জাতীয় ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাম্প্রতিক এক অনুষ্ঠানে উদীয়মান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশলগত নেতৃত্ব ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা অবশ্যই বাংলাদেশ ফার্স্ট নীতির আলোকে পরিচালিত হওয়া উচিত। বঙ্গভবনে আয়োজিত ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্সের অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই নির্দেশনা দেন। অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্টসহ সশস্ত্র বাহিনী, সিভিল প্রশাসন এবং বিভিন্ন দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষার পাশাপাশি সার্বভৌম সমতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের এবং স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। এছাড়া তিনি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রপতির মতে, একটি সমৃদ্ধ ও স্থিতিশীল রাষ্ট্র গড়তে মানসম্মত নেতৃত্ব এবং জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ কাজের কোনো বিকল্প নেই।
বর্তমান যুগের বহুমুখী নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন যে প্রচলিত উদ্বেগের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, সাইবার হুমকি ও সন্ত্রাসবাদ নতুন সংকট তৈরি করছে। তিনি উল্লেখ করেন যে জাতীয় নিরাপত্তা কেবল সামরিক প্রস্তুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর সঙ্গে অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তাও জড়িত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার গণতন্ত্র ও নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন। পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে দেশের কৌশলগত অবস্থানের কারণে অতিরিক্ত সতর্কতা ও দূরদর্শিতা প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সংশ্লিষ্ট কোর্সের সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন যে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের সময় সবকিছুর ঊর্ধ্বে দেশ ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। তিনি পারস্পরিক সংঘাত এড়িয়ে সংলাপ ও শান্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। এই ধরনের প্রশিক্ষণ কোর্স বিভিন্ন দেশের জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে অভিন্ন উপলব্ধি ও সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। শেষ পর্যন্ত পেশাদারিত্ব, সততা ও জবাবদিহি বজায় রেখে দেশের কল্যাণে কাজ করার জন্য তিনি সবাইকে আহ্বান জানান।
জাতীয় নিরাপত্তা-আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে হতে হবে
জাতীয় নিরাপত্তা-আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে হতে হবে
জাতীয় ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাম্প্রতিক এক অনুষ্ঠানে উদীয়মান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশলগত নেতৃত্ব ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা অবশ্যই বাংলাদেশ ফার্স্ট নীতির আলোকে পরিচালিত হওয়া উচিত। বঙ্গভবনে আয়োজিত ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্সের অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই নির্দেশনা দেন। অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্টসহ সশস্ত্র বাহিনী, সিভিল প্রশাসন এবং বিভিন্ন দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষার পাশাপাশি সার্বভৌম সমতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের এবং স্বাধীনতার
ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। এছাড়া তিনি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রপতির মতে, একটি সমৃদ্ধ ও স্থিতিশীল রাষ্ট্র গড়তে মানসম্মত নেতৃত্ব এবং জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ কাজের কোনো বিকল্প নেই।বর্তমান যুগের বহুমুখী নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন যে প্রচলিত উদ্বেগের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, সাইবার হুমকি ও সন্ত্রাসবাদ নতুন সংকট তৈরি করছে। তিনি উল্লেখ করেন যে জাতীয় নিরাপত্তা কেবল সামরিক প্রস্তুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর সঙ্গে অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তাও জড়িত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার গণতন্ত্র ও নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে
পারে বলে তিনি সতর্ক করেন। পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে দেশের কৌশলগত অবস্থানের কারণে অতিরিক্ত সতর্কতা ও দূরদর্শিতা প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।সংশ্লিষ্ট কোর্সের সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন যে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের সময় সবকিছুর ঊর্ধ্বে দেশ ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। তিনি পারস্পরিক সংঘাত এড়িয়ে সংলাপ ও শান্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। এই ধরনের প্রশিক্ষণ কোর্স বিভিন্ন দেশের জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে অভিন্ন উপলব্ধি ও সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। শেষ পর্যন্ত পেশাদারিত্ব, সততা ও জবাবদিহি বজায় রেখে দেশের কল্যাণে কাজ করার জন্য তিনি সবাইকে আহ্বান জানান।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত