ওহাবি/ সালাফিরা দেওবন্দীরা বলে
আল্লাহ ছাড়া কাউকে ডাকা শিরক।
আর মহান আল্লাহ নিজেই কুরআনে
রাসূলুল্লাহ (সা.)'কে আদেশ দিচ্ছেন ,
আলী (আ.)' ফাতিমা (আ.)',
ইমাম হাসান ও হুসাইন (আ.) ডাকার জন্য।
প্রিয় পাঠক
যে সকল ওহাবী/সালাফি, দেওবন্দীদের শরীর
নাদে আলী শুনা মাত্রই জ্বলে উঠে তারা আজকের পোস্ট পড়ে জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যাবেন।
কেননা আজ আমরা কুরআন থেকে
শুধু নাদে আলী নয় বরং নাদে ফাতেমা, নাদে হাসন এবং নাদে হুসাইন প্রমাণ করবো।
১০ হিজরিতে নাজরানের খ্রিস্টানদের একটি
প্রতিনিধি দল রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সাথে
মদিনায় সাক্ষাৎ করতে আসে।
তাদের সাথে ইসলাম ও হযরত ঈসা (আ.)-এর
প্রকৃতি নিয়ে
রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর দীর্ঘ আলোচনা হয়।
যুক্তি ও প্রমাণের মাধ্যমে আলোচনা কোনো
সমাধানে না পৌঁছালে এবং খ্রিস্টানরা
তাদের অবস্থানে অটল থাকলে,
তখন আল্লাহ তাআলা সূরা আলে ইমরানের
৬১ নম্বর আয়াত নাজিল করেন।
فَمَنْ حَاجَّكَ فِيهِ مِن بَعْدِ مَا جَاءَكَ مِنَ الْعِلْمِ فَقُلْ تَعَالَوْا نَدْعُ أَبْنَاءَنَا وَأَبْنَاءَكُمْ وَنِسَاءَنَا وَنِسَاءَكُمْ وَأَنفُسَنَا وَأَنفُسَكُمْ ثُمَّ نَبْتَهِلْ فَنَجْعَل لَّعْنَتَ اللَّهِ عَلَى الْكَاذِبِينَ
অতঃপর তোমার নিকট সত্য সংবাদ এসে যাওয়ার পর যদি এই কাহিনী সম্পর্কে তোমার সাথে কেউ বিবাদ করে, তাহলে বল-এসো, আমরা ডেকে নেই আমাদের পুত্রদের এবং তোমাদের পুত্রদের এবং আমাদের স্ত্রীদের ও তোমাদের স্ত্রীদের এবং আমাদের নিজেদের ও তোমাদের নিজেদের আর তারপর চল আমরা সবাই মিলে প্রার্থনা করি এবং তাদের প্রতি আল্লাহর অভিসম্পাত করি যারা মিথ্যাবাদী।
فَقُلْ تَعَالَوْا نَدْعُ أَبْنَاءَنَا وَأَبْنَاءَكُمْ) دَعَا رَسُولُ اللَّهِ صلى
الله عليه وسلم عَلِيًّا وَفَاطِمَةَ وَحَسَنًا وَحُسَيْنًا فَقَالَ "
اللَّهُمَّ هَؤُلاَءِ أَهْلِي
যখন ঐ আয়াত নাযিল হলো।
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী, ফাতিমাহ, হাসান ও হুসায়ন আলাইহিমুস সালাম-কে ডাকলেন।
তারপর বললেন, হে আল্লাহ!
এরাই আমার পরিবার-পরিজন।
সহীহ মুসলিম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০০২, ইসলামিক সেন্টার ৬০৪১।
প্রিয় পাঠক এটাতো প্রমাণিত হলো
মুবাহালাতে
হযরত আলী (আ.), হযরত ফাতেমা (আ.)'
হযরত হাসান ও হোসাইন (আ.)'কে
রাসূলুল্লাহ ডাক দিয়ে নিয়ে গেসিলেন।
এখন আসি আলোচ্য আয়াতের বিশ্লেষনে।
প্রিয় পাঠক এই আয়াতে মহান আল্লাহ
যে বাক্যটি উল্লেখ্য করেছেন সেটি হলো :
نَدْعُ أَبْنَاءَنَا وَأَبْنَاءَكُمْ وَنِسَاءَنَا وَنِسَاءَكُمْ وَأَنفُسَنَا وَأَنفُسَكُمْ
"নাদউ আবনাআনা ওয়া আবনাআকুম ওয়া নিসাআনা ওয়া নিসাআকুম ওয়া আনফুসানা ওয়া আনফুসাকুম।"
প্রিয় পাঠক' আরবি ভাষায় ‘নাদউ’ শব্দটি ‘দাওয়াত’ (دَعْوَة) ধাতু থেকে উদ্ভূত।
এর আভিধানিক অর্থ হলো: কাউকে উচ্চস্বরে ডাকা, আহ্বান করা বা সাহায্য প্রার্থনা করা।
আয়াতে এটি বর্তমান
কালবাচক ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এর মূল রূপ হলো ‘নাদউ’ (نَدْعُو)।
কিন্তু আয়াতে শেষে ‘ওয়াও’ (و) নেই,
কারণ এটি ‘ফাল’ (فَ) এর সাথে যুক্ত হয়ে আদেশ
বা আহ্বানের একটি বিশেষ শৈলী তৈরি করেছে।
আয়াতে বলা হয়েছে,
"হে নবী! আপনি বলুন,
এসো আমরা আমাদের পুত্রদের (আবেনাউনা) ও তোমাদের পুত্রদের... ডাকি (নাদউ)।"
অর্থাৎ, এখানে আহ্বানকারী স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সা.)
এবং যাদের আহ্বান করা হচ্ছে
তারা হলো পবিত্র আহলে বায়েত।
লক্ষ্যণীয় বিষয়'
এই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা তিনটি জোড়ায়
পবিত্র আহলে বায়েতকে চিহ্নিত করেছেন,
যাদের রাসূলুল্লাহ (সা.) ‘নাদউ’ (আহ্বান) করেছেন
আবনায়ানা’ (أَبْنَاءَنَا - আমাদের পুত্রগণ): এর দ্বারা উদ্দেশ্য হযরত হাসান (আ.) ও হযরত হুসাইন (আ.)। এখানে বহুবচন ব্যবহার করা হয়েছে
যদিও তাঁরা দুজনেই ছিলেন,
যা তাঁদের শ্রেষ্ঠত্ব ও সম্মানের দিকে ইঙ্গিত করে।
‘নিসায়ানা’ (نِسَاءَنَا - আমাদের নারীগণ): এর দ্বারা উদ্দেশ্য সাইয়্যিদাতুন নিসায়িল আলামিন হযরত ফাতিমা যাহরা (আ.)।
‘আনফুসানা’ (أَنفُسَنَا - আমাদের নফস বা আমাদের সত্তা): এটিই এই আয়াতের সবচেয়ে গভীর অংশ। আল্লাহ তায়ালা হযরত আলী (আ.)-কে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ‘নফস’ বা ‘সত্তা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন
ভাষাগত দৃষ্টিতে, যখন কেউ বিপদে বা প্রয়োজনে কোনো মহান ব্যক্তিত্বের সাহায্য প্রার্থনা করেন,
তখন তাকে ‘নাদ’ বলা হয়।
নাদ-এ-আলী: আয়াতে যেহেতু রাসূলুল্লাহ (সা.)
স্বয়ং হযরত আলী (আ.)-কে নিজের ‘নফস’ বা সত্তা হিসেবে ঘোষণা করে ‘নাদউ’ (আহ্বান) করেছেন,
তাই পরবর্তীতে মুমিনদের জন্য আলী (আ.)-এর মাধ্যমে আল্লাহর দরবারে সাহায্য চাওয়া
বা তাঁর মহান ব্যক্তিত্বের উসিলা নেওয়া
(নাদ-এ-আলী) সেই কুরআনি আহ্বানেরই
একটি আধ্যাত্মিক ধারাবাহিকতা।
যদি কোনো ব্যক্তি বা সত্তাকে রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর নফস হিসেবে আল্লাহর দরবারে মুবাহালার সময় উপস্থিত করতে পারেন এবং আল্লাহ তাকে ‘আহ্বান’ করার নির্দেশ দিতে পারেন, তবে সেই মহান সত্তাকে বিপদ ও সংকটে সাহায্য বা উসিলার জন্য
আহ্বান করা কুরআন সমর্থিত।
আয়াতে ‘নাদউ’ ক্রিয়াটি ব্যবহার করার মাধ্যমে
আল্লাহ তায়ালা স্থায়ীভাবে এটি প্রতিষ্ঠিত করে দিয়েছেন যে:
আহলে বায়েত (আ.) কেবল সাধারণ কোনো
পরিবার নয়, বরং তাঁরা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর
পবিত্রতার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
রাসূলুল্লাহ (সা.) যাঁদের ‘নাদউ’ (আহ্বান) করে
আল্লাহর দরবারে নিয়ে গিয়েছিলেন, তাঁদের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব পবিত্র কুরআনের ভাষ্য অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট।
যারা এই মর্যাদাকে অস্বীকার করে বা নাদ-এ-আলীকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, তারা মূলত কুরআনের এই স্পষ্ট নির্দেশের মূল উদ্দেশ্য অর্থাৎ, রাসূলুল্লাহ (সা.) কর্তৃক আহলে বায়েতকে আল্লাহর দরবারে সাক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপন করাকে অনুধাবন করতে ব্যর্থ হচ্ছে।
আল্লাহ ছাড়া কাউকে ডাকা শিরক।
আর মহান আল্লাহ নিজেই কুরআনে
রাসূলুল্লাহ (সা.)'কে আদেশ দিচ্ছেন ,
আলী (আ.)' ফাতিমা (আ.)',
ইমাম হাসান ও হুসাইন (আ.) ডাকার জন্য।
প্রিয় পাঠক
যে সকল ওহাবী/সালাফি, দেওবন্দীদের শরীর
নাদে আলী শুনা মাত্রই জ্বলে উঠে তারা আজকের পোস্ট পড়ে জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যাবেন।
কেননা আজ আমরা কুরআন থেকে
শুধু নাদে আলী নয় বরং নাদে ফাতেমা, নাদে হাসন এবং নাদে হুসাইন প্রমাণ করবো।
১০ হিজরিতে নাজরানের খ্রিস্টানদের একটি
প্রতিনিধি দল রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সাথে
মদিনায় সাক্ষাৎ করতে আসে।
তাদের সাথে ইসলাম ও হযরত ঈসা (আ.)-এর
প্রকৃতি নিয়ে
রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর দীর্ঘ আলোচনা হয়।
যুক্তি ও প্রমাণের মাধ্যমে আলোচনা কোনো
সমাধানে না পৌঁছালে এবং খ্রিস্টানরা
তাদের অবস্থানে অটল থাকলে,
তখন আল্লাহ তাআলা সূরা আলে ইমরানের
৬১ নম্বর আয়াত নাজিল করেন।
فَمَنْ حَاجَّكَ فِيهِ مِن بَعْدِ مَا جَاءَكَ مِنَ الْعِلْمِ فَقُلْ تَعَالَوْا نَدْعُ أَبْنَاءَنَا وَأَبْنَاءَكُمْ وَنِسَاءَنَا وَنِسَاءَكُمْ وَأَنفُسَنَا وَأَنفُسَكُمْ ثُمَّ نَبْتَهِلْ فَنَجْعَل لَّعْنَتَ اللَّهِ عَلَى الْكَاذِبِينَ
অতঃপর তোমার নিকট সত্য সংবাদ এসে যাওয়ার পর যদি এই কাহিনী সম্পর্কে তোমার সাথে কেউ বিবাদ করে, তাহলে বল-এসো, আমরা ডেকে নেই আমাদের পুত্রদের এবং তোমাদের পুত্রদের এবং আমাদের স্ত্রীদের ও তোমাদের স্ত্রীদের এবং আমাদের নিজেদের ও তোমাদের নিজেদের আর তারপর চল আমরা সবাই মিলে প্রার্থনা করি এবং তাদের প্রতি আল্লাহর অভিসম্পাত করি যারা মিথ্যাবাদী।
فَقُلْ تَعَالَوْا نَدْعُ أَبْنَاءَنَا وَأَبْنَاءَكُمْ) دَعَا رَسُولُ اللَّهِ صلى
الله عليه وسلم عَلِيًّا وَفَاطِمَةَ وَحَسَنًا وَحُسَيْنًا فَقَالَ "
اللَّهُمَّ هَؤُلاَءِ أَهْلِي
যখন ঐ আয়াত নাযিল হলো।
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী, ফাতিমাহ, হাসান ও হুসায়ন আলাইহিমুস সালাম-কে ডাকলেন।
তারপর বললেন, হে আল্লাহ!
এরাই আমার পরিবার-পরিজন।
সহীহ মুসলিম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০০২, ইসলামিক সেন্টার ৬০৪১।
প্রিয় পাঠক এটাতো প্রমাণিত হলো
মুবাহালাতে
হযরত আলী (আ.), হযরত ফাতেমা (আ.)'
হযরত হাসান ও হোসাইন (আ.)'কে
রাসূলুল্লাহ ডাক দিয়ে নিয়ে গেসিলেন।
এখন আসি আলোচ্য আয়াতের বিশ্লেষনে।
প্রিয় পাঠক এই আয়াতে মহান আল্লাহ
যে বাক্যটি উল্লেখ্য করেছেন সেটি হলো :
نَدْعُ أَبْنَاءَنَا وَأَبْنَاءَكُمْ وَنِسَاءَنَا وَنِسَاءَكُمْ وَأَنفُسَنَا وَأَنفُسَكُمْ
"নাদউ আবনাআনা ওয়া আবনাআকুম ওয়া নিসাআনা ওয়া নিসাআকুম ওয়া আনফুসানা ওয়া আনফুসাকুম।"
প্রিয় পাঠক' আরবি ভাষায় ‘নাদউ’ শব্দটি ‘দাওয়াত’ (دَعْوَة) ধাতু থেকে উদ্ভূত।
এর আভিধানিক অর্থ হলো: কাউকে উচ্চস্বরে ডাকা, আহ্বান করা বা সাহায্য প্রার্থনা করা।
আয়াতে এটি বর্তমান
কালবাচক ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এর মূল রূপ হলো ‘নাদউ’ (نَدْعُو)।
কিন্তু আয়াতে শেষে ‘ওয়াও’ (و) নেই,
কারণ এটি ‘ফাল’ (فَ) এর সাথে যুক্ত হয়ে আদেশ
বা আহ্বানের একটি বিশেষ শৈলী তৈরি করেছে।
আয়াতে বলা হয়েছে,
"হে নবী! আপনি বলুন,
এসো আমরা আমাদের পুত্রদের (আবেনাউনা) ও তোমাদের পুত্রদের... ডাকি (নাদউ)।"
অর্থাৎ, এখানে আহ্বানকারী স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সা.)
এবং যাদের আহ্বান করা হচ্ছে
তারা হলো পবিত্র আহলে বায়েত।
লক্ষ্যণীয় বিষয়'
এই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা তিনটি জোড়ায়
পবিত্র আহলে বায়েতকে চিহ্নিত করেছেন,
যাদের রাসূলুল্লাহ (সা.) ‘নাদউ’ (আহ্বান) করেছেন
আবনায়ানা’ (أَبْنَاءَنَا - আমাদের পুত্রগণ): এর দ্বারা উদ্দেশ্য হযরত হাসান (আ.) ও হযরত হুসাইন (আ.)। এখানে বহুবচন ব্যবহার করা হয়েছে
যদিও তাঁরা দুজনেই ছিলেন,
যা তাঁদের শ্রেষ্ঠত্ব ও সম্মানের দিকে ইঙ্গিত করে।
‘নিসায়ানা’ (نِسَاءَنَا - আমাদের নারীগণ): এর দ্বারা উদ্দেশ্য সাইয়্যিদাতুন নিসায়িল আলামিন হযরত ফাতিমা যাহরা (আ.)।
‘আনফুসানা’ (أَنفُسَنَا - আমাদের নফস বা আমাদের সত্তা): এটিই এই আয়াতের সবচেয়ে গভীর অংশ। আল্লাহ তায়ালা হযরত আলী (আ.)-কে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ‘নফস’ বা ‘সত্তা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন
ভাষাগত দৃষ্টিতে, যখন কেউ বিপদে বা প্রয়োজনে কোনো মহান ব্যক্তিত্বের সাহায্য প্রার্থনা করেন,
তখন তাকে ‘নাদ’ বলা হয়।
নাদ-এ-আলী: আয়াতে যেহেতু রাসূলুল্লাহ (সা.)
স্বয়ং হযরত আলী (আ.)-কে নিজের ‘নফস’ বা সত্তা হিসেবে ঘোষণা করে ‘নাদউ’ (আহ্বান) করেছেন,
তাই পরবর্তীতে মুমিনদের জন্য আলী (আ.)-এর মাধ্যমে আল্লাহর দরবারে সাহায্য চাওয়া
বা তাঁর মহান ব্যক্তিত্বের উসিলা নেওয়া
(নাদ-এ-আলী) সেই কুরআনি আহ্বানেরই
একটি আধ্যাত্মিক ধারাবাহিকতা।
যদি কোনো ব্যক্তি বা সত্তাকে রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর নফস হিসেবে আল্লাহর দরবারে মুবাহালার সময় উপস্থিত করতে পারেন এবং আল্লাহ তাকে ‘আহ্বান’ করার নির্দেশ দিতে পারেন, তবে সেই মহান সত্তাকে বিপদ ও সংকটে সাহায্য বা উসিলার জন্য
আহ্বান করা কুরআন সমর্থিত।
আয়াতে ‘নাদউ’ ক্রিয়াটি ব্যবহার করার মাধ্যমে
আল্লাহ তায়ালা স্থায়ীভাবে এটি প্রতিষ্ঠিত করে দিয়েছেন যে:
আহলে বায়েত (আ.) কেবল সাধারণ কোনো
পরিবার নয়, বরং তাঁরা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর
পবিত্রতার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
রাসূলুল্লাহ (সা.) যাঁদের ‘নাদউ’ (আহ্বান) করে
আল্লাহর দরবারে নিয়ে গিয়েছিলেন, তাঁদের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব পবিত্র কুরআনের ভাষ্য অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট।
যারা এই মর্যাদাকে অস্বীকার করে বা নাদ-এ-আলীকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, তারা মূলত কুরআনের এই স্পষ্ট নির্দেশের মূল উদ্দেশ্য অর্থাৎ, রাসূলুল্লাহ (সা.) কর্তৃক আহলে বায়েতকে আল্লাহর দরবারে সাক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপন করাকে অনুধাবন করতে ব্যর্থ হচ্ছে।