সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
মতামত যেভাবে বঙ্গবন্ধুর শাসন আমলকে অস্থির করা হয়

যেভাবে বঙ্গবন্ধুর শাসন আমলকে অস্থির করা হয়

জননেতা তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর পর শিবিরের বট বাহিনী রক্ষীবাহিনীর হত্যাকাণ্ড নিয়ে খুব তৎপর হয়ে উঠেছে। তারা প্রথমে রক্ষীবাহিনীর হাতে কয়েক হাজার জাসদ কর্মী নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছিল। পরে তাদের দাবি কখনো ৩০ হাজার কখনো ৩৭ হাজার কখনো বা লাখে দাঁড়িয়েছে।
সম্প্রতি এনসিপির সরোয়ার তুষার বঙ্গবন্ধুর শাসন আমলে ২৫-৩০ হাজার জাসদ কর্মী হত্যার দাবি করলে প্রতুত্তরে 'দৈনিক যুগান্তর'-এর সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহবুব কামাল বলেছেন, “তুষার, আপনি ২৫-৩০ হাজার জাসদ কর্মী হত্যার কথা বললেন, এক্ষেত্রে আপনি মাত্র ১০০ নিহতের তালিকা দিতে পারলে, আমি জীবনে আর রাজনীতি নিয়ে কথা বলবো না। আমার কাছে সাত-আটজনের নাম আছে। এটা দিয়ে আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি। আমি ১৯৮০ সাল পর্যন্ত জাসদের অ্যাক্টিভ কর্মী ছিলাম। ২৫-৩০ হাজার মানুষ মারা গেলেন, অথচ আমি জানলাম না?”
এখনো পর্যন্ত শিবির বা এনসিপি ১০০ জনের নামের তালিকা দিতে পারেনি। অনেকটা শাপলা চত্ত্বরের গণহত্যার দাবির মতো। মজার ব্যাপার, এই জাসদরা ছিল বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রী। অর্থাৎ, নিশ্চিত নাস্তিক। যে ছাগুরা কথায় কথায় নাস্তিকদের ফাঁসির দাবি তোলে, সেই ছাগুরা এখন হাজারে হাজার কল্পিত নাস্তিক হত্যার বিচারে সোচ্চার! গায়েবানী জানাজা পড়ে। কলিকালে কত কী যে দেখব!
যাই হোক, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সময়কালে উগ্র বামপন্থীরা কীভাবে বাংলাদেশকে মৃত্যু উপতক্যায় পরিণত করেছিল তার একটা রেখাচিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করব।
মুক্তিযুদ্ধের আগে থেকে চীনপন্থী কমিউনিস্ট দলগুলো ৬ দফার বিরোধিতা করত। তারা বলে বেড়াতো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সিআইএর এজেন্ট। প্রকৃত পক্ষে তারাই ছিল বিদেশী এজেন্ট। তারা চীনের হয়ে বাঙালির গণজাগরণকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে তৎপর ছিল। যাতে চীনের পরমমিত্র পাকিস্তানের সেনা শাসকরা রাজনৈতিক সুবিধা পায়।
কিন্তু, ২৫ মার্চের গণহত্যার পর চায়নাপন্থী কমিউনিস্টদের কেউ কেউ সশস্ত্র সংগ্রামে অংশ নেয়। তবে একে তারা মুক্তিযুদ্ধ মানতে রাজি ছিল না। তারা পাক হানাদার বাহিনীর পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে সমানে যুদ্ধ করত। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল অস্ত্র সংগ্রহ। পরবর্তীতে এই অস্ত্র দিয়ে (মাও সেতুং যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় করেছিলেন) সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সফল করা।
