বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
গণমাধ্যমকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আহ্বান জহির উদ্দিন স্বপনের চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাটের আঁশ ছাড়িয়ে বাড়তি আয় করছেন নারীরা দ্য লাভ অব প্রফেট মুহাম্মদ (দ.)’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার শাহজালাল বিমানবন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা বিপুল পরিমাণের ল্যাপটপ ও ট্যাব জব্দ ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন চট্টগ্রাম বন্দরে নিলাম-অযোগ্য ১২৬ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে জিম্বাবুয়ে টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন ক্রিমার মহানবীর (সা.) আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির কিউট-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল ২০২৬ শুরু
অর্থ ও বাণিজ্য দেশি মাছে ‘আগুন’, সাধ্যের বাইরে চাষের মাছও

দেশি মাছে ‘আগুন’, সাধ্যের বাইরে চাষের মাছও

রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে মাছ কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা। খাল-বিল ও জলাশয়ে প্রাকৃতিক উৎসের ঘাটতিতে দেশি মাছের সরবরাহ কম থাকায় আকাশচুম্বী দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা। অন্যদিকে মাছের খাবার ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধির দোহাই দিয়ে বাড়ানো হয়েছে চাষের মাছের দামও। ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো দৈনন্দিন খাবারের তালিকা থেকে কাটছাঁট করতে বাধ্য হচ্ছে।

রাজধানীর একাধিক বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশি প্রজাতির বিভিন্ন মাছ কেজিতে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। বাজারভেদে দেশি পাবদা, শিং ও মাগুর বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া টেংরা ও গুলশা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, শোল ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা, চিতল ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা এবং বোয়াল ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। আকারভেদে ইলিশের দাম কেজিপ্রতি ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার টাকা।

অন্যদিকে, কম আয়ের মানুষের ভরসা চাষের মাছের দামও এখন উর্ধ্বমুখী। চাষের রুই প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, কাতলা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, চাষের কৈ ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং চাষের শিং ও মাগুর ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তুলনামূলক কম দামের পাঙাশ ২০০ থেকে ২৮০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২২০ থেকে ৩০০ টাকা কেজিতে পৌঁছানোয় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

বাজারে আসা ক্রেতারা জানান, দেশি মাছ এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এমনকি আগের মতো অল্প খরচে চাষের মাছ কিনে সংসার চালানোও এখন কঠিন হয়ে পড়েছে।

খুচরা ও আড়তদার বিক্রেতারা বলছেন, প্রাকৃতিক উৎসে দেশি মাছের ঘাটতি এবং আড়তেই বেশি দামে বিক্রির কারণে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়ছে। এছাড়া পশুখাদ্য ও পরিবহন খরচ বাড়ায় খামারিরা চাষের মাছের দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রাকৃতি উৎসের সংরক্ষণ ও দেশি মাছের সরবরাহ বৃদ্ধি না করা গেলে এবং মাছ চাষের উপকরণ ব্যয় না কমলে শিগগিরই বাজারে স্বস্তি ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই।

খুঁজুন