বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
প্রতারণার মামলায় কারাগারে বিদিশা পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে বিএনপির উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল মায়েদের হাতেই শিশুর পুষ্টি: শিগগিরই শুরু হচ্ছে রান্না করা মিড-ডে মিলের পাইলট প্রকল্প: ববি হাজ্জাজ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা তৃতীয় অধিবেশনে সংসদীয় কমিটি গঠন ও গুরুত্বপূর্ণ বিলকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে: চিফ হুইপ ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনমন্ত্রীর নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বাড়ছে সারের পর্যাপ্ত মজুত আছে, কৃষকদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর অর্থের অভাবে কোনো নাগরিকের চিকিৎসা বন্ধ হবে না : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি : মাহদী আমিন
রাজনীতি ওয়াজ মাহফিল নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা কল্যাণকর হবে না

ওয়াজ মাহফিল নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা কল্যাণকর হবে না

স্টাফ রিপোর্টার ঃ

 ইসলামের মর্মবাণী সাধারণ মানুষের মাঝে পৌঁছিয়ে দিতে প্রাচীনকাল থেকে চলে আসা ওয়াজ মাহফিলে বক্তাদের নিয়ন্ত্রণের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দেয়া নির্দেশকে নাগরিকদের বাকস্বাধীনতা হরণের হিসেবে দেখছে ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ।

ওয়াজ মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য এবং ব্যক্তি বিশেষের নামে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির দেয়া নির্দেশের প্রতিক্রিয়ায় আজ ২৫ নভেম্বর, শুক্রবার, ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ সভাপতি শহিদুল ইসলাম কবির গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে শহিদুল ইসলাম কবির বলেন, সরকার মসজিদের খতিবদের নিয়ন্ত্রণ করতে চেষ্টা করে এখন আবার ওয়াজ মাহফিলের বক্তাদের নিয়ন্ত্রণের নামে কন্ঠরোধ করে তাদের বাকস্বাধীনতা হরণের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। 

শহিদুল ইসলাম কবির প্রশ্ন রেখে বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় বসে যারা ওয়াজ মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য এবং ব্যক্তি বিশেষের নামে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা কি অতীতে এই কাজগুলো করা থেকে বিরত থেকেছেন? তারা যদি যে কোন মঞ্চে বসে রাজনৈতিক বক্তব্য দেবার অধিকার সংরক্ষণ করে থাকেন, তবে অন্য দলের নেতাদের নামে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন তবে অন্যরা পারবেন না কেন? এমনকি সরকারী চাকুরীজীবীরা পর্যন্ত আইন অমান্য করে অতীতে সরকারী দলের হয়ে রাজনৈতিক বক্তব্য এবং ব্যক্তি বিশেষের নামে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়ে সরকারের আস্থাভাজন হয়ে আলোচিত হয়েছেন। এ অবস্থায়  সরকারি চাকুরীজীবিদের নিয়ন্ত্রণ না করে ওয়াজ মাহফিলের বক্তাদের নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত দূরভিসন্ধিমূলক। 

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনীতি করা ও রাজনৈতিক বক্তব্য দেয়ার অধিকার দেশের প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভার সিদ্ধান্ত নাগরিকদের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেয়ার অপচেষ্টা। দেশের সাধারণ মানুষ ওয়াজ মাহফিলে বক্তাদের কন্ঠরোধের কোন সিদ্ধান্ত মেনে নিবে না।

খুঁজুন