অর্থনীতি ডেস্ক: কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালে নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রয়োজনীয় এই কাজ শেষ হওয়ার পর জাতীয় গ্রিডে পুনরায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্দিষ্ট সময়ের কাজ শেষে গত ৯ নভেম্বর দুপুর ১টা থেকে টার্মিনালটিতে এলএনজিকে গ্যাসে রূপান্তরের কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হয়। বর্তমানে মহেশখালীর দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকেই আগের নিয়মে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। এই কাজের সময় সাময়িক অসুবিধায় গ্রাহকদের ধৈর্য ধারণ ও সহযোগিতার জন্য পেট্রোবাংলা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
এর আগে গত ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকাল ৪টা পর্যন্ত সামিট টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কারণে গ্যাস রূপান্তর কার্যক্রম বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ওই সময় গ্যাস সরবরাহ কিছুটা কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হলেও তা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে না বলে জানানো হয়েছিল। কাজ চলাকালীন সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ থাকার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে সে সময় গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছিল পেট্রোবাংলা।
উল্লেখ্য, দেশে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের জন্য মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল চালু রয়েছে। এর মধ্যে একটি সামিট গ্রুপ পরিচালনা করে এবং অন্যটি মার্কিন প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সামিটের টার্মিনালটির প্রতিদিন ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে এবং অপর টার্মিনালটির সক্ষমতা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর আগে গত ডিসেম্বরেও সামিটের এই টার্মিনালে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।
সামিটের এলএনজি সরবরাহ ফের শুরু
সামিটের এলএনজি সরবরাহ ফের শুরু
অর্থনীতি ডেস্ক: কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালে নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রয়োজনীয় এই কাজ শেষ হওয়ার পর জাতীয় গ্রিডে পুনরায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্দিষ্ট সময়ের কাজ শেষে গত ৯ নভেম্বর দুপুর ১টা থেকে টার্মিনালটিতে এলএনজিকে গ্যাসে রূপান্তরের কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হয়। বর্তমানে মহেশখালীর দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকেই আগের নিয়মে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা
হচ্ছে। এই কাজের সময় সাময়িক অসুবিধায় গ্রাহকদের ধৈর্য ধারণ ও সহযোগিতার জন্য পেট্রোবাংলা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।এর আগে গত ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকাল ৪টা পর্যন্ত সামিট টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কারণে গ্যাস রূপান্তর কার্যক্রম বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ওই সময় গ্যাস সরবরাহ কিছুটা কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হলেও তা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে না বলে জানানো হয়েছিল। কাজ চলাকালীন সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ থাকার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে সে সময় গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছিল পেট্রোবাংলা।উল্লেখ্য, দেশে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের জন্য মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল চালু রয়েছে। এর মধ্যে একটি সামিট গ্রুপ পরিচালনা করে এবং অন্যটি মার্কিন প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সামিটের টার্মিনালটির প্রতিদিন ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে এবং অপর টার্মিনালটির সক্ষমতা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর আগে গত ডিসেম্বরেও সামিটের এই টার্মিনালে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত