শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
সুফিবাদ বিশ্ববরণ্য আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব বাবা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ

বিশ্ববরণ্য আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব বাবা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ

ইসলামি জগতে বিশ্ববরণ্য আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব বাবা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভান্ডারি কেবলায়ে আলম 

জাতিসংঘে ভাষণ ও মিলাদে মোস্তফা (দঃ) এর শুভ উদ্বোধন করেন আল্লামা শাহ্সূফি মাওলানা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী কাদ্দাছাল্লাহু ছিররুহুল আজিজ।

বিগত ২০০০ সালের ২৮-৩১শে আগষ্ট জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বিশ্বশান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে উদ্বোধন করেন তৎকালিন জাতিসংঘ মহাসচিব কফি আনান। এ সম্মেলনে পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্মের শীর্ষ স্থানীয় ধর্মগুরু ও আধ্যাত্মিক শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশ গ্রহণ করেন। বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন আওলাদে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শায়খুল ইসলাম হযরত শাহ্সূফি মাওলানা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী হুযুর কেবলা।

জাতিসংঘে আয়োজিত উক্ত কনফানেন্সে হুজুর কেবলা ভাষণে বলেনঃ আজকের জাতিসংঘ বিশ্ব-শান্তি ও সকল ধর্মের ও বর্ণের মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ,হানাহানি,যুদ্ধ,ক্ষুধা ও দরিদ্র নিসনের যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে,তা আজ থেকে ১৪০০ বছর পূর্বে আমাদের মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ) ‘মদিনার সনদের’ মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে উপহার দিয়েছিলেন,যা জাতিসংঘ আজ বাস্তবায়ন করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সম্মেলন সমাপনী দিবসে প্রার্থনা পর্বে আওলাদে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী হুযুর কেবলায়ে আলম  মিলাদ শরীফ (ছালাত ও সালাম) পরিচালনা করেন এবং সমগ্র বিশ্ববাসীর সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মুনাজাত পরিচালনা করেন। জাতিসংঘের ইতিহাসে তিনিই প্রথম ব্যাক্তিত্ব,যিনি মিলাদে-মোস্তফা সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শুভ উদ্বোধন করেন। মিলাদ মাহফিলে রাবেতার মহাসচিব আবদুল্লাহ ওমর নাসিফ,ইরাক,ইরান,ভারত ও পাকিস্থানসহ বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।।
"সম্মান আল্লাহর জন্য, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর জন্য এবং মু'মিনদের জন্য। কিন্তু মুনাফিকরা তা বুঝতে পারে না।"
- সূরা মুনাফিকুন, আয়াতঃ ৮।

"নিশ্চয়ই তোমাদের (সাহায্যকারী) বন্ধু তো আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসুল ﷺ  এবং (সাথে) ঈমানদারগণ যারা নামায কায়েম করেন ও যাকাত দেন এবং যারা (আল্লাহ্ সমীপে বিনয়ের সাথে) ঝুঁকে পড়েন।"
-(সুরা আল মায়েদা আয়াত নং ৫৫)

"আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্, তাঁর রাসুল ﷺ এবং ঈমানদানগণকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করবে, তবে (তারাই আল্লাহ্র পক্ষ এবং) আল্লাহ্ পক্ষই বিজয়ী হবে।"
-(সুরা আল মায়েদা আয়াত নং ৫৬)

সাবধান ! নিশ্চয় আল্লাহর অলীগননের কোন ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না "।
( সূরা ইউনুস ১০: আয়াত নং ৬২)।

"নিশ্চয় যারা আমার আয়াতসমূহকে অবিশ্বাস করে তাদেরকে আমি অচিরেই আগুনে প্রবিষ্ট করব।[১] 
যখনই তাদের চর্ম দগ্ধ হবে, তখনই ওর স্থলে নূতন চর্ম সৃষ্টি করব, যাতে তারা শাস্তি ভোগ করতে থাকে।[২] 
নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।"
-সুরা নিসা আয়াত নং ৫৬।

খুঁজুন