মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়নের দেওয়ানকান্দি এলাকায় আকস্মিক পদ্মার ভাঙন রোধে ২০ হাজার জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে ৯০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শেখ এনামুল হক বাসস’কে জানান দেওয়ানকান্দি এবং শম্বুহালদারকান্দি এলাকায় ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে ৯০ লাখ টাকা বরাদ্ধ প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান ঝুকিপূর্ণ দেওয়ানকান্দি, শম্বুহালদারকান্দি এবং পূর্বরাখি এলাকার ভাঙন রোধে ৪৯০ মিটার তীর রক্ষার জন্য একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।
পদ্মার মূল চ্যানেলের গতিপথ পরিবর্তন হয়ে শিলইয়ের দিকে সরে আসায় এখানে ভাঙন শুরু হয়। গত বর্ষা মৌসুমে ভাঙন রোধে শিলই-বাংলাবাজার এলাকায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে জিও ব্যাগ ফেলা হয়। নদীর তীব্র স্রোতে সেই জিও ব্যাগ সরে যাওয়ায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীর স্রোত তীব্র হওয়ায় নদীর তলদেশের মাটি সরে যাচ্ছে। এতে তীরের মাটি ধসে পড়ছে।
মুন্সীগঞ্জে শিলইয়ে ভাঙন রোধ ২০ হাজার জিও ব্যাগ ডাম্পিং
মুন্সীগঞ্জে শিলইয়ে ভাঙন রোধ ২০ হাজার জিও ব্যাগ ডাম্পিং
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়নের দেওয়ানকান্দি এলাকায় আকস্মিক পদ্মার ভাঙন রোধে ২০ হাজার জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে ৯০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শেখ এনামুল হক বাসস’কে জানান দেওয়ানকান্দি এবং শম্বুহালদারকান্দি এলাকায়
ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে ৯০ লাখ টাকা বরাদ্ধ প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরো জানান ঝুকিপূর্ণ দেওয়ানকান্দি, শম্বুহালদারকান্দি এবং পূর্বরাখি এলাকার ভাঙন রোধে ৪৯০ মিটার তীর রক্ষার জন্য একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। পদ্মার মূল চ্যানেলের গতিপথ পরিবর্তন হয়ে শিলইয়ের দিকে সরে আসায় এখানে ভাঙন
শুরু হয়। গত বর্ষা মৌসুমে ভাঙন রোধে শিলই-বাংলাবাজার এলাকায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে জিও ব্যাগ ফেলা হয়। নদীর তীব্র স্রোতে সেই জিও ব্যাগ সরে যাওয়ায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীর স্রোত তীব্র হওয়ায় নদীর তলদেশের মাটি সরে যাচ্ছে। এতে তীরের মাটি ধসে পড়ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত