অর্থনীতি ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয় এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণের আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে বড় ধস নেমেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিক শেয়ারবাজার থেকে এর ফলে মাত্র একদিনেই কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার উধাও হয়ে গেছে। মার্কিন শেয়ারবাজারের এই তীব্র দরপতনের প্রভাব পরবর্তীতে এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের পুঁজিবাজারেও ছড়িয়ে পড়ে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতনির্ভর নাসডাকের শেয়ারসূচক ৫ দশমিক ৫ শতাংশ হ্রাস পাওয়ায় মাত্র এক দিনে আনুমানিক আড়াই লাখ কোটি ডলার বাজারমূল্য হারিয়েছে। একই সঙ্গে ওয়ালস্ট্রিটের অন্যান্য প্রধান শেয়ারসূচকগুলোতেও উল্লেখযোগ্য দরপতন পরিলক্ষিত হয়েছে। অ্যাপল, এনভিডিয়া ও টেসলার মতো শীর্ষ সাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে এক ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি মূলধন হারিয়েছে। এছাড়া এনভিডিয়া, স্পেসএক্স এবং টেসলার শেয়ারের দরপতনের ফলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর বাজারমূল্য কয়েকশ বিলিয়ন ডলার কমে যায়।
মার্কিন বাজারের এই মন্দা পরবর্তীতে এশিয়া ও ইউরোপের পুঁজিবাজারগুলোকেও সরাসরি প্রভাবিত করেছে। জাপানের নিক্কেই শেয়ারসূচক ছয় শতাংশ কমে বন্ধ হয়েছে এবং কিওক্সিয়া ও টোকিও ইলেকট্রনের শেয়ারে বড় দরপতন হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এসকে হাইনিক্সের সূচক দশ শতাংশের বেশি এবং কসপির সূচক ছয় শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। ইউরোপের বাজারে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকায় সেখানে ধসের মাত্রা কিছুটা কম ছিল।
বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান এজ বেল-এর প্রধান ড্যান কোটসওয়ার্থ জানিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বিশাল বিনিয়োগের বিপরীতে মুনাফা আসার বিষয়টি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মাঝে উৎকণ্ঠা রয়েছে। ডেমোক্রেটদের প্রভাব বৃদ্ধির কারণে ডাটা সেন্টার গড়ে তোলার গতি কমে যাওয়ার এবং এই খাত নিয়ন্ত্রণের নতুন উপায় খোঁজার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রযুক্তি খাতের দ্রুতগতির অগ্রগতির এই ধারাবাহিকতা মন্থর হতে পারে বলে বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে একদিনেই উধাও কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার
যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে একদিনেই উধাও কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার
অর্থনীতি ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয় এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণের আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে বড় ধস নেমেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিক শেয়ারবাজার থেকে এর ফলে মাত্র একদিনেই কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার উধাও হয়ে গেছে। মার্কিন শেয়ারবাজারের এই তীব্র দরপতনের প্রভাব পরবর্তীতে এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের পুঁজিবাজারেও ছড়িয়ে পড়ে।যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতনির্ভর নাসডাকের শেয়ারসূচক ৫ দশমিক ৫ শতাংশ হ্রাস পাওয়ায় মাত্র এক দিনে আনুমানিক আড়াই লাখ কোটি ডলার বাজারমূল্য হারিয়েছে। একই সঙ্গে ওয়ালস্ট্রিটের অন্যান্য
প্রধান শেয়ারসূচকগুলোতেও উল্লেখযোগ্য দরপতন পরিলক্ষিত হয়েছে। অ্যাপল, এনভিডিয়া ও টেসলার মতো শীর্ষ সাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে এক ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি মূলধন হারিয়েছে। এছাড়া এনভিডিয়া, স্পেসএক্স এবং টেসলার শেয়ারের দরপতনের ফলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর বাজারমূল্য কয়েকশ বিলিয়ন ডলার কমে যায়।মার্কিন বাজারের এই মন্দা পরবর্তীতে এশিয়া ও ইউরোপের পুঁজিবাজারগুলোকেও সরাসরি প্রভাবিত করেছে। জাপানের নিক্কেই শেয়ারসূচক ছয় শতাংশ কমে বন্ধ হয়েছে এবং কিওক্সিয়া ও টোকিও ইলেকট্রনের শেয়ারে বড় দরপতন হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এসকে হাইনিক্সের সূচক দশ শতাংশের বেশি এবং কসপির
সূচক ছয় শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। ইউরোপের বাজারে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকায় সেখানে ধসের মাত্রা কিছুটা কম ছিল।বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান এজ বেল-এর প্রধান ড্যান কোটসওয়ার্থ জানিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বিশাল বিনিয়োগের বিপরীতে মুনাফা আসার বিষয়টি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মাঝে উৎকণ্ঠা রয়েছে। ডেমোক্রেটদের প্রভাব বৃদ্ধির কারণে ডাটা সেন্টার গড়ে তোলার গতি কমে যাওয়ার এবং এই খাত নিয়ন্ত্রণের নতুন উপায় খোঁজার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রযুক্তি খাতের দ্রুতগতির অগ্রগতির এই ধারাবাহিকতা মন্থর হতে পারে বলে বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত