Logo
শিরোনাম

চিকিৎসা বর্জ্যের ঝুঁকি: বিশ্ব ও বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

অধ্যাপক আব্দুল হাই: বর্তমান বিশ্বে চিকিৎসা সেবাদাতাদের কাছে চিকিৎসা বর্জ্যের সৃষ্টি , সংগ্রহ ও অপসারণ একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। পরিবেশের উপর চিকিৎসা বর্জ্যের মারাত্মক প্রভাব রয়েছে। চিকিৎসা বর্জ্যের অব্যবস্থাপনা থেকে নানা ধরনের অসুখ সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে চিকিৎসা বর্জ্যের ক্রমাগত বৃদ্ধি এই ঝুঁকিকে আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। উচ্চ আয়ের দেশগুলোর চেয়ে মধ্য ও নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে সাধারণত চিকিৎসা বর্জ্যের পরিমাণ কম হয়ে থাকে (WHO,2004)। তবে নিয়ম মেনে বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী আলাদা করতে পারলে ও সঠিক ব্যবস্থাপনা করতে পারলে চিকিৎসা বর্জ্যের পরিমাণ যেমন কমে যায় তেমনি ঝুঁকি ও অনেক হ্রাস পায়। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে চিকিৎসা বর্জ্যের প্রতি যথেষ্ট মনোযোগ দেওয়া হয় না। একে সাধারণ গৃহস্থ আবর্জনার মত গণ্য করা হয় এবং গৃহস্থ আবর্জনার সঙ্গে যত্রতত্র ভাগাড়ে নিক্ষেপ করা হয়।

বাংলাদেশে নগরায়নের উচ্চহার, শিক্ষার নিম্নহার এবং সার্বিকভাবে পরিবেশ দূষণের উচ্চ হারের কারণে চিকিৎসা বর্জ্যের দূষণ পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে । এই অবস্থাকে কঠিন করে তুলছে চিকিৎসা বর্জ্যের দুর্বল ব্যবস্থাপনা এবং ক্ষেত্রবিশেষে ব্যবস্থাহীনতা। ফলে চিকিৎসা সেবার সঙ্গে জড়িত ডাক্তার, নার্স, ওয়ার্ডবয় , ল্যাব টেকনিশিয়ান, পরিচ্ছন্নতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ দর্শনার্থী পর্যন্ত নানা ধরনের কঠিন ব্যধিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। আবার মাটি জল ও বাতাসেও দূষন ছড়িয়ে পড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে Covid-19 জনিত কারণে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়া, সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে সার্জিক্যাল মাস্কের ব্যবহার বৃদ্ধি ও ব্যবহার শেষে যত্রতত্র মাস্কের নিক্ষেপন এবং ভ্যাকসিন প্রদান ও ব্যবহৃত নিডলের নিক্ষেপ চিকিৎসা বর্জ্যের ঝুঁকির বিষয়টিকে আবার সামনে নিয়ে এসেছে।


আরও খবর



‘গঙ্গাসহ ৫৪ অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন নিয়ে গড়িমসি করছে ভারত’ : ফখরুল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:

বাংলাদেশের ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন নিয়ে ভারত গড়িমসি করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, শুধু ফারাক্কা বাঁধ নয়, গঙ্গার পানি নয়, বাংলাদেশের ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনের ক্ষেত্রে তারা সব সময় গড়িমসি করেছে এবং তারা এই সমস্যার সমাধান করেনি, করছেও না।

তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে এই যুক্তি; করছি, এই হয়ে যাবে, এখন ভালো অবস্থা আছে, এই করে করে কিন্তু সরকার কাটিয়েছে।

ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।


এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমরা বরাবরই লক্ষ করেছি, বাংলাদেশের জন্ম হওয়ার পর থেকেই আমাদের প্রতিবেশী—যার কাছে আমাদের স্বাধীনতায় তাদের ভূমিকার জন্য আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি সব সময়। তার পরেই আমরা যেটা লক্ষ্য করেছি, বাংলাদেশকে একটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখার জন্য সব সময় তারা তাদের সব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছে।

এই ব্যর্থতার মূল কারণ হচ্ছে, যে সরকার এখন আছে, সেই সরকার পুরোপুরিভাবে একটা নতজানু সরকার। তারা বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে প্রকৃত অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ তারা তাদের (ভারতের) কাছে অত্যন্ত দুর্বল।

বাংলাদেশের মানুষকে তার অধিকার আদায়ের জন্য তার নিজেকেই নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব। সরকার মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে খালেদা জিয়াকে আটক এবং তারেক রহমানকে বিদেশে নির্বাসিত করে রেখেছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।

৭ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে মাত্র তিনদিনে ২৭ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখনো সেই নির্যাতন-নিপীড়ন চলছে। আমাদের নেতাকর্মী যারা গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করছেন, সাজা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হচ্ছে।


মাফিয়া রাষ্ট্র তৈরি করা হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এখনকার সরকারের মদদপুষ্ট যেসব ব্যবসায়ী আছেন, তারা সবাই তথাকথিত সরকারের গুণকীর্তন গায়—একটা মাত্র উদ্দেশ্য, এই সরকার টিকে থাকলে তারা তাদের লুণ্ঠন, বিদেশে টাকা পাচার করে সম্পদ তৈরি, তারা সেগুলো করতে পারবেন।

ফখরুল বলেন, 'ফারাক্কা দিবস আমাদের ওই কথাই মনে করিয়ে দেয়, জনগণের শক্তির কাছে বড় শক্তি আর কিছু নেই। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন জনগণের মানুষ। তিনি সব সময় জনগণের কথা বলেছেন, জনগণের জন্য সংগ্রাম করেছেন। কোনো দিন ক্ষমতার আশে পাশে যাননি।

তিনি বলেন, ফারাক্কা দিবস আমাদের জন্য একটা প্রতীক, আমাদের আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতীক। আজকে সারা বাংলাদেশের মানুষ যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমাদের যে লক্ষ্য; বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা, সেই লক্ষ্যে যদি আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি, অবশ্যই আমরা সেখানে জয়লাভ করব।


আরও খবর



ঐশ্বরিয়া-অভিষেকের বিচ্ছেদের গুঞ্জন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



 ডিজিটাল ডেস্ক :


বলিউডের অন্যতম তারকা জুটি ঐশ্বরিয়া রাই-অভিষেক বচ্চনের বিচ্ছেদের জল্পনা চলছে নেটদুনিয়ায়। 


নানা ঘটনায় বারবার উঠে আসছে বচ্চন পরিবারের সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার হয়তো কোনো সমস্যা চলছে। 


ভক্তরা যখন জানার ইচ্ছায় মুখিয়ে রয়েছেন যে ঠিক কেমন সম্পর্কে রয়েছেন প্রিয় এ জুটি। ঠিক তখনই দেখা গেলো লোকসভা নির্বাচনেও ভাঙা হাত নিয়ে একাই ভোট দিতে এলেন ঐশ্বরিয়া। 



হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গণতন্ত্রের উৎসবেও একসঙ্গে পাওয়া গেল না বচ্চন পরিবারকে। এদিনও আলাদা এলেন ঐশ্বরিয়া। দেখা নেই অভিষেক বচ্চনের। 


এদিকে জয়া বচ্চনকে নিয়ে ভোট কেন্দ্রে এসেছেন অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন।  


সেই ছবি সামনে আসতেই নেটিজেনদের একশ্রেণি আবারও প্রশ্ন তুলছেন অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়ার সম্পর্ক নিয়ে। যদিও এর উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়।



আরও খবর



নিকলী হাওরের বিলগুলো প্রভাবশালীদের দখলে

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



নিকলী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা:


নিকলী হাওরের বিলগুলো প্রভাবশালীদের দখলে

কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে রয়েছে হাওর-বাঁওড়সহ বিভিন্ন আকৃতির জলাশয়।


 আর এগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে ধান আর বর্ষায় মাছ পাওয়া যায়। কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার বেশির ভাগ মানুষ কৃষক ও মৎস্যজীবী। হাওরের ধান ও মাছের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকতে হয় তাদের।


 কিন্তু হাওরের জলমহাল ও বিলগুলো মৎস্যজীবীদের কাছ থেকে হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন তারা। 


জেলেরা বলছেন, হাওরপাড়ের প্রভাবশালীরা মৎস্যজীবী সমিতির নামে বিভিন্ন বিল লিজ নিয়ে তাদের দখলে নিচ্ছেন। ফলে বিল ও জলমহাল থেকে মাছ ধরতে পারছেন না প্রকৃত জেলেরা।



জানা যায়, বর্ষাকালেই জেলেরা হাওরে মাছ ধরে থাকেন। চৈত্র মাসের শেষের দিকে সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন বিল লিজ নেয় সমাজের বিত্তশালীরা। স্থানীয় প্রভাবশালীরা সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন সমিতির নাম ব্যবহার করে বিলগুলো ইজারা নিয়ে জেলেদের মাছ ধরা বন্ধ করে দেয়। 


এতে করে বিপাকে পড়েন মৎস্যজীবীরা। যার ফলে জেলেদের জীবনে নেমে আসে অভাব-অনটন।


নিকলীতে প্রায় ছোট-বড় শতাধিক বিল ও জলাশয় রয়েছে। বর্ষার সময় এ বিলগুলো থেকে মাছ শিকার করে হাওর অঞ্চলের জেলেরা জীবনযাপন করেন। কিন্তু বর্ষার মাঝামাঝি সময়ে প্রভাবশালীরা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের কাছ থেকে হাওরগুলো লিজ দেওয়া হয়। 


একেকটি বিল লিজ নিতে কোটি বা অর্ধকোটি অথবা লাখ লাখ টাকা ব্যয় করতে জেলেরা না পারায় প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় বিলগুলো। বিল ইজারা নিয়ে হাওরে মাছ শিকার নিষেধ করে দেন মৎস্যজীবীদের। ফলে তাদের অর্ধাহারে-অনাহারে দিনাতিপাত করতে হয়। অভাবের কারণে অনেক জেলে পরিবারের ছেলেমেয়েদের পড়ালেখা, চিকিৎসা ও পরিবারের খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হয়।


 মৎস্যজীবী রাকেশ দাস বলেন, সরকার বিলগুলো লিজ দেয় মৎস্যজীবীদের নামে। কিন্তু তার আধিপত্য চলে যায় প্রভাবশালীদের কাছে। ফলে আমাদের মতো সাধারণ মৎস্যজীবীদের বেঁচে থাকা দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। তাই লিজ নেওয়া বিলে দিনমজুরি করে ছেলেমেয়েদের মুখে দুই বেলা ভাত তুলে দিতে হিমশিম খেতে হয়।


 সরকার যাদেরকে বিল লিজ দেয় তাদের একটা সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া দরকার। যাতে অন্য মত্স্যজীবীরা সীমানার বাইরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।



এ ব্যাপারে নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া আক্তার বলেন, সরকার বিলগুলো লিজ দেয় মৎস্যজীবী সমিতির নামে। কিন্তু তারা পরবর্তীকালে প্রভাবশালীদের কাছে বিক্রি করে দেন। জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুযায়ী মৎস্যজীবী সমিতিকে দেওয়া হয়। 


কিন্তু ব্যবস্থাপনা, দক্ষতা ও সচেতনতার অভাবে ও অর্থসংকটের কারণে প্রভাবশালীদের দ্বারস্থ হন তারা। মৎস্যজীবীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ ও অর্থসংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা থাকলেও তারা প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।


আরও খবর



গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

নিজস্ব রিপোর্ট:


প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের কেন্দ্র খুলনার কয়রা অঞ্চল থেকে আরও উত্তর দিকে অগ্রসরের সঙ্গে দুর্বল হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি এখন যশোর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।


সোমবার (২৭ মে) রেমাল সংক্রান্ত আবহাওয়ার ১৮ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।


বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এটি আরও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমশ বৃষ্টিপাত ঝড়িয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হবে।এ অবস্থায় পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।


এছাড়া কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।


সেই সিঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে এবং সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।






আরও খবর



রেমালে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দিতে প্রস্তুত জাপান

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক:


প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করতে জাপান প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিশিদা ফুমিও।


তিনি বলেন, বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর দ্রুত পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে আমরা প্রস্তুত। এই কঠিন সময় থেকে বেরিয়ে আসার জন্য জাপান সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে।


ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো এক শোক বার্তায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।


ফুমিও বলেন, বাংলাদেশে প্রবল ঘূর্ণিঝড় আঘাত করেছে। অনেক প্রাণহানি হয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণের উপকূলীয় অঞ্চলে বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা গভীরভাবে দুঃখিত।



জাপানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপান সরকারের পক্ষ থেকে আমি নিহতদের আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।


পাশাপাশি যারা দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের প্রতিও সহমর্মিতা জানান জাপানের প্রধানমন্ত্রী। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্য শুভকামনা জানান তিনি।


এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদের কাছে পাঠানো পৃথক এক বার্তায় জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কামিকাওয়া ইয়োকো বলেন, জাপান সবসময় বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পাশে রয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।



ইয়োকো বলেন, আমি এটা জেনে গভীরভাবে দুঃখিত যে বাংলাদেশে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়ের ফলে বিশেষ করে, দেশটির দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলে অনেক মূল্যবান প্রাণহানি হয়েছে এবং বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। 


আমরা আন্তরিক সমবেদনা জানাই। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনরুদ্ধার ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার দ্রুত পুনর্গঠন কামনা করছি। বাসস।



আরও খবর