রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে "ট-র্চা-র সেল"! • রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার দাবি • বিশ্ব ডিম দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএলআরআইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন • ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ • সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ • বিএনপি সরকারের সাত মাসে ৩২ কূপ খনন, যুক্ত হচ্ছে প্রায় ১৪৮ এমএমসিএফ গ্যাস • ঢাকার বস্তিতে যক্ষ্মা স্ক্রিনিংয়ে ১ লাখ ৪৫ হাজার ডলার দেবে জাপান • আবেগ, অশ্রুতে আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে মেসির বিদায় • কমিশন বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ: বিআরটিসির ডিজিএম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুদকে আবেদন
প্রবাস সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনাকে ‘উদ্বেগজনক’ আখ্যা দিয়ে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত। 
শুক্রবার নয়া দিল্লিতে আয়োজিত এক নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই বার্তা দেন। খবর এনডিটিভি ও হিন্দুস্তান টাইমসের।

ব্রিফিংয়ে জয়সওয়াল বলেন, “বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অব্যাহত প্রতিকূলতা ও ময়মনসিংহে দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। আমরা এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রত্যাশা করছি।” 

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সংখ্যালঘুদের ওপর ২৯০০-এর বেশি সহিংসতার ঘটনা স্বাধীন সূত্র থেকে নথিবদ্ধ করা হয়েছে, যা কেবল গণমাধ্যমের অতিরঞ্জন বলে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রাজবাড়ীর পাংশায় অমৃত মন্ডল ওরফে সম্রাট হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। এর আগে বাংলাদেশ সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, পাংশার ওই ঘটনাটি কোনো সাম্প্রদায়িক হামলা ছিল না। 

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের দেওয়া বিবৃতি অনুযায়ী, অমৃত মন্ডল ছিলেন একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ, যিনি এলাকায় চাঁদা আদায় করতে গিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতার পিটুনিতে মারা যান। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা ও চাঁদাবাজির মামলা এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিনে ভারতের দিল্লি ও কলকাতায় বাংলাদেশি মিশনগুলোতে বিজেপি ও বিভিন্ন সংগঠনের বিক্ষোভ এবং উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে ভারতের মুখপাত্র নীরব ছিলেন। বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যেই এসকল ঘটনার আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে। 

তবে জয়সওয়াল ভারতের সীমান্ত এলাকাগুলোতে বিজেপির রাজ্য পর্যায়ের নেতাদের বিতর্কিত মন্তব্য ও মিশনের নিরাপত্তা সংকটের বিষয়টি ব্রিফিংয়ে এড়িয়ে যান।

খুঁজুন