★১১. মদীনা মুনাওয়ারার কষ্টে ধৈর্য ধারণ করাও সেখানে মৃত্যু বরণ করা:
عَنْ أَبِى سَعِيدٍ مَوْلَى الْمَهْرِىِّ أَنَّه
ُ جَاءَ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِىَّ لَيَالِىَ الْحَرَّةِ فَاسْتَشَارَهُ فِى الْجَلاَءِ مِنَ الْمَدِينَةِ وَشَكَا
إِلَيْهِ أَسْعَارَهَا وَكَثْرَةَ عِيَالِهِ وَأَخْبَرَهُ أَنْ لاَ صَبْرَ لَهُ عَلَى جَهْدِ الْمَدِينَةِ وَلأْوَائِهَا. فَقَالَ لَهُ وَيْحَكَ لاَ آمُرُكَ بِذَلِكَ إِنِّى سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- يَقُولُ « لاَ يَصْبِرُ أَحَدٌ عَلَى لأْوَائِهَا فَيَمُوتَ إِلاَّ كُنْتُ لَهُ شَفِيعًا أَوْ شَهِيدًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِذَا كَانَ
مُسْلِمًا »
ঐতিহাসিক হাররার ঘটনার সময় আবু সাঈদ মাওলা আল মাহরী আবু সাঈদ খুদরীর (রাঃ) এর নিকট এসে মদীনা থেকে অন্যত্র চলে যাওয়ার জন্য পরামর্শ চাইলেন।তিনি অভিযোগ করলেন, মদীনার আসবাব-পত্র ও পণ্যের দাম বেশি
এবং তার সন্তান-সন্ততির সংখ্যাও প্রচুর।এও বললেন,মদীনার এই দু:খ ও কষ্টে ধৈর্য ধারণ করার ক্ষমতা তার নেই।আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) তাকে বললেন,আফসোস! তোমাকে এ পরামর্শ দিতে পারি না। কারণ,আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লামকে বলতে শুনেছি: “যে ব্যক্তি মদীনার দু:খ-কষ্টে ধৈর্য ধারণ করে এবং সেখানেই মৃত্যু বরণ করে কিয়ামতের দিন আঁমি তার জন্য শুপারিশকারী বা সাক্ষী হব যদি সে মুসলিম হয়।”
[সহীহ মুসলিম,অনুচ্ছেদ: মদীনায় বসবাস করা ও সেখানকার দু:খ কষ্টে ধৈর্য ধারণ করার ব্যাপারে উৎসাহ দান,হাদীস নং ৩৪০৫,শামেলা]
★১২. যে মদিনায় মারা যাবে নবীজী (ﷺ)-তার জন্য সুপারিশ করবেন :
মদিনাতে মৃত্যুবরণ করা সৌভাগ্যের মৃত্যু। হজরত ওমর (রা:) মদিনাতে ইন্তেকালের জন্য দু’আ করতেন। মদিনাতে মৃত্যুবরণকারীর জন্য নবীজী (ﷺ)-সুপারিশ করবেন। হজরত ইবনে ওমর (রা:) বলেন,প্রিয় নবী (ﷺ)-বলেছেন,যে মদিনায় মৃত্যুবরণ করতে সক্ষম সে যেন সেখানেই মৃত্যুবরণ করে।কেননা,যে মদিনায় মৃত্যুবরণ করবে আঁমি তার জন্য সুপারিশ করবো।
[তিরমিজি : ৩৯১৭, আহমদ,ইবনে হিব্বান ৩১৪১]
★১৩. হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে।
খাত্তাব পরিবারের এক ব্যক্তি হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন,তিনি বলেছেন,যে স্বেচ্ছায় আঁমার জিয়ারতের উদ্দেশ্যে আগমন করে আঁমার জিয়ারত করবে,পরকাল দিবসে সে আঁমার পাশে থাকবে।আর যে মদীনা শরীফ বাস করবে এবং উহার বালা মসিবত ও কষ্টে ধৈর্য্য অবলম্বন করবে কিয়ামতের দিন আঁমি তার জন্য সাক্ষী ও সুপারিশকারী হব।আর যে দুই হেরেম শরীফের কোন একটিতে মৃত্যুবরণ করবে পরকাল দিবসে তাকে আল্লাহ্ তায়ালার নিরাপত্তা প্রাপ্তদের অন্তর্ভূক্ত করে উঠাবেন। [মেশকাত শরীফ]
নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর রওজা মোবারক জিয়ারতে অশেষ বরকত ও সওয়াবের কাজ। ইহা মোস্তাহাব কাজগুলির মধ্যে সর্বোত্তম মোস্তাহাব বরং ওয়াজিবের নিকটবর্তী। এজন্য সফর করাও মোস্তাহাব । হানাফী, মালেকী,শাফেয়ী,হাম্বলী মাযহাবের সকলেই এ ব্যাপারে একমত পোষণ করেন। আল্লামা সুবুকী রহমতুল্লাহি আলাইহি এ ব্যাপারে কওলী ও ফেলী মতামত একত্রে নকল করেছেন।
[মাআরেফে মাদানিয়া]
হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর রওজা শরীফ জিয়ারত করা জায়েজ বরং মোস্তাহাব।কোন কোন রেওয়ায়েতে ওয়াজিবের নিকটবর্তী বলে উল্লেখ আছে। অধিকাংশ বর্ণনায় একে সহিহ্ বলা হয়েছে।এ রেওয়ায়েত অনুযায়ী মোল্লা আলী ক্বারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর মানাসেক, সামহুদী তাঁর ওফাউল ওফা কিতাবে আর খোলাসাতুল ওফা কিতাবে মশহুর রেওয়ায়েতে বর্ণিত আছে যে, হযরত ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রতি বৎসর দুই জন ব্যক্তিকে হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর রওজা শরীফে সালাম পৌঁছানোর জন্য প্রেরণ করতেন।
[ফতওয়ায়ে দারুল উলুম-কিতাবুল হজ্ব]
নবীজির রওজা মোবারক জিয়ারতের ফজিলত
নবীজির রওজা মোবারক জিয়ারতের ফজিলত
★১১. মদীনা মুনাওয়ারার কষ্টে ধৈর্য ধারণ করাও সেখানে মৃত্যু বরণ করা:عَنْ أَبِى سَعِيدٍ مَوْلَى الْمَهْرِىِّ أَنَّهُ جَاءَ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِىَّ لَيَالِىَ الْحَرَّةِ فَاسْتَشَارَهُ فِى الْجَلاَءِ مِنَ الْمَدِينَةِ وَشَكَاإِلَيْهِ أَسْعَارَهَا وَكَثْرَةَ عِيَالِهِ وَأَخْبَرَهُ أَنْ لاَ صَبْرَ لَهُ عَلَى جَهْدِ الْمَدِينَةِ وَلأْوَائِهَا. فَقَالَ لَهُ وَيْحَكَ لاَ آمُرُكَ بِذَلِكَ إِنِّى سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- يَقُولُ « لاَ يَصْبِرُ أَحَدٌ عَلَى لأْوَائِهَا فَيَمُوتَ إِلاَّ كُنْتُ لَهُ شَفِيعًا أَوْ شَهِيدًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِذَا كَانَمُسْلِمًا »ঐতিহাসিক হাররার ঘটনার সময় আবু সাঈদ মাওলা আল মাহরী আবু সাঈদ খুদরীর (রাঃ) এর নিকট এসে মদীনা থেকে অন্যত্র চলে যাওয়ার জন্য পরামর্শ চাইলেন।তিনি অভিযোগ করলেন, মদীনার আসবাব-পত্র ও পণ্যের দাম বেশিএবং তার সন্তান-সন্ততির সংখ্যাও প্রচুর।এও বললেন,মদীনার এই দু:খ ও কষ্টে ধৈর্য ধারণ করার ক্ষমতা তার নেই।আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) তাকে বললেন,আফসোস! তোমাকে এ পরামর্শ দিতে পারি না। কারণ,আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “যে ব্যক্তি মদীনার দু:খ-কষ্টে ধৈর্য ধারণ করে এবং সেখানেই মৃত্যু বরণ
করে কিয়ামতের দিন আঁমি তার জন্য শুপারিশকারী বা সাক্ষী হব যদি সে মুসলিম হয়।”[সহীহ মুসলিম,অনুচ্ছেদ: মদীনায় বসবাস করা ও সেখানকার দু:খ কষ্টে ধৈর্য ধারণ করার ব্যাপারে উৎসাহ দান,হাদীস নং ৩৪০৫,শামেলা]★১২. যে মদিনায় মারা যাবে নবীজী (ﷺ)-তার জন্য সুপারিশ করবেন :মদিনাতে মৃত্যুবরণ করা সৌভাগ্যের মৃত্যু। হজরত ওমর (রা:) মদিনাতে ইন্তেকালের জন্য দু’আ করতেন। মদিনাতে মৃত্যুবরণকারীর জন্য নবীজী (ﷺ)-সুপারিশ করবেন। হজরত ইবনে ওমর (রা:) বলেন,প্রিয় নবী (ﷺ)-বলেছেন,যে মদিনায় মৃত্যুবরণ করতে সক্ষম সে যেন সেখানেই মৃত্যুবরণ করে।কেননা,যে মদিনায় মৃত্যুবরণ করবে আঁমি তার জন্য সুপারিশ করবো।[তিরমিজি : ৩৯১৭, আহমদ,ইবনে হিব্বান ৩১৪১]★১৩. হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে।খাত্তাব পরিবারের এক ব্যক্তি হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন,তিনি বলেছেন,যে স্বেচ্ছায় আঁমার জিয়ারতের উদ্দেশ্যে আগমন করে আঁমার জিয়ারত করবে,পরকাল দিবসে সে আঁমার পাশে থাকবে।আর যে মদীনা শরীফ বাস করবে এবং উহার বালা মসিবত ও কষ্টে ধৈর্য্য অবলম্বন করবে কিয়ামতের দিন আঁমি তার জন্য সাক্ষী ও সুপারিশকারী হব।আর যে দুই হেরেম শরীফের কোন একটিতে মৃত্যুবরণ
করবে পরকাল দিবসে তাকে আল্লাহ্ তায়ালার নিরাপত্তা প্রাপ্তদের অন্তর্ভূক্ত করে উঠাবেন। [মেশকাত শরীফ]নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর রওজা মোবারক জিয়ারতে অশেষ বরকত ও সওয়াবের কাজ। ইহা মোস্তাহাব কাজগুলির মধ্যে সর্বোত্তম মোস্তাহাব বরং ওয়াজিবের নিকটবর্তী। এজন্য সফর করাও মোস্তাহাব । হানাফী, মালেকী,শাফেয়ী,হাম্বলী মাযহাবের সকলেই এ ব্যাপারে একমত পোষণ করেন। আল্লামা সুবুকী রহমতুল্লাহি আলাইহি এ ব্যাপারে কওলী ও ফেলী মতামত একত্রে নকল করেছেন।[মাআরেফে মাদানিয়া]হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর রওজা শরীফ জিয়ারত করা জায়েজ বরং মোস্তাহাব।কোন কোন রেওয়ায়েতে ওয়াজিবের নিকটবর্তী বলে উল্লেখ আছে। অধিকাংশ বর্ণনায় একে সহিহ্ বলা হয়েছে।এ রেওয়ায়েত অনুযায়ী মোল্লা আলী ক্বারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর মানাসেক, সামহুদী তাঁর ওফাউল ওফা কিতাবে আর খোলাসাতুল ওফা কিতাবে মশহুর রেওয়ায়েতে বর্ণিত আছে যে, হযরত ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রতি বৎসর দুই জন ব্যক্তিকে হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর রওজা শরীফে সালাম পৌঁছানোর জন্য প্রেরণ করতেন।[ফতওয়ায়ে দারুল উলুম-কিতাবুল হজ্ব]
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত