Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

মা হলেন বিশাপা বসু

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

বলিউড পাড়ায় বইছে সুসংবাদের বাতাস। আলিয়া-রণবীরের কন্যা সন্তান জন্মের ঠিক ছয় দিনের মাথায় এবার কন্যা সন্তানের বাবা-মা হলেন বলিউডের আরেক সুপারস্টার দম্পতি করণ সিংহ -বিশাপা বসু।

১২ নভেম্বর মুম্বাইয়ের খারের হিন্দুজা হাসপাতালে কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিপাশা বসু।

চলতি বছরের আগস্ট মাসে বিপাশা-করণ দম্পতি জানান, তাদের ঘরে নতুন অতিথি আসছে। বিপাশা বসু এরপর বিভিন্ন ফটোশুটের মাধ্যমে ভক্তদের সামনে নিজেকে উপস্থাপন করেন। বিপাশা বসু ৪৩ বছরে মা হয়েছেন এই খবরে ভীষণ আনন্দিত তার ভক্তরা।

বিপাশার মা হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভক্তরা প্রিয় তারকাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপাশার বেবি বাম্পের ছবি রীতিমতো ভাইরাল হয়।

এ ছবি নিয়ে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনা হয়। কিন্তু বিপাশা ও করণ ভক্তরা এটিকে ইতিবাচকভাবেই নিয়েছেন।

বিপাশা বসু ও করণ সিং গ্রোভার বলিউডের অন্যতম আলোচিত দম্পতি। তাদের ব্যক্তিজীবন নিয়েও সিনমোপ্রেমীদের মাঝে তুমুল আগ্রহ রয়েছে। ২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল মুম্বাইয়ে সাত পাকে বাঁধা পড়েন দুই তারকা।


আরও খবর



খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় আজ বিএনপির দোয়া মাহফিল

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করে আজ রোববার (২৩ জুন) ঢাকাসহ সারা দেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করছে বিএনপি।



 গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।



রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আপনারা জানেন ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) এভার কেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। আমাদের দলের নেতাকর্মীরা সবাই এখন খুবই দুঃখিত। আমরা সব সময় তার সুস্থতার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি।’



রিজভী বলেন, খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে মহানগর ও জেলা বিএনপি দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করবে। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হবে। 


কর্মসূচিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা অংশ নেবেন।



এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই নেতা অভিযোগ করে বলেন, ‘খালেদা জিয়ার প্রতি সরকার অমানবিক আচরণ করছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে না দিয়ে বর্তমান সরকার বিএনপি প্রধানের মানবাধিকার হরণ করছে। 


দেশে যদি আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা থাকবে, এমন একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সরকার থাকত, তাহলে এমনটি হতো না।’



বেগম খালেদা জিয়া শুক্রবার দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবন ‘ফিরোজায়’ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে এভার কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাকে দ্রুত সিসিইউতে ভর্তি করা হয়, যেখানে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু করা হয়।




বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান অবস্থা ও চিকিৎসা নিয়ে কয়েক দফা বৈঠক করেছেন।


৭৯ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস এবং কিডনি, ফুসফুস, হার্ট এবং চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। ২০২০ সালে শর্তসাপেক্ষে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বাধীন মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে বারবার হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।



২০২১ সালের নভেম্বরে খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস ধরা পড়ার পর থেকে তার চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে পাঠানোর পরামর্শ দিয়ে আসছিলেন।


গত বছরের ২৬ অক্টোবর খালেদা জিয়ার পেট ও বুকে পানি জমে যাওয়া ও লিভারে রক্তক্ষরণ বন্ধে ট্রান্সজুগুলার ইন্ট্রাহেপ্যাটিক পোর্টোসিস্টেমিক শান্ট (টিআইপিএস পদ্ধতি) নামে পরিচিত হেপাটিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন যুক্তরাষ্ট্রের তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।





আরও খবর



জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট পাস

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:


সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট পাস হয়েছে।



 রোববার (৩০ জুন) স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে এ বাজেট কণ্ঠভোটে পাস হয়, যা কার্যকর হবে আগামী ১ জুলাই থেকে। এর আগে রাষ্ট্রপতির সম্মতিসাপেক্ষে নির্দিষ্টকরণ আইন গেজেট আকারে প্রকাশিত হবে।



