২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে।
উপজেলার আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এ বছর মোট ৪৭৭ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হতে পেরেছেন মাত্র ২০৪ জন শিক্ষার্থী।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম গজারিয়া বাতেনিয়া আলিম মাদ্রাসা, মোট পরীক্ষার্থী ২৪ জন কৃতিকার্য ২২ জন অকৃতকায দুইজন পাশের হার ৯১.৬৭
শিমুলিয়া সিদ্দিকীয়া আলী মাদ্রাসা, মোট পরীক্ষার টি.২২ জন অকৃতকায ২১জন পাশের হার ৯৫.৪৫
মাথাভাঙ্গা মহিলা আলিম মাদ্রাসা, মোট পরীক্ষার্থী ২৯ জন অকৃতকায ২৮ জন জিপিএ-৫ জন পাশের হার ৯৬.৫৫
গজারিয়া সরকারি কলেজ, মোট পরীক্ষার্থী ২২৫ জন অকৃতকায ৭৪ জন পাশের হার ৩৩.৮৯
গজারিয়া কলিম উল্লাহ কলেজ, মোট পরীক্ষার্থী
৮৪ জন অকৃতকায ২৯ জন পাশের হার ৩৪.৫২ জন
বালুয়াকান্দি ডাক্তার আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজ, মোট পরীক্ষার্থী ১৬ জন অকৃতকায ৩ জন পাশের হার ১৮.৭৫
ভবেরচর বালিকা স্কুল এন্ড কলেজ, মোট শিক্ষার্থী ১৫ জন অকৃতকায ৬ জন পাশের হার ৪০ জন
গজারিয়া টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, মোট পরীক্ষার্থী ৬২ জন অকৃতকায ২১ জন পাশের হার ৩৩.৮৭ জন।
সে হিসাবে গজারিয়া উপজেলায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪২ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে বড় একটি অংশই কৃতকার্য হতে পারেনি।
মোট ২৭৩ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হারের এই নিম্নমুখী প্রবণতার পাশাপাশি সর্বোচ্চ মেধার স্বাক্ষর জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও এবার বেশ হতাশাজনক। পুরো উপজেলাজুড়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ৮ জন শিক্ষার্থী।
ফলাফল বিপর্যয়ের বিষয়ে স্থানীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অসচেতনতা এবং নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতির অভাবই পাসের হার এত কমে যাওয়ার মূল কারণ।
তবে উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর এমন ফলাফলে অভিভাবক ও সচেতন মহলে বেশ উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। আগামীতে ফলাফলের গুণগত মান বাড়াতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কঠোর ও যত্নশীল হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তারা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের বক্তব্য মো: রফিকুল হাসান, বলেন এবছর কলেজগুলোর রেজাল্ট অনেক বরাডুবি হয়েছে তবে মাদ্রাসায় রেজাল্ট একটু ভালো হয়েছে কি কারনে গজারিয়া উপজেলার এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ হলো তা তদন্ত করে দেখা হবে।
গজারিয়ায় এইচএসসিতে পাসের হার ৪২.৭৭%, জিপিএ-৫ মাত্র ৮ জন
গজারিয়ায় এইচএসসিতে পাসের হার ৪২.৭৭%, জিপিএ-৫ মাত্র ৮ জন
২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে। উপজেলার আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এ বছর মোট ৪৭৭ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হতে পেরেছেন মাত্র ২০৪ জন শিক্ষার্থী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম গজারিয়া বাতেনিয়া আলিম মাদ্রাসা, মোট পরীক্ষার্থী ২৪ জন কৃতিকার্য ২২ জন অকৃতকায দুইজন পাশের হার ৯১.৬৭শিমুলিয়া সিদ্দিকীয়া আলী মাদ্রাসা, মোট পরীক্ষার টি.২২ জন অকৃতকায ২১জন পাশের হার ৯৫.৪৫ মাথাভাঙ্গা মহিলা আলিম মাদ্রাসা, মোট পরীক্ষার্থী ২৯ জন অকৃতকায ২৮ জন জিপিএ-৫ জন পাশের হার ৯৬.৫৫গজারিয়া সরকারি কলেজ, মোট পরীক্ষার্থী ২২৫ জন অকৃতকায ৭৪ জন পাশের হার ৩৩.৮৯গজারিয়া কলিম উল্লাহ কলেজ,
মোট পরীক্ষার্থী৮৪ জন অকৃতকায ২৯ জন পাশের হার ৩৪.৫২ জনবালুয়াকান্দি ডাক্তার আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজ, মোট পরীক্ষার্থী ১৬ জন অকৃতকায ৩ জন পাশের হার ১৮.৭৫ভবেরচর বালিকা স্কুল এন্ড কলেজ, মোট শিক্ষার্থী ১৫ জন অকৃতকায ৬ জন পাশের হার ৪০ জনগজারিয়া টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, মোট পরীক্ষার্থী ৬২ জন অকৃতকায ২১ জন পাশের হার ৩৩.৮৭ জন।সে হিসাবে গজারিয়া উপজেলায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪২ দশমিক ৭৭ শতাংশ।উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে বড় একটি অংশই কৃতকার্য হতে পারেনি। মোট ২৭৩ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হারের এই নিম্নমুখী প্রবণতার পাশাপাশি সর্বোচ্চ মেধার স্বাক্ষর জিপিএ-৫
প্রাপ্তির সংখ্যাও এবার বেশ হতাশাজনক। পুরো উপজেলাজুড়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ৮ জন শিক্ষার্থী। ফলাফল বিপর্যয়ের বিষয়ে স্থানীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অসচেতনতা এবং নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতির অভাবই পাসের হার এত কমে যাওয়ার মূল কারণ। তবে উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর এমন ফলাফলে অভিভাবক ও সচেতন মহলে বেশ উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। আগামীতে ফলাফলের গুণগত মান বাড়াতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কঠোর ও যত্নশীল হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তারা। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের বক্তব্য মো: রফিকুল হাসান, বলেন এবছর কলেজগুলোর রেজাল্ট অনেক বরাডুবি হয়েছে তবে মাদ্রাসায় রেজাল্ট একটু ভালো হয়েছে কি কারনে গজারিয়া উপজেলার এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ হলো তা তদন্ত করে দেখা হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত