Logo
শিরোনাম

যুক্তরাষ্ট্রের কথাও শুনছে না ইসরায়েল

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি চুক্তি করতে ইসরায়েলকে চাপ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এই চাপকে উপেক্ষা করেছে দখলদার ইসরায়েল।

শনিবার মিসরের রাজধানী কায়রোয় হামাসের একটি প্রতিনিধিদল যায়। সেখানে তারা যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করে। তবে হামাসের এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, কোনো ফলাফল ছাড়াই আলোচনা শেষ হয়েছে। কিন্তু এটি পুরোপুরি ভেস্তে যায়নি। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।

আরববিশ্ব ও ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র হামাসকে নিশ্চয়তা দিয়েছেযদি তারা ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে রাজি হয়, তাহলে গাজায় যুদ্ধের অবসান ঘটানো হবে।

এমন খবর প্রকাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করতে রাজি নয়।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম কান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, হামাসের সঙ্গে আলোচনার জন্য শনিবার মিসরের কায়রোয় ইসরায়েলকে প্রতিনিধিদল পাঠাতে চাপ দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু তাদের কথা শোনেননি। তিনি কায়রোয় প্রতিনিধিদল পাঠাতে অস্বীকৃতি জানান।

এদিন হামাসের এক কর্মকর্তা জানান, তারা ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ কার্যকরে রাজি হয়েছিলেন। মূলত যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধের নিশ্চয়তা দেওয়ার পর তারা এ ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছিলেন।

কিন্তু এরপর যখন ইসরায়েলের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, তারা যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধ করতে রাজি না, তখন হামাস জানায়, যুদ্ধ বন্ধ করা ছাড়া অন্য কোনো চুক্তিতে তারা রাজি হবে না।

ইসরায়েলের উগ্রপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গিভির এবং অর্থমন্ত্রী বাজায়েল স্মোরিচ হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির চুক্তি না করতে হুমকি দিয়েছেন। তারা সতর্কতা দিয়ে বলেছেন, রাফাহতে হামলা ছাড়া যদি যুদ্ধবিরতি করা হয়, তাহলে সরকার ভেঙে দেওয়া হবে।


আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের খুলনা-মোংলা রেলপথ চালু হচ্ছে আজ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:

বহুল কাঙ্ক্ষিত খুলনা-মোংলা রেলপথ চালু হচ্ছে আজ।


দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতি আরো সুগম করতে উদ্বোধনের সাত মাস পর খুলনা-মোংলা রেলপথ চালু হচ্ছে আজ শনিবার।


 বহুল কাঙ্ক্ষিত ৯১ কিলোমিটার রেলপথে সকাল ১১টায় যাত্রীবাহী ‘বেতনা এক্সপ্রেস’ ট্রেন খুলনার ফুলতলা হয়ে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবে। এই ট্রেন চলাচলের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠার ৭৩ বছর পর রেল যোগাযোগে যুক্ত হবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা।


 ২০২৩ সালের ১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়ালি এই রেলপথ উদ্বোধন করেন।


এর আগে ৩০ অক্টোবর ফুলতলা থেকে মোংলা পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চালানো হয়। স্থায়ী জনবল নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করে যাত্রী নিয়ে ট্রেন চালু করা হচ্ছে। 


এ বিষয়ে খুলনা থেকে মোংলা বন্দর রেললাইন প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ হোসেন মাসুমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘এ রেলপথে ‘বেতনা এক্সপ্রেস’ ট্রেন দিয়ে যাত্রা শুরু হচ্ছে। 


১ জুন সকাল ১১টা থেকে সোয়া ১১টার মধ্যে ‘বেতনা এক্সপ্রেস’ ফুলতলা দিয়ে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা করবে। এর মধ্য দিয়ে এ রেলপথে ট্রেন চলাচল উন্মুক্ত হবে।’


জানা গেছে, খুলনা থেকে যশোর হয়ে বেনাপোল পর্যন্ত চলাচল করে ‘বেতনা এক্সপ্রেস’ নামে একটি লোকাল ট্রেন। সেই ট্রেনটি বেনাপোল থেকে ফেরার পথে খুলনার ফুলতলা জংশন থেকে মোংলার দিকে যাত্রা করবে। তখন ফুলতলা থেকে মোংলা পর্যন্ত ট্রেনটি ‘মোংলা কমিউটার’ নাম ধারণ করে চলবে। 


নতুন এই রেলপথে ‘মোংলা কমিউটার’ নামে একটি ট্রেনই আপাতত চলাচল করবে। ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে মঙ্গলবার।


এদিকে খুলনা থেকে ভোর সোয়া ৬টায় ছেড়ে বেনাপোলে পৌঁছাবে সকাল সাড়ে ৮টায়। এরপর বেনাপোল থেকে ছেড়ে ফুলতলা হয়ে মোংলা পৌঁছাবে বেলা ১২টা ৩৫ মিনিটে।


 ফুলতলা থেকে যাওয়ার পথে ‘মোংলা কমিউটার’ মোহাম্মদনগর, কাটাখালী, চুলকাঠি বাজার রেল স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে। মোংলা থেকে বেলা ১টায় ট্রেনটি ছেড়ে বেনাপোল পৌঁছাবে সাড়ে ৪টায়।


খুলনা-মোংলা রেলপথ প্রকল্পটি নেওয়া হয় ২০১০ সালে। একই সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদনের পর ২০১৬ সালে এই প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। এরই মধ্যে খুলনা থেকে মোংলা পর্যন্ত ৯১ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। 


এছাড়া রূপসা নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে ৫.১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলসেতু। শেষ হয়েছে ১০৭টি ছোট ব্রিজ ও ৯টি আন্ডারপাস নির্মাণ। নির্মিত হয়েছে ১১টি স্টেশন। এই রেলপথের আট স্টেশন হলো— ফুলতলা, আড়ংঘাটা, মোহাম্মদনগর, দিগরাজ, কাটাখালী, চুলকাঠি, বাঘা ও মোংলা।


এ ব্যাপারে রেলপথমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এটা আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন মোংলা বন্দরকে রাজধানীর সঙ্গে যুক্ত করা। নানা জটিলতায় নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ ও উদ্বোধন করা না গেলেও এবার এই পথটি আমরা ১ জুন থেকে যাত্রী চলাচলের জন্য ওপেন করে দেব।


রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী জানান, নতুন এই রুটে ‘মোংলা কমিউটার’ নামে একটি ট্রেন চলাচল করবে। খুলনা থেকে যশোর হয়ে বেনাপোল পর্যন্ত চলাচল করে বেতনা এক্সপ্রেস নামে একটি লোকাল ট্রেন। 


সেই ট্রেনটি ফেরার পথে খুলনার ফুলতলা জংশন থেকে মোংলার দিকে যাত্রা করবে, তখন ফুলতলা থেকে মোংলা পর্যন্ত ট্রেনটি ‘মোংলা কমিউটার’ নাম ধারণ করে চলবে।


তিনি আরো জানান, ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন মঙ্গলবার। খুলনা থেকে ভোর সোয়া ৬টায় ছেড়ে বেনাপোলে পৌঁছাবে সকাল সাড়ে ৮টায়। বেনাপোল থেকে ছেড়ে মোংলা পৌঁছাবে বেলা ১২টা ৩৫ মিনিটে। ফুলতলা থেকে যাওয়ার পথে মোংলা কমিউটার মোহাম্মদনগর, কাটাখালী, চুলকাঠি বাজার রেল স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে।


 মোংলা থেকে বেলা ১টায় ছেড়ে বেনাপোল পৌঁছাবে সাড়ে ৪টায়। ভারত সরকারের ঋণসহায়তা চুক্তির আওতায় খুলনা-মোংলা রেল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান এল অ্যান্ড টি এবং ইরকন ইন্টারন্যাশনাল।


উল্লেখ্য, দেশের বৃহত্তম দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মোংলা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫০ সালের ১ ডিসেম্বর। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত মোংলা খুলনা শহর থেকে ৪৮ কিলোমিটার দক্ষিণে পশুর নদ ও মোংলা নদীর সংযোগস্থলে বন্দরের অবস্থান। 


সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই পথে ট্রেন চলাচল শুরু হলে এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরা মোংলা বন্দর দিয়ে দ্রুত কম খরচে মালামাল নিতে পারবেন। গতিশীল হবে মোংলার সঙ্গে যাতায়াত সুবিধা।




আরও খবর



স্বাস্থ্যখাতে রন্ধে রন্ধে দুর্নীতি, কেরানিও শতকোটি টাকার মালিক

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



আবুল খায়ের:


রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়েছে দুর্নীতি। এখন চারদিকে শুধুই দুর্নীতির খবর। কোটি টাকা না, শত কোটি, হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির খবর পাওয়া যাচ্ছে। কিভাবে এত টাকার মালিক হলেন তারা তা নিয়ে খুব বেশি অনুসন্ধানের কথা শোনা যায় না।


 আগে যেখানে এক কোটি টাকার কথা শুনলেও অনেকে চমকে উঠছেন, এখন সেখানে হাজার কোটি টাকার খবরেও কেউ অনুসন্ধান করছে না। সর্বশেষ নজরে এলো হোমিও প্যাথি ডাক্তার ডা. দিলিপ রায়ের দুর্নীতির খবর। কিভাবে তিনি এত টাকার মালিক হলেন সেটার অনুসন্ধান জরুরী। 


স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, ‘যে অভিযোগগুলো আসছে সেগুলো অবশ্যই খতিয়ে দেখা হবে। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা তালিকা করে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।’


সাবেক এক মন্ত্রীর প্রশ্রয়ে স্বাস্থ্যখাতে ঠিকাদার মিঠুর উত্থান হয়েছে। দেশের বাইরে তার হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ। নিম্নমানের যন্ত্রপাতি এবং অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানি করে তিনি হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে নিয়েছেন।


 তার বিরুদ্ধে নিউজ করতে গিয়ে হুমকিতে পড়তে হয়েছে সাংবাদিকদেরও। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীরও অনেক কর্মকর্তা তাকে প্রটেকশন দিয়েছেন। এরপর এলো ড্রাইভার মালেকের শত শত কোটি টাকার সম্পদের কথা। সাবেক একজন মহাপরিচালকের ড্রাইভার হিসেবে তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কেনাকাটাসহ সব সেক্টরেই তার হাত ছিল। 


একজন ড্রাইভার কিভাবে এত টাকার মালিক হলেন। এর পর এলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (পরিচালক) এডুকেশনে বিভাগে কেরানি আফজালের কাহিনী। কানাডায় তার বাড়ি আছে। কেরানি কিভাবে এত বিপুল বিত্তবৈভবের মালিক হলেন সেটাও এখনো অজানা। 


দুদকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছিলেন, ‘এসব দুর্নীতিবাজদের মূল নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠান হল সচিবালয়। সচিবালয় থেকে এগুলো বন্ধ করা না গেলে এদের কখনই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।’ ঠিক তাই হচ্ছে। স্বাস্থ্যের মতো সব জায়গায় দুর্নীতির বিশাল নেটওয়ার্ক। সবাই মিলেই গড়ে তুলেছে সিন্ডিকেট। 


যে দুর্নীতির ভাগ পায় সবাই। ফলে এখন মন্ত্রণালয়ও কারো বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে ব্যবস্থা নিতে পারছে না। গত নির্বাচনের আগে আমলা ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দুই শতাধিক ব্যক্তির দুর্নীতির তালিকা ছাপা হয়েছিল। কিন্তু কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে তারা এখন আরও বেশি বেপরোয়া। 


দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার জহিরুল হক বলেন, ‘আমরা নিজেরাও অনুসন্ধান করে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি। পাশাপাশি কারোর বিরুদ্ধে মিডিয়ায় খবর এলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আমরা তদন্ত করে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেবো। কাউকে ছাড় দেবো না।’


অথচ স্বাস্থ্য খাতে যাদের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাওয়া কথা সেই চিকিৎসকরাই বঞ্চিত হচ্ছেন। এখন হাসপাতালে অনেক শিক্ষকের পদ শূন্য। ছাত্ররা সুশিক্ষা থেকে বঞ্জিত হচ্ছে। শিক্ষকদের পদোন্নতি হচ্ছে না। মেধাবীরাও আসতে আগ্রহী হচ্ছেন না। 


একজন চিকিৎসকের চাকরি নেওয়ার পর অধ্যাপক হতে আর চাকরির বয়স থাকে না। দলবাজ না হলে পদোন্নতিও হয় না। পুরো স্বাস্থ্য খাতে যেন অশনি সংকেত। চিকিৎসকরাও কাজে উৎসাহ হারাচ্ছেন। জুনিয়রদের দিয়ে কাজ করাচ্ছেন অনেকে। ফলে রোগীরা সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছে না। 


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখানে দুর্নীতি দেখার কেউ নেই। সুযোগ সুবিধা না পেলে কেন তারা এই পেশায় থাকবেন? ফলে সামনের দিনে চিকিৎসা সেক্টরে ব্যাপক শূন্যতার সৃষ্টি হতে পারে।


বিএমএ মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক দুলাল বলেন, ‘আসলে দুর্নীতি এমন ভয়াবহ পর্যায়ে গেছে। যারা দুর্নীতি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে দুর্নীতি বেড়ে গেছে। অনেক বড় কর্মকর্তাও এর সঙ্গেও জড়িত। সবাইকে জবাবদিহিতার মধ্যে না আনা গেলে বা পেছনে যারা আছে তাদের খুঁজে বের করে জবাবদিহিতায় আনতে না পারলে দুর্নীতি বন্ধ করা যাবে না।’  


সর্বশেষ দুর্নীতির তথ্য সামনে এসে ডা. দিলীপ কুমার রায়ের। পনের বছরের ব্যবধানে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. দিলীপ কুমার রায়। রাজনীতির জাদুর ছোঁয়ায় তিনি হোমিও মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক থেকে হয়েছেন বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথী বোর্ডের চেয়ারম্যানও।


 রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারে সিদ্ধহস্ত দিলীপ কুমার রায় টানা পাঁচ মেয়াদে ১৫ বছর ধরে হোমিও বোর্ডের চেয়ারম্যান পদ দখলে রেখেও গড়েছেন রেকর্ড।


বোর্ডে দুর্নীতি হালাল করতে নীতিকে পাল্টে অনিয়মকেও তার ব্যক্তিগত নিয়মে পরিণত করেছেন। চা-পোষা হোমিও চিকিৎসক সেই দিলীপ কুমার এখন রাজনীতিতে বড় নেতা, স্বর্ণ, ডায়মন্ড, ইটভাটা, খাদ্য ও ওষুধের এক্সেসরিজের ব্যবসায়ীও। 


ফরিদপুরের বোয়ালমারী এলাকার ধোপা পরিবারের সন্তান দিলীপ কুমার এখন প্রতিষ্ঠিত এক স্বর্ণ ও হিরা ব্যবসায়ীর নাম। কারখানা গড়ে ব্যবসার প্রসার ঘটিয়েছেন খাদ্য, ওষুধ ও ওষুধের এক্সেসরিজ খাতেও। অথচ ৮০-এর দশকে হোমিওপ্যাথী মেডিকেল কলেজে ছিলেন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। 


পাশাপাশি হাঁটতেন রাজনৈতিক এক নেতার অনুসারী হয়ে। এরপর দিলীপ কুমারের উত্থান যত না আকাশচুম্বী ততই রহস্যে ঘেরা।


অথচ ২০১৫ সালের ৩০ জুন ডা. দিলীপ কুমার রায়কে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ অনুসন্ধান করেন দুদকের উপ-পরিচালক এসএম মফিদুল ইসলাম। তার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দিলীপ কুমার রায়কে অব্যাহতি দেয় কমিশন।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. দিলীপ কুমার রায় বলেছেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমি কোন কলেজে কাউকে চাকরি দিতে পারি না। এই চাকরি দেন ডিসিরা। সামনে আওয়ামী লীগের সম্মেলন আসছে। সে কারণে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।'


আরও খবর



নোয়াখালীতে যৌন হেনস্তার শিকার নোবিপ্রবির এক ছাত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ |

Image

মোঃ সিনান তালুকদার নোবিপ্রবি প্রতিনিধি :

নোয়াখালীতে রিকশাচালক কর্তৃক যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের এক ছাত্রীর। ভুক্তভোগী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের একজন আবাসিক শিক্ষার্থী। 

শুক্রবার (২৪ মে) সকাল ১০ টায় পৌর বাজারের পিছনে ল'ইয়ার্স কলোনী থেকে মেইন রোডে রিকশায় উঠে আসার সময় প্রভাতী স্কুল এলাকায় রিকশাচালক কর্তৃক ঐ শিক্ষার্থী যৌন হেনস্তার শিকার হয় বলে জানা যায়। 

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর তথ্যমতে জানা যায়, গতকাল আনুমানিক সকাল দশটায় বান্ধবীর বাসা থেকে হলে আসার উদ্দেশ্যে বাসার সামনে থেকে একটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশায় উঠে। উঠার সময় রিকশা চালককে  স্বাভাবিক মনে হলেও প্রভাতি স্কুল থেকে কিছু দূর সামনে আসার পর একটি ব্যাটমিন্টান কোর্ট এর সামনে রিকশা চালক হঠাৎ করে তার রিকশাটি থামায়। জায়গাটি তখন নিরিবিলি ছিল। রিকশাচালক রিক্সায় সমস্যা হয়েছে বলে জানায় এবং রিক্সা থেকে নেমে তাকে সাহায্য করতে বলে। ঐ রিকশাচালক পেছনের চাকার কাছে বসে এসময় পা দিয়ে রিক্সার সাইড এ চাপ দিতে ঐ শিক্ষার্থীকে অনুরোধ জানায়।

ভুক্তভোগী রিকশাচালকের দেখানো জায়গায় পা দিয়ে চাপ দিলে রিকশাচালক এতে কাজ হচ্ছে না বলে জানান। পরে তাকে জুতা খুলে চাপ দিতে অনুরোধ করে। পরবর্তীতে ঐ শিক্ষার্থী জুতা খুলে চাপ দিলে একটু পর রিকশাচালক তার হাত দিয়ে পা ধরে এদিক ওদিক করতে থাকে এবং বলতে থাকে আপু একটু কষ্ট করে পা এদিকে নেন ওদিকে নেন। কিন্তু তখনো ভুক্তভোগী ঐ শিক্ষার্থী কিছু বুঝতে পারেননি। পরে ঐ শিক্ষার্থী বুঝতে পারেন রিকশাচালক তার পায়ের মধ্যাঙ্গুল মুখে ঢুকাচ্ছেন। বৃদ্ধা আঙ্গুল মুখে ঢুকানোর চেষ্টা করতে নিলে সাথে সাথে পা সরিয়ে নেন ভুক্তভোগী এবং রিক্সা থেকে নামতে চাইলে রিক্সা চালক তৎক্ষনাৎ রিক্সায় উঠে রিক্সা চালানো শুরু করে দেয়।

এসময় ভয়ে ভুক্তভোগী কি করবে বুঝে উঠতে না পেরে এক পর্যায়ে বড় মসজিদ মোড় এলাকায় রিকশাটি এলে দ্রুত নেমে গিয়ে আতঙ্কিত অবস্থায় হলে চলে আসেন। হলে আসার পর থেকে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন ঐ শিক্ষার্থী।

এদিকে এ ঘটনায় জড়িত রিকশাচালককে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের নিকট অনুরোধ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এসব ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে। সেই যেই হোক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে বা বাইরে। আমার শিক্ষার্থী যৌন হেনস্তার শিকার হবে আর আমরা বসে থাকবো প্রশ্নই আসে না। অভিযোগ এলে আমরা সর্বোচ্চ যতটুকু ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার তা করবো।


আরও খবর



ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল রিপোর্ট:


ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল এ স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প।  রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৬। তবে এখন পর্যন্ত কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।


বুধবার (২৯ মে) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠে বিভিন্ন এলাকা।

আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, এই ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল মিয়ানমার।এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার দিকে ভূমিকম্প হয়েছিল। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৬।



 


আরও খবর



সাঁতার প্রতিযোগিতায় রেকর্ড সৃষ্টিকরলেন গজারিয়ার মেয়ে মাইশা

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

সাইফ পাওয়ারটেক ৩৬তম জাতীয় বয়সভিত্তিক সাঁতার ও ডাইভিং প্রতিযোগিতা ১০০মিটার ব্যাক ষ্ট্রোক নতুন  জাতীয় রেকর্ড সৃষ্টিকরলেন মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায়  মেয়ে ফাতিহা মাহতাব মাইশা


সাইফ পাওয়ারটেক ৩৬তম জাতীয় বয়সভিত্তিক সাঁতার ও 

ডাইভিং প্রতিযোগিতা-২০২৪ ও  ১০০মিটার ব্যাক ষ্ট্রোক নতুন  জাতীয় রেকর্ড সৃষ্টিকরলেন মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায়  মেয়ে ফাতিহা মাহতাব মাইশা,  রসুলপুর    

গ্রামের তার জন্ম, পিতাঃ মুহম্মদ মাহতাব উদ্দিন মাসুম(সংগীত শিক্ষক,কন্ঠ শিল্পী বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন)  মাতাঃসামছুন নাহার পপি। গত ২০১০ সালে মোসাঃ নাজমা খাতুন বাংলাদেশ আনসার থেকে ১.২০.৭৭ সেকেন্ড তার রেকর্ড ছিল।  আজ ২৫.০৫.২০২৪ সালে সে রেকর্ড ভেঙে ১.২০:০৬ সেকেন্ড নুতুন জাতীয় রেকর্ড সৃষ্টি করলেন মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার মেয়ে ফাতিহা মাহতাব মাইশা।পুরস্কার তুলে দিচ্ছেন নৌবাহিনীর প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান।

মাইশার  কৃতিত্ব অর্জনে গজারিয়া উপজেলার সম্মান আলোকিত করায় বাবা সংগীতশিল্পী মাহতাব উদ্দিন মাসুম দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।


আরও খবর