ডেস্ক রিপোর্ট: আসন্ন তরঙ্গ নিলামের মাত্র এক সপ্তাহ বাকি থাকতে এ বিষয়ে নিজেদের সুনির্দিষ্ট মতামত ও উদ্বেগের কথা জানিয়েছে দেশের শীর্ষ তিনটি মোবাইল অপারেটর। মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (এমটব) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অবস্থান তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নিয়ে তরঙ্গের মূল্য কমানোর পাশাপাশি পাইকারি দরে বেশি পরিমাণে তরঙ্গ বরাদ্দের দাবি জানান। আগামী দিনে মোবাইল ইন্টারনেটের চাহিদা বহুগুণ বৃদ্ধি পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তারা এই আলোচনাকে অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন।
রাজধানীর বনানীতে এমটব কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে গ্রামীণফোনের তানভীর মোহাম্মদ, রবির সাহেদ আলম এবং বাংলালিংকের তাইমুর রহমান বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগামী দশ বছরের মধ্যে দেশে মোবাইল ইন্টারনেটের ব্যবহার বর্তমানের তুলনায় ত্রিশ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। অপারেটরদের মতে, গ্রাহকপ্রতি ডেটা ব্যবহারের পরিমাণ প্রতিনিয়ত বাড়লেও টেলিকম কোম্পানিগুলোর সামগ্রিক আয় এক জায়গায় স্থির হয়ে আছে। এই পরিস্থিতিতে তরঙ্গের দাম অতিরিক্ত বেশি নির্ধারিত হলে তা অপারেটরদের পক্ষে কেনা সম্ভব হবে না এবং বড় একটি অংশ অব্যবহৃত থেকে যাবে।
রবির সাহেদ আলম তার উপস্থাপনায় বলেন যে, বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় ১৮০০ ব্যান্ডের প্রতি মেগাহার্জ স্পেকট্রামের প্রস্তাবিত মূল্য অনেক বেশি। তিনি জানান, টেলিকম খাতের বিভিন্ন কর ও শুল্কের কারণে অপারেটরদের প্রতি ১০০ টাকা আয়ের ৫৬ টাকাই সরকারের কাছে চলে যায়। এমটব মহাসচিব মোহাম্মদ জুলফিকার উল্লেখ করেন যে, বিটিআরসি একটি সমীক্ষার ভিত্তিতে দাম নির্ধারণ করলেও সেই যুক্তিসংগত ভিত্তি অপারেটরদের জানানো হয়নি। তাই তারা স্বচ্ছ আলোচনা ও উপযুক্ত মূল্যায়নের মাধ্যমে নমনীয় শর্তে তরঙ্গ নবায়নের অনুরোধ জানিয়েছেন।
গ্রামীণফোনের তানভীর মোহাম্মদ জানান যে, স্পেকট্রাম নবায়ন কেবল সরকারের রাজস্ব বাড়ানোর বিষয় নয়, বরং এটি দেশের ডিজিটাল ভবিষ্যতের একটি মূল বিনিয়োগ। বাংলালিংকের তাইমুর রহমান যোগ করেন যে, ভয়েস কল থেকে ডেটা সেবায় রূপান্তরের এই সময়ে তরঙ্গের চাহিদা বাড়লেও সেই অনুপাতে রাজস্ব বাড়েনি। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরে গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের নির্দিষ্ট পরিমাণ তরঙ্গ নবায়ন করতে হবে। অপারেটরদের আশঙ্কা, বর্তমান চড়া মূল্য বহাল থাকলে কাঙ্ক্ষিত তরঙ্গ অবিক্রীত থেকে যাবে এবং শেষ পর্যন্ত নেটওয়ার্কের মান ও সেবার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
তরঙ্গ নিলামের আগে আলোচনা চায় মোবাইল অপারেটররা
তরঙ্গ নিলামের আগে আলোচনা চায় মোবাইল অপারেটররা
ডেস্ক রিপোর্ট: আসন্ন তরঙ্গ নিলামের মাত্র এক সপ্তাহ বাকি থাকতে এ বিষয়ে নিজেদের সুনির্দিষ্ট মতামত ও উদ্বেগের কথা জানিয়েছে দেশের শীর্ষ তিনটি মোবাইল অপারেটর। মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (এমটব) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অবস্থান তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নিয়ে তরঙ্গের মূল্য কমানোর পাশাপাশি পাইকারি দরে বেশি পরিমাণে তরঙ্গ বরাদ্দের দাবি জানান। আগামী দিনে মোবাইল ইন্টারনেটের চাহিদা বহুগুণ বৃদ্ধি পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তারা এই আলোচনাকে অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন।রাজধানীর বনানীতে এমটব কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে গ্রামীণফোনের তানভীর মোহাম্মদ, রবির সাহেদ আলম এবং বাংলালিংকের তাইমুর রহমান বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়,
আগামী দশ বছরের মধ্যে দেশে মোবাইল ইন্টারনেটের ব্যবহার বর্তমানের তুলনায় ত্রিশ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। অপারেটরদের মতে, গ্রাহকপ্রতি ডেটা ব্যবহারের পরিমাণ প্রতিনিয়ত বাড়লেও টেলিকম কোম্পানিগুলোর সামগ্রিক আয় এক জায়গায় স্থির হয়ে আছে। এই পরিস্থিতিতে তরঙ্গের দাম অতিরিক্ত বেশি নির্ধারিত হলে তা অপারেটরদের পক্ষে কেনা সম্ভব হবে না এবং বড় একটি অংশ অব্যবহৃত থেকে যাবে।রবির সাহেদ আলম তার উপস্থাপনায় বলেন যে, বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় ১৮০০ ব্যান্ডের প্রতি মেগাহার্জ স্পেকট্রামের প্রস্তাবিত মূল্য অনেক বেশি। তিনি জানান, টেলিকম খাতের বিভিন্ন কর ও শুল্কের কারণে অপারেটরদের প্রতি ১০০ টাকা আয়ের ৫৬ টাকাই সরকারের কাছে চলে যায়। এমটব মহাসচিব মোহাম্মদ জুলফিকার উল্লেখ করেন যে, বিটিআরসি একটি সমীক্ষার ভিত্তিতে দাম নির্ধারণ
করলেও সেই যুক্তিসংগত ভিত্তি অপারেটরদের জানানো হয়নি। তাই তারা স্বচ্ছ আলোচনা ও উপযুক্ত মূল্যায়নের মাধ্যমে নমনীয় শর্তে তরঙ্গ নবায়নের অনুরোধ জানিয়েছেন।গ্রামীণফোনের তানভীর মোহাম্মদ জানান যে, স্পেকট্রাম নবায়ন কেবল সরকারের রাজস্ব বাড়ানোর বিষয় নয়, বরং এটি দেশের ডিজিটাল ভবিষ্যতের একটি মূল বিনিয়োগ। বাংলালিংকের তাইমুর রহমান যোগ করেন যে, ভয়েস কল থেকে ডেটা সেবায় রূপান্তরের এই সময়ে তরঙ্গের চাহিদা বাড়লেও সেই অনুপাতে রাজস্ব বাড়েনি। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরে গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের নির্দিষ্ট পরিমাণ তরঙ্গ নবায়ন করতে হবে। অপারেটরদের আশঙ্কা, বর্তমান চড়া মূল্য বহাল থাকলে কাঙ্ক্ষিত তরঙ্গ অবিক্রীত থেকে যাবে এবং শেষ পর্যন্ত নেটওয়ার্কের মান ও সেবার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত