শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
সুফিবাদ রসূল অচেতন থাকা অবস্থায় আবু বকর ইমামতি করেছিলেন

রসূল অচেতন থাকা অবস্থায় আবু বকর ইমামতি করেছিলেন

আবু বকরকে বাদ দিয়ে রসূল নামাজে ইমামতি করেন
রসূল অচেতন থাকা অবস্থায় আবু বকর ইমামতি করেছিলেন

রসূলের (সা.) অন্তিম সময়ে নামাজে আবু বকরের ইমামতি একটি চরম বিতর্কিত বিষয়। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত বিশ্বাস করে যে, অন্তিম সময়ে রসূল (সা.) হযরত আবু বকরকে নামাজে ইমামতি করার অনুমতি দিয়েছিলেন এবং নামাজে ইমামতি করার অনুমতি ছিল রসূলের ইন্তেকালের পর খিলাফত গ্রহণে আবু বকরের প্রতি রসূলের সম্মতি। 

 সহীহ মুসলিম ৪১৮ (ক), বুখারী শরীফে উল্লেখিত ৬৭৮ নম্বর হাদিস, মুসনাদ আহমদে উল্লেখিত ৩৩৫৫ নম্বর হাদিস, বুখারী শরীফে বর্ণিত ৭১২ নম্বর হাদিস, বুখারী শরীফে বর্ণিত ৭১৩ নম্বর হাদিস (ইংরেজি ভার্সন) এবং বুখারী শরীফে উল্লেখিত ৬৬৪ নম্বর হাদিস পাঠ করলে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়। রসূল (সা.) আবু বকরকে নামাজে ইমামতি করার অনুমতি দিয়েও শেষ পর্যন্ত দুজনের কাঁধে ভর দিয়ে পা হেঁচড়িয়ে হেঁচড়িয়ে মসজিদে প্রবেশ করেন এবং নিজেই নামাজে ইমামতি করেন। রসূল দুজনের কাঁধে ভর দিয়ে মসজিদে নববীতে নামাজে ইমামতি করতে যান। তাদের একজন ছিলেন রসূলের চাচা আব্বাস এবং আরেকজন ছিলেন হযরত 

আলী। হযরত আয়েশা উবায়দুল্লাহ ইবনুল আবদুল্লাহর কাছে রসূলের অসুস্থতা সম্পর্কে বর্ণনা দেন। কিন্তু হযরত আয়েশা তার বর্ণনায় হযরত আলীর নাম প্রকাশ করেননি। 

 আবু বকর নামাজে একামত দেন। আসলে রসূূল ডেকেছিলেন হযরত আলীকে। হযরত আলীকে ডেকে না আনায় রসূলের সন্দেহ হয়। রসূল বুঝতে পেরেছিলেন যে, তার কাছ থেকে নামাজে ইমামতি করার অনুমতি আদায় করে একটি পক্ষ খিলাফত দখল করতে চায়। তখনি রসূল তার স্ত্রীদের হযরত ইউসূফের স্ত্রীদের সঙ্গে তুলনা করেন এবং আবু বকরকে বাদ দিয়ে অসুস্থ শরীর নিয়ে বাদবাকি নামাজে ইমামতি করেন। রসূল (সা.) যদি স্বয়ং আবু বকরকে ইমামতির দায়িত্ব প্রদান করে থাকেন তাহলে রসূল কেন নামাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই আবু বকরকে নামাজের ইমামতি থেকে সরিয়ে নিজে ইমামতি করবেন? রসূল (সা.) সুস্থ হয়ে নামাজে ইমামতি করতে এলে কোনো কিছু ছিল না। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় অন্যের কাঁধে ভর দিয়ে পা টেনে টেনে রসূল আবু বকরের জায়গায় ইমামতি করেন। এখানে কি আবু বকরের প্রতি রসূলের অনাস্থা ধরা পড়ে না? আবু বকরের প্রতি পরিপূর্ণ আস্থা থাকলে রসূল নামাজে ইমামতি করার হাল ধরতে আসতেন না। রসূল (সা.) অচেতন থাকা অবস্থায় আবু বকর নামাজে ইমামতি করেছিলেন।   

মৃত্যুর আগে রসূল (সা.) গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। তিনি বিছানা ছেড়ে উঠতে পারছিলেন না। তবুও রসূলকে বহন করে নামাজে ইমামতি করানো হয়। গুরুতর অসুস্থতার সময় রসূল আবু বকরকে নামাজে ইমামতি করার নির্দেশ দেয়ার জন্য একজন দূতকে পাঠানো হয়। হযরত আয়েশা (রা.) দাবি করেন যে, রসূল নিজেই দূত পাঠিয়েছিলেন। তবে রসূলের পরিবর্তে  নামাজে ইমামতি করলেই কেউ খিলাফত গ্রহণের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হতে পারেন না।   তাবুক অভিযানের সময় রসূল (সা.) আবদুর রহমান ইবনে আউফের (রা.) ইমামতিতে নামাজ আদায় করেছিলেন। রসূলের পরিবর্তে নামাজে ইমামতি করা যদি খিলাফত গ্রহণের পূর্বশর্ত হয় তাহলে আবু বকরের আগে আবদুর রহমান ইবনে আউফের খলিফা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আবদুর রহমান ইবনে আউফ খলিফা হননি। তার পক্ষে কেউ কথা বলে না। কথা বলে কেবল আবু বকরের পক্ষে।

 চলুন এবার আমরা সহীহ মুসলিম ৪১৮(ক)-তে বর্ণিত হাদিসের প্রতি আলোকপাত করি। এ হাদিসে বলা হয়: ‘উবায়দুল্লাহ ইবনুল আবদুল্লাহ (রা.) বর্ণনা করেছেন: ‘আমি আয়েশার (রা.) কাছে গেলাম এবং তাকে আল্লাহর রসূলের (সা.) অসুস্থতা সম্পর্কে বলতে বললাম। তিনি রাজি হলেন এবং বললেন: রসূল (সা.) গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, লোকেরা নামাজ পড়েছে কিনা। আমরা বললাম: না, তারা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে হে আল্লাহর রসূল। তিনি (নবী) বললেন: আমার জন্য চৌবা”চায় কিছু পানি রাখো। আমরা তাই করলাম এবং তিনি (নবী) গোসল করলেন এবং যখন তিনি কষ্টে নড়াচড়া করতে যা ছিলেন, তখন তিনি মূর্ছা গেলেন। জ্ঞান ফেরার পর তিনি আবার বললেন: লোকেরা কি নামাজ পড়েছে? আমরা বললাম: না, তারা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে, হে আল্লাহর রসূল। তিনি (নবীজি) আবার বললেন: আমার জন্য চৌবা”চায় কিছু পানি দাও। আমরা সেই অনুযায়ী কাজ করলাম এবং তিনি একটি থলে নিলেন, কিন্তু যখন তিনি কষ্টে নড়াচড়া করতে যাছিলেন, তখন জ্ঞান হারান। জ্ঞান ফেরার পর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, লোকেরা কি নামাজ পড়েছে? আমরা বললাম: না, তারা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে হে আল্লাহর রসূল। তিনি বললেন: আমার জন্য চৌবা”চায় কিছু পানি দাও। আমরা সেই অনুযায়ী কাজ করলাম এবং তিনি গোসল করলেন এবং যখন তিনি কষ্টে নড়তে যা”িছলেন, তখন জ্ঞান হারালেন। জ্ঞান ফেরার পর তিনি বললেন: লোকেরা কি নামাজ পড়েছে? আমরা বললাম: না, তারা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে হে আল্লাহর রসূল। তিনি (আয়েশা) বললেন: লোকেরা মসজিদে অবস্থান করছিল এবং এশার নামাজে আল্লাহর রসূলের ইমামতি করার জন্য অপেক্ষা করছিল। তিনি (আয়েশা) বললেন: আল্লাহর রসূল আবু বকরকে লোকদের নামাজে ইমামতি করার জন্য (নির্দেশ) পাঠিয়েছিলেন। যখন রসূল এলেন তিনি (আয়েশা) তাকে (আবু বকরকে) বললেন: আল্লাহর রসূল আপনাকে লোকদের নামাজে ইমামতি করার আদেশ দিয়েছেন। অত্যন্ত কোমল হৃদয়ের মানুষ আবু বকর উমরকে নামাজে ইমামতি করতে বললেন। উমর বললেন: তার জন্য আপনিই অধিক যোগ্য। আবু বকর সেই দিনগুলোতে নামাজে ইমামতি করতেন। তারপর আল্লাহর রসূল কিছুটা স্বস্তিবোধ করেন এবং দুজন লোকের সাহায্যে জোহরের নামাজে বের হলেন, যাদের মধ্যে একজন ছিলেন আল-আব্বাস। আবু বকর লোকদের নামাজে ইমামতি করছিলেন।

 যখন আবু বকর তাকে দেখলেন, তিনি সরে যেতে শুরু করলেন, কিন্তু আল্লাহর রসূল তাকে সরে যেতে বারণ করলেন। তিনি তার দুই সঙ্গীকে বললেন তাকে (আবু বকরকে) তার পাশে বসিয়ে দিতে। তারা তাকে আবু বকরের পাশে বসিয়ে দিলেন। আবু বকর (রা.) দাঁড়িয়ে নামাজ পড়েন। অন্যদিকে, রসূল (সা.) নামাজে ইমামতি করেন এবং এবং লোকেরা আবু বকরের মতো দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করে। রসূল (সা.) বসে নামাজ আদায় করেন। উবায়দুল্লাহ (রা.) বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনুল আব্বাসের কাছে গেলাম এবং বললাম: রসূলের (সা.) অসুস্থতা সম্পর্কে আয়েশা (রা.) যা বলেছেন, তা কি আমি আপনার কাছে পেশ করব? তিনি বললেন: করুন। আমি তার কাছে আয়েশা (রা.) বর্ণিত বিবরণ পেশ করলাম। তিনি তার কোনোটিতেই আপত্তি করেননি, শুধু জিজ্ঞেস করলেন, আয়েশা (রা.) তাকে সেই ব্যক্তির নাম বলেছিলেন কিনা যিনি আল-আব্বাসের সঙ্গী ছিলেন। আমি বললাম: না। তিনি বললেন: তিনি ছিলেন আলী (রা.)।’  

> حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ أَبِي عَائِشَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ دَخَلْتُ عَلَى عَائِشَةَ فَقُلْتُ لَهَا أَلاَ تُحَدِّثِينِي عَنْ مَرَضِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ بَلَى ثَقُلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ أَصَلَّى النَّاسُ ‏"‏ ‏.‏ قُلْنَا لاَ وَهُمْ يَنْتَظِرُونَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ ضَعُوا لِي مَاءً فِي الْمِخْضَبِ ‏"‏ ‏.‏ فَفَعَلْنَا فَاغْتَسَلَ ثُمَّ ذَهَبَ لِيَنُوءَ فَأُغْمِيَ عَلَيْهِ ثُمَّ أَفَاقَ فَقَالَ ‏"‏ أَصَلَّى النَّاسُ ‏"‏ ‏.‏ قُلْنَا لاَ وَهُمْ يَنْتَظِرُونَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ ضَعُوا لِي مَاءً فِي الْمِخْضَبِ ‏"‏ ‏.‏ فَفَعَلْنَا فَاغْتَسَلَ ثُمَّ ذَهَبَ لِيَنُوءَ فَأُغْمِيَ عَلَيْهِ ثُمَّ أَفَاقَ فَقَالَ ‏"‏ أَصَلَّى النَّاسُ ‏"‏ ‏.‏ قُلْنَا لاَ وَهُمْ يَنْتَظِرُونَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ ضَعُوا لِي مَاءً فِي الْمِخْضَبِ ‏"‏ ‏.‏ فَفَعَلْنَا فَاغْتَسَلَ ثُمَّ ذَهَبَ لِيَنُوءَ فَأُغْمِيَ عَلَيْهِ ثُمَّ أَفَاقَ فَقَالَ ‏"‏ أَصَلَّى النَّاسُ ‏"‏ ‏.‏ فَقُلْنَا لاَ وَهُمْ يَنْتَظِرُونَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ قَالَتْ وَالنَّاسُ عُكُوفٌ فِي الْمَسْجِدِ يَنْتَظِرُونَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِصَلاَةِ الْعِشَاءِ الآخِرَةِ - قَالَتْ - فَأَرْسَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى أَبِي بَكْرٍ أَنْ يُصَلِّيَ بِالنَّاسِ فَأَتَاهُ الرَّسُولُ فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُكَ أَنْ تُصَلِّيَ بِالنَّاسِ ‏.‏ فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ وَكَانَ رَجُلاً رَقِيقًا يَا عُمَرُ صَلِّ بِالنَّاسِ ‏.‏ قَالَ فَقَالَ عُمَرُ أَنْتَ أَحَقُّ بِذَلِكَ ‏.‏ قَالَتْ فَصَلَّى بِهِمْ أَبُو بَكْرٍ تِلْكَ الأَيَّامَ ثُمَّ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَجَدَ مِنْ نَفْسِهِ خِفَّةً فَخَرَجَ بَيْنَ رَجُلَيْنِ أَحَدُهُمَا الْعَبَّاسُ لِصَلاَةِ الظُّهْرِ وَأَبُو بَكْرٍ يُصَلِّي بِالنَّاسِ فَلَمَّا رَآهُ أَبُو بَكْرٍ ذَهَبَ لِيَتَأَخَّرَ فَأَوْمَأَ إِلَيْهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ لاَ يَتَأَخَّرَ وَقَالَ لَهُمَا ‏"‏ أَجْلِسَانِي إِلَى جَنْبِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَأَجْلَسَاهُ إِلَى جَنْبِ أَبِي بَكْرٍ وَكَانَ أَبُو بَكْرٍ يُصَلِّي وَهُوَ قَائِمٌ بِصَلاَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالنَّاسُ يُصَلُّونَ بِصَلاَةِ أَبِي بَكْرٍ وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَاعِدٌ ‏.‏ قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ فَدَخَلْتُ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ فَقُلْتُ لَهُ أَلاَ أَعْرِضُ عَلَيْكَ مَا حَدَّثَتْنِي عَائِشَةُ عَنْ مَرَضِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ هَاتِ ‏.‏ فَعَرَضْتُ حَدِيثَهَا عَلَيْهِ فَمَا أَنْكَرَ مِنْهُ شِيْئًا غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ أَسَمَّتْ لَكَ الرَّجُلَ الَّذِي كَانَ مَعَ الْعَبَّاسِ قُلْتُ لاَ ‏.‏ قَالَ هُوَ عَلِيٌّ ‏.‏
 এই হাদিসের প্রকৃত বর্ণনাকারী হলেন আয়েশা (রা.), উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ বিন উতবা নন। হযরত আয়েশা (রা.) দাবি করেন যে, রসূল (সা.) আবু বকরকে (রা.) নামাজে ইমামতি করার নির্দেশ দেয়ার জন্য একজন দূত পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু তার বক্তব্য নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা যায়নি। তার অন্তর্নিহিত অর্থ এবং যেভাবে এই দাবিটি বর্তমানে আবু বকরের খিলাফত গ্রহণের বৈধতা দানে ব্যবহার হয় তা বিবেচনা করে তাকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে গ্রহণ করতে হবে বিশেষ করে যখন এত গুরুত্বপূর্ণ একটি দাবির একমাত্র বর্ণনাকারী হলেন সেই দাবির সুবিধাভোগী আবু বকরের কন্যা আয়েশা। রসূল (সা.) তার অন্তিম অসুস্থতার সময় জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর নামাজে ইমামতি করার জন্য দুজনের কাঁধে ভর দিয়ে মসজিদে হাজির হন। আবু বকর (রা.) নামাজে রসূলকে (সা.) অনুসরণ করেছিলেন। তিনি নামাজে ইমামতি করেননি। আবু বকর (রা.) কেবল তখনই নামাজে ইমামতি করেছিলেন যখন রসূল (সা.) অচেতন অবস্থায় ছিলেন। এমন একজন দূতের নির্দেশে যা স্বয়ং রসূলের  (সা.) পক্ষ  থেকে পাঠানো হয়েছিল কিনা তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। লোকেরা আবু বকরের পাশে নামাজ আদায় করেছিল অর্থাৎ দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেছিল। তারা নামাজে আবু বকরকে অনুসরণ করেনি, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য। লোকেরা নামাজে আবু বকরকে অনুসরণ করেছিল, এই দাবিটি আরবি পাঠের একটি বিকৃত ব্যাখ্যা। সহীহ বুখারীর ৭১৩ নম্বর হাদিসে তার সমর্থন পাওয়া যায়। ইবনে আব্বাস রসূলের ‘অসুস্থতা’ সংক্রান্ত বক্তব্যে আপত্তি করেননি। কিন্তু এটি আয়েশার এই দাবিকে সমর্থন করে না যে, রসূল আবু বকরের কাছে দূত পাঠিয়েছিলেন। 

খুঁজুন