Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

ঢাকার যানজট নিরসনে ট্রাফিক আইন প্রয়োগ জরুরি

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

ঢাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও মেট্রোরেল হওয়ায় শহরের যানজট কিছুটা কমেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ট্রাফিক আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে আর ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। যত গাড়ি তত পার্কিং ব্যবস্থা রাখার দরকারি উদ্যোগও নেয়ার কথা বলেন তিনি।

সিরডাপ মিলনায়তনে ঢাকার যানজট: মেট্রোরেল ও এক্সপ্রেসওয়ের প্রভাব শীর্ষক এক সেমিনারে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

ঢাকা ইউটিলিটি রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডুরা) আয়োজিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ওবায়দুর মাসুম। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মোল্লার সঞ্চালনায় সেমিনারে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম, বিআইপি সভাপতি অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান, বুয়েটের অ্যাকসিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক কাজী মো. সাইফুন নেওয়াজ, নগর পরিকল্পনাবিদ আয়েশা সাঈদ। 

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, মাথাপিছু আয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মুভমেন্ট বেড়েছে। কোনো ভবনে ২০টা পরিবার থাকলে সেখানে নিজস্ব গাড়ি রাখার ব্যবস্থা রাখতে হবে। পরিবার প্রতি একটি গাড়ি ব্যবস্থা করতে হবে, পরিবারের জন্য দ্বিতীয় গাড়ি রেজিস্ট্রেশন বন্ধ করতে হবে।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, মেট্রোরেল সারাবিশ্বের একটি পরিক্ষিত যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা। আমরা বাংলাদেশের মানুষ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিরল সুযোগ পেয়েছি। এই সুফলটাকে আরো বেশী জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে বেশ কিছু সুবিধা যোগ করতে হবে। 

যানজটের কারণ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, রাস্তা থাকার কথা ২০ শতাংশ। আছে ৭ শতাংশ। সেই ৭ শতাংশের ৩ শতাংশ চলে যায় অব্যবস্থাপনা ও অপরিকল্পিতভাবে অযৌক্তিক অপব্যবহারের কারণে। এগুলো দেখার কথা কার? ট্রাফিক পুলিশের। এজন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।  

আশরাফুল ইসলাম বলেন, হাটার জায়গা বাড়ানো দরকার। যার মাধ্যমে মানুষ স্টেশন থেকে নেমে তার গন্তব্যে হেঁটে যেতে পারবে। এটির কোন বিকল্প নেই। আর বাসের যাত্রীর চেয়ে মোটরসাইকেল যাত্রী বেড়েছে কারণ মান সম্পন্ন বাস নেই। তাই যাত্রীরা অন্যভাবে যাবে, এটাই স্বাভাবিক। বাস রুট রেশনাইলেজনসহ বাসের শৃঙ্খলা দরকার।

ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, রাজধানী ঢাকায় মেট্রোরেল ও এক্সপ্রেসওয়ের প্রভাব ইতিবাচক। তবে সমন্বিত উদ্যোগ নেয়া হলে সেটি আরো বেশি মানুষ সুবিধা পেতো। আমরা দেখছি এক্সপ্রেসওয়ের উপর দিয়ে দ্রুত গাড়ি চলে যাচ্ছে আর নিচে যানজট লেগে আছে। নিচের সড়কে শৃঙ্খলায় নজর দিতে হবে। সাইফুন নেওয়াজ বলেন, যানজট নিরসনে পাবলিক সার্ভিসকে গুরুত্ব দিতে হবে। শহরের রাস্তার যে কোন একটা লেন পাবলিক বাসের জন্য নির্ধারণ করে দেয়া যেতে পারে। সেটা হতে পারে রাস্তার বাঁ পাশের লেন। যাতে যাত্রী উঠা নামায় সুবিধা হয়। অন্য লেনগুলো অন্য গাড়ির জন্য উন্মুক্ত থাকলো। এই ক্ষেত্রে তিন লেনের সড়ক হলে সহজ হয়। 

আয়েশা সাঈদ বলেন, আমি যখন অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতাম আমাদের ক্লাসে প্রফেসররা ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট এবং প্লানিং নিয়ে লেকচার দিতেন। তখন প্রায় সময়ই আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদাহরণ দিতেন। আমি তখন নিজেকে অনেক কৃতজ্ঞ বোধ করতাম যে প্রধানমন্ত্রী শুধু আমাদের দেশকেই নয় দেশের নাগরিকদেরও অনেক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। যানজট ঢাকার দুঃখ উল্লেখ করে আয়েশা সাঈদ বলেন, বুড়িগঙ্গার কোল ঘেঁষে বেড়ে উঠেছে আমাদের প্রিয় রাজধানী। সুখ-দুঃখ আর আনন্দ-বেদনা নিয়েই কাটানো আমাদের এই শহরের নাম ঢাকা। নানা সুখের মধ্যে অন্যতম দুঃখের প্রধান কারণ যানজট। আমরা এখন এয়ারপোর্ট থেকে ফার্মগেটে পৌঁছাতে পারছি মাত্র ৭-৮ মিনিটে। মেট্রোরেল চালু হয়েছে, আরো আসবে। সবগুলো মেট্রোরেল চালু হলে নাগরিক জীবন যাত্রা পুরোটাই বদলে যাবে।

 


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নতুন বছরের শুরুতে প্রবাসী আয়ে চমক

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

ডলার সংকটের মাঝেই সুখবর বয়ে আনলো প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। নতুন বছরের প্রথম মাসের শুরু থেকেই ছিল চমক। সংশ্লিষ্টদের ধারণা ছিল, রেমিট্যান্স প্রবাহের গতি অব্যাহত থাকলে মাসটিতে ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। অবশেষে সেই ধারণাই সত্য হলো।

জানুয়ারি মাসের পুরো সময়ে ২০১ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্র বলছে, নতুন বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ২০১ কোটি ডলার বা ২ দশমিক ০১ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ২২ হাজার ১১০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার সমান ১১০ টাকা) ।

বৈধপথে রেমিট্যান্স আনার উদ্যোগের ফলে এমনটি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর সঙ্গে বাড়তি প্রণোদনা প্রবাসী বাংলাদেশিদের আরও উৎসাহিত করছে বলে জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, এর আগে ২০২৩ সালের জুন মাসে সবশেষ ২ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল রেমিট্যান্স। মাঝে প্রায় ৬ মাসের বেশি সময় অতিক্রম করলেও ২ বিলিয়ন ডলার বা এর বেশি আসেনি। তবে চলতি বছরের প্রথম মাসের শুরু থেকেই প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স আসার ধারা ভালো ছিল। ধারণা করা হয়েছিল মাসটিতে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় আসবে। এখন নিরাপদ ও বাড়তি প্রণোদনা পাওয়ায় প্রবাসীরা উৎসাহিত হচ্ছেন। আগামীতে আরও রেমিট্যান্স আসবে বৈধপথে।

সদ্য বিদায়ী বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরের পুরো সময়ে ১৯৮ কোটি ৯৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার বা ২১ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বেশি আসে। আর দিনে এসেছে ৬ কোটি ৪১ লাখ ডলার বা ৭০৪ কোটির টাকার বেশি।

এরমধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৯ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে এক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬ কোটি ৬২ লাখ ৩০ হাজার ডলার। আর বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৭২ কোটি ৪৫ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫২ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০২০ সালে হুন্ডি বন্ধ থাকায় ব্যাংকিং চ্যানেলে সর্বোচ্চ সংখ্যক রেমিট্যান্স এসেছিল। বিদায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২ হাজার ১৬১ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স। এটি এ যাবতকালের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে করোনাকালীন ২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে।

 


আরও খবর

১০ হাজার পণ্যের দাম কমেছে আরব আমিরাতে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




২০২৬ সালের মধ্যে তিস্তা সংকট মিটে যাবে

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, আশা করি ২০২৬ সালের মধ্যে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে চলমান সংকট মিটে যাবে। কলকাতায় বাংলাদেশ উপদূতাবাস আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারত সরকারের নয়, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে তিস্তা। আলোচনা হয়েছে, ভারতের জাতীয় নির্বাচনের পর একটা সমাধানে পৌঁছাতে পারবো। তাদের সঙ্গে ২০২৬ সাল পর্যন্ত গঙ্গা চুক্তিও আছে। আশা করি এর মধ্যেই পানি চুক্তির সমাধান হবে।

তিস্তা চুক্তি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে বাংলাদেশের আলোচনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমাদের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বিজনেস করতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারের সঙ্গে বোঝাপড়া করবে।

অপর একটি প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ অংশে তিস্তার উপরে ব্যারেজ নিয়ে আলোচনা হয়নি, এটি নিয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করছি।

ভারতের সঙ্গে আমাদের খুব আত্মিক এবং উষ্ণ সম্পর্ক রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সেই সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

মিয়ানমার সীমান্তে দেশটির রক্ষীদের অনুপ্রবেশের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি সমাধানে কিভাবে একযোগে কাজ করা যায় এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কীভাবে ফেরত পাঠানো যায়, সেসব বিষয়েও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

ভারতের সঙ্গে ৪০ বছরের বেশি পুরোনো ছিটমহল সমস্যা যখন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে পেরেছি, টাঙ্গাইল শাড়ির সমস্যার সমাধানও হয়ে যাবে বলে জানান তিনি।

এসময় কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াসসহ মিশনের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডের তথ্য ভবনে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে এ কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনলাইন পত্রিকা ও নিউজ পোর্টালের জন্য সরকারি বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণে নীতিমালা থাকা দরকার। এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বর্তমান সরকারের সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় বর্তমান সরকারের সদিচ্ছা রয়েছে। বিগত দিনে যখন সামরিক শাসন ছিল ও সামরিক শাসন থেকে উদ্ভূত দল যখন এ দেশ শাসন করেছে এবং তাদের সাথে বিভিন্ন সময় যখন মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তি ছিল, সে সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার যে বাস্তবতা ছিল, সে জায়গা থেকে এখন আমরা কতটুকু এগিয়েছি, কতটুকু উন্নয়ন হয়েছে, সংখ্যাগত দিক থেকে এবং গুণগত দিক থেকে, এ তুলনামূলক বিষয়গুলো নিয়ে প্রকাশনা বের করতে হবে।

মতবিনিময়ে তিনি আরও বলেন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম দেশের মানুষের কাছে এবং বিশ্ববাসীর কাছে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। এখন প্রযুক্তি অনেক অগ্রসর হয়ে গেছে, মানুষের চিন্তাভাবনার পরিবর্তন এসেছে। এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে অধিদপ্তরের কাজে নতুন নতুন বিষয় সংযোজন করতে হবে।

ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন ১৯৭৩ প্রয়োজনবোধে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

সভায় উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স. ম. গোলাম কিবরিয়া, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. নিজামূল কবীর, বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা বেগমসহ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

 


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




একটি জীর্ন বিবস্র শহীদ মিনারের কান্না !!

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

মাসুম খান :ঢাকা থেকে মাত্র ৩০ কি:মি: দুরত্বে অবস্থিত মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার, টেঙ্গারচর ইউনিয়নের ১৩ নং টেংগারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার এটি।  এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক,শিক্ষকবৃন্দ ম্যানেজিং কমিটি,স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এলাকার বড় বড় রাজনৈতিক ব্যক্তিগন, সচেতন সমাজ কারোই কি এই বিবস্র শহীদ মিনারটি দেখে লজ্জা লাগে না? একটি সরকারি বিদ্যালয়ের পিছনে সরকার বছরে  ২০-২৫ লক্ষ টাকা খরচ  করে শিক্ষকদের বেতন-ভাতাদি,নির্মান সংস্কার,বই-পত্র,অবকাঠামো, শিক্ষা উপকরণ সহ বিভিন্ন খাতে। অথচ শহীদ মিনারের এই করুণ অবস্থা! এর দায় ভার কার?  প্রাথমিক শিক্ষাই হলো একজন মানুষের শিক্ষার মুল ভিত্তি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থেকে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা  আনুষ্ঠানিক শিক্ষা,ব্যক্তিগত,পারিবারিক,জাতীয়, আন্তর্জাতিক আচরণিক মূল্যবোধ, স্বদেশ প্রেম,মানবতাবোধ,পরিবেশ সচেতনতার,নান্দনিক সৌন্দর্য বোধের  মৌলিক  ভিত্তি অর্জন করে। মহান ২১ ফেব্রুয়ারী শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ২১ ফেব্রুয়ারী আমাদের  স্বাধীন জাতি সত্ত্বার শিকড়ের কথা,সংগ্রামের কথা মনে করিয়ে দেয়। শহীদ নিনার ভাষা শহীদদের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসার প্রতিক। এই অবহেলিত   শহীদ মিনার কোমল মতি শিশুদের কি শিক্ষা দেয়?  কেন এই অবহেলা? 

আমার জানামতে গজারিয়ায় প্রত্যেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুন্দর ভবন আছে। কিন্তু শহীদ মিনার নেই।

প্রতিটি স্কুলে নান্দনিক শহীদ মিনার বাধ্যতামূলক করা উচিত বলে আমি মনে করি। শহীদ মিনারে সারা বছর ব্যাপী বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠান হবে। ২১ ফেব্রুয়ারিতে সজ্জিত করা হবে যথাযথ মর্যাদা ঈ গাম্ভিয্যের সাথে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগন ৪০-২০ হাজার টাকা বেতন পান। অথচ সরকারি স্কুলে শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে, সবাই কিন্ডারগার্টেনে পড়তে যায়। ৬২ টি কিন্ডারগার্টেন আছে গজারিয়ায়। অথচ গজারিয়ায় ৮৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৭৮ টি ওয়ার্ডে। শহীদ মিনারের এই করুন দশা যেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ এবং শিক্ষার মানের প্রতিচ্ছবি। 

সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্ঠি আকর্ষণ করছি।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ধামরাইয়ে আবুল বাশার কৃষি কলেজে ছাত্র’র হাতে শিক্ষক লাঞ্চিত, আটক ৩

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার ):

ঢাকার ধামরাইয়ে রঘুনাথপুর  আবুল বাশার কৃষি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ কৃষিবিদ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের পুনর্বহাল দাবিতে চার শিক্ষার্থীর নেতৃত্বে কলেজে হামলা, পাঠদানে বাধা প্রদান ও শিক্ষকদের মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুইজন শিক্ষক গুরুতর আহত হয়েছে।

রোববার বেলা ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায়  হামলাকারী তিন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছ।

জানা গেছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয় ব্যয় হিসাব নিকাশ ও বিবিধ ঘটনা প্রবাহ নিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে মতানৈক্য হওয়ায় ১ জানুয়ারি রঘুনাথপুর আবুল বাশার কৃষি কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি কৃষিবিদ রওশনারার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম। পরে সিনিয়র সহকারী প্রভাষক কৃষিবিদ মোহাম্মদ নুরুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়।

এ ঘটনার পর থেকেই অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের অনুসারী কয়েকজন ছাত্র ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে মেনে নিতে নারাজ। পরে রোববার বেলা ৯ টার দিকে মোস্তফা কামাল, ইফতেখার আমিন ও রাব্বি হাসানের নেতৃত্বে কয়েকজন ছাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায় এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদানে বাধা প্রদান করে।

এ সময় শিক্ষকরা কারণ জানার জন্য তাদের দিকে এগিয়ে আসতে থাকলে হামলাকারী ওই ছাত্ররা শিক্ষকদের দিকে তেড়ে গিয়ে তাদেরকে মারধর করে। এতে কো-অর্ডিনেটর কৃষিবিদ মো. শামস উদ্দিন ও কম্পিউটার সাইন্সের শিক্ষক মো. মাহবুব আলম হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করেন ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সিরাজুল ইসলাম।


আটক তিন শিক্ষার্থী জানায়, আমরা আমাদের সেশন ফি ৫ হাজার টাকার স্থলে ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ  ও অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে পুনর্বহালের দাবি জানাই। আমরা শিক্ষকদের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হলে ক্লাস বন্ধের ঘোষণা দেই।

হামলার শিকার শিক্ষক মো. শামসুদ্দিন ও মাহবুব আলম বলেন, কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই হামলাকারী ওই ছাত্ররা কলেজে হামলা ও পাঠদানে বাধা প্রদান করে। আমরা এগিয়ে গিয়ে কারণ জানতে চাইলে তারা আমাদেরকেও মারধর করে।

এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কৃষিবিদ মো. নুরুল ইসলাম বলেন, কলেজের অধ্যক্ষ কৃষিবিদ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পরিষদের সভাপতি কৃষিবিদ রওশনারার কাছে দিলে রিজাইন লেটার জমা দিলে আমাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এতে সাবেক অধ্যক্ষ আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় এ হামলা পাঠদানে বাধা প্রদান ও শিক্ষকদের মারধরের ঘটনা ঘটেছে।

এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ কৃষিবিদ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষক মিলনায়তনে একজন শিক্ষক আমার উপস্থিতিতে টেবিল থাপড়িয়ে  কথা বলায় আমি কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি রওশনারার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেই। হামলার ঘটনায় আমার কোনো হাত নেই। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে আমার বিরুদ্ধে নানা ধরনের মিথ্যাচার করা হচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

আটককৃত ৩শিক্ষার্থীকে মুচলেকা দিয়ে ছারিয়ে নেন তাদের অভিভাবক।

এ ব্যাপারে ধামরাই থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম শেখ বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ চাইলে এ ব্যাপারে মামলা নেওয়া হবে।


আরও খবর