‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’-এই প্রতিপাদেকে সামনে রেখে নানান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নোয়াখালীতে আজ আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো আয়োজিত মঙ্গলবার সকাল ১০টায় নোয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র্যালী বের হয়। র্যালীটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জিনাত রেহানার সভাপতিত্বে এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. আবুল কাশেম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ইসরাত নাসিমা হাবীব। এছাড়া জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, নোয়াখালীতে সাক্ষরতার হার ৭৫ দশমিক ৫২ শতাংশ। এই হারকে আরো উপরে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে সরকার। বিদ্যালয় বহির্ভূত ও ঝরে পড়া শিশু-কিশোর, তৃণমূলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং শিক্ষাবঞ্চিত প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষের প্রথাগত বর্ণমালা চেনার সীমা অতিক্রম করে প্রায়োগিক সাক্ষরতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং প্রাক-বৃত্তিমূলক শিক্ষার ছায়াতলে আনাই এখন সরকারের মূল অগ্রাধিকার।
নোয়াখালীতে সাক্ষরতার হার ৭৫.৫২ শতাংশ
নোয়াখালীতে সাক্ষরতার হার ৭৫.৫২ শতাংশ
‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’-এই প্রতিপাদেকে সামনে রেখে নানান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নোয়াখালীতে আজ আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো আয়োজিত মঙ্গলবার সকাল ১০টায় নোয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র্যালী বের হয়। র্যালীটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন
কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জিনাত রেহানার সভাপতিত্বে এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. আবুল কাশেম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ইসরাত নাসিমা হাবীব। এছাড়া জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধিসহ
বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, নোয়াখালীতে সাক্ষরতার হার ৭৫ দশমিক ৫২ শতাংশ। এই হারকে আরো উপরে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে সরকার। বিদ্যালয় বহির্ভূত ও ঝরে পড়া শিশু-কিশোর, তৃণমূলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং শিক্ষাবঞ্চিত প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষের প্রথাগত বর্ণমালা চেনার সীমা অতিক্রম করে প্রায়োগিক সাক্ষরতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং প্রাক-বৃত্তিমূলক শিক্ষার ছায়াতলে আনাই এখন সরকারের মূল অগ্রাধিকার।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত