ইউরোপের কয়েকটি দেশ তাদের মজুত থেকে ডিজেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রও ডিজেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার হোয়াইট হাউসে এএফপির এক প্রতিবেদকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ডিজেল রপ্তানি বন্ধের বিষয়টি এখন আর বিবেচনায় নেই।
তিনি বলেন, ‘আসলে বিষয়টি কখনোই আলোচনায় ছিল না। তবে ইউরোপ যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তা খুবই ভালো হয়েছে।’
ট্রাম্প আরও বলেন, আমি এ বিষয়ে অনুরোধ করেছিলাম। ইউরোপের কাছে প্রচুর ডিজেল রয়েছে এবং তারা বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের অবদান রাখবে—আমরাও রাখব।
তিনি বলেন, ‘আমরা ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করছি না। যা করা উচিত, আমরা সেটিই করব।’
গত ২২ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প প্রথমবারের মতো ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার পক্ষে মত দিয়েছিলেন। এমন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের জন্য ডিজেলের দাম কমতে পারত, তবে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহের ওপর চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল।
এমনকি বৃহস্পতিবারও ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, তার প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। একই সময়ে তার প্রশাসন ইউরোপের দেশগুলোর ওপর তাদের মজুত থেকে জ্বালানি ছাড়ার জন্য চাপ দিচ্ছিল।
শুক্রবার জি-৭ভুক্ত দেশগুলো আগামী চার মাসে তাদের মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ও অপরিশোধিত তেল বাজারে ছাড়ার বিষয়ে একমত হয়েছে।
ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে তৈরি উদ্বেগ কমাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ইরান যুদ্ধ এবং এর ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেবে না : ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেবে না : ট্রাম্প
ইউরোপের কয়েকটি দেশ তাদের মজুত থেকে ডিজেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রও ডিজেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার হোয়াইট হাউসে এএফপির এক প্রতিবেদকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ডিজেল রপ্তানি বন্ধের বিষয়টি এখন আর বিবেচনায় নেই। তিনি বলেন, ‘আসলে বিষয়টি কখনোই আলোচনায় ছিল না। তবে ইউরোপ যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তা খুবই ভালো হয়েছে।’ ট্রাম্প আরও বলেন, আমি এ বিষয়ে অনুরোধ করেছিলাম। ইউরোপের কাছে প্রচুর ডিজেল রয়েছে এবং তারা বিশ্বের জ্বালানি
সরবরাহে বড় ধরনের অবদান রাখবে—আমরাও রাখব। তিনি বলেন, ‘আমরা ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করছি না। যা করা উচিত, আমরা সেটিই করব।’ গত ২২ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প প্রথমবারের মতো ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার পক্ষে মত দিয়েছিলেন। এমন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের জন্য ডিজেলের দাম কমতে পারত, তবে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহের ওপর চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। এমনকি বৃহস্পতিবারও ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, তার প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। একই সময়ে তার প্রশাসন ইউরোপের দেশগুলোর ওপর
তাদের মজুত থেকে জ্বালানি ছাড়ার জন্য চাপ দিচ্ছিল। শুক্রবার জি-৭ভুক্ত দেশগুলো আগামী চার মাসে তাদের মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ও অপরিশোধিত তেল বাজারে ছাড়ার বিষয়ে একমত হয়েছে। ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে তৈরি উদ্বেগ কমাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ইরান যুদ্ধ এবং এর ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত