মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলবে বাংলাদেশ : ডি ভিলিয়ার্স রদ্রিকে না পেলেও স্কোয়াড নিয়ে সন্তুষ্ট মরিনহো ট্রাম্পের নতুন শুল্কের পাল্টা পদক্ষেপ ঘোষণা করবে কানাডা সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ জুলাই শহীদ জুবায়েরের বোনের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা শুরুর আগেই ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষ স্মিথের বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল বোট থেকে ১৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী ভারত সিরিজে আফগানিস্তান দলে ফিরলেন নাভিন ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুলেছে উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা
রাজনীতি হিন্দুরাও এখন দাঁড়িপাল্লার পক্ষে

হিন্দুরাও এখন দাঁড়িপাল্লার পক্ষে

হিন্দুদের নিয়ে এখন আর রাজনীতি করার সুযোগ নেই মন্তব্য করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, হিন্দুরাও এখন দাঁড়িপাল্লার পক্ষে এক হয়েছে।
 খুলনার ডুমুরিয়ার স্বাধীনতা চত্বরে অনুষ্ঠিত হিন্দু সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। তাদের ভোট নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়া হয়েছে, কিন্তু তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। এবার হিন্দুদের ভাগ্যোন্নয়ন ও দেশের উন্নয়নে প্রয়োজন ইসলামী সরকার।

দেশের মানুষ এখন পরিবর্তন চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশবাসী লাঙল, ধানের শীষ ও নৌকার শাসন দেখেছে। কিন্তু দুর্নীতি থেকে মুক্তি পায়নি। এবার মানুষ দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট দেবে।

জামায়াত নেতা দাবি করেন, নভেম্বরেই গণভোট দিতে হবে এবং নির্বাচনের আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। তার ভাষায়, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও নভেম্বরে গণভোটের মাধ্যমেই ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে—এতে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণ হবে।

গোলাম পরওয়ার বলেন, ডুমুরিয়া একসময় সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য ছিল। সংসদ সদস্য থাকার সময় আমি এ এলাকা সন্ত্রাসমুক্ত করেছি। আগামীতে জনগণ আমাকে সুযোগ দিলে ডুমুরিয়াকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলব।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা হিন্দু কমিটির সেক্রেটারি অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ মণ্ডল। বক্তব্য দেন প্রমত গাইন, ডা. হরিদাস মণ্ডল, অধ্যক্ষ সুভাষ সরদার, অ্যাডভোকেট আপোষ সিংহ, কানাই লাল কর্মকারসহ স্থানীয় হিন্দু সংগঠনের নেতারা।

এর আগে সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ঢোল-তবলা-কাসাসহ নানা বাদ্যযন্ত্র নিয়ে হাজারো সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্মেলনে যোগ দেন। নাচ-গান আর উচ্ছ্বাসে পুরো স্বাধীনতা চত্বর উৎসবে পরিণত হয়। নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে সম্মেলনের মাঠে ছিল উপচে পড়া ভিড়।

সম্মেলন শেষে স্বাধীনতা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়, এতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজারো মানুষ অংশ নেন।

খুঁজুন