জাতীয় ডেস্ক: চলতি শীত মৌসুমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চার থেকে ছয়টি মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সময় দেশের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। এ ছাড়া এই সময়ে শীতের শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসের প্রকাশিত পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৃদু শৈত্যপ্রবাহের সময় তাপমাত্রা আট থেকে ১০ ডিগ্রি এবং মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের সময় ছয় থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামতে পারে। একই সঙ্গে আগামী তিন মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এবং বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নভেম্বর মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাস তৈরিতে আবহাওয়া উপাত্ত, জলবায়ু মডেল, এল-নিনো ও লা-নিনার অবস্থা এবং আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস পর্যালোচনা করা হয়েছে। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে দেশের মাটির আর্দ্রতা পঁচিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে। এছাড়া ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসতে পারে, যার ফলে তাপমাত্রা বেশি থাকলেও শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।
এর আগে প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, বিগত অক্টোবর মাসে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় আটষট্টি শতাংশ কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল। ওই মাসে বঙ্গোপসাগরে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছিল যার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছিল। সার্বিক আবহাওয়া পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শীতকালীন প্রস্তুতি ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।
আসছে ৬ শৈত্যপ্রবাহ
আসছে ৬ শৈত্যপ্রবাহ
জাতীয় ডেস্ক: চলতি শীত মৌসুমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চার থেকে ছয়টি মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সময় দেশের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। এ ছাড়া এই সময়ে শীতের শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসের প্রকাশিত পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো
হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৃদু শৈত্যপ্রবাহের সময় তাপমাত্রা আট থেকে ১০ ডিগ্রি এবং মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের সময় ছয় থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামতে পারে। একই সঙ্গে আগামী তিন মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এবং বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।নভেম্বর মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাস তৈরিতে আবহাওয়া উপাত্ত, জলবায়ু মডেল, এল-নিনো ও লা-নিনার অবস্থা এবং আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস পর্যালোচনা করা হয়েছে। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে
দেশের মাটির আর্দ্রতা পঁচিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে। এছাড়া ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসতে পারে, যার ফলে তাপমাত্রা বেশি থাকলেও শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।এর আগে প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, বিগত অক্টোবর মাসে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় আটষট্টি শতাংশ কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল। ওই মাসে বঙ্গোপসাগরে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছিল যার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছিল। সার্বিক আবহাওয়া পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শীতকালীন প্রস্তুতি ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত