Logo
শিরোনাম

একজন শুভ্রদেব ও একুশে পদক প্রাপ্তি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

মনির চৌধুরী সঙ্গীত শিল্পী :

আমার সাথে শ্রদ্ধেয় শুভ্র দার পরিচয় সেই ১৯৯৫/৯৬ সাল থেকে (জেরিন আসগর) জেরিনা আপার বাসায় গান করা থেকে। তারপর টুটু আপার বাসায় সেই সময় শুভ্রদা অনেকবার আমার অনেক গান শুনেছেন। সেই পরিচয়ে শুভ্র দার বিয়ের মেয়ে দেখা অনুষ্ঠান হোটেল পূর্বাণীতে, সেখানে দাদা আমাকে ডাকেন গান গেতে। আমি যদি ভুল নাকরে থাকি, সেই অনুষ্ঠানে প্রয়াত প্রণব ঘোষ দাদা পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন। গান করেছি আমি, ক্লোজআপ ওয়ান তারকা বাঁধন ও পারভেজ। আমরা এই ৩ জনই গান করেছি। ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতের সব তারকারা উপস্থিত ছিলেন। তারপর দাদা আমাকে অনেক প্রগামে গান করার সুযোগ করে দিয়েছেন এবং এখনো দিচ্ছেন। যেটা নিয়ে আমি এতো ভুমিকা করেছি কেন সেটা এখনই পরিস্কার হবে। 

আমি যেহেতু গান করি সেহেতু আমি অনেক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পিছনে বা প্রতিষ্ঠান প্রধানের পিছনে মাসের পর মাস, কারো পিছনে ১ বছর ঘুরেছি আমার এ্যালবাম করার জন্য। আমি কারো নাম নিচ্ছি না। কিন্তু কেউই আমার গান রেকর্ড করেনি ও এ্যালবামও প্রকাশ  করেনি। বলাই বাহুল্য আমার কাছে তখন টাকা ছিল না যে আমি এ্যালবাম বের করবো। এখানে আমি বলবো আমার গানের শুরু আমার ইমিডিয়েট ভাই মাজহারুল ইসলামের (বর্তমানে র্প্রিন্সিপাল) হাত ধরে। তিনি আমাকে স্কুলে থাকা অবস্থায় হামদ- নাত শিখিয়ে দিয়ে প্রথম প্রতিযোগীতায় প্রথম হওয়ার পরএই আমার যাত্রা শুরু হলো। ২০০৩ সালে ধানমন্ডি সুরধুনীতে আমার আসা হলো হাসান জামাল আংকেল এর মাধ্যমে। উনি বাংলাদেশ বেতারে ডিডিজি ছিলেন। এই আংকেল আমাকে সুরধুনীতে ডা: খালেদা আন্টি সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। ২০০৫ সালে এটিএন তারকা রিয়ালিটি শোতে শুভ্র দা চেয়েছিলেন আমি ওই রিয়ালিটি শো তো অংশগ্রহণ করি, কিন্তু র্দূভাগ্য আমার ঐ শোতো অংশ নেয়া হয় নাই যে কোন কারনে। ২০০৬ খালেদা আন্টি ঠিক করলেন আমার একক সঙ্গীত অনুষ্ঠান করবেন। আমি আন্টিকে না বলেছিলাম কিন্তু উনি আমার অনুষ্ঠান করবেনই। কারন একটা অনুষ্ঠান করতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয় এজন্য না করেছিলাম। অনুষ্ঠানের তারিখ ঠিক হলো। আমি তখন শুভ্র দাকে বললাম দাদা আমার অনুষ্ঠানে আসবেন। দাদা সহ অনেক শিল্পীকে জাতীয় যাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে দাওয়াত দিয়েছিলাম। অনেকি এসেছিলেন সেখানে। দাদা অনুষ্ঠানে আসলেন এবং বক্তব্য রাখার সময় বললেন, সুরধনী আজকে যে শিল্পীকে নিয়ে অনুষ্ঠান করছেন আমি সুরধুনীর সবাইকে আমার অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাই। এবং দাদা এও বলেছিলেন, আমরা বলি এ স্টার ও স্টার আজকে আমি বলবো সত্যিকারের স্টার মনির চৌধুরী। সত্যিকারের স্টার ও ই যাকে নিয়ে সুরধুনী এতো বিশাল আয়োজন করেছে। আমি দাদার আমার মতো অধম ও বেগুন মানুষকে নিয়ে একথা আমি কোন দিনও ভুলবো না। আমাদের শিল্পী সমাজে আমার দেখা ২/৪  সেলিব্রিটি শিল্পী ছাড়া কাউকে দেখা যায়না নতুন কোন গানের মানুষকে সামনে তুলে ধরতে সাহায্য ও সহায়তা  করতে কোন কারন ছাড়া। আমি বলতে চাই, আপনার প্রতিভা আছে কিন্তু এই প্রতিভাটাকে সবার সামনে তুলে ধরার প্রয়াস কোন সেলিব্রিটি শিল্পী দেখায় কোন রকম সম্পর্ক ছাড়া এটা বিরল। যেটা দাদা আমার বেলায় দেখিয়েছেন। আমি ছোট বেলা থেকে শুনে আসছি, যে মানুষকে সম্মান করে মহান আল্লাহ নাকি তাকে সম্মানিত করেন। ওই একক অনুষ্ঠানের পর দাদাকে ধরে ডা: খালেদা আন্টি ও সুরধুনীর সবাই এটিএন এর চেয়ারম্যান জনাব মাহফুজুর রহমানকে দিয়ে আমার একক মৌলিক গানের এ্যালবাম "প্রিয়া তোমায় ভুলিনি" শিরোনামে সিডি ও ভিসিডি বের করার ব্যবস্থা করেন। সবকটি গান লিখেছেন শেখ রেজা শানু, সুর করেছেন শ্রদ্ধেয় মান্নান মোহাম্মদ।  

আমি প্রথমেই একটু বেশি ভুমিকা টেনেছি সঙ্গত  কারনে। আমি তো সারাজীবন দাদার অবদানের কথা বলবোই। আমার জানা মতে আরো অনেককে শিল্পী হওয়ার পথে সহায়তা করেছেন দাদা। জীবনে যিনি মানুষের মঙ্গল চান, যিনি পরোপকারী তিনি তো সম্মানিত হবেন এটাই স্বাভাবিক। আজ অবধিও দাদা আমার খোঁজ খবর রাখেন। করোনা মহামারীর সময়ও দাদা আমার খোঁজ খবর নিয়েছেন। অনেকেই দাদার একুশে পদক পাওয়া নিয়ে নেতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন আমি দেখছি, কিন্তু আমি বলবো শুভ্র দা মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন একজন শিল্পী। তাঁকে মহান আল্লাহ পাক সম্মানিত করেছেন। আপনার আমার হিংসা করে কোন লাভ নেই। আল্লাহ যাকে সম্মান দেন তাঁকে কেউ অসম্মান করা ঠিক না।

এবার আসি দাদার জনপ্রিয়তা নিয়ে কথা।

দাদা ৮০ দশক ও ৯০ দশকে যে গান উপহার দিয়েছেন এগুলো আমার বিবেচনায় সেরা। ইয়াং ছেলে মেয়ের কাছে দাদা কতো জনপ্রিয় তা শুধু আমরা জানি যারা সে সময় স্কুল ও কলেজে পড়েছি। কৃষ্ণ চুড়ায় ছায়ে ছায়ে, নীল চাঁদোয়া, আমি হেমিলনের সেই বাঁশিওয়ালা। এরকম অগণিত গান জনপ্রিয়। আহা! কি ক্রেজ দাদার। গীতিকার ও সুরকার হিসেবেও সফল দাদা। আন্তজার্তিক অঙ্গনে দাদার যে অবদান সেটা একটা ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে দাদার ক্যারিয়ারে। আমি তো উনার কোন অযোগ্যতা দেখিনা। কতো অযোগ্য লোক একুশে পদক পেয়েছে দেখলাম, তাদের বেলায় তো কারো কোন প্রতিবাদ দেখলাম না। ঔ সময় ভোলায় অভিজিৎ দা আমাকে বলতেন "ভোলার শুভ্র দেব" এটা আমার কানে এখনো বাজে।


আরও খবর



জাতীয় কবির ১২৫তম জন্মবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ |

Image

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী আজ ২৫ মে। ১৩০৬ বঙ্গাব্দের এই দিনে (১১ জ্যৈষ্ঠ) বর্ধমান জেলার আসানসোলের জামুরিয়া থানার চুরুলিয়া গ্রামে তিনি জন্মেছিলেন। তার ডাক নাম দুখু মিয়া। পিতার নাম কাজী ফকির আহমেদ ও মাতা জাহেদা খাতুন।

কাজী নজরুল ইসলাম চির প্রেমের কবি। তিনি যৌবনের দূত। তিনি প্রেম নিয়েছিলেন, প্রেম চেয়েছিলেন। মূলত তিনি বিদ্রোহী কিন্তু তার প্রেমিক রূপটিও প্রবাদপ্রতিম। তাই মানুষটি অনায়াসেই বলতে পারেন আমার আপনার চেয়ে আপন যে জন খুঁজি তারে আমি আপনায়। পৃথিবীতে এমন কয়জন আছেন যিনি প্রেমের টানে রক্তের সর্ম্পককে অস্বীকার করে পথে বেরিয়ে পড়তে পারেন?

বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও কাজী নজরুল ছিলেন একাধারে কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক ও অভিনেতা। তিনি বৈচিত্র্যময় অসংখ্য রাগ-রাগিনী সৃষ্টি করে বাংলা সঙ্গীত জগতকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। তার কবিতা, গান ও সাহিত্য কর্ম বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার পথিকৃৎ লেখক। তার লেখনি জাতীয় জীবনে অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিকাশে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। তার কবিতা ও গান মানুষকে যুগে যুগে শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ দেখিয়ে চলছে।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তার গান ও কবিতা ছিল প্রেরণার উৎস। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে সপরিবারে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বাংলাদেশে তার বসবাসের ব্যবস্থা করেন। ধানমন্ডিতে কবির জন্য একটি বাড়ি প্রদান করেন।

কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন।


আরও খবর



ভারতের ২ ব্র্যান্ডের মসলা বিক্রি নিষিদ্ধ করল নেপাল

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


সিঙ্গাপুর ও হংকংয়ের পর এবার ভারতের দুই ব্র্যান্ডের মসলা বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করল নেপাল। এভারেস্ট এবং এমডিএইচ ব্র্যান্ডের পণ্যগুলোতে ক্ষতিকারক রাসায়নিকের উপস্থিতি পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। খবর ইন্ডিয়া টুডে।


বার্তা সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, ওই দুই ব্র্যান্ডের মসলায় ইথিলিন অক্সাইডের মাত্রা যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষা করা শুরু করেছে নেপালের খাদ্য প্রযুক্তি ও গুণমান নিয়ন্ত্রণ বিভাগ। এই উপাদানটি মানবদেহে ক্যানসার সৃষ্টি করে।



নেপালের খাদ্য প্রযুক্তির মুখপাত্র মোহন কৃষ্ণ মহারজান এএনআইকে বলেন, ‘এভারেস্ট ও এমডিএইচ ব্র্যান্ডের মসলা আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আমরা এগুলো বাজারে বিক্রিও নিষিদ্ধ করেছি। মসলায় ক্ষতিকারক রাসায়নিকের উপস্থিতির খবরের পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’


তিনি আরও বলেন, ‘এই দুটি বিশেষ ব্র্যান্ডের মসলায় রাসায়নিকের উপস্থিতি যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষা চলছে। চূড়ান্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।’



এভারেস্ট ও এমডিএইচ ব্র্যান্ডের মসলা কয়েক দশক ধরেই ভারতের গৃহস্থালি পণ্য হিসেবে বেশ জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। এমনকি এগুলো মধ্যপ্রাচ্যসহ বেশ কয়েকটি দেশে রপ্তানিও করা হয়। নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়াতেও এই দুই ব্র্যান্ডের মশলাগুলো নিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।


নিউজিল্যান্ডের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রকের ভারপ্রাপ্ত উপ-মহাপরিচালক জেনি বিশপ রয়টার্সকে বলেন, ‘ইথিলিন অক্সাইড এমন একটি রাসায়নিক যা মানবদেহে ক্যানসার সৃষ্টি করে। 


খাদ্য জীবাণুমুক্ত করার কাজে এই রাসায়নিকের ব্যবহার নিউজিল্যান্ড ও অন্যান্য দেশে পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা হয়েছে। যেহেতু এমডিএইচ এবং এভারেস্ট ব্র্যান্ডের মসলা নিউজিল্যান্ডে পাওয়া যায় তাই আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি।’


গত এপ্রিলে হংকং খাদ্য নিরাপত্তা সংস্থা দুটি ব্র্যান্ডের চারটি মমলা পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এরপর সিঙ্গাপুরের ফুড এজেন্সিও (এসএফএ) ইথিলিন অক্সাইডের মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার কারণে এভারেস্টের ফিশ কারি মাসালা প্রত্যাহার করে।


ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অব ইন্ডিয়া (এফএসএসএআই) ইতোমধ্যে এমডিএইচ ও এভারেস্টের পণ্যের গুণমান পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে৷ প্রতিষ্ঠানটি হংকং ও সিঙ্গাপুরের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রকদের কাছ থেকেও বিস্তারিত জানতে চেয়েছে।






আরও খবর



রোহিঙ্গাদের অনিরাপদ স্থানে ফেরত পাঠানোর বিরুদ্ধে জাতিসংঘের অবস্থান দৃঢ়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

  ডিজিটাল ডেস্ক:


রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অনিরাপদ স্থানে ফেরত পাঠানোর বিরুদ্ধে জাতিসংঘের অবস্থান দৃঢ় বলে জানিয়েছেন সংস্থার মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডোজারিক। 


তিনি বলেন, শরণার্থীদের জোর করে 'নিরাপদ নয়' এমন জায়গায় ফেরত পাঠানোর বিরুদ্ধে আমরা দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিয়েছি।


রোহিঙ্গাদের ভারত থেকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠানোর অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে দায়ের করা আইনি প্রতিষ্ঠান গার্নিকা থার্টিসেভেনের অভিযোগ প্রসঙ্গে একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।



স্থানীয় সময় বুধবার (২৯ মে) প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছে যে, তারা আর কোনো রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিবে না। কর্তৃপক্ষ কি নতুন করে শরণার্থী নিতে সম্মত হয়েছে? 


ভারত জোরপূর্বক রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধ্য করছে বলে সম্প্রতি গার্নিকা থার্টিসেভেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে যে অভিযোগ দায়ের করেছে, সে বিষয়ে জাতিসংঘের মন্তব্য কী?


প্রশ্নের জবাবে স্টিফেন ডোজারিক আরও বলেন, এটুকু বলতে পারি, শরণার্থীদের জোর করে 'নিরাপদ নয়' এমন জায়গায় ফেরত পাঠানোর বিরুদ্ধে আমরা দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিয়েছি। শরণার্থীদের নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে স্বেচ্ছায় ঘরে ফেরার সুযোগ দিতে হবে।



তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ স্পষ্টতই একটি বিশাল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য অত্যন্ত উদার আশ্রয়দাতা হয়ে উঠছে। আমি মনে করি বাংলাদেশের স্থানীয় সম্প্রদায় অত্যন্ত উদার। আমরা আশা করি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সেখানে আমাদের মানবিক কার্যক্রমে সমর্থন অব্যাহত রাখবে।


আরও খবর



মুসলিম লিগের সভাপতির পদ ছাড়লেন শাহবাজ শরিফ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডিজিটাল ডেস্ক:

পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) সভাপতির পদ ছেড়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। গতকাল সোমবার তিনি এ পদ থেকে পদত্যাগ করেন। খবর জিও নিউজের।

পদ ছেড়ে দিয়ে শাহবাজ শরিফ বলেছেন, দলীয় প্রধান হিসেবে বড় ভাই ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঠিক অবস্থান বুঝে নেওয়ার সময় এসেছে।

পিএমএল-এন সভাপতির পদ ছাড়ার পর প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, দলের সভাপতি হিসেবে নওয়াজ শরিফকে তার যথাযথ জায়গায় ফেরার সময় এসেছে।

দলের একটি সূত্র জানায়, শাহবাজ শরিফ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সরকারি ব্যস্ততার কারণে দলীয় কাজে সময় দিতে পারছেন না। কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে দলটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করা হবে।

২০১৮ সালে কয়েকটি দুর্নীতির মামলায় নওয়াজকে কারাদণ্ড দেন পাকিস্তানের আদালত। আদালতের রায়ে দলীয় প্রধানের পদও হারান তিনি। কারণ পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি (সিজেপি) মিয়া সাকিব নিসারের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের একটি বেঞ্চ দেশটির সংবিধানের ৬২ ও ৬৩ অনুচ্ছেদের অনুযায়ী রায় দেন, অযোগ্য ব্যক্তি একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান হিসেবে কাজ করতে পারবেন না। 

চার বছর স্বেচ্ছানির্বাসনে থাকার পর গত অক্টোবরে দেশে ফেরেন নওয়াজ শরিফ। হাইকোর্টে সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর তিনি যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরেন। 

চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনের পর পাকিস্তান পিপলস পার্টিসহ (পিপিপি) কয়েকটি দলের সঙ্গে জোট সরকার গঠন করে নওয়াজের দল। 



আরও খবর



বিমানবন্দরে লাগেজের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দিলে লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:


নতুন কাস্টমস আইন-২০২৩ অনুসারে বিদেশ থেকে আসা কোনো যাত্রী নিজের লাগেজ সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিলে বা ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য আনলে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে। 



আর তার লাগেজে থাকা পণ্য রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে। এছাড়া, নিষিদ্ধ পণ্য নিয়ে এলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

কাস্টমসের নতুন আইন-২০২৩ অনুসারে এমন বিধান রাখা হয়েছে। আগামী ৬ জুন থেকে কার্যকর হচ্ছে ওই আইন।


গত ৩০ মে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের সই করা এক প্রজ্ঞাপন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।


কাস্টমস আইনের ১৫৪ ধারায় বলা আছে, বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের কাস্টমসের কাছে তার লাগেজ সম্পর্কে তথ্য দিতে হবে। যাত্রী বা ক্রু লাগেজে রক্ষিত পণ্য সম্পর্কে কাস্টমস কর্মকর্তার কাছে লিখিত বা মৌখিক ঘোষণা দিতে পারবেন এবং কাস্টমস কর্মকর্তার প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।



 লাগেজ তল্লাশির আগে যাত্রী যদি রক্ষিত পণ্য সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থ হন এবং তল্লাশিকালে ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কাস্টমস কর্মকর্তা সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা করতে পারবেন। তাছাড়া, সংশ্লিষ্ট পণ্য বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে।


প্রসঙ্গত, কাস্টমস আইন ১৯৬৯ অনুসারে, পণ্যের ক্ষেত্রে অসত্য ঘোষণা প্রদান করা হলে বা কোনও প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার অথবা ব্যর্থ হলে, সেক্ষেত্রে যাত্রীকে ওই পণ্য-মূল্যের অনধিক তিনগুণ পরিমাণ অর্থদণ্ডের বিধান ছিল।


এর আগে, গত বছরের ৩১ অক্টোবর জাতীয় সংসদে কাস্টমস আইন-২০২৩ পাস হয়। পুরোনো আইনে ২২৩টি ধারা ছিল। 


নতুন আইনে ২৬৯টি ধারা রয়েছে। রাজস্ব সংগ্রহ ও বাণিজ্য সহজীকরণের লক্ষ্যে বিশ্ব কাস্টমস সংস্থার (ডব্লিউসিও) অনুমোদিত আন্তর্জাতিক চুক্তি ও কনভেনশন অনুযায়ী এবং আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা, যেমন- অনুমোদিত অর্থনৈতিক অপারেটর (এইও), পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তি (এমআরএ), ইলেকট্রনিক ঘোষণা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, পোস্ট ক্লিয়ারেন্স অডিট (পিসিএ) ইত্যাদি নতুন আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


আরও খবর