শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
সুফিবাদ সুফিবাদের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ

সুফিবাদের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক লেখক ও গবেষক :

আল্লাহের নিকট একমাত্র গ্রহণযোগ্য দীন হল ইসলাম।আল্লাহ তায়ালা মানব জীবনের সকল কর্মকাণ্ডসমূহ সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য হযরত মুহাম্মদ(সাঃএর মাধ্যমে  জীবন বিধান পেশ করেছেন।ইসলাম ধর্ম মানুষের ব্যক্তিগত,পারিবারিক,সামাজিক,রাষ্ট্রীয়,ইহলৌকিক  পারলৌকিক প্রভৃতি বিষয় ধর্মীয় দিক-নির্দেশনা দিয়ে থাকে।মানব জীবনের প্রতিটি প্রতিদিকে দুটি স্তর রয়েছে যার একটি হল বাহ্যিক(বস্তুগতদিক আরেকটি হল আভ্যন্তরীন (আধ্যাত্মিকদিক।ইসলাম মানুষের দুটি দিক নিয়ে গভীরভাবে পর্যালোচনা করে।মানুষকে আশরাফুল মাখলুকাত  শুধু তার দেহের জন্য করে নাই বরং তার একটি বাতিনী দিক আছে যা হল আত্মা।আত্মার শান্তির জন্য মানবতা যুগে যুগে জড়বাদ,বস্তুবাদের আবর্তে ঘুরছে।কিন্তু প্রকৃত শান্তি তারা খুজে পায় নাই।তাই কবি শেখ সাদী (.) বলেন,

 

 এই সমুদ্রে হাজার কিশতী ডুবে গেছে;কিন্তু একটিও ভেসে উঠে নদীর তীরে পৌছে নাই

জড়বাদ মানুষের যে অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে তা বুদ্বিবাদ তা পূর্ণ করতে পারে নাই আর তার শূন্যতা পূরণ করেছে ইসলামের আধ্যাত্মিকতা।আর ইসলামের এই আধ্যাত্মিক জ্ঞানের নাম হল সূফীবাদ।মানুষের জীবন আত্মা এবং দেহের সমন্বয় গঠিত।যে জ্ঞানের সাহায্যে আত্মাকে পরিশুদ্ব করা যায় তাই হল তাসাউফ।

 

সূফি শব্দের উৎপত্তি

 

সূফি শব্দটি কোন শব্দ হতে এসেছে সে ব্যাপারে মুসলিম পণ্ডিতদের ভিতর বেশ কয়েকটি মতামত পাওয়া যায়।সেগুলো নিয়ে নীচে আলোচনা করা হলঃ

 

প্রথম মতামতঃ  ইবনে খালিদুন,. আফিফী,আল-কালবাদী,আর-রুদবারী,আবূ নসর আস-সাররাজ প্রমুখ পণ্ডিতগণের মতে,সূফী শব্দটি সূফূন হতে নির্গত যাত অর্থ হল পশম।পশমী বস্ত্র সরলতা  আড়ম্বহীনতার প্রতীক।হযরত মুহাম্মদ(সাঃ তার সাহাবাগণ বিলাসী জীবন-যাপনের পরিবর্তে সাদা-সিদে পোশাক পরতেন এবং পরবর্তীতে সূফীগণ সাদাসিধা জীবন-যাপনের জন্য এই পোশাল গ্রহণ করে কম্বল-সম্বল করে চলেন বলে তাদেরকে সূফী বলা হয়।

 

দ্বিতীয় মতামত কারো মতে সূফী কথাটি সফফুন হতে নির্গত যার অর্থ হল কাতার,শ্রেণী,লাইন ইত্যাদি।যেহেতু সে মর্যাদার দিক দিয়ে প্রথম শ্রেণীর লোক।এজন্য তাদের সূফী বলা হয়।

 

তৃতীয় মতামতআলী হাজাবিরী,মোল্লা জামী (র।এর মতেসূফী কথাটি সাফা হতে নির্গত যার অর্থ হল পবিত্রতা,আত্মশুদ্বি  স্বচ্ছলতা।যারা আত্মার পবিত্রকরণ সাধনায় নিয়োজিত থাকেন তাদেরকে সূফী বলা হয়।

 

চতুর্থ মতামতকিছু পাশ্চত্যের পণ্ডিত বলেছেন যে সূফী কথাটি সোফিয়া বা সোফিস্ট কথা হতে নির্গত হয়েছে যার অর্থ হল জ্ঞান।কিছু মানুষ আধ্যাত্মিক জ্ঞানের অধিকারী বলে তাদেরকে সূফী বলা হয় আর  শাস্ত্রকে তাসাউফ বলা হয়।

তবে শেষোক্ত মতামত একেবারে অগ্রহণযোগ্য।কারণ বিদেশি কোন শব্দ হতে ইসলামের কোন একটি বিষয় নির্গত হবে তা হতে পারে না।

 

অন্যদিকে প্রথম তিনটি মতামতের ভিত্তিতে যে সূফী শব্দটি এসেছে তাও অনেকে মানতে নারাজ।  ব্যাপারে 

ইসলামে সূফী দর্শন নামক প্রবন্ধে বলা হয়েছে যে,

 

সূফী কথাটি যে সুফূন(পশমহতে নির্গত তা গ্রহণযোগ্য নয়।কারণ এর দ্বারা সূফীদের কেবল পোশাক-পরিচ্ছেদ  অবয়বের কথা বলা হয়েছে।যেহেতু সূফিবাদ মানুষের বাতিনী দিকের পরিচায়ক তাই এই বাহ্যিক দিকের নির্দেশক পশম হতে সূফীর উৎপত্তি হয়েছে তা যুক্তিসঙ্গত নয়।আবার সাফা(পবিত্রতাহতে যে সূফী কথাটি এসেছে তাও গ্রহণযোগ্য নয়।কারণ এটা হল সূফীদের জীবন-

 

সাধনার একটি নির্দেশক মাত্র।আবার সফফুন হতে সূফী এসেছে  কথাও বিশ্বাস করা যায় না কারণ তা একটি কাল্পনিক ধারনামাত্র।

 

একমাত্র আহলে সূফফা(বারান্দার অধিবাসীশব্দে সূফী তত্ত্বের  সূফী জীবনের বাহ্যিক  আভ্যন্তরীন দিক পরিস্ফূট হয়ে উঠে।তারাই পশমী পোশাক সর্বদা পরিধান করতেন এবং সর্বদা আল্লাহের যিকিরে মশগুল থাকতেন।তারা আল্লাহের সম্মানে চাদরাবৃত।তারাই নবী করিম (সাঃএর সাহচর্যে থেকে সর্বদা আভ্যন্তরীন  বাহ্যিক জ্ঞান অর্জন করেছিলেন। কাজেই আহলে সুফফা হতে যে সূফী কথাটির উদ্ভব ঘটেছে তা অকাট্যভাবে প্রমাণিত।(সূত্রঃ ইসলাম  আধ্যাত্মিকতাঃ১০৩)

 

সূফিবাদের পারিভাষিক সংজ্ঞা

 

সূফীবাদের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে মুসলিম দার্শনিকবৃন্দ  আধ্যাত্মিক সাধনায় সাধনাকারী ব্যক্তিবর্গ বিভিন্নভাবে সংজ্ঞা প্রদান করেছেন।তার ভিতর প্রধান প্রধান কয়েকটি সংজ্ঞা হল নিম্নরুপঃ

ইমাম শামী (.) বলেন,

 

সূফীবাদ হল আধ্যত্মিক জ্ঞান যে জ্ঞানের সাহায্যে মানুষের সৎ গুণাবলীর প্রকারভেদ এবং তা অর্জনের পন্থা  অসৎ গুণাবলীর প্রকারভেদ  তা থেকে রক্ষার উপায় জানা যায়।

 

জুনায়েদ বাগদাদী(রঃবলেছেনআত্মিক পবিত্রতা অর্জন  আল্লাহ ছাড়া সবকিছু হতে প্রভাবমুক্ত হওয়ার নাম হল ”

 

যুন্নন মিসরীর মতেআল্লাহ ছাড়া আর যা কিছু আছে সবকিছু বর্জন করার নাম হল সূফীবাদ।

ইমাম গাযযালী(.)বলেনতাসাউফ এমন একটি বিদ্যা যা মানুষকে পশু হতে উন্নীত করে,মনুষ্যত্বের চূড়ান্ত প্ররযায়ে পৌছিয়ে দেয়।তিনি আরো বলেন,

 

সূফীবাদ হল মুমিনদের অন্তরের জ্যোতি যা নবী করীম (সাঃএর প্রদীপ হতে গ্রহণ করা হয়েছে।

বায়জীদ বোস্তামী (.) বলেনআল্লাহের ইবাদতে মগ্ন থাকা  আল্লাহকে পাওয়ার উদ্দেশ্যে পার্থিব দুঃখ-কষ্ট বরণ করার নাম হল সূফীবাদ।

 

শায়খুল ইসলাম যাকারিয়া (.) বলেনতাসাউফ মানুষের আত্মার বিশোধনের শিক্ষা দান করে।তার নৈতিক জীবনেকে উন্নীত করে এবং স্থায়ী নিয়ামতের আধিকারী করার উদ্দেশ্যে মানুষের ভেতরের  বাইরের জীবনকে গড়ে তুলে। এর বিষয়বস্তু হল আত্মার পবিত্রতা  লক্ষ্য হল চিরন্তন সুখ শান্তি অর্জন।

 

আবূ মুহাম্মদ আয-যারিনি বলেছেন“Sufism is the building up of good habits and freeing of heart from all evil desires.”

তাহলে বলা যায় যেনবী করিম (সাঃএর নির্দেশিত পথে আত্মশুদ্বি করে ইসলামের বাহ্য  অন্তর জীবনের প্রেমপূর্ণ বাস্তব অনুশীলনের মাধ্যমে পরম সত্তার পূর্ণ জ্ঞানার্জন  তার নৈকট্য লাভজনিত রহস্যময় উপলব্ধিকে সূফীবাদ বলা হয়।

 

সূফিবাদের উৎপত্তি

সূফিবাদের উৎপত্তি কিভাবে হয়েছে তা নিয়ে পণ্ডিতদের ভিতর মতবিরোধ লক্ষ্য করা যায়।সূফীবাদ কথাটি মুসলমানদের ভিতর থেকে কিভাবে এসেছে সেসব মতামতসমূহ নিম্নঃরুপঃ

 

বেদান্ত  বৌদ্ব দর্শনের প্রভাব

খ্রিষ্টনিয়  নিও-প্লেটানিক প্রভাব

.পারসিক প্রভাব

.কুরআন হাদীসের প্রভাব

 

উপরের তিনটি মতবাদকে আভ্যন্তরীন মতবাদ বলা হয় আর শেষেরটিকে বাহ্যিক উৎস বলা হয়।এসকল মতবাদ নিয়ে নীচে আলোচনা করা হলঃ

 

বেদান্ত  বৌদ্ব দর্শনের প্রভাবঃ পশ্চাত্যের কিছু চিন্তাবিদ তথা গোল্ডযিহার,এইচ মার্টেন এর মতে,সূফিবাদ বেদান্ত দর্ষন  বৌদ্ব দর্শন হতে উদ্ভূত।কারণ,মুসলমানেরা যখন ভারতীয় উপমহাদেশে আগমন করে এরপর থেকে ভারতীয় সন্ন্যাসী  বেদান্ত বৌদ্বদের প্রভাবে প্রভান্বিত হয়ে মুসলমানগণ কঠোর সংযম  কৃচ্ছতা সাধনের স্পৃহা জাগিয়ে তুলে।আর সে থেকে মুসলমানদের ভিতর সূফিবাদের উদ্ভব ঘটে। পারতপক্ষে  ধরনের মতামত ঐতিহাসিক দৃষ্টিভংগী অনুযায়ী সঠিক নয়।কারণ ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমানেরা আসার অনেক আগে থেকে সুফিবাদ কথাটির উদ্ভব ঘটেছিল।হাসান বসরী,যুন্নুন মিসরী,আবুল হাশিম কূফী,ইব্রাহীম বিন আদহাম রাবিয়া বিসরী প্রমুখ সূফিদের আবির্ভাব  সাধনা প্রমাণ করে যে,সূফিবাদ ভারতীয় আমদানি নয়,ইসলামের আধ্যাত্মিক শিক্ষার ফলে সূফিবাদের উদ্ভব ঘটে।তাছাড়া বৌদ্ব সন্যাসীগণ জাগতিক কার্যক্রমলে সম্পূর্ণরুপে অস্বীকার করে আর তার ধ্যান-সাধনার জন্য নির্জন জায়গা বেছে নিয়েছে।অন্যদিকে মুসলিম সূফী-সাধকগণ আল্লাহ পাকের ধ্যান করার সাথে সাথে সংসারও করে থাকেন। আবার বৌদ্ব ধর্মে নির্বাণ সত্তায় আত্মবিলোপ শেষ আর মুসলিম সূফিগণ ফানাকে শেষ স্তর বলে মনে করে না বরং তারা বাকাবিল্লাহকে সূফী-পথ পরিক্রমার সর্বশেষ স্তর মনে করে থাকে।সুতরাং,বৌদ্ব  বেদান্ত হতে সূফিবাদের উৎপত্তি হয়েছে  ধরনের মতবাদ সম্পূর্ণরুপে ভিত্তিহীন।

 

.খ্রিষ্টিয়  নিওপ্লেটিক মতবাদঃ অধ্যাপক নিকলশন  ভনক্রেমার  মতামত ব্যক্ত করেছেন যেমুসলমানদের ভিতর সূফিবাদের আবির্ভাব ঘটেছে খ্রিষ্টিয়  নিওপ্লেটিক মতবাদ হতে।তারা  কথা অত্যন্ত জোড় দিয়ে বলেছেন যেযখন মুসলিমরা মিসর,সিরিয়া,প্যালাষ্টাইন প্রভৃতি দেশ জয় করতে থাকে সে অবস্থায় খ্রিষ্টীয় চিন্তা-দর্শন মুসলিম চিন্তা-দর্শনের ভিতর আবির্ভূত হয়  এবং এরই প্রভাবে তপস্যা  সংযমবাদের অনুপ্রবেশ সূফীদের ভিতর ঢুকে আর সেই থেকে সূফিবাদের আবির্ভাব ঘটেছিল। নিকেলসন  কথা অত্যন্ত জোড় দিয়ে বলেছেন যে,সে সময় মুসলিম সম্রাজ্যের অনেক জায়গায় জাষ্টিয়ানদের আধিপাত্য ছিল আর সে থেকে সূফিবাদের উৎপত্তি হয়েছে।পারতপক্ষে  ধরনের মতাবাদ সঠিক নয়।কারণ মুসলিম সূফি-

 

সাধকগণ খ্রিষ্ট্রীয় সন্যাসীদের ন্যায় সংসার বিরাগী নয়।আর তাছাড়া মহানবী (সাঃ),সাহাবা  তাবিঈদের সময় হতে  ধরনের আধ্যাত্মিক সাধনায় মুসলমানেরা নিয়োজিত ছিল।তাই খ্রিষ্ট্রীয়  নিউপ্লেটনিক মতবাদ হতে যে সূফিবাদের উদ্ভব ঘটেছে  ধরনের কথা সম্পূর্ণরুপে অযৌক্তিক।

 

পারসিক প্রভাবঃ ঐতিহাসিক ব্রাউনি আর তার কিছু অনুসারীরা বলেছেন যে,সূফিবাদের উৎপত্তি ঘটেছে পারসিক প্রভাব হতে।তারা  যুক্তি সকলের সামনে তুলে ধরেছে যেপারসিক জাতি ছিল এক অহংকারী  দম্ভ জাতি।কিন্তু তাদের উপর যখন আরবেরা জয় করল তখন হতে তাদের ভিতরে এক ধরনের হতাশা কাজ করতে শুরু করল।সেখান থেকে তারা আধ্যাত্মিক সাধনায় নিয়োজিত থাকের ব্যাপারে এক ভিন্ন চিন্তা-

 

ধারা আবিষ্কার করে আর সেখান থেকে সূফিবাদের আবির্ভাব ঘটে আর তারই ধারাবাহিকতায় পারস্যে অনেক দার্শনিক আবির্ভূত হয়।পারস্যের ভিতর যে ম্যানিকীয়  ম্যাজদেকীয় ধর্মের অস্তিত্ব ভিতর সূফিবাদের কৃচ্ছতাপূর্ণ জীবন-যাপনের উপকরণ খুজে পাওয়া যায়। পারতপক্ষে  ধরনের কথাও সম্পূর্ণ অযৌক্তিক  ভিত্তিহীন।কারন বেশিরভাগ সূফী পারস্যের হলেও তার মানে  বুঝায় না যেসূফিবাদ পারস্য হতে এসেছে।কারন আবূ বকর ইবনুল আরাবী  ইবনুল ফরিদসহ অনেক দার্শনিক আরবীভাষী ছিলেন। আর আমাদের প্রিয়নবী (সাঃ),সাহাবীগণ  তাবিঈগণের সময় হতে এক ধরনের তাপস্যা শুরু হয় এবং তারা বিদেশী ধ্যান-ধারনা থেকে সম্পূর্ণমুক্ত ছিলেন।।

 

.কুরআন  হাদীসের প্রভাবঃ সূফিবাদ যে কোন বাইরের চিন্তা-দর্শনের দ্বারা প্রভাবিত হয় নাই তা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।ইসলামী আধ্যাত্মিক শিক্ষার মূল উৎস হল আল-কুরআন।যদিও কুরআন  হাদীসে সূফিবাদ শব্দটি সরাসরি ব্যবহার করা হয় নাই তবুও কুরআনের অসংখ্য আয়াত  রাসূল(সাঃএর অসংখ্য হাদীসের দ্বারা সূফিবাদ তথা আধ্যাত্মিক জ্ঞানের দিকে বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হয়েছে।ইবনে খালিদুন অত্যন্ত জোড় গলায় বলেছেন যেসূফিবাদ এমন এক ধর্মীয় বিজ্ঞান যার উৎপত্তি  খোদ ইসলাম হতে হয়েছে কুরআনের অসংখ্য আয়াত রয়েছে যার দ্বারা মরমীধারাকে ইসলাম বিশেষভাবে উৎসাহিত করেছে।সেখান হতে কিছু আয়াত নীচে উল্লেখ করা হলঃ

 

তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান  যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে।[বাকারাঃ২৫৫]

 

তিনি তোমাদের সাথে আছেন তোমরা যেখানেই থাক[হাদীদঃ৪]

 

তিনিই প্রথমতিনিই সর্বশেষতিনিই প্রকাশমান  অপ্রকাশমান এবং তিনি সব বিষয়ে সম্যক পরিজ্ঞাত।” [হাদীদঃ৩]

আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি এবং তার মন নিভৃতে যে কুচিন্তা করেসে সম্বন্ধেও আমি অবগত আছি। আমি তার গ্রীবাস্থিত ধমনী থেকেও অধিক নিকটবর্তী।” [ক্বাফঃ১৬]

 

সুতরাং তোমরা আমাকে স্মরণ করআমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো [বাকারাঃ১৫২]

 

যারা আমার পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করেআমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে পরিচালিত করব।” [আ্নকাবূতঃ৬৯]

তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহ্র ইবাদত করবে,” [বাইয়েনাহঃ৫]

খুঁজুন