Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

জোট গঠনের পথে নওয়াজ-বিলাওয়াল

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠন নিয়ে সংকট বাড়ছে। জোট সরকার গঠনে মরিয়া পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ। এদিকে কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক ই ইনসাফ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি আসনে জয়ী হলেও তাদের সরকার গঠনের বিষয়টি এখনও অন্ধকারে রয়েছে।

জোট সরকার গঠনের লক্ষ্যে রবিবার লাহোরে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এবং মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তান (এমকিউএম-পি) এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন নওয়াজ শরিফ।

পাকিস্তানে নির্বাচন-পরবর্তী অনিশ্চয়তার মধ্যে সরকার গঠন নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ চলছে। ডনের খবরে বলা হয়েছে, এর মধ্যে লাহোরে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সভায় তাদের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। তারা দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার স্বার্থে একযোগে কাজ করতে রাজি হয়েছেন বলে জানা গেছে।

বৈঠকের একটি সূত্র জানিয়েছে, পিপিপি এখনো সমঝোতার অংশ হিসেবে বিলওয়াল ভুট্টো জারদারিকে প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে আগ্রহী। কিন্তু পিএমএল-এন এই ছাড় দিতে রাজি নয়।

সূত্রটি জানিয়েছে, পিএমএল-এন সমঝোতার অংশ হিসেবে পিপিপিকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি, পার্লামেন্টের স্পিকার এবং সিনেটের চেয়ারম্যান পদ ছেড়ে দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।

পিপিপি রাজি হলে বিলওয়াল ভুট্টো জারদারি হতে পারেন রাষ্ট্রপতি। তিনি ইমরান খান সরকারের পতনের পর গঠিত শাহবাজ শরিফের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। খবরে বলা হয়েছে, পিপিপি পার্লামেন্টের স্পিকার পদে তাদের দলের রাজা পারভেজ আশরাফ কিংবা সৈয়দ ইউসুফ রাজা গিলানিকে চাচ্ছে।

সরকার গঠন প্রশ্নে পিপিপির কো-চেয়ারম্যান আসিফ জারদারি, পিপিপির চেয়ারম্যান বিলওয়াল ভুট্টো-জারদারি এবং শাহবাজ শরিফ আলোচনা করেন। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন আজম নাজির তারার, আয়াজ সাদিক, আহসান ইকবাল, রানা তানভির, খাজা সাদ রফিক, মালিক আহমদ খান, মরিয়ম আওরঙ্গজেব, শিজা ফাতিমা।

পিএমএলএন-পিপিপি জোট বাস্তবায়িত হলে পাঞ্জাবে পিপিপির সমর্থন পাবে পিএমএলএন। পিএমএলএন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রিত্ব পাবে। পিপিপি কয়েকটি মন্ত্রী পাবে। একইসাথে পিপিপি বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী পাবে। সূত্র জানিয়েছে, পিপিপি সেইসাথে বেলুচিস্তানের গভর্নর এবং স্পিকারের পদও চেয়েছে।

এদিকে পিটিআই অভিযোগ করেছে, তাদের কাছ থেকে ৫০টি আসন ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে এসব আসনে পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করা হলেও পরে অন্যদের জয়ী দেখানো হয়েছে। তারা দাবি করেছে, এই আসনগুলো এবং সেইসাথে সংরক্ষিত ৭০টি আসন থেকে তাদের হিস্যা দেয়া হলে তাদের মোট আসন হবে ১৭০। আর তাতে করে তারা একাই সরকার গঠন করতে পারে।

পিটিআইয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট লতিফ খোসা রোববার রাতে দাবি করেন, পিটিআই-সমর্থিত ৫০টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিজয় করে ফরম ৪৫ দেয়া হয়েছিল। এসব আসনে ওইসব প্রার্থী কয়েক হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিল।

কেন্দ্র, খাইবারপাখতুনখোয়া ও পাঞ্জাবে সরকার গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নেতা ইমরান খান। সরকার গঠন নিয়ে পিটিআই পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ও পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সঙ্গে আলোচনা করবে না বলে জানিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান গহর আলী খান। তিনি বলেন, আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনায় স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি না। তাদের সঙ্গে সরকার গঠনের আলাপ হবে না। দলের ম্যান্ডেট গ্রহণ না করলে বিরোধী দল গঠন করবে পিটিআই।

পাকিস্তানের নির্বাচনের ফল

পাকিস্তানে নির্বাচনের পর এখন পর্যন্ত আসন সংখ্যা অনুযায়ী ইমরান খানের পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্র সদস্য ৯৩ জন, পিএমএল-এন ৭৫, পিপিপি ৫৪, এমকিউএম ১৭, অন্যান্য স্বতন্ত্র ৯, পিএমএল ৩, আইপিপি ২, বিএনপি ২টি আসন পেয়েছে। এছাড়া একটি করে পেয়েছে পিএমএল-জেড, পিএনএপি, বিএপি, পিকেএমএপি, এনপি একটি করে আসন।

পাঞ্জাবে পিএমএলএন পেয়েছে ১৩৮টি আসন, পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্ররা পেয়েছে ১১৬টি, অন্যান্য স্বতন্ত্র ২২টি, পিপিপি ১০টি, পিএমএল ৭টি, টিএলপি ১টি।

সিন্ধুতে পিপিপি ৮৩টি, এমকিউএম ২৮টি, পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্র ১১টি, অন্যান্য স্বতন্ত্র ৩টি, জিডিএ ৩টি, জেআই ২টি।

খাইবার পাকতুনখাওয়ায় পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্র ৮৪টি, স্বতন্ত্র ৮টি, জেইউআইএফ ৭টি, পিএমএলএন ৫টি, পিপিটি ৪টি, জেআই২টি, পিটিআই-পি ২টি, এএনপি ১টি।

বেলুচিস্তানে পিপিপি ১১টি, পিএমএলএন ১০টি, জেইউআই-এফ ১০টি, স্বতন্ত্র ৫টি, বিএপি ৪টি, এনপি ৩টি, বিএনপি ২টি, এএনপি ২টি, এইচডিটি ১টি, জেআই ১টি, আরএইচ হক ১টি, বিএনটি-এ ১টি।


আরও খবর



নওগাঁয় পুকুর মালিক, ভিকু ও টাক্টরের মোট ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

নওগাঁয় পুকুর খনন করে পুকুর থেকে মাটি ও বালু তুলে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করার অপরাধে এস্কেভেটর (ভেকু) ব্যবসায়ী, পুকুর মালিক ও ট্যাক্টর চালকের মোট ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী দুপুরে নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার আবাদপুকুর মুন্সিপুর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে এ জরিমানা করেন রাণীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান।

তিনি জানান, রাণীনগর উপজেলার আবাদপুকুর মুন্সিপুর এলাকায় একটি পুকুর খনন করা হচ্ছিল। আইন অমান্য করে পুকুর মালিক, ভেকু ব্যবসায়ী ও ট্যাক্টর চালক যোগসাজসে ঐ পুকুর থেকে মাটি ও বালু তুলে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করছিলেন। এতে ট্যাক্টর থেকে পাকা সড়কে মাটি পড়ে সড়কের বেহাল দশা হচ্ছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় পুকুর মালিক ওমর আলীর ৫০ হাজার টাকা, ভেকু ব্যবসায়ী রনি'র ২০ হাজার টাকা ও ট্যাক্টর চালক সাদ্দাম এর ৫ হাজার টাকা মোট ৩ জনের ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি আরো জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ঐ পুকুর খনন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনুমতির বাহিরে তারা যদি পুকুর খনন করেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আড়াই বছর করে প্রধানমন্ত্রী’ শর্তে পাকিস্তানে গঠিত হতে পারে সরকার

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

পাকিস্তানে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় পরিষদের নির্বাচন হয়। এদিন ২৬৬ আসনের মধ্যে ২৬৫ আসনে নির্বাচন করেন শত শত প্রার্থী। নির্বাচন শেষে দেখা গেছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সর্বোচ্চ ৯৬টি আসন পেয়েছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৫টি আসন পেয়েছে নওয়াজ শরীফের পিএমএল-এন। আর তৃতীয় সর্বোচ্চ ৫৪টি আসন পেয়েছে বিলাওয়াল ভু্ট্টোর পিপিপি।

তবে ইমরান খানের দল সর্বোচ্চ আসন পেলেও; তাদের সরকার গঠনের সম্ভাবনা খুব একটা বেশি নেই। কারণ নওয়াজের পিএমএল-এন এবং বিলাওয়াল ভু্ট্টোর পিপিপি জোট সরকার গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে।

এর অংশ হিসেবে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এই দুই দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, পাকিস্তানকে বাঁচাতে দুই দলই সম্মত হয়েছে।

এরমধ্যে পাক সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, পিপিপি এবং পিএমএল-এনের নেতারা সরকার গঠনের ক্ষেত্রে ক্ষমতা ভাগাভাগির কথা ভাবছেন। এর অংশ হিসেবে সংবিধান অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরের জন্য তারা সরকার গঠন করবেন। এই পাঁচ বছরের মধ্যে আড়াই বছর করে পিএমএল-এন এবং পিপিপির প্রার্থী প্রধানমন্ত্রী থাকবেন।

এবারের নির্বাচনের আগে ধারণা করা হয়েছিল, নওয়াজ শরীফের দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে এবং তিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন। সেই চিন্তা থেকে চার বছর পর তাকে পাকিস্তানে ফিরিয়ে আনে সেনাবাহিনী। কিন্তু সেটি আর হয়নি।

এরপর যখন নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হওয়া শুরু করে তখন নওয়াজ শরীফ জানান তারা জোট গঠন করে সরকার গঠন করবেন। এরই অংশ হিসেবে পিপিপির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল তারা। তবে পিপিপির কাছ থেকে শর্ত দেওয়া হয়; জোট গঠন করে ক্ষমতায় আসতে চাইলে বিলাওয়াল ভুট্টোকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে। কিন্তু নওয়াজের দল এই শর্ত মেনে নেয়নি। পিপিপিকেও যখন বশে আনা যাচ্ছে না; তখন ক্ষমতা ভাগাভাগি করে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে দুই দল।

সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, ২০১৩ সালে বেলুচিস্তানে প্রাদেশিক সরকার গঠনের ক্ষেত্রে ন্যাশনাল পার্টির (এনপি) সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগি করেছিলেন নওয়াজ শরীফ। সেবার এমনই আড়াই বছর করে মুখ্যমন্ত্রী পদটি ভাগ করে নিয়েছিল দুই দল।

প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়াও পিপিপি এবং পিএমএল-এন অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিষদ আলোচনা করেছেন বলে জানা গেছে।

 


আরও খবর



চাকুরি দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ১১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

রেলওয়ের খালাসি পদে চাকরির প্রলোভন দিয়ে ১১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আব্বাস আলী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী আজিজুল হক নওগাঁর জেলা প্রশাসক সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করে প্রতিকার না পেয়ে অবশেষে নওগাঁ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার চাকরাইল গ্রামের মৃত জমির উদ্দীনের ছেলে আব্বাস আলী দেওয়ান এবং তার দুই সন্তান ডিএম আব্দুল ওয়াহাব পলাশ ও সাব্বির আহম্মেদ সাদি। ভুক্তভোগী আজিজুল হক নওগাঁ সদর উপজেলার বরুনকান্দি (স্কুলপাড়া) গ্রামের মৃত ঝরু মন্ডলের ছেলে। 

মামলা সুত্রে জানা যায়, আব্দুল ওয়াহাব পলাশ রেলওয়ের খালাসি হিসেবে পারবর্তীপুরে চাকুরি করেন। বড় ভাই পরিবার নিয়ে আজিজুল হকের বাসায় ভাড়া থাকার সুবাদে আজিজুর হকের সাথে পালাশের পরিবারের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সুযোগে পালাশ তার বাবা ও ভাইকে দিয়ে আজিজুল হকের ছেলে মেহেদী হাসানকে রেওয়ের খালাসী পদে চাকুরি দেওয়ার কথা বলে ১১ লাখ নেন। ভুক্তভোগী সরল বিশ্বাসে কোনো প্রমানপত্র ছাড়া তাকে ১১ লাখ টাকা দেন। টাকা নেওয়ার পর বেশ কিছুদিন পার হয়ে গেলে ছেলের আর চাকুরি হয় না। আজিজুল হক তার ছেলের চাকুরির জন্য পলাশ ও তার বাবার দ্বারে দ্বারে ঘুরে ছেলেকে চাকুরি দেন না, টাকাও ফেরত পান না। ছেলের চাকুরি ও টাকা কোনোটি ফেরত না পেয়ে ভুক্তভোগী আজিজুল বাবা ও ছেলে কাছ থেকে নন জুডিসিয়াল ট্যাম্প করে নেন। বাবা ও ছেলে আগামী এক মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য ট্যাম্পে অঙ্গিকার করেন। অঙ্গিকার করার পরে আব্বাস আলী আজিজুল হকের বিরুদ্ধে জোর করে স্ট্যাম্প করে নেওয়া হয়েছে বলে চাঁদাবাজি মামলা করেন। চাঁদাবাজি প্রমান করতে না পারায় মামলা আদালত থেকে বাতিল করা হয়েছে। আজিজুল হক নিরুপায় হয়ে বিভিন্ন দপ্তরে টাকা ফেরতের জন্য আবেদন করেন। অবশেষে আদালতে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ডিএম আব্দুল ওয়াহাব পলাশ ও তার ভাই সাব্বির আহম্মেদ সাদি জেল হাজতে আছেন।

এ ব্যাপারে চাকরী প্রার্থী মেহেদী হাসান অভিযোগ করে বলেন, পলাশ ও তার পরিবার সাথে আমাদের পরিবারে ভালো সম্পর্ক ছিলো। আমাদের জমি-জমা বিক্রি করে ১১ লাখ টাকা দেওয়া হয়। আমাদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়ে আমাদের পরিবারকে নিঃস্ব করে দিয়েছে। আমরা বিভিন্ন সময়ে এলাকার গণ্যমান্য লোকজনকে ধরে তাকে অনুরোধ করেও টাকা ফেরত পাচ্ছি না। এছাড়া কয়েক মাস পূর্বে টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প করে দেন পলাশ ও তার বাবা। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে পেরিয়ে গেলেও টাকাগুলো আর ফেরত দেননি তারা। ভুক্তভোগী আজিজুল হক দাবি করেন, পলাশ ও তার বাবা টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অঙ্গীকার করে স্ট্যাম্প করে দেন। তবে এখন টাকা না দিয়ে উল্টো আমাদেরকে জোর করে তার কাছে থেকে স্ট্যাম্প নেওয়া হয়েছে বলে ভুল তথ্য সরবরাহ করে টাকা নেওয়ার বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং আমাদের কিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা করেন। তবে সেই মামলা তিনি প্রমান করতে পারেনি। তিনি বলেন, বিভিন্ন দপ্তরের অফিযোগ করার পর বিষয়টি জেলা গোয়েন্দা স্ংস্থা তদন্ত করে ১১ লাখ টাকা নেওয়ার বিষয়টি প্রমান হয়েছে। তারপর তিনি টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন। তাই আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত পালাশ জেল হাজতে থাকায় তার বক্তব্য না পাওয়া গেলেও পালাশের পিতা আব্বাস আলী বলেন, চাকুরি দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সত্য নয়। মিথ্যা ও ভীত্তিহীন। তারা জোর করে আমাদের কাছ থেকে স্ট্যাম্প করে নিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আমার দুই ছেলেকে জেলে পাঠিয়েছেন। 


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




হাসপাতালে স্বাস্থ্য সেবায় জিরো টলারেন্স

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

রোকসানা মনোয়ার : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, দেশব্যাপী স্বাস্থ্যখাত নিয়ে সাম্প্রতিক কিছু ইস্যু নিয়ে কথা হচ্ছে। ঘটনাগুলো যেকোনো মানুষের মনকেই নাড়া দেবে। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে আমাকে শক্তহাতে উদ্যোগ নিতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী আমাকে এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স মেইনটেইন করতে বলেছেন। আমি দ্ব্যার্থহীনভাবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে চলবো।

আমি পরিস্কারভাবে বলতে চাই, বৈধ প্রাইভেট হাসপাতাল/ক্লিনিক/ ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো আমরা বন্ধ করতে চাই না, তবে এগুলো চালাতে হলে যতগুলো চিকিৎসক, নার্স প্রয়োজন তা থাকতে হবে; যা যা যন্ত্রপাতি থাকার কথা সেগুলো থাকা নিশ্চিত করতে হবে। সেটা করা না হলে, আমি কঠোর ব্যবস্থা নিতে জিরো টলারেন্স মেইনটেইন করবো। কোন অনুরোধ বা তদবিরেই এ সকল অবৈধ বা যন্ত্রপাতিহীন ক্লিনিক/ডায়াগনস্টিক সেন্টার সচল রাখা হবে না। আমরা এক মাসে প্রায় ১২২৭টি অবৈধ ক্লিনিক/ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করেছি, এখনও অভিযান চলমান আছে। এর সাথে আরো বলে রাখি, বৈধ স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত লোকবল ও যন্ত্রপাতি না থাকলে সেগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজ সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয়াদির উপর মিডিয়া ব্রিফ্রিংকালে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা সামন্ত লাল সেন।

ব্রিফ্রিংকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিডিয়াকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদানকালে জানান, আমি রোগীদের সুরক্ষা নিয়ে যেভাবে ভাবছি, একইভাবে আমি চিকিৎসকদের সুরক্ষা নিয়েও কাজ করছি। ভালো সেবা পেতে হলে ভালো চিকিৎসক লাগবে। ভালো সুযোগ-সবিধা না পেলে ভালো চিকিৎসক পাওয়াও মুশকিল হবে।

ব্রিফ্রিংকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অতীতে কী কী হয়েছে সেগুলো নিয়ে না ভেবে এখন থেকে কী কী করা হচ্ছে সেদিকে বেশি মনোযোগ দিতে মিডিয়া কর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানান। স্বাস্থ্যসেবার সঠিক মান একা কেউই শতভাগ ঠিক করতে পারবে না। এজন্য দায়িত্ব কেবল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একার নয়: স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নততর করতে চিকিৎসক, পুলিশ, সাংবাদিকসহ প্রত্যেককেই এগিয়ে আসতে হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রাজাপুরে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি প্রত্যাখ্যান করে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

হাসিবুর রহমান রাজাপুর প্রতিনিধি :

ঝালকাঠির রাজাপুরে সম্প্রতি কমিটি গঠিত রাজাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কমিটি প্রত্যাখ্যান করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি রাজাপুর উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে রাজাপুর সাংবাদিক ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির রাজাপুর উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ মহসিন উদ্দিন লিখিত বক্তব্য পাঠ অভিযোগ করেন, ২০১৪ সাল থেকে রাজাপুরে  বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ও প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজ নামে দুটি সংগঠন ছিল। ২০১৯ সালে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি রাজাপুর উপজেলা শাখার কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও কোন শিক্ষক এই সমিতির নেতৃত্বে না আসায় রাজাপুরের শিক্ষকদের নিয়ে এ সমিতির অধীনে একটি কাউন্সিল অধিবেশনের মাধ্যমে মহসিন উদ্দিনকে সভাপতি এবং আজাদ খানকে সেক্রেটারি নির্বাচিত করা হয়। অন্যদিকে একই সময়ে রাজাপুরে আরো একটি সহকারী ও একটি প্রধান শিক্ষক সমিতির সৃষ্টি হয় এবং তখন থেকেই শুরু হয় সাংগঠনিক বিরোধ। আমাদের পরিচালিত বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি- (৮০৮-৭৫, ১৯৬২-৬৩), সহকারী শিক্ষক সমাজ-(এস, ১২০৪৮) ও সহকারী শিক্ষক সমিতি-(১২০৬৮) নামে তিনটি সংগঠন সক্রিয় থাকে। সংসদ নির্বাচনের আগে রাজাপুরের তিন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আলাদাভাবে এমপি মহোদয়ের সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি সবাইকে একত্রিত হয়ে একটি কমিটি করে তার কাছে আসার জন্য নির্দেশ দেন। সংসদ নির্বাচনের কয়েকদিন পর বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি রাজাপুর উপজেলা শাখার অর্থ সম্পাদক রেজাউল করিম মাসুম ভাই তিন সংগঠনকে একত্রিত করার উদ্যেগ নিয়ে একটি তারিখ ঘোষণা করেন। ঐ তারিখে সহকারী শিক্ষক সমাজ (১২০৪৮) সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হলেও সহকারী শিক্ষক সমিতির (১২০৬৮) শিক্ষকরা আসেনি। কিছুদিন পর সহকারী শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ৭৩ নং পশ্চিম ইন্দ্রপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক ওয়ালিউর রহমান বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ও সহকারী শিক্ষক সমাজ এ দুই সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারী সমিতি ভবনে একটি মিটিংয়ের আয়োজন করে। মিটিংয়ে এমপি মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক সকল সংগঠনের সক্রিয় ও ত্যাগী শিক্ষকদেরকে নিয়ে একটি মাত্র কমিটি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী মিটিং হবে বলে তারিখ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু ৩ তারিখের ঐ সভাটি ছিল ষড়যন্ত্র ও উদ্দেশ্যমূলক। ঐ তারিখে মিটিং হওয়ার আগেই গোপনে একটি পকেট কমিটি করেছে সে বিষয় আমরা অবহিত ছিলাম না। আমরা বুঝতে পারলাম যে ৩ তারিখে কমিটি গঠনের যে মিটিং হয়েছিল সেটা ছিল শুধুমাত্র "আইওয়াশ”। আমাদের সাথে একত্রে প্রথম দফায় বৈঠক করার বিষয়টিকে তারা মাননীয় এমপি মহোদয়, সকল শিক্ষক ও সাধারনের কাছে প্রচার করেছে যে, তারা সব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একত্রিত হয়েছে, শিক্ষক নেতাদের মধ্যে আর কোন বিভেদ নেই। এহেন উদ্দেশ্যমূলক কাজটি করার ক্ষেত্রে তারা সকল সাধারন শিক্ষককে পক্ষে আনার জন্য মাননীয় এমপি মহোদয়ের নাম ব্যবহার করেছে এবং বলেছে আমরা রাজাপুরের সকল শিক্ষক একত্রে একটি কমিটি করতে যাচ্ছি। তাদের ডাকে কোন শিক্ষক যদি না আসতে চাইলে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। ১০ ফেব্রæয়ারি মিটিং করে একটি কমিটি করার কথা থাকলেও সেটা তারা উদ্দেশ্য মূলকভাবে করেনি। ১১ ফেব্রুয়ারি কোনো এক মাধ্যমে আমাদের হাতে আসে একটি পকেট কমিটির তালিকা। যে কমিটিতে সাংগঠনিক দূরদর্শিতাহীন, অসাংগঠনিক, শিক্ষক কল্যানে কাজ না করা এক প্রধান শিক্ষক কবির হোসেন কে সভাপতি ও সহকারী শিক্ষক ওয়ালিউল ইসলামকে সাধারন সম্পাদক করে রেজিস্ট্রেশন ও গঠনতন্ত্র বিহীন “রাজাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি" নামে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট একটি পকেট কমিটি গঠন করে। যে কমিটির কয়েকটি গুরুত্বহীন পদে আমাদের সমিতির কয়েকজনের নামও দেখা যায়, যা ঐ শিক্ষকরা জানে না। পকেট কমিটির তালিকা হাতে পাওয়ার পর বুঝতে পারলাম দেশের সবচেয়ে পুরাতন সংগঠন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, রাজাপুর শাখার নেতৃবৃন্দদের বাদ দিয়ে যখন এ কমিটি করা হয়েছে তখন ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা গিয়ে মাননীয় এমপিকে বিষয়টি অবহিত করি। পরবর্তীতে তারা ১৪ ফেব্রুয়ারি সমিতি ভবনে হঠাৎ একটি মিটিং আহবান করে পূবের করা পকেট কমিটির তালিকা অনুযায়ী কবির হোসেন নামে এমন এক প্রধান শিক্ষককে সভাপতি ও ওয়ালিউল ইসলামকে সাধারন সম্পাদক হিসেবে উপস্থিত শিক্ষকদের কমিটি প্রকাশ করে। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি রাজাপুর উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দদের বাদ দিয়ে একটি রেজিস্ট্রেশন বিহীন সমিতির পকেট কমিটি করায় স্পষ্টই প্রমান হলো যে, রাজাপুরের সকল প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠন একতাবদ্ধ হয়নি। রেজিস্ট্রেশন বিহীন পকেট কমিটির এহেন মিথ্যা কথা প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সাথে বুদ্ধিদাতা এক প্রধান শিক্ষকের বাসায় বসে গঠন করা পকেট কমিটি আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করলাম। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির রাজাপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এ.কে আজাদ, সিনিয়র সহ সভাপতি সমীর কুমার দাস, অর্থ সম্পাদক রেজাউল করিম মাসুম, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মাহে আলম মুন্সি, সহ সম্পাদক অহিদুজ্জামান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক উম্মে ফারজানা প্রমুখ।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