শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
সুফিবাদ শাফায়াতে ওলি আওলিয়ায়ে কিরাম

শাফায়াতে ওলি আওলিয়ায়ে কিরাম

মোতালেব শাহ আল মাইজ ভান্ডারী :   
   
                                      
দলীল খন্ডন করার দুঃসাহস কারও নাই নিম্নে সেই দলীল দিলাম :

দলীল ১ :
 ﻭ ﺍﺫﺍ ﺭﺃﻭﺍ ﺍﻧﻬﻢ ﻗﺪ ﻧﺠﻮﺍ ﻓﻲ ﺍﺧﻮﺍﻧﻬﻢ ﻳﻘﻮﻟﻮﻥ ﺭﺑﻨﺎ ﺍﺧﻮﺍﻧﻨﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳﺼﻠﻮﻥ ﻣﻌﻨﺎ ﻭﻳﺼﻠﻮﻥ ﻣﻌﻨﺎ ﻭ ﻳﺼﻮﻣﻮﻥ ﻣﻌﻨﺎ ﻭ ﻳﻌﻤﻠﻮﻥ ﻣﻌﻨﺎ ﻓﻴﻘﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻲ ﺍﺫﻫﺒﻮﺍ ﻓﻤﻦ ﻭﺟﺪﺗﻢ ﻓﻲ ﻗﻠﺒﻪ ﻣﺜﻘﺎﻝ ﺩﻳﻨﺎﺭ ﻣﻦ ﺍﻳﻤﺎﻥ ﻓﺎﺣﺮﺣﻮﻩ ﻭ ﻳﺤﺮﻡ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻮﺭﻫﻢ ﻋﻠﻲ ﺍﻟﻨﺎﺭ ﻓﻴﺎﺗﻮﻧﻬﻢ ﻭﺑﻌﻀﻬﻢ ﻗﺪ ﻏﺎﺏ ﻓﻲ ﺍﻟﻨﺎﺭ ﺍﻟﻲ ﻗﺪﻣﻪ ﻭ ﺍﻟﻲ ﺍﻧﺼﺎﻑ ﺳﺎﻗﻪ ﻓﻴﺨﺮﺟﻮﻥ ﻣﻦ ﻋﺮﻓﻮﺍ 
যখন মু'মীন আল্লাহর অলীগণ দেখবে যে তারা মুক্তি পেয়ে গেল, তখন তাদের মু'মীন ভাইদের জন্য তারা আল্লাহর কাছে আবেদন করবে "হে আমার প্রতিপালক এরা আমাদের ভাই, যাদের কে আপনি জাহান্নামে নিক্ষেপ করেছেন তারা আমাদের সাথে নামাজ পড়ত , আমাদের সাথে রোজা রাখত এবং আমাদের সাথে সতকাজ করত। তখন আল্লাহ বলবেন "যাদের অন্তরে শুধুমাত্র এক দিনার ওজন পরিমাণ ঈমান পাবে তাদের কে জাহান্নাম থেকে বের করে নিয়ে আস। তাদের মুখ মন্ডল তথা আকৃতি কে জাহান্নামের জন্য হারাম করে দেওয়া হয়েছে। অতঃপর তারা অলীগণ সেখানে জাহান্নামীদের নিকট যাবেন। এসে দেখবেন কেউ কেউ পা পর্যন্ত কেউ পায়ের গোড়ালী পর্যন্ত আগুনে ডুবে আছে। এর মধ্যে যাদের তারা চিনবে তাদের কে জাহান্নাম থেকে বের করে নিয়ে আসবে। 
-(সহীহ বুখারী , খন্ড ২ পৃষ্ঠা ১১০৭। হাদীস নং ৭০০১) ______________________________
______ দলীল ২ :
ﻣﻨﺎﺷﺪﺓ ﻟﻠﻪ ﻓﻲ ﺍﺳﺘﻘﺼﺎﺀ ﺍﻟﺤﻖ ﻣﻦ ﺍﻟﻤﻮﻣﻨﻴﻦ ﻟﻠﻪ ﻳﻮﻡ
ﺍﻟﻘﻴﺎﻣﺔ ﻻﺧﻮﺍﻧﻬﻢ ﺍﻟﺬﻳﻦ ﻓﻲ ﺍﻟﻨﺎﺭ ﻳﻘﻮﻟﻮﻥ ﺭﺑﻨﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳﺼﻮﻣﻮﻥ ﻣﻌﻨﺎ ﻭ ﻳﺼﻠﻮﻥ ﻭ ﻳﺤﺠﻮﻥ ﻓﻴﻘﺎﻝ ﻟﻬﻢ ﺍﺣﺮﺟﻮﺍ ﻣﻦ ﻋﺮﻓﺘﻢ 
আল্লাহর প্রিয় বান্দাগণ যখন তাদের ঐ সমস্ত মু'মীন
ভাই যারা জাহান্নামে পড়ে থাকবে তাদের কে জাহান্নাম থেকে ছাড়িয়ে আনার জন্য আল্লাহর দরবারে এমন ভাবে আবদারের পর আবদার করতে থাকবে, যে রকম আবদার কোন ব্যক্তি তার নিজ হক আদায়ের জন্যও সাধারণত করে না। এবং তারা আল্লাহর দরবারে আবেদন করবেন হে আমাদের রব এ সমস্ত লোক আমাদের সাথে রোজা রাখত, নামাজ পড়ত, হজ্ব করত । তখন তাদের কে বলা হবে তোমরা যাদের কে চিন তাদের কে বের করে নিয়ে আস। 
-(সহীহ মুসলিম।খন্ড ১ পৃষ্ঠা ১০৩ হাদিস ১৮৩)
______________________________
___________ দলীল ৩ :
ﻋﻦ ﺍﻧﺲ ﺍﺑﻲ ﺳﻌﻴﺪ ﺭﺽ ﺍﻥ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻌﻢ ﻗﺎﻻﻥ ﻣﻦ ﺍﻣﺘﻲ ﻣﻦ ﻳﺸﻔﻊ ﻟﻠﻔﺌﺎﻡ ﻣﻦ ﺍﻟﻨﺎﺱ ﻭ ﻣﻨﻬﻢ ﻣﻦ ﻳﺸﻔﻊ ﻟﻠﻘﺒﻴﻠﺔ ﻭ ﻣﻨﻬﻢ ﻣﻦ ﻳﺸﻔﻊ ﻟﻠﻌﺼﺒﺔ ﻭ ﻣﻨﻬﻢ ﻣﻦ ﻳﺸﻔﻊ ﻟﻠﺮﺟﻞ ﺣﺘﻲ ﻳﺪﺧﻠﻮﺍ ﺍﻟﺠﻨﺔ 
হযরত আবূ সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত, 
রাসুল ﷺ এরশাদ করেছেন, নিশ্চয়ই আমার উম্মতের মধ্যে এমন কিছু লোক আছেন যারা তাদের সকল সমর্থক ও অনুসারীদের জন্য সুপারিশ করবে। আর কিছু লোক আছেন যারা একটি দলের জন্য সুপারিশ করবে। আর কিছু লোক আছে যারা এক এক জনের জন্য সুপারিশ করবে। এভাবে তারা সকলেই জান্নাতে প্রবেশ করবে। 
-(আল হাদিস, তিরমীযি খন্ড ২ পৃঃ ৬৭ , হাদিস ২৪৪০) ______________________________
__________ দলীল ৪ :
ﻋﻦ ﻋﻠﻲ ﺑﻦ ﺍﺑﻲ ﻃﺎﻟﺐ ﻗﺎﻝ ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻌﻢ ﻣﻦ ﻗﺮﺃ ﺍﻟﻘﺮﺍﻥ ﻭ ﺣﻔﻈﻪ ﺍﺩﺧﻠﻪ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺠﻨﺔ ﻭﺷﻔﻌﻪ ﻓﻲ ﻋﺸﺮﺓ ﻣﻦ ﺍﻫﻞ ﺑﻴﺘﻪ ﻛﻠﻬﻢ ﻗﺪ ﺍﺳﺘﻮﺟﺒﻮﺍ ﺍﻟﻨﺎﺭ 
হযরত আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিত , তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ ﷺ এরশাদ করেছেন যে ব্যক্তি কোরআন শরীফ পাঠ করল এবং মুখস্থ করল, আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তাকে তার বংশধর হতে এমন দশজন কে সুপারিশ করতে পারবে যাদের উপর জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে গিয়েছিল। 
-(আল হাদিসঃ তিরমীজি খন্ড ২ হাদিস ১১৪, ইবনে মাজাহ হাদিস ২১৬)
◆ শত্রু কে ভয় করিও না,
           শত্রুরা নিজ গুনে ধ্বংস হবে ◆ 
-গাউসুল আযম হযরত সৈয়দ আহমদ উল্লাহ আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভান্ডারি কাদ্দাছাল্লাহু ছিররুহুল আজিজ। 
মাইজভান্ডার দরবার শরীফ যুগ যুগ ধরে বিশ্বব্যাপী অসাম্প্রদায়িক চেতনার চর্চা করে।
সৃষ্টির কল‍্যাণের জন্য মাইজভান্ডার শরীফ।
.
আল্লাহর ওলী (বন্ধু) আওলিয়াগণের বিরোধিদের হুশিয়ারী দিয়ে হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ সাবধান করে দিয়েছেন।
==============================
‎‫محمد بن عثمان بن كرامة حدثنا خالد بن مخلد حدثنا سليمان بن بلال حدثني شريك بن عبد الله بن أبي نمر عن عطاء عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله قال من عادى وليا فقد أذنته بالحزب وما تقرب إلي عبدي بشتِ مِضْ مِضْ مَضْ إِحبَى عَلَيْهِ وَمَا يزال عبدي يتقرب إلي بالنوافل حتى أحبه فإذا أحببته كنت سمعة الذِي يَسْمَعُ بِهِ وَبَصَرَهُ الَّذِي ينصر بِهِ وَيَدَهُ الَّتَهُ الَّتَي الَّتَي وَلَهِي سألني لأغطينه ولئن استعاذني الأعيدته وما تردت عن شيء أنا فاعله تَرَدْدِي عَنْ نَفْسِ الْمُؤْمِنِ يَكْرَهُ الْمَوْتَ وأنا أكْرَهُ مَسَاءُ‬‎ 
হযরত আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-
সাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেনঃ আল্লাহ্ বলেন, যে ব্যক্তি আমার কোন ওলীর সঙ্গে দুশমনি রাখবে, আমি তার সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা করব।

আমি যা কিছু আমার বান্দার উপর ফরয করেছি, তা দ্বারা কেউ আমার নৈকট্য লাভ করবে না। আমার বান্দা সর্বদা নফল 'ইবাদাত দ্বারা আমার নৈকট্য লাভ করতে থাকবে। এমন কি অবশেষে আমি তাকে আমার এমন প্রিয় পাত্র বানিয়ে নেই যে, আমিই তার কান হয়ে যাই, যা দিয়ে সে শুনে। আমিই তার চোখ হয়ে যাই, যা দিয়ে সে দেখে। আর আমিই তার হাত হয়ে যাই, যা দিয়ে সে ধরে। আমিই তার পা হয়ে যাই, যা দ্বারা সে চলে। সে যদি আমার কাছে কিছু চায়, তবে আমি নিশ্চয়ই তাকে তা দান করি। আর যদি সে আমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে, তবে অবশ্যই আমি তাকে আশ্রয় দেই। আমি কোন কাজ করতে চাইলে তা করতে কোন দ্বিধা করি-না, যতটা দ্বিধা করি মু'মিন বান্দার প্রাণ নিতে। সে মৃত্যুকে অপছন্দ করে আর আমি তার বেঁচে থাকাকে অপছন্দ করি। [৩৬]
 
★ সহীহ বুখারী শরিফঃ হাদীস নং ০৬৫০২
★ মেশকাত শরীফ-১৯৭ পৃষ্ঠা
 (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৫২, 
ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৫৮)

খুঁজুন