মোতালিব শেখ আল মাইজভান্ডারী :
আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ ফরমান
... قُلْ لَّآ اَسْـَٔلُكُمْ عَلَيْهِ اَجْرًا اِلَّا الْمَوَدَّةَ فِى الْقُرْبٰىۗ ...
অর্থঃ"বলুন,হে রাসূল (দ.)! আমি কারো (উম্মতে মুহাম্মদীর) কাছে কোন প্রতিদান চাই না। শুধুমাত্র চাই আমার আহলে বাইত তথা আওলাদে রাসুলগণকে তারা (মওয়াদ্দাত) মুহাব্বত করবে (ভালোবাসবে)।"
-সূরাঃ শুরা,আয়াতঃ ২৩)
এই আয়াতকে বলা হয়-আয়াতে মওয়াদ্দাত বা প্রাণাধিক ভালোবাসার নিদর্শন। এই আয়াত দ্বারা আল্লাহ পাক আহলে বাইতের প্রতি মুহাব্বত প্রদর্শন করা উম্মতে মুহাম্মদী বা আমাদের জন্য ফরজ করে দিয়েছেন।
রইসুল মুফাসসিরীন হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (র.) থেকে বর্ণিত-তিনি বলেন; উক্ত আয়াতে পাক যখন নাজিল হয়,তখন সাহাবায়ে কেরাম হুজুর পাক (দ.) কে জিজ্ঞেস করলেন-"হে আল্লাহর রাসূল (দ.)! আপনার কোন নিকট আত্মীয়,যাঁদের সম্পর্কে এ আয়াত নাজিল হলো?
প্রত্যুত্তরে নবী করিম (দ.) বলেন-
হযরত আলী,হযরত ফাতিমা, ইমাম হাসান ও
ইমাম হুসাইন (আঃ) ।
(তাফসির এ জালালাইন-২য় খণ্ড/৩২নং পৃষ্ঠা,
তাফসির এ ইবনে আরাবী-২য় খণ্ড।
আল্লাহর প্রিয়তম হাবীব হুযুর ﷺএরশাদ করেন যে,
আল্লাহর কসম ! কোন ব্যক্তির অন্তরে ঈমান প্রবেশ করতে পারে না,যতক্ষণ সে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এবং আমার সাথে তাঁদের (আহলে বাইত) রক্তের সম্পর্কের কারণে তাঁদেরকে (আহলে বাইতকে) ভালবাসবে না । ( সুনানে ইবনে মাজাহ ১৪০ , আহমাদ ১৭৭৫ ) .
“যে ব্যক্তি মুহাম্মদ (ﷺ) এর বংশধরের (আহলে বাইতের) প্রতি ভালোবাসা নিয়ে মারা যায় সে পূর্ণ ঈমানের উপর মৃত্যুবরণ করে,আর যে ব্যক্তি মুহাম্মদ (ﷺ) এর বংশধরের প্রতি ঘৃণা নিয়ে মারা যায় সে কাফির হয়ে মারা যায়।"
১. তাফসির কাবীর, মিশরে প্রকাশিত (১৩৫৭/১৯৩৮), খন্ড ২৭, পৃষ্ঠা ১৬৫-১৬৬।
২. তাফসীর ইবনে আরবী, ২ য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ২১৯
৩. তাফসীর আল-সালাবী, খণ্ড ৮, পৃষ্ঠা ৩১৪
৪. ইয়ানাবি আল-মুওয়াদা খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৩৩৩
৫. তাফসীর আল-কুরতুবী, খণ্ড ১৬ পৃষ্ঠা ২৩
৬. তাজহিজ আল-জাইশ, আল্লামাহ হাসান, আল-দেহলাওয়ী রচিত, পৃষ্ঠা ১৩
৮. আল-শারাফ আল-মুবাদ, আল্লামা আল-নাবহানী, পৃষ্ঠা .৪
৯. আরজাহ আল-মাতালিব লিখেছেন আল্লামাহ অমৃতসরী পৃষ্ঠা ৩২০
১০. নুজহাত আল-মাজালিস, আল্লামা শায়খ আব্দুর রহমান আল-সাফুরী, খণ্ড ২ পৃষ্ঠা ২২২
প্রত্যেক পবিত্র আহলে বাইত (আঃ)
রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে জ্ঞান ও প্রজ্ঞা লাভ করেছে।
রাসূল (صلى الله عليه و آله و سلم) ইরশাদ করেন,
"যে ব্যক্তি এজন্য আনন্দিত যে,সে চায় আমার মত জীবন যাপন করতে, আমার মত মৃত্যুবরণ করতে ও আমার প্রতিপালকের চিরস্থায়ী বেহেশতে বাস করতে সে যেন আমার পর, আমার আহলে বাইতকে অনুসরণ করে। কারণ তাঁরা আমার সর্বাধিক আপন এবং তাঁরা আমার অস্তিত্ব হতে অস্তিত্ব লাভ করেছে। আমার জ্ঞান ও প্রজ্ঞা থেকেই তারা জ্ঞান ও প্রজ্ঞা লাভ করেছে। ধ্বংস আমার সেই উম্মতের জন্য যারা আমার আহলে বাইতের শ্রষ্ঠত্বকে মিথ্যা মনে করে এবং আমার ও তাদের (আহলে বাইত (عليه السلام)-এর) মধ্যেকার সম্পর্ক ছিন্ন করে। আল্লাহ আমার শাফায়াতকে তাদের জন্য হারাম করেছেন”।
তথ্যসূত্রঃ মুস্তাদরাকে হাকেম, খঃ -৩, পৃঃ-১২৮; মুসনাদে আহম্মদ, খঃ -৫, পৃঃ-৯৪; কানজুল উম্মাল, খঃ-৬, পৃঃ-২১৭, হাঃ-৩৭১৯; হুলিয়াতুল আউলিয়া,পৃঃ-৪৪৯]।
রাসূল (صلى الله عليه و آله و سلم) ইরশাদ করেন,
“আহলে বাইত-এর আগে যাওয়ার চেষ্টা করো না তাহলে ধ্বংস হয়ে যাবে। তাঁদের থেকে সরে যেও না তাহলে দুঃখ কষ্ট তোমাদের চিরসাথী হয়ে যাবে। তাঁদেরকে জ্ঞান দেওয়ার চেষ্টা করো না কারণ তাঁরা তোমাদের থেকে বেশি জ্ঞানী।"
#তথ্যসূত্রে : তাফসীরে দুররে মানসুর, খঃ-২, পৃঃ-৬০ ; উসুদুল গাবা, খঃ-৩, পৃঃ-১৩৭ ; সাওয়ায়েকুল মুহরেকা, পৃঃ-১৪৮ ; ইয়ানাবিউল মুয়াদ্দাত, পৃঃ-৩৫৫ ; কানযুল উম্মাল, খঃ-১, পৃঃ-১৬৮ ; হায়সামী , মাজমাউজ যাওয়ায়েদ, খঃ-৯, পৃঃ-২১৭ ; আবাকাতুল আনোয়ার, খঃ-১, পৃঃ-১৮৪ ; আল-সিরাহ আল হালবিয়া, খঃ-৩, পৃঃ-২৭৩ ; আল তাবরানি, পৃঃ-৩৪২।)
রাসূল ﷺ বলেছেনঃ সাবধান!
“যে ব্যক্তি আলে মুহাম্মদের শত্রুতা নিয়ে মৃত্যুবরণ করে,কিয়ামতের দিন তার কপালে লেখা থাকবে,সে আল্লাহপাকের রহমত হতে বঞ্চিত।যে ব্যক্তি আলে মুহাম্মাদের শত্রুতা নিয়ে মৃত্যুবরণ করে,সে কাফের হয়ে মারা যায়।যে ব্যক্তি আলে মুহাম্মাদের শত্রুতা নিয়ে মৃত্যুবরণ করে,সে বেহেশতের সুগন্ধও পাবে না।”
(ক.) তাফসীরে আল কাশশাফ ওয়াল বায়ান,৩য় খন্ড,পৃঃ ৬৭,(মিশর)
(খ.)তাফসীরে কাবির,২৭ম খন্ড,পৃঃ ১৬৫ (মিশর)
(গ.) তাফসীরে কুরতুবি,১৬ম খন্ড,পৃঃ ২২ (মিশর)
(ঘ.) এহইয়াউল মাইয়াত,পৃঃ ৬
(ঙ.) আরজাহুল মাতালেব, পৃঃ ৪১৮
(চ.) সাওয়ায়েক মোহরিকা,পৃঃ ১০৪
(ছ.) ইয়া-নাবিউল মুয়াদ্দাতঃ পৃঃ ৫৫, ৫৯৯
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, "আমার ‘আহলে বাইত’ হলো হযরত নূহ (عليه السلام)’র নৌকার মতো।"
"যে এতে উঠলো সে নাজাতপ্রাপ্ত হলো,আর যে উঠলো না সে ধ্বংস হলো।।"
তথ্যসূত্রঃ [মিশকাত, হাদিস নং- ৫৭৩]
শানে পবিত্র আহলে বাইত (আঃ)
শানে পবিত্র আহলে বাইত (আঃ)
মোতালিব শেখ আল মাইজভান্ডারী :আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ ফরমান ... قُلْ لَّآ اَسْـَٔلُكُمْ عَلَيْهِ اَجْرًا اِلَّا الْمَوَدَّةَ فِى الْقُرْبٰىۗ ... অর্থঃ"বলুন,হে রাসূল (দ.)! আমি কারো (উম্মতে মুহাম্মদীর) কাছে কোন প্রতিদান চাই না। শুধুমাত্র চাই আমার আহলে বাইত তথা আওলাদে রাসুলগণকে তারা (মওয়াদ্দাত) মুহাব্বত করবে (ভালোবাসবে)।"-সূরাঃ শুরা,আয়াতঃ ২৩)এই আয়াতকে বলা হয়-আয়াতে মওয়াদ্দাত বা প্রাণাধিক ভালোবাসার নিদর্শন। এই আয়াত দ্বারা আল্লাহ পাক আহলে বাইতের প্রতি মুহাব্বত প্রদর্শন করা উম্মতে মুহাম্মদী বা আমাদের জন্য ফরজ করে দিয়েছেন।রইসুল মুফাসসিরীন হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (র.) থেকে বর্ণিত-তিনি বলেন; উক্ত আয়াতে পাক যখন নাজিল হয়,তখন সাহাবায়ে কেরাম হুজুর পাক (দ.) কে জিজ্ঞেস করলেন-"হে আল্লাহর রাসূল (দ.)! আপনার কোন নিকট আত্মীয়,যাঁদের সম্পর্কে এ আয়াত নাজিল হলো? প্রত্যুত্তরে নবী করিম (দ.) বলেন-হযরত আলী,হযরত ফাতিমা, ইমাম হাসান ও ইমাম হুসাইন (আঃ) । (তাফসির এ জালালাইন-২য় খণ্ড/৩২নং পৃষ্ঠা, তাফসির এ ইবনে আরাবী-২য় খণ্ড।আল্লাহর প্রিয়তম হাবীব হুযুর ﷺএরশাদ করেন যে, আল্লাহর কসম ! কোন ব্যক্তির অন্তরে ঈমান প্রবেশ করতে পারে না,যতক্ষণ সে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এবং আমার সাথে তাঁদের (আহলে বাইত) রক্তের সম্পর্কের কারণে তাঁদেরকে (আহলে বাইতকে) ভালবাসবে না । ( সুনানে ইবনে মাজাহ ১৪০ , আহমাদ ১৭৭৫ ) .“যে ব্যক্তি মুহাম্মদ (ﷺ) এর বংশধরের (আহলে বাইতের) প্রতি ভালোবাসা নিয়ে মারা যায় সে পূর্ণ ঈমানের উপর মৃত্যুবরণ করে,আর যে ব্যক্তি মুহাম্মদ (ﷺ) এর বংশধরের প্রতি
ঘৃণা নিয়ে মারা যায় সে কাফির হয়ে মারা যায়।"#তথ্যসূত্রঃ১. তাফসির কাবীর, মিশরে প্রকাশিত (১৩৫৭/১৯৩৮), খন্ড ২৭, পৃষ্ঠা ১৬৫-১৬৬।২. তাফসীর ইবনে আরবী, ২ য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ২১৯৩. তাফসীর আল-সালাবী, খণ্ড ৮, পৃষ্ঠা ৩১৪৪. ইয়ানাবি আল-মুওয়াদা খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৩৩৩৫. তাফসীর আল-কুরতুবী, খণ্ড ১৬ পৃষ্ঠা ২৩৬. তাজহিজ আল-জাইশ, আল্লামাহ হাসান, আল-দেহলাওয়ী রচিত, পৃষ্ঠা ১৩৮. আল-শারাফ আল-মুবাদ, আল্লামা আল-নাবহানী, পৃষ্ঠা .৪৯. আরজাহ আল-মাতালিব লিখেছেন আল্লামাহ অমৃতসরী পৃষ্ঠা ৩২০১০. নুজহাত আল-মাজালিস, আল্লামা শায়খ আব্দুর রহমান আল-সাফুরী, খণ্ড ২ পৃষ্ঠা ২২২প্রত্যেক পবিত্র আহলে বাইত (আঃ)রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে জ্ঞান ও প্রজ্ঞা লাভ করেছে।রাসূল (صلى الله عليه و آله و سلم) ইরশাদ করেন,"যে ব্যক্তি এজন্য আনন্দিত যে,সে চায় আমার মত জীবন যাপন করতে, আমার মত মৃত্যুবরণ করতে ও আমার প্রতিপালকের চিরস্থায়ী বেহেশতে বাস করতে সে যেন আমার পর, আমার আহলে বাইতকে অনুসরণ করে। কারণ তাঁরা আমার সর্বাধিক আপন এবং তাঁরা আমার অস্তিত্ব হতে অস্তিত্ব লাভ করেছে। আমার জ্ঞান ও প্রজ্ঞা থেকেই তারা জ্ঞান ও প্রজ্ঞা লাভ করেছে। ধ্বংস আমার সেই উম্মতের জন্য যারা আমার আহলে বাইতের শ্রষ্ঠত্বকে মিথ্যা মনে করে এবং আমার ও তাদের (আহলে বাইত (عليه السلام)-এর) মধ্যেকার সম্পর্ক ছিন্ন করে। আল্লাহ আমার শাফায়াতকে তাদের জন্য হারাম করেছেন”।তথ্যসূত্রঃ মুস্তাদরাকে হাকেম, খঃ -৩, পৃঃ-১২৮; মুসনাদে আহম্মদ, খঃ -৫, পৃঃ-৯৪; কানজুল উম্মাল, খঃ-৬, পৃঃ-২১৭, হাঃ-৩৭১৯; হুলিয়াতুল
আউলিয়া,পৃঃ-৪৪৯]।রাসূল (صلى الله عليه و آله و سلم) ইরশাদ করেন,“আহলে বাইত-এর আগে যাওয়ার চেষ্টা করো না তাহলে ধ্বংস হয়ে যাবে। তাঁদের থেকে সরে যেও না তাহলে দুঃখ কষ্ট তোমাদের চিরসাথী হয়ে যাবে। তাঁদেরকে জ্ঞান দেওয়ার চেষ্টা করো না কারণ তাঁরা তোমাদের থেকে বেশি জ্ঞানী।"#তথ্যসূত্রে : তাফসীরে দুররে মানসুর, খঃ-২, পৃঃ-৬০ ; উসুদুল গাবা, খঃ-৩, পৃঃ-১৩৭ ; সাওয়ায়েকুল মুহরেকা, পৃঃ-১৪৮ ; ইয়ানাবিউল মুয়াদ্দাত, পৃঃ-৩৫৫ ; কানযুল উম্মাল, খঃ-১, পৃঃ-১৬৮ ; হায়সামী , মাজমাউজ যাওয়ায়েদ, খঃ-৯, পৃঃ-২১৭ ; আবাকাতুল আনোয়ার, খঃ-১, পৃঃ-১৮৪ ; আল-সিরাহ আল হালবিয়া, খঃ-৩, পৃঃ-২৭৩ ; আল তাবরানি, পৃঃ-৩৪২।)রাসূল ﷺ বলেছেনঃ সাবধান! “যে ব্যক্তি আলে মুহাম্মদের শত্রুতা নিয়ে মৃত্যুবরণ করে,কিয়ামতের দিন তার কপালে লেখা থাকবে,সে আল্লাহপাকের রহমত হতে বঞ্চিত।যে ব্যক্তি আলে মুহাম্মাদের শত্রুতা নিয়ে মৃত্যুবরণ করে,সে কাফের হয়ে মারা যায়।যে ব্যক্তি আলে মুহাম্মাদের শত্রুতা নিয়ে মৃত্যুবরণ করে,সে বেহেশতের সুগন্ধও পাবে না।”#দলিলঃ(ক.) তাফসীরে আল কাশশাফ ওয়াল বায়ান,৩য় খন্ড,পৃঃ ৬৭,(মিশর)(খ.)তাফসীরে কাবির,২৭ম খন্ড,পৃঃ ১৬৫ (মিশর)(গ.) তাফসীরে কুরতুবি,১৬ম খন্ড,পৃঃ ২২ (মিশর)(ঘ.) এহইয়াউল মাইয়াত,পৃঃ ৬(ঙ.) আরজাহুল মাতালেব, পৃঃ ৪১৮(চ.) সাওয়ায়েক মোহরিকা,পৃঃ ১০৪(ছ.) ইয়া-নাবিউল মুয়াদ্দাতঃ পৃঃ ৫৫, ৫৯৯রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, "আমার ‘আহলে বাইত’ হলো হযরত নূহ (عليه السلام)’র নৌকার মতো।""যে এতে উঠলো সে নাজাতপ্রাপ্ত হলো,আর যে উঠলো না সে ধ্বংস হলো।।"তথ্যসূত্রঃ [মিশকাত, হাদিস নং- ৫৭৩]
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত