পঞ্চগড় জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ মো. তৌহিদুল ইসলামের ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আলহাজ ফরহাদ হোসেন আজাদ, এমপি।
পঞ্চগড়ের প্রবীণ রাজনীতিবিদ, পঞ্চগড় পৌরসভার পাঁচবারের নির্বাচিত সাবেক মেয়র, পঞ্চগড় জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, পঞ্চগড় পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ মো. তৌহিদুল ইসলাম রোববার (৩০ আগস্ট) রাত ১০টায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
তার মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে ছুটে যান এবং মরহুমকে শেষবারের মতো দেখার পাশাপাশি তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা জানান।
এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আলহাজ মো. তৌহিদুল ইসলাম ছিলেন পঞ্চগড়ের রাজনৈতিক অঙ্গনের একজন প্রবীণ, ত্যাগী, সাহসী ও জনসম্পৃক্ত নেতা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির আদর্শ, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি দীর্ঘদিন নিষ্ঠা, সাহস ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন।
তিনি বলেন, দলের দুঃসময়ে তৌহিদুল ইসলাম নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন এবং পঞ্চগড় জেলা বিএনপিকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। পঞ্চগড় জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং পঞ্চগড় পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে তার সাংগঠনিক ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করা এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে তৌহিদুল ইসলামের সক্রিয় ভূমিকা পঞ্চগড় বিএনপির ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা তাঁকে সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে একজন গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় নেতায় পরিণত করেছিল।
জনপ্রতিনিধি হিসেবেও তৌহিদুল ইসলাম অত্যন্ত সফল ছিলেন উল্লেখ করে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, পঞ্চগড় পৌরসভার মেয়র হিসেবে পাঁচবার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হওয়া তাঁর জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার উজ্জ্বল প্রমাণ। পৌরবাসীর সেবা, এলাকার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে তার দীর্ঘদিনের অবদান পঞ্চগড়বাসী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী তার ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথাও স্মরণ করেন। তিনি বলেন, তৌহিদুল ইসলাম তার কাছে শুধু একজন প্রবীণ রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ছিলেন না; তিনি ছিলেন দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার একজন অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ মানুষ, বড় ভাই, বিশ্বস্ত সহকর্মী ও আপনজন। রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন সংকট, সংগ্রাম ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার পরামর্শ, সহযোগিতা, আন্তরিকতা ও ভালোবাসা তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবেন।
তৌহিদুল ইসলামের চলে যাওয়া তার জন্য ব্যক্তিগতভাবেও অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আলহাজ মো. তৌহিদুল ইসলামের মৃত্যুতে পঞ্চগড় জেলা বিএনপি একজন অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত নেতাকে হারাল। একই সঙ্গে পঞ্চগড়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
তার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, দলের প্রতি আনুগত্য, সাংগঠনিক অবদান, জনসেবা এবং মানুষের ভালোবাসায় অর্জিত গ্রহণযোগ্যতা তাকে পঞ্চগড়ের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় করে রাখবে বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন, আল্লাহ যেন তার জীবনের সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন।
পঞ্চগড় জেলা পরিষদ প্রশাসকের মৃত্যুতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর গভীর শোক
পঞ্চগড় জেলা পরিষদ প্রশাসকের মৃত্যুতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর গভীর শোক
পঞ্চগড় জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ মো. তৌহিদুল ইসলামের ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আলহাজ ফরহাদ হোসেন আজাদ, এমপি। পঞ্চগড়ের প্রবীণ রাজনীতিবিদ, পঞ্চগড় পৌরসভার পাঁচবারের নির্বাচিত সাবেক মেয়র, পঞ্চগড় জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, পঞ্চগড় পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ মো. তৌহিদুল ইসলাম রোববার (৩০ আগস্ট) রাত ১০টায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে ছুটে যান এবং মরহুমকে শেষবারের মতো দেখার পাশাপাশি তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা জানান। এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আলহাজ মো. তৌহিদুল ইসলাম ছিলেন পঞ্চগড়ের রাজনৈতিক অঙ্গনের একজন প্রবীণ, ত্যাগী, সাহসী ও জনসম্পৃক্ত নেতা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির আদর্শ, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি দীর্ঘদিন নিষ্ঠা, সাহস ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, দলের দুঃসময়ে তৌহিদুল ইসলাম নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন এবং পঞ্চগড় জেলা বিএনপিকে সুসংগঠিত ও
শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। পঞ্চগড় জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং পঞ্চগড় পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে তার সাংগঠনিক ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করা এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে তৌহিদুল ইসলামের সক্রিয় ভূমিকা পঞ্চগড় বিএনপির ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা তাঁকে সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে একজন গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় নেতায় পরিণত করেছিল। জনপ্রতিনিধি হিসেবেও তৌহিদুল ইসলাম অত্যন্ত সফল ছিলেন উল্লেখ করে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, পঞ্চগড় পৌরসভার মেয়র হিসেবে পাঁচবার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হওয়া তাঁর জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার উজ্জ্বল প্রমাণ। পৌরবাসীর সেবা, এলাকার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে তার দীর্ঘদিনের অবদান পঞ্চগড়বাসী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী তার ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথাও স্মরণ করেন। তিনি বলেন, তৌহিদুল ইসলাম তার কাছে শুধু একজন প্রবীণ রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ছিলেন না;
তিনি ছিলেন দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার একজন অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ মানুষ, বড় ভাই, বিশ্বস্ত সহকর্মী ও আপনজন। রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন সংকট, সংগ্রাম ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার পরামর্শ, সহযোগিতা, আন্তরিকতা ও ভালোবাসা তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবেন। তৌহিদুল ইসলামের চলে যাওয়া তার জন্য ব্যক্তিগতভাবেও অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আলহাজ মো. তৌহিদুল ইসলামের মৃত্যুতে পঞ্চগড় জেলা বিএনপি একজন অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত নেতাকে হারাল। একই সঙ্গে পঞ্চগড়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, দলের প্রতি আনুগত্য, সাংগঠনিক অবদান, জনসেবা এবং মানুষের ভালোবাসায় অর্জিত গ্রহণযোগ্যতা তাকে পঞ্চগড়ের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় করে রাখবে বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন, আল্লাহ যেন তার জীবনের সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত