মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলবে বাংলাদেশ : ডি ভিলিয়ার্স রদ্রিকে না পেলেও স্কোয়াড নিয়ে সন্তুষ্ট মরিনহো ট্রাম্পের নতুন শুল্কের পাল্টা পদক্ষেপ ঘোষণা করবে কানাডা সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ জুলাই শহীদ জুবায়েরের বোনের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা শুরুর আগেই ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষ স্মিথের বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল বোট থেকে ১৬ জেলেকে উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী ভারত সিরিজে আফগানিস্তান দলে ফিরলেন নাভিন ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুলেছে উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা
রাজনীতি মন-মানসিকতায় বাংলাদেশে আছি

মন-মানসিকতায় বাংলাদেশে আছি

১৭ বছর ধরে শারীরিকভাবে যুক্তরাজ্যে থাকলেও মন-মানসিকতায় এখনও পুরোপুরি বাংলাদেশেই আছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন তিনি। প্রায় দুই দশক পর প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। সাক্ষাৎকারে তিনি নির্বাচন, রাজনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন।

শুরুতে শারীরিক অবস্থা এবং ব্যস্ততা নিয়ে জানতে চাইলে তারেক রহমান বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি শারীরিকভাবে ভালো আছি। সময় তো স্বাভাবিকভাবেই ব্যস্ত যাচ্ছে। ফিজিক্যালি আমি হয়তো এই দেশে (যুক্তরাজ্যে) আছি। কিন্তু মন-মানসিকতা সবমিলিয়ে আমি তো গত ১৭ বছর বাংলাদেশেই রয়ে গেছি।”

২০০৭ সালে এক/এগারোর সেনা সমর্থিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর গ্রেফতার হন তারেক রহমান। ২০০৮ সালে জরুরি অবস্থার সময় কারামুক্ত হয়ে সপরিবারে লন্ডনে চলে যান। এরপর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার অনুপস্থিতিতে পাঁচ মামলায় সাজা দেওয়া হয়। এছাড়াও দায়ের করা হয় শতাধিক মামলা। এছাড়াও তার বক্তব্য বিবৃতি প্রচারেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার না দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি কথা বলিনি বিষয়টা এমন না। স্বৈরাচার সরকার আদালত থেকে রীতিমতো একটা আদেশ নিয়ে মাধ্যমে আমার কথা বলার অধিকার বন্ধ করে দিয়েছিল। আমি যখন গণমাধ্যমে কিছু বলতে চাইতাম, হয়তো গণমাধ্যমের ইচ্ছে ছিলো কিন্তু তারা ছাপতে পারত না। আমি একবার প্রেস ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে কথা বলায় তখনকার সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত লোকজন আমাকে আইনের দৃষ্টিতে ফেরারি আসামি বলা হয়েছিল। তারা সিদ্ধান্ত নেয় আমার সেখানে বক্তব্য রাখার কোনো সুযোগ তারা দেবে না। এভাবে তারা চেয়েছিলো আমার কথা বলা বন্ধ করে রাখতে। কিন্তু আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে মানুষের কাছে পৌঁছাতে পেরেছি।

খুঁজুন