জামায়াত-এনসিপি রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তন, জোটের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনৈতিক সম্পর্কে দৃশ্যমান দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। একসময় অভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি ও সমঝোতার ভিত্তিতে কাছাকাছি আসা দল দুটির মধ্যে এখন আসন ভাগাভাগি, নির্বাচন ও রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে মতপার্থক্য বাড়ছে।
দূরত্বের অন্যতম কারণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে আসন সমঝোতা। এনসিপি ঢাকার দুই সিটির অন্তত একটিতে প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে অনড় থাকলেও জামায়াত সেখানে ছাড় দিতে রাজি হয়নি। বিকল্প হিসেবে কুমিল্লা ও ময়মনসিংহে ছাড় দেওয়ার প্রস্তাবও এনসিপি গ্রহণ করেনি।
এর বাইরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন নিয়েও এনসিপির মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর পরাজয়, অনিয়মের অভিযোগে দলটির প্রতিবাদের ধরন এবং বিজয়ী প্রার্থীর সঙ্গে পরাজিত প্রার্থীর সৌজন্যমূলক আচরণ—এসব বিষয় এনসিপির কিছু নেতার অসন্তুষ্টির কারণ হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
৩১ অক্টোবরের লংমার্চে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের অনুপস্থিতিও রাজনৈতিক আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যদিও তাঁর অনুপস্থিতির কারণ নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা রয়েছে। কেউ একে অভিমান হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন, তিনি সিটি নির্বাচনের প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন।
অন্যদিকে, এনসিপি ২১ অক্টোবরের রাজনৈতিক পর্ষদের বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে অংশ না নেওয়া এবং জোটের কর্মসূচি সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। নিজেদের রাজনৈতিক সক্ষমতা যাচাই এবং স্বতন্ত্র অবস্থান শক্তিশালী করার কৌশল হিসেবেই এ সিদ্ধান্তকে দেখা হচ্ছে। ঢাকার দুই সিটিতে নিজস্ব প্রার্থী দেওয়ার উদ্যোগও সেই অবস্থানের প্রতিফলন।
প্রশ্ন হচ্ছে, এটি কি সাময়িক রাজনৈতিক মতপার্থক্য, নাকি জামায়াত-এনসিপির সম্পর্ক নতুন কোনো সমীকরণের দিকে যাচ্ছে?
রাজনীতিতে জোট গঠন যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও স্বার্থের ভারসাম্য। আসন ভাগাভাগি কিংবা নির্বাচনী কৌশল নিয়ে মতবিরোধ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। কিন্তু রাজনৈতিক লক্ষ্য ও কৌশলে মৌলিক পার্থক্য তৈরি হলে জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হয়।
জামায়াত ও এনসিপি—দুই দলের জন্যই এখন বড় প্রশ্ন, তারা কি পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে একসঙ্গে পথ চলবে, নাকি নিজেদের রাজনৈতিক শক্তি ও স্বতন্ত্র অবস্থান প্রতিষ্ঠায় পৃথক পথ বেছে নেবে?
জোটের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে রাজনৈতিক বাস্তবতা, পারস্পরিক আস্থা এবং আগামী দিনের নির্বাচনী কৌশল।
#জামায়াত #এনসিপি #রাজনীতি #জোটেরসমীকরণ #বাংলাদেশেররাজনীতি
জামায়াত-এনসিপি জোটের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
জামায়াত-এনসিপি জোটের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
জামায়াত-এনসিপি রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তন, জোটের ভবিষ্যৎ কোন পথে? জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনৈতিক সম্পর্কে দৃশ্যমান দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। একসময় অভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি ও সমঝোতার ভিত্তিতে কাছাকাছি আসা দল দুটির মধ্যে এখন আসন ভাগাভাগি, নির্বাচন ও রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে মতপার্থক্য বাড়ছে। দূরত্বের অন্যতম কারণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে আসন সমঝোতা। এনসিপি ঢাকার দুই সিটির অন্তত একটিতে প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে অনড় থাকলেও জামায়াত সেখানে ছাড় দিতে রাজি হয়নি। বিকল্প হিসেবে কুমিল্লা ও ময়মনসিংহে ছাড় দেওয়ার প্রস্তাবও এনসিপি গ্রহণ করেনি। এর বাইরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন নিয়েও এনসিপির মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর পরাজয়, অনিয়মের অভিযোগে দলটির প্রতিবাদের ধরন এবং
বিজয়ী প্রার্থীর সঙ্গে পরাজিত প্রার্থীর সৌজন্যমূলক আচরণ—এসব বিষয় এনসিপির কিছু নেতার অসন্তুষ্টির কারণ হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ৩১ অক্টোবরের লংমার্চে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের অনুপস্থিতিও রাজনৈতিক আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যদিও তাঁর অনুপস্থিতির কারণ নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা রয়েছে। কেউ একে অভিমান হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন, তিনি সিটি নির্বাচনের প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন। অন্যদিকে, এনসিপি ২১ অক্টোবরের রাজনৈতিক পর্ষদের বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে অংশ না নেওয়া এবং জোটের কর্মসূচি সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। নিজেদের রাজনৈতিক সক্ষমতা যাচাই এবং স্বতন্ত্র অবস্থান শক্তিশালী করার কৌশল হিসেবেই এ সিদ্ধান্তকে দেখা হচ্ছে। ঢাকার দুই সিটিতে নিজস্ব প্রার্থী দেওয়ার উদ্যোগও সেই অবস্থানের প্রতিফলন। প্রশ্ন হচ্ছে, এটি কি সাময়িক রাজনৈতিক
মতপার্থক্য, নাকি জামায়াত-এনসিপির সম্পর্ক নতুন কোনো সমীকরণের দিকে যাচ্ছে? রাজনীতিতে জোট গঠন যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও স্বার্থের ভারসাম্য। আসন ভাগাভাগি কিংবা নির্বাচনী কৌশল নিয়ে মতবিরোধ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। কিন্তু রাজনৈতিক লক্ষ্য ও কৌশলে মৌলিক পার্থক্য তৈরি হলে জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হয়। জামায়াত ও এনসিপি—দুই দলের জন্যই এখন বড় প্রশ্ন, তারা কি পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে একসঙ্গে পথ চলবে, নাকি নিজেদের রাজনৈতিক শক্তি ও স্বতন্ত্র অবস্থান প্রতিষ্ঠায় পৃথক পথ বেছে নেবে? জোটের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে রাজনৈতিক বাস্তবতা, পারস্পরিক আস্থা এবং আগামী দিনের নির্বাচনী কৌশল। #জামায়াত #এনসিপি #রাজনীতি #জোটেরসমীকরণ #বাংলাদেশেররাজনীতি
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত