মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
জিম্বাবুয়ে টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন ক্রিমার মহানবীর (সা.) আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির কিউট-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল ২০২৬ শুরু মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলবে বাংলাদেশ : ডি ভিলিয়ার্স রদ্রিকে না পেলেও স্কোয়াড নিয়ে সন্তুষ্ট মরিনহো ট্রাম্পের নতুন শুল্কের পাল্টা পদক্ষেপ ঘোষণা করবে কানাডা সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ জুলাই শহীদ জুবায়েরের বোনের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা
দেশের খবর পটুয়াখালী-৪ আসনের মানুষের মন্ত্রী চাওয়ার যৌক্তিকতা

পটুয়াখালী-৪ আসনের মানুষের মন্ত্রী চাওয়ার যৌক্তিকতা

দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক ও কৌশলগতভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় আসনগুলোর একটি পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী)। এই আসনে অবস্থিত দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর পায়রা সমুদ্র বন্দর, ১৩২০ মেগাওয়াটের পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, ১৩২০ মেগাওয়াটের দ্বিতীয় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র আরএনপিএল, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটা, সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন এবং নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি বানৌজা শেরেবাংলা।
এসব জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মেগা প্রকল্প কেবল একটি নির্বাচনী এলাকার সম্পদ নয়; এগুলো দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, সমুদ্রবাণিজ্য, তথ্যপ্রযুক্তি সংযোগ, পর্যটন শিল্প এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। ফলে পটুয়াখালী-৪ আসনটি অর্থনৈতিক, কৌশলগত ও নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এত বৃহৎ প্রকল্পসমূহের উন্নয়ন, সম্প্রসারণ, সমন্বয় ও কার্যকর তদারকির জন্য কেন্দ্রীয় পর্যায়ে শক্তিশালী প্রতিনিধিত্ব অপরিহার্য। মন্ত্রিপরিষদে এই আসনের একজন প্রতিনিধি থাকলে-মেগা প্রকল্পগুলোর কাজের গতি বজায় রাখা সহজ হবে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় জোরদার হবে,অবকাঠামো, যোগাযোগ ও শিল্পায়ন দ্রুত এগোবে, উপকূলীয় সুরক্ষা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে, স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা ও উন্নয়ন চাহিদা জাতীয় পর্যায়ে অগ্রাধিকার পাবে।
উল্লেখযোগ্য যে, এই আসনের গুরুত্ব বিবেচনায় ২০০৮ সালে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং ২০২৪ সালে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী দেওয়া হয়েছিল। 
সুতরাং নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রিপরিষদে অন্তর্ভুক্ত করা হলে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত হবে-এমন প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের মধ্যে জোরালো। 
কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকলে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নদীভাঙন ও উপকূলীয় ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ সহজ হবে।
তাই বলা যায়, পটুয়াখালী-৪ আসন থেকে একজন মন্ত্রী থাকা শুধু রাজনৈতিক মর্যাদার বিষয় নয়; বরং এটি দক্ষিণাঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার স্বার্থে সময়োপযোগী ও যৌক্তিক দাবি।

খুঁজুন