"সম্মান আল্লাহর জন্য, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর জন্য এবং মু'মিনদের জন্য। কিন্তু মুনাফিকরা তা বুঝতে পারে না।"
- সূরা মুনাফিকুন, আয়াতঃ ৮।
"নিশ্চয়ই তোমাদের (সাহায্যকারী) বন্ধু তো আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসুল ﷺ এবং (সাথে) ঈমানদারগণ যারা নামায কায়েম করেন ও যাকাত দেন এবং যারা (আল্লাহ্ সমীপে বিনয়ের সাথে) ঝুঁকে পড়েন।"
-(সুরা আল মায়েদা আয়াত নং ৫৫)
"আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্, তাঁর রাসুল ﷺ এবং ঈমানদানগণকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করবে, তবে (তারাই আল্লাহ্র পক্ষ এবং) আল্লাহ্ পক্ষই বিজয়ী হবে।"
-(সুরা আল মায়েদা আয়াত নং ৫৬)
ওলি আওলিয়া প্রসঙ্গে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত পবিত্র কুর'আনুল কারীমায় এরশাদ করেন-
"সাবধান! নিশ্চয় আল্লাহর অলীগণের কোন ভয় নেই এবং তারা কোন বিষয় এ চিন্তিতও নহেন। তাঁদের জন্য আছে সুসংবাদ দুনিয়া ও আখেরাতে, আল্লাহর কথার কোন পরিবর্তন বা হের-ফের হয় না, উহাই মহা সাফল্য।" [সুরা ১০ ইউনুস: ৬২-৬৪]।
এখানে মনে রাখতে হবে, একজন অলী আল্লাহ প্রদত্ত ক্ষমতায় বলীয়ান, তাঁরা সর্বদা আল্লাহর হুকুমের তাবেদার! একজন অলীর চেয়ে একজন আওলাদে রাসুল দ.'র মর্যাদা অধিক! তাহলে ভাবুন, একজন আওলাদে রাসুল (দঃ)যদি অলী হন, তাঁর মর্যাদা কতখানি!
এরা কারা- যাদের শয়তান পথভ্রষ্ট করতে অক্ষম!
আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের সাথে শয়তানের কথোপকথন!
قَالَ رَبِّ بِمَاۤ اَغۡوَیۡتَنِیۡ لَاُزَیِّنَنَّ لَهُمۡ فِی الۡاَرۡضِ وَ لَاُغۡوِیَنَّهُمۡ اَجۡمَعِیۡنَ
সে (শয়তান) বললঃ হে আমার রব, আপনি যেমন আমাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, আমিও তাদের সবাইকে (বান্দাদের) পৃথিবীতে নানা সৌন্দর্যে আকৃষ্ট করবো এবং তাদের সবাইকে পথভ্রষ্ঠ করে দেবো।
اِلَّا عِبَادَکَ مِنۡهُمُ الۡمُخۡلَصِیۡنَ
তবে তাদের মধ্য হতে আপনার মনোনীত বান্দাগণ (আল্লাহর ওলীগণ) ব্যতীত।
(সূরাঃ ১৫/ আল-হিজর | Al-Hijr | سورة الحجر আয়াতঃ ৩৯-৪০)
"নিশ্চয় যারা আমার আয়াতসমূহকে অবিশ্বাস করে তাদেরকে আমি অচিরেই আগুনে প্রবিষ্ট করব।[১]
যখনই তাদের চর্ম দগ্ধ হবে, তখনই ওর স্থলে নূতন চর্ম সৃষ্টি করব, যাতে তারা শাস্তি ভোগ করতে থাকে।[২]
নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।"
-সুরা নিসা আয়াত নং ৫৬
নিশ্চয় আল্লাহর অলীগণের কোন ভয় নেই
নিশ্চয় আল্লাহর অলীগণের কোন ভয় নেই
"সম্মান আল্লাহর জন্য, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর জন্য এবং মু'মিনদের জন্য। কিন্তু মুনাফিকরা তা বুঝতে পারে না।"- সূরা মুনাফিকুন, আয়াতঃ ৮।"নিশ্চয়ই তোমাদের (সাহায্যকারী) বন্ধু তো আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসুল ﷺ এবং (সাথে) ঈমানদারগণ যারা নামায কায়েম করেন ও যাকাত দেন এবং যারা (আল্লাহ্ সমীপে বিনয়ের সাথে) ঝুঁকে পড়েন।"-(সুরা আল মায়েদা আয়াত নং ৫৫)"আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্, তাঁর রাসুল ﷺ এবং ঈমানদানগণকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করবে, তবে (তারাই আল্লাহ্র পক্ষ এবং) আল্লাহ্ পক্ষই বিজয়ী হবে।"-(সুরা আল মায়েদা আয়াত নং ৫৬)ওলি আওলিয়া প্রসঙ্গে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত পবিত্র কুর'আনুল কারীমায়
এরশাদ করেন- "সাবধান! নিশ্চয় আল্লাহর অলীগণের কোন ভয় নেই এবং তারা কোন বিষয় এ চিন্তিতও নহেন। তাঁদের জন্য আছে সুসংবাদ দুনিয়া ও আখেরাতে, আল্লাহর কথার কোন পরিবর্তন বা হের-ফের হয় না, উহাই মহা সাফল্য।" [সুরা ১০ ইউনুস: ৬২-৬৪]।এখানে মনে রাখতে হবে, একজন অলী আল্লাহ প্রদত্ত ক্ষমতায় বলীয়ান, তাঁরা সর্বদা আল্লাহর হুকুমের তাবেদার! একজন অলীর চেয়ে একজন আওলাদে রাসুল দ.'র মর্যাদা অধিক! তাহলে ভাবুন, একজন আওলাদে রাসুল (দঃ)যদি অলী হন, তাঁর মর্যাদা কতখানি!এরা কারা- যাদের শয়তান পথভ্রষ্ট করতে অক্ষম!আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের সাথে শয়তানের কথোপকথন! قَالَ رَبِّ بِمَاۤ اَغۡوَیۡتَنِیۡ لَاُزَیِّنَنَّ لَهُمۡ فِی
الۡاَرۡضِ وَ لَاُغۡوِیَنَّهُمۡ اَجۡمَعِیۡنَসে (শয়তান) বললঃ হে আমার রব, আপনি যেমন আমাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, আমিও তাদের সবাইকে (বান্দাদের) পৃথিবীতে নানা সৌন্দর্যে আকৃষ্ট করবো এবং তাদের সবাইকে পথভ্রষ্ঠ করে দেবো।اِلَّا عِبَادَکَ مِنۡهُمُ الۡمُخۡلَصِیۡنَতবে তাদের মধ্য হতে আপনার মনোনীত বান্দাগণ (আল্লাহর ওলীগণ) ব্যতীত। (সূরাঃ ১৫/ আল-হিজর | Al-Hijr | سورة الحجر আয়াতঃ ৩৯-৪০)"নিশ্চয় যারা আমার আয়াতসমূহকে অবিশ্বাস করে তাদেরকে আমি অচিরেই আগুনে প্রবিষ্ট করব।[১] যখনই তাদের চর্ম দগ্ধ হবে, তখনই ওর স্থলে নূতন চর্ম সৃষ্টি করব, যাতে তারা শাস্তি ভোগ করতে থাকে।[২] নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।"-সুরা নিসা আয়াত নং ৫৬
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত