বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি : আইরিন খান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ সমাজ বিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সংসদের অধিবেশন বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি সিরাজগঞ্জে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল নেত্রকোণায় আগুনে ৬টি দোকানের ক্ষতি ২০ লক্ষ টাকা অভিবাসন ও ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে বৈঠকে বসছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ও মাখোঁ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পাল্টাপাল্টি হুমকি, নতুন করে হামলা দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা, রয়েছে অতি ভারী বর্ষণের শঙ্কাও ‘গ্রিনম্যান অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন সাংবাদিক মাহমুদ সোহেল
জাতীয় ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি : আইরিন খান

ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি : আইরিন খান

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান বলেছেন, সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেই কেবল টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব। একইসঙ্গে শান্তি বিনির্মাণে নারী নেতৃত্ব এগিয়ে নিতে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

গতকাল বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মসূচির উচ্চপর্যায়ের ফোরাম’-এ বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময়, তিনি নারী নেতৃত্ব জোরদারে তিনটি অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন।

তিনি শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, কিশোরী ও তরুণ নারীদের নেতৃত্ব বিকাশে, বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার ও ডিজিটাল সাক্ষরতা বাড়াতে বিনিয়োগ এবং সংঘাত প্রতিরোধ, মানবিক সহায়তা, কমিউনিটির সহনশীলতা, সামাজিক সংহতি ও শান্তি বিনির্মাণে নারী-নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে টেকসই ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আইরিন খান বলেন, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ এজেন্ডা থাকা সত্ত্বেও শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো পর্যাপ্ত নয়। এমনকি তাঁদের জীবন ও ভবিষ্যৎ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণেও নারীরা প্রায়ই উপেক্ষিত থাকেন। তিনি শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে নারীর নেতৃত্ব জোরদারে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

এ সময় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের অবদানের পাশাপাশি তৃণমূলসহ দেশের নাগরিক সমাজে মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে নারী নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন।

খুঁজুন