শনিবার বিকেলে সংসদে অর্থ বিল উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এবং পরে সেটি সংসদে পাস হয়।



অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী গত ৬ জুন জাতীয় সংসদে ‘টেকসই উন্নয়নের পরিক্রমায় স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্নযাত্রা’ স্লোগান সম্বলিত এ বাজেট পেশ করেন।


আজ বাজেট পাসের প্রক্রিয়ায় মন্ত্রীরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ব্যয় নির্বাহের যৌক্তিকতা তুলে ধরে মোট ৫৯টি মঞ্জুরি দাবি সংসদে উত্থাপন করেন। এই মঞ্জুরি দাবিগুলো সংসদে কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়।



এসব মঞ্জুরি দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে বিরোধীদলের ছয়জন সংসদ সদস্য মোট ২৫১টি ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এর মধ্যে আইন ও বিচার বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় খাতে তিনটি মঞ্জুরি দাবিতে আনীত ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর স্বতন্ত্র ও বিরোধী দলের সদস্যরা আলোচনা করেন। পরে কণ্ঠভোটে ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো নাকচ হয়ে যায়।


ছাঁটাই প্রস্তাবে আলোচনা করেন জাতীয় পার্টির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, স্বতন্ত্র সদস্য হামিদুল হক খন্দকার, পংকজ নাথ, আবুল কালাম ও নাসের শাহরিয়ার জাহেদী। এরপর সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে নির্দিষ্টকরণ বিল-২০২৪ পাসের মাধ্যমে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করেন।


এর আগে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটের ওপর বক্তব্য রাখেন। বাজেটের ওপর প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা ও অর্থমন্ত্রীসহ ২৩৬ এমপি বক্তব্য রাখেন। গত ১১ জুন থেকে আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র এমপিরা।


বাজেটে ব্যক্তির সর্বোচ্চ করহার ৩০ শতাংশ প্রস্তাব করা হলেও সংসদ তা গ্রহণ করেনি। এর পরিবর্তে সর্বোচ্চ কর বিদ্যমান ২৫ শতাংশই বহাল থাকছে। বাজেট প্রস্তাবে অর্থমন্ত্রী করহারের ধাপে কিছুটা পরিবর্তন এনে সর্বোচ্চ করহার ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করেছিলেন।


২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট দেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এ বাজেটে অনুদান ছাড়া ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। গত ৬ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। অর্থমন্ত্রী হিসেবে আবুল হাসান মাহমুদ আলীর এটা প্রথম বাজেট।


মূল্যস্ফীতি কমিয়ে বড় প্রবৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করে যে বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী অনুদান ছাড়া ঘাটতি ধরা হয় ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। অনুদানসহ সামগ্রিক ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এছাড়া ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা অনুদান পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।


এই ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করা হবে ৩৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এতে নিট বৈদেশিক ঋণ দাঁড়াবে ৯০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।


আর অভ্যন্তরীণ ঋণ নেওয়া হবে ১ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি, যার ৭২ হাজার ৬৮২ কোটি টাকা দীর্ঘমেয়াদি ঋণ এবং ৬৪ হাজার ৮১৮ কোটি টাকা স্বল্পমেয়াদি ঋণ। ব্যাংকবহির্ভূত ঋণ নেওয়া হবে ২৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ১৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।


বাজেটে ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ ৯৩ হাজার কোটি টাকা। আর বৈদেশিক ঋণের সুদ ২০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।


এবার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। এনবিআরবহির্ভূত কর ধরা হয়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকা। আর কর ব্যতীত প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৬ হাজার কোটি টাকা।


বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৬ হাজার ৯৭১ কোটি টাকা। পরিচালন ব্যয়ের মধ্যে আবর্তক ব্যয় ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা। আর দেশি-বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধ ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এবার মূলধন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৭ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা।


বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৮১ হাজার ৪৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে স্কিমে ব্যয় হবে ৫ হাজার ৯৪৩ কোটি টাকা। এডিপিবহির্ভূত বিশেষ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৬২৭ কোটি টাকা।



 বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। আর কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (এডিপিবহির্ভূত) ও স্থানান্তরে ২ হাজার ৮৮৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




জেনারেল আজিজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যা জানালেন পেন্টাগন

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস আন্তর্জাতিক ডেস্ক:


দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে গত মে মাসে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।


 নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে পেন্টাগন। মঙ্গলবার (২৫ জুন) মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদরদপ্তর বলছে, জেনারেল আজিজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা গণতন্ত্র এবং আইনের শাসনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।



ব্রিফিংয়ে প্যাটের কাছে এক সাংবাদিক জানতে চান, ‘পেন্টাগন কীভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে তার সামরিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব নির্দেশ করছে। কারণ বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজকে তার উল্লেখযোগ্য দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র তার ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।



 মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার লঙ্ঘনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ভুল পথে এগোচ্ছে। পুলিশ এবং র‌্যাবের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এরইমধ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।



 এছাড়া বর্তমান সরকার যেকোনো উপায়ে ক্ষমতা ধরে রাখতে নিরাপত্তা বাহিনীকে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে পেন্টাগন কী ভাবছে আমি কী তা জানতে পারি?’


এমন প্রশ্নের জবাবে পেন্টাগন মুখপাত্র বলেন, ‘হ্যাঁ- প্রশ্ন করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আজকের ব্রিফিং কক্ষে আপনাকে স্বাগতম। আপনি যেমন জানেন বা আপনি যে বিষয়টি উল্লেখ করলেন যে, স্টেট ডিপার্টমেন্ট জেনারেল আজিজ আহমেদের ওপর দুর্নীতির অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। 



এটি গত মে মাসে করা হয়েছিল। মূলত বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং আইনের শাসনকে মজবুত করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র তার প্রতিশ্রুতিকে নিশ্চিত করেছে এবং পেন্টগন বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী যেকোনো কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করে।’


তিনি বলেন, আমি এ কথা বলে শেষ করতে চাই যে, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশের একই স্বার্থ ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে অংশীদারিত্ব বজায় রয়েছে।


 বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল, সমুদ্রসীমা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোতে আমরা একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় রাখি।


আরও খবর



সরকার দাবি মেনে নিলে শ্রেণী কক্ষে ফিরে যাবো অন্যথায় নয়- সম্পাদক বশির

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

মোঃ ছিপু মোল্যা - বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি::

সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে শিক্ষকরা শ্রেণীকক্ষে ফিরবেন নাকি ফিরবেন না। সরকার যদি এই সপ্তাহে আমাদের দাবিগুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখেন তাহলে হয়তো আমরা আগামী সপ্তাহ থেকে শ্রেণীকক্ষে ফিরে যাব। আর যদি সরকার গুরুত্ব না দেন তাহলে আমাদের চলমান কর্মবিরতি অব্যহত থাকবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে  এমনটাই বলেছেন গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(বশেমুরবিপ্রবি) শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. বশির উদ্দীন। 

রবিবার(১৪জুলাই) সর্বাত্মক কর্মবিরতির দশম দিন পালন করেন বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও বিভাগীয় সভাপতিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কর্মবিরতি শেষে দৈনিক BD Today's এর সাথে কথা বলেন শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. বশির উদ্দীন। 

শিক্ষকদের কর্মবিরতি আর কতদিন নাগাদ চলতে পারে? এমন প্রশ্নের উত্তরে BD Today's  কে তিনি বলেন, সরকার পক্ষের সাথে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন আলোচনা করেছে। তাদের কাছে তিন দফা দাবি পেশ করা হয়েছে। কিন্তু দাবির বিষয়ে আশানুরূপ কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি। সেজন্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি চলমান রাখার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। 

তিনি বলেন, সরকার যদি আমাদের তিন দফা দাবি মেনে নেয় তবে আমরা শ্রেণী কক্ষে ফিরে যাব।অন্যথায় শ্রেণী কক্ষে ফিরে যাওয়া সম্ভব না। হয়তো এই সপ্তাহে দাবি মেনে নিলে পরের সপ্তাহে আমরা শ্রেণীকক্ষে ফিরে যেতে পারি। অথবা দাবি মেনে না নিলে অনির্দিষ্টকালের জন্য পূর্বের সর্বাত্মক কর্মবিরতি চলমান থাকবে।

ইউজিসি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গত বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) ইউজিসি সচিব ফেরদৌস জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। নির্দেশনায় বলা হয়, দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রক্টর ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ তাদের শিক্ষার্থীদেরকে স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে নিয়ে শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করবেন এই মর্মে আদালত আশা করে। এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে বশির বলেন, ওনারা বললেইতো আর হবেনা। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটি অনুযায়ী আসলে শ্রেণী কক্ষে ফিরে যাওয়ার মত পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ১জুলাই থেকে তিন দফা দাবি নিয়ে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে নেমেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। তিন দফা দাবি পূরন না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকরা শ্রেণী কক্ষে ফিরবেনা। এমনটাই দাবি করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। এই দাবির সাথে একাত্মতা পোষণ করে সর্বাত্মা কর্মবিরতিতে নেমেছে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি ও।


আরও খবর



দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৬.৮১ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

প্রথমবারের মতো নিট আন্তর্জাতিক রিজার্ভের (এনআইআর) হিসাব প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তাদের তথ্য মতে, দেশের রিজার্ভের পরিমাণ আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। চলতি বছরের ৩০ জুন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৬.৮১ বিলিয়ন ডলারে।বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত জুন শেষে আইএমএফ স্বীকৃত বিপিএম৬ অনুযায়ী নিট রিজার্ভ ১৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি। তবে প্রকৃত পরিমাণ কতো তা স্পষ্ট করেননি।

চলতি বছরের ২৭ জুন পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ২৭.১৫ বিলিয়ন ডলার। তবে ৩০ জুন শেষে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৬.৮১ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র ৩ দিনে দেশের রিজার্ভ কমেছে ০.৩৪ বিলিয়ন ডলার।

তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্য অনুযায়ী এ রিজার্ভের পরিমাণ আরও কম।

আইএমএফ বলছে, ৩০ জুন পর্যন্ত দেশের রিজার্ভ ২১.৮৩ বিলিয়ন ডলার। সাধারণত সংস্থাটি রিজার্ভ থেকে কোনো ঋণের দায় বা অন্য সংস্থাকে ঋণ দেওয়া অর্থকে রিজার্ভ হিসাবে বিবেচনা করে না।

এর আগে, গত ২৭ জুন রিজার্ভে আইএমএফ থেকে ১.১৫ বিলিয়ন বা ১১৫ কোটি ডলার ছাড়াও কোরিয়া, আইবিআরডি ও আইডিবি থেকে আরও ৯০০ মিলিয়ন বা ৯০ কোটি ডলার যোগ হয়েছিল। যার জন্য সবমিলিয়ে দেশের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল ২৭.১৫ বিলিয়ন ডলারে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমতে থাকায় গত বছরের ৩০ জানুয়ারি আইএমএফের সঙ্গে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি করে বাংলাদেশ। এর তিনদিন পর প্রথম কিস্তিতে ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ৭০ হাজার ডলার ছাড় করে সংস্থাটি। এরপর গত ১৬ ডিসেম্বর আসে দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ২০ লাখ ডলার।

২০২৬ সাল পর্যন্ত মোট সাতটি কিস্তিতে ঋণের পুরো অর্থ ছাড় করার কথা রয়েছে। দ্বিতীয় কিস্তির পরবর্তীগুলোতে সমান অর্থ থাকার কথা থাকলেও রিজার্ভ আরও কমে যাওয়ায় তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তিতে বেশি অর্থ চায় বাংলাদেশ। বেশ কিছু কঠিন শর্তের বাস্তবায়ন ও আগামীতে আরও বড় সংস্কার কার্যক্রমের প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় সংস্থাটি তৃতীয় কিস্তিতে ৬৮ কোটি ডলারের পরিবর্তে ১১৫ কোটি ডলার অনুমোদন করেছে।

আইএমএফের দেওয়া ঋণের একটি অংশ জলবায়ু তহবিলের, যা বাংলাদেশকেই প্রথম দেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকুক, তা চায় সংস্থাটি। এজন্য চতুর্থ কিস্তির জন্য জুন শেষে নিট রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা ৫.৩৪ বিলিয়ন ডলার কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪.৭৬ বিলিয়ন ডলার।


আরও খবর