শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গুগল ড্রাইভের ৫ ‘লুকানো’ ফিচার

গুগল ড্রাইভের ৫ ‘লুকানো’ ফিচার

নিয়মিত ব্যবহার করলেও অনেকেই জানেন না, গুগল ড্রাইভে এমন কিছু লুকানো ফিচার রয়েছে, যা ব্যবহারকারীর কাজকে আরও সহজ, দ্রুততর ও কার্যকর করে তুলতে পারে। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট মেকইউজঅবের (GgBDI) এক প্রতিবেদনের আলোকে এখানে গুগল ড্রাইভের এমনই কিছু কম পরিচিত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ফিচারের কথা তুলে ধরা হয়েছে-

ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বার থেকেই ফাইল খোঁজার সুবিধা : গুগল ড্রাইভে ফাইল খুঁজতে সাধারণত আলাদা করে ওয়েবসাইট খুলতে হয়। তবে আধুনিক ব্রাউজারে একটি ছোট সেটিং চালু করলে অ্যাড্রেস বার থেকেই গুগল ড্রাইভে ফাইল সার্চ করা যায়। এজন্য ব্রাউজারের সার্চ সেটিংসে ‘@drive’ নামে একটি শর্টকাট যোগ করতে হয়। এরপর অ্যাড্রেস বারে ফাইলের নাম লিখলেই সরাসরি গুগল ড্রাইভের সার্চ ফলাফল দেখা যায়। এতে সময় বাঁচে এবং কাজ আরও দ্রুত হয়।

জিমেইলে বড় ফাইল পাঠানোর সহজ উপায় : ই-মেইলে বড় ফাইল পাঠানোর ক্ষেত্রে অ্যাটাচমেন্ট সাইজ একটি বড় সমস্যা। তবে জিমেইল ব্যবহারকারীরা গুগল ড্রাইভ থেকে সরাসরি ফাইল যুক্ত করে সহজেই বড় ফাইল পাঠাতে পারেন। ই-মেইল লেখার সময় কাগজের ক্লিপের বদলে গুগল ড্রাইভ আইকনে ক্লিক করলে ড্রাইভে থাকা ফাইল যুক্ত করা যায়। এতে সর্বোচ্চ ১০ জিবি পর্যন্ত ফাইল লিংক আকারে পাঠানো সম্ভব। ব্যবহারকারী চাইলে ফাইল দেখার বা সম্পাদনার অনুমতিও নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।

অফিস ফাইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে গুগল ফরম্যাটে রূপান্তর : অনেক সময় মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল বা পাওয়ারপয়েন্ট ফাইল আসে, কিন্তু কম্পিউটারে অফিস সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকে না। গুগল ড্রাইভে একটি সেটিং চালু করলে এসব ফাইল আপলোডের সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গুগল ডকস, শিটস বা স্লাইডসে রূপান্তর হয়ে যায়। ফলে আলাদা সফটওয়্যার ছাড়াই ফাইল দেখা ও সম্পাদনা করা সম্ভব হয়।

ফাইল এক্সপ্লোরার থেকেই গুগল ড্রাইভ ব্যবস্থাপনা : উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা চাইলে গুগল ড্রাইভকে কম্পিউটারের লোকাল ড্রাইভের মতো ব্যবহার করতে পারেন। গুগল ড্রাইভ ডেস্কটপ অ্যাপ ইনস্টল করলে ফাইল এক্সপ্লোরারে ড্রাইভ দেখা যায়। যে কোনো পরিবর্তন স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনলাইনে সিঙ্ক হয়। একাধিক গুগল অ্যাকাউন্ট থাকলেও একই জায়গা থেকে সবগুলো ব্যবস্থাপনা করা যায়।

মোবাইল দিয়ে নথি স্ক্যান : গুগল ড্রাইভের মোবাইল অ্যাপে রয়েছে স্ক্যান করার সুবিধা। রসিদ, ফরম বা হাতে লেখা নোট ক্যামেরায় ছবি তুললেই অ্যাপটি নিজে থেকে ডকুমেন্ট শনাক্ত করে, প্রয়োজনীয় ফিল্টার প্রয়োগ করে এবং পিডিএফ বা ছবি আকারে সংরক্ষণ করে। আলাদা স্ক্যানার অ্যাপ ব্যবহার প্রয়োজন পড়ে না।

খুঁজুন