ্রুতি গড়ে উঠেছে, তা এই অঞ্চলের মানুষের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
আমাদের উচিত প্রত্যেক নেককার মানুষের জন্য দোয়া করা এবং তাঁদের জীবনের ভালো দিকগুলো থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা।
মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সঠিক দ্বীনের পথে চলার, ঈমানের সঙ্গে জীবনযাপন করার এবং নেক আমল করার তৌফিক দান করুন।
আমিন, ইয়া রব্বাল আলামিন।
ওয়াসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
বেলতুলী সোলেমান লেংটা & দোহাই লেংটা দোহাই লেংটা
বেলতুলী সোলেমান লেংটা & দোহাই লেংটা দোহাই লেংটা
বাংলার আধ্যাত্মিক ইতিহাস, সুফি সাধনা এবং লোকজ ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য সাধক ও দরবেশের নাম। তাঁদের মধ্যে চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার বেলতলী বদরপুর এলাকার হযরত শাহ্ সুফি সোলেমান লেংটা (রহ.) একটি বহুল পরিচিত নাম। তাঁকে কেন্দ্র করে আজও মানুষের মধ্যে রয়েছে নানা স্মৃতি, বিশ্বাস, জনশ্রুতি ও আধ্যাত্মিক আবেগ। কে ছিলেন এই সোলেমান শাহ? কোথায় তাঁর জন্ম? কীভাবে কেটেছিল তাঁর জীবন? কে ছিলেন তাঁর গুরু? আর কী ছিল তাঁর সাধনার মূল উদ্দেশ্য?আজকের এই আয়োজনে জানার চেষ্টা করব তাঁর জীবনের প্রচলিত ইতিহাস। প্রচলিত জীবনী ও স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হযরত শাহ্ সুফি সোলেমান লেংটা বাংলা ১২৩০ সালে তৎকালীন কুমিল্লা জেলার বর্তমান মেঘনা উপজেলার আলীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কিছু জীবনীমূলক লেখায় তাঁর পিতার নাম আলা বক্স ভূঁইয়া বলে উল্লেখ পাওয়া যায়। ছোটবেলা থেকেই তিনি সাধারণ জীবনযাপন করতেন বলে প্রচলিত রয়েছে। জীবনের পরবর্তী সময়ে তিনি সংসার ও পার্থিব জীবনের স্বাভাবিক আকর্ষণ থেকে দূরে থেকে আধ্যাত্মিক জীবনযাপনে মনোনিবেশ করেন বলে স্থানীয় জনশ্রুতি রয়েছে। তাঁর জীবনের অধিকাংশ সময় কেটেছে চাঁদপুরের মতলব অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে বেলতলী বদরপুরে। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে বিস্তারিত নির্ভরযোগ্য দলিল পাওয়া যায় না। তাই তাঁর জীবনের অনেক তথ্য স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত রয়েছে। একজন সাধকের জীবনে পীর-মুর্শিদ বা আধ্যাত্মিক শিক্ষকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সোলেমান লেংটা (রহ.)-এর গুরু কে ছিলেন, সে বিষয়ে বিভিন্ন প্রচলিত আলোচনা থাকলেও নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক দলিল বা নিশ্চিত জীবনীতে তাঁর গুরুর নাম স্পষ্টভাবে পাওয়া যায় না। কিছু বর্ণনায় মাওলানা আব্দুর রব জৌনপুরী সিদ্দিকী (রহ.)-এর
সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের প্রসঙ্গ পাওয়া যায়। তবে তাঁকে সোলেমান শাহের পীর বা গুরু হিসেবে নিশ্চিত করার মতো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই ইতিহাসের প্রতি সম্মান রেখে বলা প্রয়োজন, তাঁর প্রকৃত পীর-মুর্শিদের পরিচয় এখনো গবেষণার বিষয়।ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা হলো, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা, নিয়মিত ইবাদত করা, মানুষের প্রতি দয়া প্রদর্শন করা এবং অহংকার থেকে নিজেকে দূরে রাখা। প্রচলিত জনশ্রুতি অনুযায়ী, সোলেমান শাহ দীর্ঘ সময় নির্জন পরিবেশে কাটাতেন। বেলতলী ও মতলবের বিভিন্ন স্থানে তিনি অবস্থান করতেন এবং আল্লাহর স্মরণে সময় অতিবাহিত করতেন বলে স্থানীয়ভাবে প্রচলিত রয়েছে। তাঁর জীবনযাপন ছিল প্রচলিত সামাজিক রীতির চেয়ে আলাদা। পোশাক-পরিচ্ছদের ব্যতিক্রমী জীবনধারার কারণে মানুষের কাছে তিনি লেংটা বাবা নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন। তবে ইসলামে পোশাক ও শালীনতার গুরুত্ব রয়েছে। তাই কোনো ব্যক্তির ব্যতিক্রমী জীবনযাপনকে শরিয়তের বিধানের ঊর্ধ্বে মনে করা যাবে না। ইসলাম আমাদের শিক্ষা দেয়, প্রকৃত মর্যাদা পোশাক, বাহ্যিক পরিচয় কিংবা মানুষের প্রশংসায় নয়; বরং আল্লাহভীতি, সৎকর্ম এবং সুন্দর চরিত্রে। আশেকানদের মধ্যে বহু কেরামতের কাহিনি প্রচলিত রয়েছে।তাঁর ভক্তদের কেউ কেউ তাঁকে আল্লাহওয়ালা ও উচ্চস্তরের আধ্যাত্মিক সাধক হিসেবে বিশ্বাস করেন। তাঁর জীবনকে কেন্দ্র করে নানা অলৌকিক ঘটনার কথাও লোকমুখে শোনা যায়। ইসলামের পরিভাষায় আল্লাহর কোনো নেক বান্দার মাধ্যমে প্রকাশিত অলৌকিক ঘটনাকে কারামত বলা হয়।কিন্তু মনে রাখতে হবে, কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা সত্যিই কারামত ছিল কি না, তা প্রমাণ ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। কারণ সব ক্ষমতা, রহমত ও সাহায্যের একমাত্র মালিক মহান আল্লাহ তাআলা। কোনো ওলি-আউলিয়া নিজ ক্ষমতায় অলৌকিক কিছু করতে পারেন না। আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কোনো কিছুই
সম্ভব নয়। তাই একজন সাধকের প্রকৃত মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর ঈমান, আমল, তাকওয়া ও ইসলামি আদর্শকে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রচলিত ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, বাংলা ১৩২৫ সালের ১৭ চৈত্র হযরত শাহ্ সুফি সোলেমান লেংটা (রহ.) ইন্তেকাল করেন। ইংরেজি সাল হিসেবে তাঁর মৃত্যুর সময় ১৯১৮ সালের কথা উল্লেখ পাওয়া যায়। বলা হয়ে থাকে, চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার বেলতলী বদরপুরে তাঁর বোনের বাড়িতে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। সেখানেই তাঁকে সমাহিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁর সমাধিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে পরিচিত বেলতলী সোলেমান লেংটার মাজার। প্রতি বছর ১৭ চৈত্র তাঁর ওফাত দিবসকে কেন্দ্র করে ওরস ও মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বহু মানুষ এই এলাকায় সমবেত হন। এই স্থানটি আজও স্থানীয় ইতিহাস, লোকজ সংস্কৃতি ও মানুষের স্মৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে। প্রিয় দর্শক, মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী। পৃথিবীতে কেউ চিরদিন বেঁচে থাকেন না। কিন্তু মানুষের ভালো কাজ, সুন্দর চরিত্র এবং মানবকল্যাণের স্মৃতি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকে। হযরত শাহ্ সুফি সোলেমান লেংটা (রহ.)-কে ঘিরে বেলতলী বদরপুরের যে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জনশ্রুতি গড়ে উঠেছে, তা এই অঞ্চলের মানুষের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। আমাদের উচিত প্রত্যেক নেককার মানুষের জন্য দোয়া করা এবং তাঁদের জীবনের ভালো দিকগুলো থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা। মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সঠিক দ্বীনের পথে চলার, ঈমানের সঙ্গে জীবনযাপন করার এবং নেক আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন, ইয়া রব্বাল আলামিন।ওয়াসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত