দেশে অবৈধ অনলাইন জুয়ার বিস্তার ঠেকাতে ১১৬টি ওয়েবসাইট ও অ্যাপ বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এসব সাইট বন্ধ করতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) তালিকা পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে অভিযানে জড়িত আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি।
রবিবার রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদরদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ।
তিনি জানান, চলতি মাসের শুরু থেকে সিআইডির সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ইউনিট অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত ১১৬টি ওয়েবসাইট শনাক্ত করেছে। পাশাপাশি অবৈধ অর্থ লেনদেনের সঙ্গে জড়িত ৮৭৯টি মোবাইল আর্থিক সেবার হিসাব এবং ৪৩টি ব্যাংক হিসাবের তথ্য বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।
সিআইডির দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্ম পরিচালনার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে বিদেশে পাচার করছিল। তারা বিকাশ, নগদ, রকেটসহ বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং সেবা, ব্যাংক হিসাব এবং ক্রিপ্টো ওয়ালেট ব্যবহার করে অর্থ লেনদেন করত।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা জানিয়েছে, গত ছয় মাস ধরে তারা প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত অবৈধ লেনদেন করত। এর বড় একটি অংশ ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ডিজিটাল হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হতো।
অভিযানে বিপুল পরিমাণ ডিজিটাল ডিভাইস ও আলামত জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৩টি মোবাইল ফোন, ২০টি সিম কার্ড এবং বিভিন্ন কুরিয়ার রশিদ। তদন্তে ভুয়া এজেন্ট সিম দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের তথ্যও পাওয়া গেছে।
সিআইডি জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ও আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে। একই সঙ্গে চক্রটির আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
১১৬ জুয়ার সাইট বন্ধে বিটিআরসিকে সিআইডির চিঠি
১১৬ জুয়ার সাইট বন্ধে বিটিআরসিকে সিআইডির চিঠি
দেশে অবৈধ অনলাইন জুয়ার বিস্তার ঠেকাতে ১১৬টি ওয়েবসাইট ও অ্যাপ বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এসব সাইট বন্ধ করতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) তালিকা পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে অভিযানে জড়িত আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি।রবিবার রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদরদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ।তিনি জানান, চলতি মাসের শুরু থেকে সিআইডির সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ইউনিট অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত ১১৬টি ওয়েবসাইট শনাক্ত করেছে। পাশাপাশি অবৈধ অর্থ লেনদেনের
সঙ্গে জড়িত ৮৭৯টি মোবাইল আর্থিক সেবার হিসাব এবং ৪৩টি ব্যাংক হিসাবের তথ্য বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।সিআইডির দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্ম পরিচালনার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে বিদেশে পাচার করছিল। তারা বিকাশ, নগদ, রকেটসহ বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং সেবা, ব্যাংক হিসাব এবং ক্রিপ্টো ওয়ালেট ব্যবহার করে অর্থ লেনদেন করত।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা জানিয়েছে, গত ছয় মাস ধরে তারা প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত অবৈধ লেনদেন করত।
এর বড় একটি অংশ ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ডিজিটাল হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হতো।অভিযানে বিপুল পরিমাণ ডিজিটাল ডিভাইস ও আলামত জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৩টি মোবাইল ফোন, ২০টি সিম কার্ড এবং বিভিন্ন কুরিয়ার রশিদ। তদন্তে ভুয়া এজেন্ট সিম দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের তথ্যও পাওয়া গেছে।সিআইডি জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ও আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে। একই সঙ্গে চক্রটির আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত