শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
লালদিয়ায় ভিড়বে ‘বড় জাহাজ’, বদলে যাবে বাণিজ্যের গতিপথ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে : জেট্রো গুমের অন্ধকার অধ্যায়কে সামনে এনেছে ‘গুম দিবস’ গুমের প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করে বিচার শুরু করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী পাসের অপেক্ষায় গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে এসেছে ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৯৯৬ জন হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাভাবিপ্রবিতে ৩ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কার্যক্রমের উদ্বোধন খুবিতে ‘ইনোভেটিং ম্যাটার: ফ্রম অ্যাটমিক প্রিসিশন টু গ্লোবাল ইমপ্যাক্ট’ শীর্ষক সেমিনার
জাতীয় সাঈদীর চিকিৎসককে হত্যার হুমকি

সাঈদীর চিকিৎসককে হত্যার হুমকি

জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুর ঘটনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এস এম মোস্তফা জামানকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে।

হত্যার একাধিক হুমকি পাওয়ায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন তিনি।

মোস্তফা জামান অভিযোগে উল্লেখ করেন, সাঈদী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তাকে জড়িয়ে বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেল থেকে অপপ্রচারও করা হচ্ছে।

ধানমন্ডি থানায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরিতে তিনটি ফেসবুক গ্রুপ, পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলের লিংক উল্লেখ করেছেন অধ্যাপক ডা. এস এম মোস্তফা জামান।

মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী রবিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে কাশিমপুর কারাগারে বুকের ব্যথায় অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে সন্ধ্যায় তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সেখানে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোমবার (১৪ আগস্ট) রাত ৮টা ৪০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাকে সাঈদী ফাউন্ডেশনস্থ কবরস্থানে বড় ছেলে রফিক বীন সাঈদীর কবরের পাশে দাফন করা হয়।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগে ২০১০ সালের ২৯ জুন সাঈদী গ্রেপ্তার হন। পরে ২ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি হত্যা, লুটপাট, ধর্মান্তরিত করানোসহ বিভিন্ন অপরাধে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে তিনি আপিল করলে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রদান করেন। ওই আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করলে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ২০১৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ বহাল রাখেন। সেই থেকে তিনি কাশিমপুর কারাগারে বন্দি ছিলেন।

খুঁজুন