স্টার্টআপ
বাংলাদেশ লিমিটেডের অধীনে ২ হাজার কোটি টাকার ফান্ড তৈরির কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
রাজধানীর এক পাঁচ
তারকা হোটেলে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের
(বেসিস) ২০২৪-২৬ মেয়াদের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে এ
তথ্য জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন,
স্টার্টআপদের আরও উৎসাহিত করতে ফান্ড তৈরি করা হচ্ছে। এরইমধ্যে ১০০ কোটি টাকা এ
খাতে বিনিয়োগ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আরও ৫০০ কোটি টাকা আবেদন করা হয়েছে।
ভবিষ্যতে এ খাতে স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের অধীনে ২ হাজার কোটি টাকার ফান্ড
থাকবে এবং এ বিষয়ে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
এ সময় প্রযুক্তিখাতে
বেসিসের দাবি করা কর অব্যহতির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এক সময় এই প্রযুক্তিখাতের
রফতানি আয় ছিল ২৬ মিলিয়ন ডলার। সেই রফতানি আয় এখন ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। তবে
তাৎক্ষণিকভাবে এই কর অব্যাহতি উঠিয়ে নেওয়া হলে, এই খাত সংকটের মধ্যে পড়বে। আরও ৫ বছর
কর অব্যাহতি থাকলে এই খাত থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশের
সফটওয়্যার খাত এখন বিশ্বমঞ্চে মাত্র নিজেদেরকে মেলে ধরছে। এক্ষেত্রে কর অব্যাহতি
উঠিয়ে নিলে সম্ভাবনাময় এ খাত সংকটের মুখে পড়বে। তাই অন্তত আরও ৫ বছর এই খাতে কর
অব্যাহতি থাকা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে
প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান জানান,
চলতি অর্থবছরেও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ওপর করারোপ করা হচ্ছে না। তবে এবারের বাজেট
ঘোষণায়, কোন অর্থবছর থেকে এ খাতে কর বসবে তা স্পষ্টভাবে ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত
ছিলেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি
ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম, বেসিসের সভাপতি রাসেল টি আহমেদ,
বেসিসের সদস্যরাসহ এ খাত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
প্রতিবছরই হবে বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট
প্রতিবছরই হবে বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট
স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের অধীনে ২ হাজার কোটি টাকার ফান্ড তৈরির কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।রাজধানীর এক পাঁচ তারকা হোটেলে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) ২০২৪-২৬ মেয়াদের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান তিনি।প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্টার্টআপদের আরও উৎসাহিত করতে ফান্ড তৈরি করা হচ্ছে। এরইমধ্যে ১০০ কোটি টাকা এ খাতে বিনিয়োগ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আরও ৫০০ কোটি টাকা আবেদন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ খাতে স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের অধীনে ২ হাজার কোটি টাকার ফান্ড
থাকবে এবং এ বিষয়ে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।এ সময় প্রযুক্তিখাতে বেসিসের দাবি করা কর অব্যহতির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এক সময় এই প্রযুক্তিখাতের রফতানি আয় ছিল ২৬ মিলিয়ন ডলার। সেই রফতানি আয় এখন ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এই কর অব্যাহতি উঠিয়ে নেওয়া হলে, এই খাত সংকটের মধ্যে পড়বে। আরও ৫ বছর কর অব্যাহতি থাকলে এই খাত থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব বলে দাবি করেন তিনি।তিনি বলেন, দেশের সফটওয়্যার খাত এখন বিশ্বমঞ্চে মাত্র নিজেদেরকে মেলে ধরছে। এক্ষেত্রে কর অব্যাহতি উঠিয়ে নিলে সম্ভাবনাময় এ খাত
সংকটের মুখে পড়বে। তাই অন্তত আরও ৫ বছর এই খাতে কর অব্যাহতি থাকা প্রয়োজন।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান জানান, চলতি অর্থবছরেও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ওপর করারোপ করা হচ্ছে না। তবে এবারের বাজেট ঘোষণায়, কোন অর্থবছর থেকে এ খাতে কর বসবে তা স্পষ্টভাবে ঘোষণা দেওয়া হতে পারে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম, বেসিসের সভাপতি রাসেল টি আহমেদ, বেসিসের সদস্যরাসহ এ খাত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত