উপমহাদেশের আধ্যাত্মিক সাধনার প্রাণকেন্দ্র মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের অন্যতম ইমাম, ইমামে আহলে সুন্নাত, শাইখুল ইসলাম হযরতুল আল্লামা শাহসুফী সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর ওরশ শরীফে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে। সোমবার, ১৮ আগস্ট, পবিত্র ওরশ শরীফের তৃতীয় দিনে আনজুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া আয়োজিত মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন হুজুর কেবলার স্থলাভিষিক্ত মনোনীত, স্থলাভিষিক্ত আওলাদ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)-র চেয়ারম্যান, সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী
হযরত শাহ সুফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী মাদ্দাজিল্লুহুল আলী।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘হুজুর কেবলা হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল হাসানী (ক.) ছিলেন শান্তির ইসলামের উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা। তিনি শুধু সুফীবাদী আদর্শের প্রচারকই নন, বরং আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা, মানবসেবা এবং বিশ্বশান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ও দিকনির্দেশনা মানবতার জন্য অনন্য দিশারি হয়ে যুগ যুগ ধরে ও স্মরণীয় বরণীয় হয়ে থাকবে।’
তিনি বর্তমান দেশের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘রাজনৈতিক অস্থিরতা, আউলিয়ায়ে কেরামের মাজার, খানকাহ ও দরগায় হামলা, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ সমাজের শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য ভয়াবহ হুমকি। আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, অর্থনৈতিক সংকট ও নৈতিক অবক্ষয় দেশের ভবিষ্যৎকে বিপন্ন করছে।’
বিএসপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘যুবসমাজ ক্রমশ নৈতিক মূল্যবোধ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও মব জাস্টিস মানুষের নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়ে তুলেছে। এমনকি বিচারালয়েও মানুষ আজ নিরাপদ নয়। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো সুফীবাদের আলোকে নৈতিক চরিত্র গঠন।’
তিনি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আক্বিদায় বিশ্বাসী সুন্নী সুফীবাদী জনতার উদ্দেশ্যে আহ্বান জানান— ‘সব ভেদাভেদ ভুলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (দ.)-এর প্রেমের পতাকার নিচে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। “ঐক্যই আমাদের শক্তি, বিভক্তি আমাদের দুর্বলতা” উল্লেখ করে তিনি সুন্নী ঐক্যের পথে বাঁধা প্রদানকারীদের সতর্ক করেন।’
ওরশ মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মইনীয়া যুব ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা শাহজাদা সৈয়দ মেহবুব-এ-মইনুদ্দীন, সভাপতি শাহজাদা সৈয়দ মাশুক-এ-মইনুদ্দীন, আনজুমানের মহাসচিব খলিফা শাহ মো. আলগীর খান মাইজভাণ্ডারী ও হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্টের মহাসচিব অ্যাড. কাজী মহসীন চৌধুরী। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন বিএসপি’র ভাইস চেয়ারম্যান মুফতি খাজা বাকী বিল্লাহ আল আযহারী, মাওলানা রুহুল আমিন ভূইয়া চাঁদপুরী, অতিরিক্ত মহাসচিব মো. আসলাম হোসাইন, দপ্তর সম্পাদক মো. ইব্রাহিম মিয়া, আনজুমান চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক মো. আব্দুল কুদ্দুস, সদস্য সচিব কাজী মো. শহিদুল্লাহ, অধ্যক্ষ গোলাম মোহাম্মদ খান সিরাজী, মাওলানা শেখ সাদী আব্দুল্লাহ্ সাধকপুরী, অধ্যক্ষ মাওলানা বাকের আনসারী, মাওলানা মো. ইসমাইল সিরাজী, হাফেজ মাওলানা মো. মাকসুদুর রহমান, হাফেজ মাওলানা মো. নাজের হোসাইন, হাফেজ মাওলানা মো. কেরামত আলী, মাওলানা আব্দুস সাত্তার সিদ্দিকী, মাওলানা খাজা বাহাউদ্দীন প্রমুখ।
হযরত শাহ সুফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী মাদ্দাজিল্লুহুল আলী।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘হুজুর কেবলা হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল হাসানী (ক.) ছিলেন শান্তির ইসলামের উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা। তিনি শুধু সুফীবাদী আদর্শের প্রচারকই নন, বরং আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা, মানবসেবা এবং বিশ্বশান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ও দিকনির্দেশনা মানবতার জন্য অনন্য দিশারি হয়ে যুগ যুগ ধরে ও স্মরণীয় বরণীয় হয়ে থাকবে।’
তিনি বর্তমান দেশের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘রাজনৈতিক অস্থিরতা, আউলিয়ায়ে কেরামের মাজার, খানকাহ ও দরগায় হামলা, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ সমাজের শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য ভয়াবহ হুমকি। আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, অর্থনৈতিক সংকট ও নৈতিক অবক্ষয় দেশের ভবিষ্যৎকে বিপন্ন করছে।’
বিএসপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘যুবসমাজ ক্রমশ নৈতিক মূল্যবোধ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও মব জাস্টিস মানুষের নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়ে তুলেছে। এমনকি বিচারালয়েও মানুষ আজ নিরাপদ নয়। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো সুফীবাদের আলোকে নৈতিক চরিত্র গঠন।’
তিনি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আক্বিদায় বিশ্বাসী সুন্নী সুফীবাদী জনতার উদ্দেশ্যে আহ্বান জানান— ‘সব ভেদাভেদ ভুলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (দ.)-এর প্রেমের পতাকার নিচে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। “ঐক্যই আমাদের শক্তি, বিভক্তি আমাদের দুর্বলতা” উল্লেখ করে তিনি সুন্নী ঐক্যের পথে বাঁধা প্রদানকারীদের সতর্ক করেন।’
ওরশ মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মইনীয়া যুব ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা শাহজাদা সৈয়দ মেহবুব-এ-মইনুদ্দীন, সভাপতি শাহজাদা সৈয়দ মাশুক-এ-মইনুদ্দীন, আনজুমানের মহাসচিব খলিফা শাহ মো. আলগীর খান মাইজভাণ্ডারী ও হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্টের মহাসচিব অ্যাড. কাজী মহসীন চৌধুরী। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন বিএসপি’র ভাইস চেয়ারম্যান মুফতি খাজা বাকী বিল্লাহ আল আযহারী, মাওলানা রুহুল আমিন ভূইয়া চাঁদপুরী, অতিরিক্ত মহাসচিব মো. আসলাম হোসাইন, দপ্তর সম্পাদক মো. ইব্রাহিম মিয়া, আনজুমান চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক মো. আব্দুল কুদ্দুস, সদস্য সচিব কাজী মো. শহিদুল্লাহ, অধ্যক্ষ গোলাম মোহাম্মদ খান সিরাজী, মাওলানা শেখ সাদী আব্দুল্লাহ্ সাধকপুরী, অধ্যক্ষ মাওলানা বাকের আনসারী, মাওলানা মো. ইসমাইল সিরাজী, হাফেজ মাওলানা মো. মাকসুদুর রহমান, হাফেজ মাওলানা মো. নাজের হোসাইন, হাফেজ মাওলানা মো. কেরামত আলী, মাওলানা আব্দুস সাত্তার সিদ্দিকী, মাওলানা খাজা বাহাউদ্দীন প্রমুখ।