সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
সরকারের ভেতরের প্রশাসনিক দুর্বলতা • আপনার সন্তান কম মেধাবী, নাকি পৃথিবীটাকেই ঝাপসা দেখছে? • নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে তিতাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে • অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে "ট-র্চা-র সেল"! • রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার দাবি • বিশ্ব ডিম দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএলআরআইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন • ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ • সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ
আন্তর্জাতিক পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে তুমুল উত্তেজনা

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে তুমুল উত্তেজনা

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমান্তে ফের দেখা দিয়েছে তীব্র উত্তেজনা। দুই দেশের মধ্যে সীমান্তজুড়ে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও আফগান তালেবান বাহিনীর মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলায় সীমান্ত অঞ্চলে যুদ্ধাবস্থার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানায়, চলতি সপ্তাহে আফগানিস্তানের কাবুল ও পাকতিকা অঞ্চলে পাকিস্তানের সম্ভাব্য বিমান হামলার পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে টানাপড়েন শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তানি চৌকিগুলোর ওপর হামলা চালানো হয় বলে দাবি করেছে ইসলামাবাদ।

পাকিস্তানের নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে, আফগানিস্তানের তালেবান বাহিনী বিনা উসকানিতে সীমান্তের ছয়টির বেশি এলাকায় হামলা চালায়। জবাবে পাকিস্তানও ‘পূর্ণ শক্তি’ দিয়ে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানায়। তারা জানিয়েছে, আফগান বাহিনীর বেশ কয়েকটি চৌকি ধ্বংস করা হয়েছে।

এক ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী, যেখানে দেখা যায়—আফগানিস্তানের দিকে গুলিবর্ষণ ও গোলা ছোড়ার সময় আকাশ আলোকিত হয়ে উঠছে। এই ফুটেজে রাতের সংঘর্ষের ভয়াবহতা কিছুটা ধরা পড়ে।

অন্যদিকে আফগান তালেবান সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, হেলমান্দ প্রদেশের সীমান্তে পাকিস্তানের অন্তত তিনটি চৌকি তারা দখল করেছে। আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এনায়েতুল্লাহ খোয়ারাজমি বলেন, আফগান ভূখণ্ডে পাকিস্তানের বিমান হামলার জবাবে এই প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, স্থানীয় সময় রাতের দিকে আক্রমণ শুরু হয় এবং মধ্যরাতে তা শেষ হয়। আফগানিস্তানের আকাশসীমা রক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা প্রস্তুত আছি। যদি কেউ আবারও আমাদের সীমান্ত লঙ্ঘন করে, তাহলে সশস্ত্র বাহিনী কঠোর জবাব দেবে।

তবে পাকিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বিমান হামলার কথা স্বীকার করেনি, আবার অস্বীকারও করেনি। ইসলামাবাদ কেবল কাবুলকে আহ্বান জানিয়েছে, যেন তারা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) মতো জঙ্গি সংগঠনগুলোকে আর আশ্রয় না দেয়। পাকিস্তানের অভিযোগ, এসব গোষ্ঠী আফগানিস্তান থেকে তাদের ভূখণ্ডে হামলা চালিয়ে আসছে।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের খবরে বলা হয়েছে, আফগান তালেবান বাহিনীর একতরফা হামলার পর পাকিস্তান সেনাবাহিনী পাল্টা জবাব দেয়। এই জবাবে আফগানিস্তানের একাধিক সীমান্তচৌকি ও অস্ত্রস্থলের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়। পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারী কামান, ট্যাংকসহ হালকা ও ভারী অস্ত্র ব্যবহার করেছে বলেও জানানো হয়েছে।

খুঁজুন