বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
প্রতারণার মামলায় কারাগারে বিদিশা পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে বিএনপির উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল মায়েদের হাতেই শিশুর পুষ্টি: শিগগিরই শুরু হচ্ছে রান্না করা মিড-ডে মিলের পাইলট প্রকল্প: ববি হাজ্জাজ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা তৃতীয় অধিবেশনে সংসদীয় কমিটি গঠন ও গুরুত্বপূর্ণ বিলকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে: চিফ হুইপ ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনমন্ত্রীর নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বাড়ছে সারের পর্যাপ্ত মজুত আছে, কৃষকদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর অর্থের অভাবে কোনো নাগরিকের চিকিৎসা বন্ধ হবে না : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি : মাহদী আমিন
অর্থ ও বাণিজ্য ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা

ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা

ঋণ পরিশোধে শিথিলতা থাকার পরও বিদায়ী বছরে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা। এর বাইরে আরো প্রায় ৫০ হাজার ৩২৫ কোটি টাকার ব্যাংকঋণ খেলাপি ঋণের ঘরে পৌঁছানোর আগের ধাপে (এসএমএ) অবস্থান করছে। আগামী জুনের মধ্যে আদায় না হলেই সংশ্লিষ্ট ঋণখেলাপি ঋণের নিম্নস্তর অর্থাৎ নিম্নমানের (এসএস) খেলাপি ঋণের ঘরে চলে যাবে। গত ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণ বেড়ে হয়েছে এক লাখ তিন হাজার ২৭৩ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৮৮ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ঋণের কিস্তি পর পর ছয় মাস পরিশোধ না হলে ওই ঋণ খেলাপি ঋণে পরিণত। এই খেলাপি ঋণের আগের স্তর হলো এসএমএ অর্থাৎ মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ। এসব মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ ছয় মাস অতিক্রম করলেই তা খেলাপি ঋণে পরিণত হবে। খেলাপি ঋণ আবার তিন ধরনের হয়। ঋণের কিস্তি ছয় মাস অতিক্রম হলেই সেটি খেলাপি ঋণের নিম্নস্তর বা নিম্নমানের খেলাপি ঋণ হয়। ৯ মাস অতিক্রম হলেই ওই ঋণ সন্দেহজনক খেলাপি ঋণে পরিণত হয়। আর এক বছর পার হলেই তা মন্দ বা কুঋণ হয়। এসব ঋণ ব্যাংকিং খাতে আদায় অযোগ্য খেলাপি ঋণ বলা হয়। এ ধরনের ঋণ আদায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের বিরুদ্ধে ব্যাংকগুলোর মামলা করার অনুমোদন রয়েছে। জানা গেছে, করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব থেকে ব্যবসায়ীদের কিছুটা রেহাই দেয়ার জন্য গত দুই বছর ধরে আদায়ের শিথিলতা দেয়া হয়েছিল। প্রথম বছর পুরোপুরিই ঋণশ্রেণীকরণ থেকে ব্যাংকগুলোকে অব্যাহতি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থাৎ কেউ তার ঋণের এক টাকাও পরিশোধ না করলে খেলাপি করা যাবে না। এ সুযোগ ২০২০ সালের পুরো বছরই ছিল। পরের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে এ শিথিলতা আংশিক তুলে নেয়া হয়। সর্বশেষ বলা হয়, গত ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া কিস্তির কেউ শুধুমাত্র ১৫ শতাংশ পরিশোধ করলেই ঋণ নিয়মিত হয়ে যাবে। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ নীতিমালা শিথিলের মধ্যেও বিদায়ী বছরে খেলাপি ঋণ আগের বছরের চেয়ে বেড়েছে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা। এক লাখ তিন হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণের মধ্যে ৯১ হাজার কোটি টাকাই মন্দ ঋণ বা আদায় অযোগ্য ঋণ, যা মোট খেলাপি ঋণের ৮৮.১৭ শতাংশ।


খুঁজুন