ইমাম আর গোলাম এক নয়,,ইমাম নামাজ পড়ে আল্লাহর উদ্দেশ্যে,, আর গোলাম নামাজ পড়ে টাকার উদ্দেশ্যে,, তার একটি সত্য ঘটনা,,সম্রাট আকবর মুসল্লিদের সাথে জুমার নামাজ আদায় করতেন,,কোন এক শুক্রবারে সম্রাট আকবর দিল্লির বড় ইমামকে দাওয়াত করলেন তার শাহি মসজিদে জুমার নামাজ পড়ানোর জন্য,,এই শাহী মসজিদের আশপাশে এবং সিঁড়ির উপর বসে বসে তার নিজ কর্ম করতেন বাবা সেরেমাস্ত রাহমাতুল্লাহ আলা,,কোনদিন তিনি মসজিদে ইমামের পিছে জামাতের সাথে উক্তিয়া সালাত আদায় করেননি,, কারণ সে সর্বদা দায়েমী সালাতে মগ্ন থাকতেন,, ইমাম সাহেব খুদবা সেষ করলেন তাকবীর দেওয়া হল কাতার সোজা করে মুসল্লিরা দাঁড়ালেন,, ইমাম সাহেব সুরা কেরাত শুরু করলেন,, হঠাৎ বাবা সেরেমাস্ত রহমাতুল্লাহ আলা পিছনের কাতার ফাড়ি দিয়ে সামনের কাতারে গিয়ে দাঁড়ালে,, এতে মুসল্লিদের নামাজের বিঘ্ন হলো,,ইমাম সাহেব সুরা কেরায়েত শেষ করলেন এবং সেজদায় গেলেন, বাবা সেরে মাস্ত রহমাতুল্লাহ আলাই ইমামের পিছনে পশ্চিমে সেজদা দিলেন,,
দ্বিতীয় রাকাতে ইমাম সাহেব সুরা কেরাত ও আয়াতের মধ্যেই তিনি ভাবছে,, আজ নামাজ শেষে সম্রাট আমাকে অনেক টাকা দিয়ে পুরস্কৃত করবেন,, এবং সেই টাকা দিয়ে পুবের মিনা বাজারে গিয়ে স্ত্রী পুত্র সকলের জন্যই অনেক কেনাকাটা করব,,,এই ভাবনা করতে করতে সুরা কেরাত শেষ হলো ইমাম সেজদায় গেলেন,, বাবা সেরে মাস্ত,, রাহমাতুল্লাহ আলা পশ্চিমে সিজদা না দিয়ে পূবে সেজদা দিলেন,,
এতে অনেকের মধ্যে আরো কৌতুহল বেশি শুরু হল,, পাগল কোনদিনও নামাজ পড়লো না অথচ আজ কি হল সে একবার পশ্চিমে সেজদা আবার পূবে সেজদা দেয় এ কেমন খেলা শুরু করলো,,নামাজ শেষ হলো সম্রাট আকবর বলল তুমি হঠাৎ করে মুসল্লিদের নামাজ ভেঙ্গে সামনের কাতারে এসে দাঁড়ালে,, এরপরে পশ্চিমে সেজদা দিলে আবার পূবে সেজদা দিলে কেন,, মুসল্লিদের নামাজ ভেঙ্গে দেওয়ার কারণে তোমার শাস্তি বড় ভয়ঙ্কর হবে তুমি কি জানো পাগল কিছুই বলে না,,তখন সম্রাট আকবর বাবা সেরে মাস্ত রাহমাতুল্লাহ আলাকে শিরচ্ছেদ করার হুকুম দিয়ে অন্দরমহলে চলে গেলেন,, অনেকেই জিজ্ঞেস করছে আপনি পূবে সেজদা কেন দিলেন,,
সত্য কথা বলেন এখন তো আপনাকে শিরশ্ছেদ করা হবে,, বাবা সেরে মাস্ত বলেন তোমাদের ইমামকে জিজ্ঞেস কর ইমাম যেদিকে আমিও সেই দিকে,, সকলে গিয়ে ইমাম কে ধরল তাহলে সমস্যা তো আপনার মধ্যেই পাগলের মধ্যে নয়,, ইমাম সাহেব ভুল স্বীকার করলেন এবং বললেন দ্বিতীয় সেজদার মধ্যে আমি ভাবনা করছিলাম যে সম্রাট আমাকে অনেক টাকা দিবে আর সে টাকা নিয়ে আমি মিনা বাজারে যাব আর তা দিয়ে অনেক কেনাকাটা করব ইমাম সাহেব সহ সকলেই বলল উনি সাধারণ পাগল নয় উনি আল্লাহর বুজুর্গ,, ওই শাহী মসজিদের পাশেই বাবা সেরে মাস্ত রাহমাতুল্লাহ আলার রওজা মোবারক,, তো মূল কথা হলো আমরা যে ইমামের পিছে এক্তেদা করলাম সেই ইমামের নিয়ত সঠিক কিনা,,ইমামের সুরা কেরাত সব কিছুই যদি আল্লাহর উদ্দেশ্যে না হয় মাজার ভাঙ্গা লাশ পোড়ানো পাগলদের চুল কেটে দেওয়া বাউলদের ধরে মারা অলি আউলিয়াদের বাৎসরিক ওরশ গানের অনুষ্ঠান ভাঙচুর লুটপাট করা তাহলে উনি ইমাম নয় ,,আর ঐ ইমামের পিছনে নামাজ পড়া নাজায়েজ
দ্বিতীয় রাকাতে ইমাম সাহেব সুরা কেরাত ও আয়াতের মধ্যেই তিনি ভাবছে,, আজ নামাজ শেষে সম্রাট আমাকে অনেক টাকা দিয়ে পুরস্কৃত করবেন,, এবং সেই টাকা দিয়ে পুবের মিনা বাজারে গিয়ে স্ত্রী পুত্র সকলের জন্যই অনেক কেনাকাটা করব,,,এই ভাবনা করতে করতে সুরা কেরাত শেষ হলো ইমাম সেজদায় গেলেন,, বাবা সেরে মাস্ত,, রাহমাতুল্লাহ আলা পশ্চিমে সিজদা না দিয়ে পূবে সেজদা দিলেন,,
এতে অনেকের মধ্যে আরো কৌতুহল বেশি শুরু হল,, পাগল কোনদিনও নামাজ পড়লো না অথচ আজ কি হল সে একবার পশ্চিমে সেজদা আবার পূবে সেজদা দেয় এ কেমন খেলা শুরু করলো,,নামাজ শেষ হলো সম্রাট আকবর বলল তুমি হঠাৎ করে মুসল্লিদের নামাজ ভেঙ্গে সামনের কাতারে এসে দাঁড়ালে,, এরপরে পশ্চিমে সেজদা দিলে আবার পূবে সেজদা দিলে কেন,, মুসল্লিদের নামাজ ভেঙ্গে দেওয়ার কারণে তোমার শাস্তি বড় ভয়ঙ্কর হবে তুমি কি জানো পাগল কিছুই বলে না,,তখন সম্রাট আকবর বাবা সেরে মাস্ত রাহমাতুল্লাহ আলাকে শিরচ্ছেদ করার হুকুম দিয়ে অন্দরমহলে চলে গেলেন,, অনেকেই জিজ্ঞেস করছে আপনি পূবে সেজদা কেন দিলেন,,
সত্য কথা বলেন এখন তো আপনাকে শিরশ্ছেদ করা হবে,, বাবা সেরে মাস্ত বলেন তোমাদের ইমামকে জিজ্ঞেস কর ইমাম যেদিকে আমিও সেই দিকে,, সকলে গিয়ে ইমাম কে ধরল তাহলে সমস্যা তো আপনার মধ্যেই পাগলের মধ্যে নয়,, ইমাম সাহেব ভুল স্বীকার করলেন এবং বললেন দ্বিতীয় সেজদার মধ্যে আমি ভাবনা করছিলাম যে সম্রাট আমাকে অনেক টাকা দিবে আর সে টাকা নিয়ে আমি মিনা বাজারে যাব আর তা দিয়ে অনেক কেনাকাটা করব ইমাম সাহেব সহ সকলেই বলল উনি সাধারণ পাগল নয় উনি আল্লাহর বুজুর্গ,, ওই শাহী মসজিদের পাশেই বাবা সেরে মাস্ত রাহমাতুল্লাহ আলার রওজা মোবারক,, তো মূল কথা হলো আমরা যে ইমামের পিছে এক্তেদা করলাম সেই ইমামের নিয়ত সঠিক কিনা,,ইমামের সুরা কেরাত সব কিছুই যদি আল্লাহর উদ্দেশ্যে না হয় মাজার ভাঙ্গা লাশ পোড়ানো পাগলদের চুল কেটে দেওয়া বাউলদের ধরে মারা অলি আউলিয়াদের বাৎসরিক ওরশ গানের অনুষ্ঠান ভাঙচুর লুটপাট করা তাহলে উনি ইমাম নয় ,,আর ঐ ইমামের পিছনে নামাজ পড়া নাজায়েজ