রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে "ট-র্চা-র সেল"! • রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার দাবি • বিশ্ব ডিম দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএলআরআইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন • ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ • সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ • বিএনপি সরকারের সাত মাসে ৩২ কূপ খনন, যুক্ত হচ্ছে প্রায় ১৪৮ এমএমসিএফ গ্যাস • ঢাকার বস্তিতে যক্ষ্মা স্ক্রিনিংয়ে ১ লাখ ৪৫ হাজার ডলার দেবে জাপান • আবেগ, অশ্রুতে আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে মেসির বিদায় • কমিশন বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ: বিআরটিসির ডিজিএম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুদকে আবেদন
পর্যটন বন্ধ কুয়াকাটার সব রেস্তোরাঁ

বন্ধ কুয়াকাটার সব রেস্তোরাঁ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় খাবার হোটেলে মোবাইল কোর্টের নামে হয়রানির অভিযোগ তুলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের রেস্টুরেন্ট বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন কুয়াকাটা রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি।

অভিযোগ তুলে মোঃ সেলিম জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত মোবাইলকোর্টের নামে রীতিমতো হয়রানি করে আসছে। কারণে অকারণে কোনো কোনো হোটেলে একাধিকবার জরিমানা করা হচ্ছে। ফলে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, হয়রানি বন্ধ করা না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের খাবার হোটেল বন্ধ রাখার।

সভাপতি বলেন, সামুদ্রিক মাছ ভেজে রান্না করতে হয়। তা না হলে ভেঙে যায়। বৈশাখি হোটেলে কিছু মাছ একটা ভাজা দিয়ে রাখা হয়েছিল রান্নার জন্য, ঠিক এই সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট এসে পচা মাছ বলে প্রায় ১০ হাজার টাকার মাছ ফেলে দেন এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। আল মদিনা হোটেলে ১১ আগস্ট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করার পর রেস্টুরেন্টের মালিক সমস্যা সমাধানের জন্য ১৫ দিন সময় নিয়েছিলেন, কিন্তু ১৬ আগস্ট তাকে আবারও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বর্তমানে কুয়াকাটার কোনো হোটেলে বাশি খাবার বিক্রি হয় না। ৪০-৫০ জনের খাবারের প্রি-অর্ডার পেলে আমরা আগে রান্না করে রাখি। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, আমাদের মোবাইলকোর্টের নামে হয়রানি না করে রেস্টুরেন্টে যে ত্রুটি রয়েছে তা সংশোধনের জন্য সময় দেয়া হোক। পর্যটকদের স্বার্থে অবশ্যই স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পরিবেশনে আমরা সচেষ্ট থাকবো।

পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা খাবার হোটেল বন্ধ থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, পর্যটন এলাকায় খাবার হোটেল বন্ধের প্রভাব সরাসরি পর্যটকদের উপর পড়বে। এটা যেন দীর্ঘায়িত না হয়। দ্রুত এ সমস্যা সমাধান করে খাবার হোটেলগুলো খুলে দেয়ার আহ্বান জানান।

খুঁজুন