দেশ স্বাধীনের পর দক্ষিণাঞ্চলে সিরাজ শিকদারের নেতৃত্বে সর্বহারা পার্টি আর দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে আব্দুল হকের নেতৃত্বে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে। বিজয়ের ৬ মাস যেতে না যেতে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা নিয়ে সিরাজুল আলম খান তার অনুসারীদের নিয়ে মূল ছাত্রলীগ থেকে বেরিয়ে এসে আরকেটি ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করে। এরাই পরবর্তীতে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের জন্ম দেয়। প্রথমে এরা নিয়মতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালালেও পরে তারাও সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে। এই সশস্ত্র সংগ্রামের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারকে অজনপ্রিয় করে তোলা এবং একটি সামরিক অভ্যুত্থানের আয়োজন করা। জাসদের সামরিক শাখা গণবাহিনীর কর্নেল তাহের তা বাস্তবায়নের জন্য সেনানিবাসে গোপন সংগঠন বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা তৈরি করেন। এরাই মূলত খালেদ মোশারফের বিরুদ্ধে ক্যু করে মেজর জেনারেল জিয়াকে উদ্ধার করে। মুক্ত হয়ে জিয়া এদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে তাহেরকে ফাসিঁ দেন। তখন সর্বহারা পার্টির মতো অনেক বামপন্থী দল তাদের ইশতেহারে জাসদকে আমেরিকার এজেন্ট বলত। পরবর্তী জাসদের মূল তাত্ত্বিক সিরাজুল আলম খানের আমেরিকায় (বামপন্থী হয়ে তিনি রাশিয়া বা চীনে গেলেন না কেন?) পুনর্বাসন সেই দাবির সত্যতা প্রমাণ করে। জাসদের সভাপতি মেজর জলিল পাকিস্তানে গিয়ে আশ্রয় নেন।
এসব উগ্র বামপন্থীদের মূল টার্গেট ছিল আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং পুলিশ। কী জুলাইয়ের ষড়যন্ত্রের সঙ্গে মিল পাওয়া যায়? এই বামপন্থীদের বেশ শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ছিল জুট মিলগুলোতে। তাই স্বাধীনতার পর নারায়ণগঞ্জ, টঙ্গি ও খুলনার খালিসপুরের মতো শিল্পাঞ্চলে নিয়মিত শ্রমিক সংঘর্ষ হত। প্রচুর শ্রমিক নিহত হয়েছিল। সবচেয়ে ভয়াবহ দিক ছিল পাটের গুদামে আগুন দেয়া। তখন বাংলাদেশের বৈদেশিক আয়ের প্রধান উৎস ছিল পাট। রপ্তানির জন্য রাখা পাট পুড়িয়ে দেয়া হত সরকারকে বেকায়দায় ফেলে দেয়ার জন্য। বাংলাদেশের প্রথম বাজেট ছিল ৭০০ কোটি টাকার। অথচ ১৯৭২ সালের ১৫ নভেম্বর দৌলতপুরে ২৯ টি পাটের গুদামে আগুন দিয়ে ১০ কোটি টাকার পাট পুড়িয়ে দেয়া হয়। হিসাব করুণ, সেই ১০ কোটি টাকা আজকের কত শত কোটি টাকার সমান। দু'সপ্তাহ যেতে না যেতে নারায়ণগঞ্জে প্রথমে ২৭ টি গুদামে, পরে ২ টি গুদামে আগুন দেয়া হয়। এর পর ধারাবাহিকভাবে পাটের গুদামে আগ্নিকাণ্ড ঘটতে থাকে।
এ উগ্রপন্থীদের হাতে ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত নিহত আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের তালিকা নিচে দেয়া হলো-
====================
১৯৭২ সাল-
২৯ ফেব্রুয়ারি: বরিশালের উজিরপুরের যুবলীগকর্মী ও মুজিব বাহিনীর সদস্য আবদুল লতিফ একদল 'দুষ্কৃতকারী'র হাতে নিহত।
২০ মার্চ: ভোলা মহকুমা ছাত্রলীগের সভাপতি ও ভোলা কলেজ ছাত্র সংসদের সহসভাপতি সালেহ আহম্মেদ, ছাত্রলীগ নেতা শফিউল্লাহ ও জুলফিকার আলী জুলুকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছে।
২৮ মার্চ: বৈদ্যেরবাজার থানার বারদা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ কর্মী ফজলুল হক, আবদুল হক, আবদুল মতিন ও হোসেন আলী জ্ঞাত আততায়ীর হাতে নিহত।
২৪ এপ্রিল: টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগের মিছিলে বোমা হামলায় আহত আজিজুল হকের মৃত্যু।
৬ জুন: খুলনায় গণপরিষদ সদস্য আবদুল গফুর ও তাঁর দুই সঙ্গী কামাল ও রিয়াজউদ্দিন একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্তের হাতে অপহৃত ও নৃশংসভাবে খুন।
১৫ জুন: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের মাছিমপুর ইউনিয়নের একই পরিবারের তিনজনসহ চারজন আওয়ামী লীগ কর্মী নিহত। এঁরা হচ্ছেন উক্ত এলাকার রিলিফ কমিটির সদস্য ও আওয়ামী লীগ কর্মী আবদুস সাত্তার, তাঁর পুত্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর প্রধান নূরুজ্জামান, কন্যা মাছিলপুর আওয়ামী মহিলা সমিতির সভানেত্রী রওশন আরা বেগম ও নৈশপ্রহরী সুরেশচন্দ্র দাস। ভোরে বাড়ি ঘেরাও করে তাঁদের ধরে নিয়ে গঙ্গাসাগর বিলের নিকট হত্যা করা হয়।
১২ জুলাই: পাবনা বুলবুল মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক ছাত্রলীগ নেতা আবদুস সাত্তার লালু অজ্ঞাত আততায়ীর গুলিতে নিহত।'
১৯ জুলাই: চৌমুহনীর আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ সফিউল্লাহ নিজ বাসভবনে দুষ্কৃতকারীদের ছুরিকাঘাতে নিহত।
২০ জুলাই: নড়াইলে আওয়ামী লীগ কর্মী বিনয়কুমার মিত্র দুষ্কৃতকারীদের গুলিতে নিহত।
২৬ জুলাই: কেরানীগঞ্জের আওয়ামী লীগ কর্মী আবু সাঈদ গুপ্তঘাতকের হাতে নিহত।
৪ আগস্ট: নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ এম সোলায়মানকে কয়েকজন আততায়ী রূপগঞ্জ বাজারে দোকানে বসা অবস্থায় গুলি করে হত্যা করে।
৭ সেপ্টেম্বর: লৌহজংয়ে মুজিব বাহিনীর ইউনিট কমান্ডার গিয়াসউদ্দিন আহমেদ 'দুষ্কৃতকারী'দের হাতে নিহত।
১১ সেপ্টেম্বর: ন্যাশনাল জুটমিলের শ্রমিক লীগ কর্মী আবদুল কাদের নিহত।
৭ অক্টোবর: খুলনার ফুলতলায় আওয়ামী লীগ কর্মী সরদার খলিলুর রহমান নিজ বাড়িতে আততায়ীদের গুলিতে নিহত।
১৩ নভেম্বর: কক্সবাজারের মহেশখালীতে আওয়ামী লীগ কর্মী আবদুর রহিম দুষ্কৃতকারীদের হাতে নিহত।
১৪ নভেম্বর: ঝালকাঠি শহরে শ্রমিক লীগ নেতা সঞ্জীবকুমার বোসকে গুলি করে হত্যা।
২৮ ডিসেম্বর: খুলনার দৌলতপুরে শ্রমিক নেতা আবু সুফিয়ানকে হত্যা।
১৯৭৩ সাল-
২ জানুয়ারি: পটুয়াখালীতে ছাত্রলীগ নেতা মীরজাহানকে অপহরণ ও হত্যা। একই দিনে ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ কর্মী মোসলেম উদ্দিনকে গুলি করে হত্যা।
৩ জানুয়ারি: বাকেরগঞ্জের মঠবাড়িয়ায় সাবেক গণপরিষদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা সওগাতুল আলম সগীর আততায়ীর গুলিতে নিহত।
১১ জানুয়ারি: ঘিওরে বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা সন্তোষ চক্রবর্তী ও তাঁর ছোট ভাই মনোতোষ চক্রবর্তী দুষ্কৃতকারীদের হাতে নিহত।
২১ জানুয়ারি: বরিশালে ছাত্রলীগ নেতা আবদুল বারিক নিহত।
২৭ জানুয়ারি: কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার চিথলিয়া ইউনিয়নের রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ কর্মী সিরাজ নিহত।
২৮ জানুয়ারি: কুমিল্লার মুরাদনগরে আওয়ামী লীগ কর্মী দীপক দুষ্কৃতকারীদের গুলিতে নিহত।
১১ ফেব্রুয়ারি: কুষ্টিয়ার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন কর্মী নূরুজ্জামান নিহত।
২ মার্চ: কুষ্টিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা ফকীর মোহাম্মদ গুলিতে নিহত।
৯ মার্চ: নেত্রকোনার তেলিগাতী কৃষক লীগ কার্যালয়ে প্রতিপক্ষের বোমায় তিনজন আওয়ামী লীগ কর্মী নিহত।
১০ মার্চ: গজারিয়া থানার আওয়ামী লীগ কর্মী মোশাররফ হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত।
৬-৮ মার্চ: জয়পুরহাটে তিনজন আওয়ামী লীগ কর্মী হত্যা।
১২ মার্চ: মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে আওয়ামী লীগ নেতা আবদুস সালাম আততায়ীর ছুরিকাঘাতে নিহত।
১৮. মার্চ: আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক কমিটির সদস্য আতাউল আল ফারুক নিহত। একই দিনে নোয়াখালীতে আবুল বাশার ও দিনাজপুরে ছাত্রলীগ নেতা কবিরউদ্দিন আততায়ীর গুলিতে নিহত।
১ এপ্রিল: মনোহরদীর আওয়ামী লীগ কর্মী আবদুল মজিদ নিহত।
৮ এপ্রিল: কিশোরগঞ্জের কাতিয়াদী থানার আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ জামিল (রমু মিয়া) আততায়ীর গুলিতে নিহত।
১৮ এপ্রিল: শালিখায় আওয়ামী লীগ কর্মী আবদুল গণি নিহত।
৩০ মে: ফরিদপুর জেলার নড়িয়া এলাকা থেকে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য নুরুল হক আততায়ীর গুলিতে নিহত।
৩ জুন: বগুড়া আওয়ামী যুবলীগ সদস্য আবদুর রহমান নিহত।
৫ জুন: বৈদ্যেরবাজার যুবলীগ আহ্বায়ক আবদুল বাতেন নিহত।
১০ জুন: নীলফামারীর খোকসা পলাশবাড়ী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা তনুভূষণ রায়কে গুলি করে হত্যা।
৩ জুলাই: রমনা যুবলীগ নেতা আনোয়ার হোসেনকে পিটিয়ে হত্যা।
৬ জুলাই: ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জমির উদ্দিন আহমদকে গলা কেটে হত্যা।
১০ জুলাই: চাঁপাইনবাবগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতা মোজাফফর হোসেন নিহত।
১ আগস্ট: বেলকুচি থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল খালেক দুষ্কৃতকারীদের গুলিতে নিহত। একই দিনে রাজশাহীর বাগমারায় আওয়ামী লীগ কর্মী আজাহার আলী গুলিতে নিহত।
১৬ আগস্ট: রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগ নেতা, রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান অমলকৃষ্ণ চক্রবর্তীকে মুখোশধারীরা হত্যা করেছে। একই দিন বৈদ্যেরবাজারে ছাত্রলীগ কর্মী শিবু চন্দ্রকে হত্যা করা হয়।
১৮ আগস্ট: গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ কর্মী খলিলুর রহমান নিহত, একই দিন ফতুল্লায় আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রহমান নিহত।
২১ আগস্ট: পাবনার শাহজাদপুরে আওয়ামী লীগ নেতা ফখরুল ইসলামসহ দুজন গুলিতে নিহত।
২৩ আগস্ট: দিনাজপুরে তিনজন আওয়ামী লীগ কর্মী নিহত। এঁরা হচ্ছেন নরেন্দ্রনাথ শীল, বিপিন সাহা ও নজিবুর রহমান।
২৫ সেপ্টেম্বর: পালং থানা যুবলীগ সভাপতি ইদ্রিস আলী নিহত।
২৯ সেপ্টেম্বর: মাদারীপুরে ছাত্রলীগ কর্মী আবদুল মোতালেব নিহত।
১১ অক্টোবর: বাকেরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগ নেতা কুমুদ বনু নিহত।
১৩ অক্টোবর: মাধবপুর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি দুলাল মিয়াকে হত্যা করা হয়।
২০ অক্টোবর: নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগ কর্মী আলাউদ্দিন নিহত।
৩ নভেম্বর: যশোরের ফুলতলা থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তোবারক হোসেন নিহত।
৬ নভেম্বর: রংপুর জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম আততায়ীর হাতে নিহত।
১০ নভেম্বর: সীতাকুণ্ড থানা আওয়ামী লীগ সহসভাপতি আমিরুজ্জামান ছুরিকাঘাতে নিহত।
২৪ ডিসেম্বর: দোহারে ছাত্রলীগ কর্মী হারুম নিহত।
২৮ ডিসেম্বর: চাঁপাইনবাবগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজুল হক নিহত।
১৯৭৪ সালে-
১০ জানুয়ারি: জাতীয় সংসদ সদস্য ও ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোতাহের উদ্দিন আহমেদ আততায়ীর গুলিতে নিহত।
১১ জানুয়ারি: মাদারীপুর জেলার ছাত্রলীগ নেতা সেকান্দর আলী দুষ্কৃতকারীদের হাতে নিহত।
১২ জানুয়ারি: মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি সম্পাদক আমজাদ হোসেন ও পাবনার আওয়ামী লীগ নেতা নকিব আলী গুলিতে নিহত।
৩০ জানুয়ারি: মানিকগঞ্জ জেলা যুবলীগ সদস্য আবদুল খালেককে গুলি করে হত্যা।
১৩ ফেব্রুয়ারি: মাদারীপুরের আওয়ামী লীগ নেতা সরদার শাজাহান দুষ্কৃতকারীদের গুলিতে নিহত।
১ মার্চ: যশোর জেলা ছাত্রলীগ নেতা একরামুল কবির গুলিতে নিহত।
৭ মার্চ: পটুয়াখালীতে আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কাশেম আততায়ীর হাতে নিহত।
১৬ মার্চ: মনোহরদী থানার সংসদ সদস্য গাজী ফজলুর রহমান মুখোশধারীদের গুলিতে নিহত।
২৩ মার্চ: শ্রীপুরে আওয়ামী লীগ নেতা শাহাবুদ্দিন মণ্ডল গুলিতে নিহত।
৩০ মার্চ: হবিগঞ্জ জেলা যুবলীগ সভাপতি আবদুল মতিন নিহত।
৫ এপ্রিল: মুহসীন হলে সাতজন ছাত্রলীগ কর্মী নিহত।
২০ মে: মাদারীপুরে গোঁসাইরহাট থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি জামালউদ্দিন আততায়ীর গুলিতে নিহত।
২২. মে: বরিশালে যুবলীগ নেতা এস এম ইলিয়াস হিরু ও মঞ্জুরুল হক ফিরোজ এবং রাজবাড়ীর পাংশায় যুবলীগ নেতা মানস কুমার সাহা নিহত।
৮ জুন: নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম মহিউদ্দিন শাহাজান গুলিতে নিহত।
১৩ জুন: মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা হারুনুর রশিদ (নিরু) আততায়ীর গুলিতে নিহত।
১০ জুলাই: বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার জালাল উদ্দিন আততায়ীর গুলিতে নিহত।
১. আগস্ট: ময়মনসিংহ আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ সাবেক এমসিএ অ্যাডভোকেট ঈমান আলী গুলিতে নিহত। দৌলতপুর থানা আওয়ামী লীগ নেতা মারা যান ছুরিকাঘাতে।
১২ আগস্ট: মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রশিদ গুলিতে নিহত। রেজিস্ট্রি অফিসে ১২ থেকে ১৩ জনের একটি দল নৌকায় করে এসে তাকে হত্যা করে। দুর্বৃত্ত দলে একজন মহিলা ছিল। মাদারীপুরে ছাত্রলীগ নেতা সিরাজ সরদার ও ওমর আলী টেপাকে গুলি করে হত্যা।
১৪ সেপ্টেম্বর: শালিখা থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি মধুসূদন কুণ্ডু গুলিতে নিহত।
৬ অক্টোবর: টাঙ্গাইল মধুপুর থানা আওয়ামী লীগ নেতা মহেন্দ্র লাল বর্মণ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির গুলিতে নিহত।
২০ অক্টোবর: গৌরনদীতে আওয়ামী লীগ নেতা শামসুল হক বিশ্বাসসহ পরিবারের চারজন নিহত।
২৯ অক্টোবর: ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া থানা আওয়ামী লীগ সম্পাদক রহমান লস্কর আততায়ীর গুলিতে নিহত।
৩ ডিসেম্বর: রাজবাড়ীতে ছাত্রলীগ কর্মী শাজাহান নিহত।
8 ডিসেম্বর: ফরিদপুর জেলার আওয়ামী লীগ নেতা আবু ইউসুফ আমিনুদ্দিন গুলিতে নিহত।
৮ ডিসেম্বর: নরসিংদী কলেজের ডিপি হারুনুর রশিদ নিহত।
১০ ডিসেম্বর: মোহাম্মদপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী প্রধান আলী আজম গুলিতে নিহত।
২৭ ডিসেম্বর: কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ঈদের নামাজ আদায়কালে সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া নিহত।
৩০ ডিসেম্বর: চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রলীগ নেতা এহসানুল হক নিহত।
৩১ ডিসেম্বর: চুয়াডাঙ্গায় আওয়ামী লীগ কর্মী কামরুল ইসলাম নিহত।
১৯৭৫ সালে-
২ জানুয়ারি: পাবনার কাশীনাথপুরে যুবলীগ নেতা মো. কোরবান আলী নিহত। পাবনায় আওয়ামী লীগ কর্মী শাহআলম গুলিতে নিহত।
৯ জানুয়ারি: মাদারীপুর নড়িয়া থানা আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল গণি শেখ গুলিতে নিহত। উজিরপুরে যুবলীগ সভাপতি আবদুর রহমান নিহত।
১৩ জানুয়ারি: দোহারে আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজউদ্দিন হোসেন গুলিতে নিহত।
৭ ফেব্রুয়ারি: নাটোরে আওয়ামী লীগ কর্মী সাবের আলী নিহত।
৮ ফেব্রুয়ারি: ময়মনসিংহে যুবলীগ কর্মী আবদুস সোবহান নিহত।
২৪ ফেব্রুয়ারি: নেত্রকোনার সংসদ আবদুল খালেক দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত।
১২ মার্চ: সাতকানিয়ায় বাকশাল কর্মী আশুতোষ মহাজন খুন।
১৮ মার্চ: পাংশা থানা বাকশান সভাপতি জোনাব আলী ও কর্মী ইয়াকুব আলী গুলিতে নিহত। চাটমোহরে বাকশাল নেতা আবুল কাসেম গুলিতে নিহত।
২০ মার্চ: সিরাজগঞ্জে যুবলীগ নেতা আবদুল হামিদ খুন।
২১ মার্চ: বগুড়ায় যুবলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান নিহত।
১২ এপ্রিল: নড়াইলে বাকশাল নেতা অমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস নিহত।
১৩ এপ্রিল: ময়মনসিংহের যুবলীগ নেতা মাজহারুল ইসলাম গুলিতে নিহত। রাজবাড়ীর, বাকশাল নেতা শাহ মোহাম্মদ হোসেন আততায়ীর গুলিতে নিহত।
২৫ এপ্রিল: কুষ্টিয়ায় বাকশাল নেতা মমতাজ আলী নিহত।
৮ মে: নোয়াখালীতে ছাত্রলীগ নেতা কামাল আহমেদ নিহত। আটারবাড়ীতে বাকশাল কর্মী ফজলুল হক নিহত।
১১ মে: নোয়াখালীতে ছাত্রলীগ নেতা কামালুদ্দিন খুন।
১৬ মে: হরিণাকুন্ডুতে বাকশাল কর্মী ডা. গিরিন্দ্রনাথ নিহত।
২৮ মে: ঘাটাইল থানা বাকশাল সম্পাদক কলিমুর রহমান গুলিতে নিহত।
২৮ মে: পাকুটিয়ায় বাকশাল কর্মী তোতামিয়া ও পরশু থানা যুবলীগ কর্মী ইলিয়াস হোসেন গুলিতে নিহত। বামাইলে বাকশালের সম্পাদক কলিমুর রহমান বাঙালি ব্রাশফায়ারে নিহত।
১ জুন: চুয়াডাঙ্গা বাকশালের কোষাধ্যক্ষ দোস্ত মোহাম্মদ আনসারী গুলিতে নিহত।
২ জুন: টুঙ্গিপাড়ার বাকশাল নেতা সোহরাব হোসেন নিহত।
২ জুন: বৈদ্যেরবাজারে বাকশাল কর্মী রহমান আলী মিয়া নিহত।
৮ জুন: কোম্পানীগঞ্জে বাকশাল সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম গুলিতে নিহত।
১৮ জুন: জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবদুল রশীদ লেবু আততায়ীর গুলিতে নিহত।
১৮ জুন: দিনাজপুরে বাকশাল নেতা শহিদুল হক বুলু নিহত।
২৫ জুন: জয়দেবপুর থানা বাকশাল নেতা কফিলউদ্দিন ও কর্মী শহর আলী নিহত।
৪ জুলাই: শ্রীপুর থানা বাকশাল নেতা মনিরউদ্দিন ফকির ও কর্মী আবদুর হালিম মাস্টারকে গুলি করে হত্যা।
১৭ জুলাই: পাঁচবিবি বাকশাল নেতা মনিরউদ্দিন ফকির ও কর্মী আবদুর হালিম মাস্টারকে গুলি করে হত্যা।
১৭ জুলাই: পাঁচবিবি বাকশাল নেতা আলাউদ্দিন আহমেদ গুলিতে নিহত।
১ আগস্ট: রামু থানা বাকশাল নেতা আজিজুল ইসলাম নিহত।
৩ আগস্ট: বগুড়ায় বাকশাল কর্মী আফতাফউদ্দিন নিহত।
(তালিকাটি দৈনিক বাংলার বাণী পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে তৈরি।)
১৯৭২-৭৫ সময়কালে উগ্রপন্থীদের হাতে লুট হওয়া থানা ও পুলিশ ফাঁড়ির তথ্য-
====================
১২ জুন '৭৩: খুলনার ফকিরহাট থানার বেতাগী ফাঁড়িতে হামলা।
১৩ জুন '৭৩: বগুড়া জেলার গাবতলী থানায় হামলা।
১৮ জুন '৭৩: রাজশাহীর নিয়ামতপুর থানার ছাতড়া ফাঁড়ি লুট।
১৯ জুন '৭৩: বরিশালের নলছিটি থানার কাঁটাখালী ফাঁড়িতে হামলা।
২৬ জুন '৭৩: বরিশালের কাঠালিয়া থানার আমুয়া ফাঁড়ি লুট।
২৮ জুন '৭৩: বরিশালের চরফ্যাশন থানা লুট।
২৯ জুন '৭৩: রামগড়ের জালিয়া ফাঁড়িতে হামলা।
২. জুলাই '৭৩: বরিশালের লালমোহন থানা লুট।
৩ জুলাই '৭৩: খুলনার মোরেলগঞ্জ থানাক্ত হেলিগাতি ফাঁড়িতে হামলা।
৮ জুলাই '৭৩: পটুয়াখালীর পাথরঘাটা থানার চরকুয়ানী এবং বরিশালের বাউফল থানার বগা ফাঁড়িতে হামলা।
৯ জুলাই '৭৩: বৈদ্যেরবাজরিখানার অলিপুর ফাঁড়ি লুট।
৯ জুলাই '৭৩: গোপালগঞ্জের পাটগাথিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা।
১২ জুলাই '৭৩: বরিশালে বাউফল থানার ধুলিয়া ফাঁড়ি লুট।
২৫ জুলাই '৭৩: বৃহত্তর ঢাকার লৌহজং থানা লুট।
২৫ জুলাই '৭৩: ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার রামকৃষ্ণ মিশন ফাঁড়ি লুট।
৩০ জুলাই '৭৩: চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানা লুট।
৩০ জুলাই '৭৩: ময়মনসিংহের গফরগাঁও থানার দত্তেরগাঁও ফাঁড়িতে হামলা।
১ আগস্ট '৭৩: ঢাকা জেলার ঘিওর থানার জাবড়া ফাঁড়ি লুট।
২ আগস্ট '৭৩: কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার আমলা ফাঁড়ি লুট।
৫ আগস্ট '৭৩: বৃহত্তর ঢাকার শিবপুর থানায় হামলা।
৭ আগস্ট '৭৩: বরিশালের বাবুগঞ্জ থানায় হামলা।
৯ আগস্ট '৭৩: কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার আটগ্রাম ফাঁড়িতে হামলা।
১০ আগস্ট '৭৩: ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানার উচাখিলা ফাঁড়ি লুট।
১০ আগস্ট '৭৩: চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানার চুনতি ফাঁড়িতে হামলা।
১৩ আগস্ট '৭৩: বরিশালের স্বরূপকাঠি থানার ইন্দেরহাট ফাঁড়ি লুট।
১৩ আগস্ট '৭৩: ঢাকার কাপাসিয়া থানায় হামলা।
১৫ আগস্ট '৭৩: পার্বত্য চট্টগ্রামের লামা থানার ফৈথান ফাঁড়িতে হামলা।
২০ আগস্ট '৭৩: লৌহজংয়ে সশস্ত্র দুর্বৃত্ত ও রক্ষীবাহিনীর মধ্যে তিন ঘণ্টা গুলিবিনিময়।
২৩ আগস্ট '৭৩: কুমিল্লার হোমনা থানার চন্দনাপুর ফাঁড়ি লুট।
২৫ আগস্ট '৭৩: বৈদ্যেরবাজারের আনন্দবাজার হাট থেকে নয় ব্যক্তি অপহরণ ও সাতজনকে হত্যা।
১ সেপ্টেম্বর '৭৩: ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার ধানিখোলা ফাঁড়ি লুট।
১ সেপ্টেম্বর '৭৩: কুষ্টিয়ার চুয়াডাঙ্গা থানার শরৎগঞ্জ ফাঁড়িতে হামলা।
২ সেপ্টেম্বর '৭৩: আরিচা ফেরিতে রক্ষীবাহিনী ও দুর্বৃত্তদের মধ্যে গুলিবিনিময়ে চারজন নিহত। (নিহতদের মধ্যে রক্ষীবাহিনীর ডেপুটি লিডার গুলজার ও ২ জন রক্ষী এবং আহতদের মধ্যে লিডার হাবিবুর রহমান)।
৩ সেপ্টেম্বর '৭৩: ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার চানপুর ফাঁড়ি লুট।
১৩ সেপ্টেম্বর '৭৩: পটিয়া থানার কালীরপুর ফাঁড়িতে হামলা।
২৮ সেপ্টেম্বর '৭৩: রাজশাহীর বাগমারা থানার দামনাস ফাঁড়ি লুট। ৮ পুলিশকে হত্যা।
৩ অক্টোবর '৭৩: পাবনার শাহজাদপুরে সশস্ত্র সন্ত্রাসী ও রক্ষী সদস্যদের মধ্যে গুলিবিনিময়ে আটজন নিহত।
৪ অক্টোবর '৭৩: মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানা ও খাদ্যগুদাম লুট।
৬ অক্টোবর '৭৩: ময়মনসিংহের বারহাট্টা থানায় হামলা।
৭ অক্টোবর '৭৩: চুয়াডাঙ্গায় ১৪টি হত্যাকাণ্ড।
৯ অক্টোবর '৭৩: যশোরের হরিণাকুণ্ডু থানা লুট।
১২ অক্টোবর '৭৩: চুয়াডাঙ্গায় জেল ভেঙে ১৪ জনের পলায়ন।
১৩ অক্টোবর '৭৩: কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার হালসা ফাঁড়ি লুট।
১৩ অক্টোবর '৭৩: টাঙ্গাইল থানার পোড়াবাড়ী ফাঁড়িতে হামলা।
১৭ অক্টোবর '৭৩: কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার খাদিমপুর ফাঁড়িতে হামলা।
২১ অক্টোবর '৭৩: বরিশাল উজিরপুর থানার হারতা ফাঁড়ি লুট।
২৩ অক্টোবর '৭৩: রাজশাহীর তানোর থানার পাচন্দর ফাঁড়িতে হামলা।
২৫ অক্টোবর '৭৩: ফরিদপুরে বালিয়াকান্দি থানা লুট।
২৬ অক্টোবর '৭৩: বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ থানার ভাসানচর ফাঁড়ি লুট, ৩ পুলিশ নিহত।
২৮ অক্টোবর '৭৩: পটুয়াখালীর পাথরঘাটা থানা লুট।
২ নভেম্বর '৭৩: টাঙ্গাইল থানার পাথরাইল ফাঁড়ি লুট।
২২ নভেম্বর '৭৩: সিলেটের বালাগঞ্জ থানা লুট।
২৩ নভেম্বর '৭৩: বৃহত্তর ঢাকার কালীগঞ্জ থানার বারোবাজার ফাঁড়িতে হামলা।
২৫ নভেম্বর '৭৩: রাজশাহীর তানোর থানার পাচন্দর ফাঁড়ি লুট।
২৯ নভেম্বর '৭৩: কুমিল্লার মতলব থানা লুট।
৫ ডিসেম্বর '৭৩: ঢাকার সিঙ্গাইর থানায় হামলা।
১২ ডিসেম্বর '৭৩: চট্টগ্রামের চন্দ্রখোলা থানা লুট।
১২ ডিসেম্বর '৭৩: লক্ষ্মীপুর থানার দিঘলী ফাঁড়ি লুট।
১৫ ডিসেম্বর '৭৩: বরিশালের নলছিটি থানায় হামলা।
১৫ ডিসেম্বর '৭৩: লৌহজং থানায় সর্বহারা পার্টির হামলা। রক্ষীবাহিনীর লিডার ফারুক হোসেন নিহত।
১৫ ডিসেম্বর '৭৩: মানিকগঞ্জ থানায় সর্বহারা পার্টির হামলা।
১৩ জুলাই ’৭৪: বরিশালের বাবুগঞ্জ থানা লুট।
(সূত্র: বাংলাদেশের তারিখ, (১৯৭৭ সাল পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য ঘটনার কালানুক্রমিক ঘটনাপঞ্জি), মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮, মাওলা ব্রাদার্স, ঢাকা)
এবার জাসদ ও সর্বহারা পার্টির লোকজনদের বলব, তাদের নিহতদের তালিকা দিতে।
সূত্র: রক্ষী বাহিনীর সত্য-মিথ্যা
আনোয়ার উল ইসলাম
প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশনী।

খুঁজুন